স্মার্টফোন বান্ডেল অফার নিয়ে এলো রবি

    বিশ্বের অন্যতম স্মার্টফোন নির্মাতা হুয়াওয়ের সাথে সম্প্রতি বিভিন্ন দামের ও মডেলের স্মার্টফোনের সাথে বান্ডেল অফার এনেছে মোবাইল ফোন অপারেটর রবি। এ অফারটি সমাজের সবস্তরের মানুষকে ডিজিটাল জীবনধারার সাথে যুক্ত করবে বলে প্রত্যাশা এ মুঠোফোন অপারেটরটির।


বেশ কয়েকটি স্মার্টফোনের মধ্যে হুয়াওয়ের সর্বশেষ ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন হুয়াওয়ে পি টেন ও পি টেন প্লাসও গ্রহণ করতে পারবেন গ্রাহকরা। এ হ্যান্ডসেট দুটিতে গ্রাহকরা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে বিশেষত্ব উপভোগ করতে পারবেন। জার্মানির প্রখ্যাত ক্যামেরা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লেইকার সহযোগিতায় ক্যামেরা সংযুক্ত করা হয়েছে সেট দুটিতে। এই প্রথম স্মার্টফোনে লেইকার ফ্রন্ট ক্যামেরা ব্যবহার করা হলো।

পি টেন ও পি টেন প্লাস হ্যান্টসেট দুটি কেনার পর থেকে গ্রাহকরা তিন মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে ৫ জিবি ফ্রি ডাটা উপভোগ করতে পারবেন যার মেয়াদ থাকবে প্রতি মাসের প্রথম ২১ দিন।

এছাড়া এ অফারের আওতায় গ্রাহকরা হুয়াওয়ে ওয়াই থ্রি টু, ওয়াই ফাইভ টু, ওয়াই সিক্স টু, জিআর প্রো ও জিআর থ্রি হ্যান্ডসেটগুলো যথাক্রমে ৬ হাজার ৪৯০ টাকা, ৮ হাজার ৯৯০ টাকা, ১৩ হাজার ৫৯০ টাকা, ১১ হাজার ৬৯০ টাকা ও ১৯ হাজার ৯০০ টাকা। হুয়াওয়ের জিআর থ্রি ছাড়া অন্যান্য হ্যান্ডসেটের সাথে ৮০ মিনিট অন্নেট (রবি/এয়ারটেল-রবি/এয়ারটেল), ২০ মিনিট অফনেট (রবি/এয়ারটেল থেকে অন্যান্য অপারেটর) ও ৪ জিবি ডাটা উপভোগ করতে পারবেন।

আর জিআর থ্রির ক্ষেত্রে কেনার পর থেকে গ্রাহকরা তিন মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে ৫ জিবি ফ্রি ডাটা উপভোগ করতে পারবেন যার মেয়াদ থাকবে প্রতি মাসের প্রথম ২১ দিন।

 টুপি, আতর ও তসবি কেনাকাটা


এখন পবিত্র শবে বরাতের নামাজের প্রস্তুতি নিচ্ছেন সকল মুসলমানরা। আজ রাত সকল মুসলমানরা আল্লাহ্‌র ইবাদতে পার করার জন্য তৈরি হচ্ছেন। আর এই নামাজ, দোয়া-কালামের জন্য কিছু প্রস্ততির প্রয়োজন পরে। আর এজন্য চলছে টুপি, আতর, সুরমা ও তসবি কেনার ধুম।

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম, কাকরাইল মসজিদ ও তার আশপাশ এলাকা, নিউ মার্কেট, বসুন্ধরা সিটি, গুলিস্তান, পল্টন, ফার্মগেটসহ বিভিন্ন এলাকায় আতর, টুপি, ‍সুরমা কিনতে ভিড় জমেছে দোকানগুলোতে। 

এছাড়া রাজধানীর অন্য দোকানগুলোতে  একশ মিলিলিটারের সুলতান ১৮শ' থেকে ২ হাজার টাকা, আলফারেজ ২ হাজার, লর্ড ১২শ', সিলভার ১৮শ', ওপেন ১৫শ', আলফে জহুর ২ হাজার, বস্ন্যাক অ্যাকসেস ১৫শ', রোজ ১৭শ', ডাহনাল উদ ৫ হাজার, ইস্কাদা কালেকশন ১৫শ', ইগুবস ১৬শ', বস ১৫শ' এবং ম্যাডার রোজ ব্র্যান্ডের আতর ১৬শ' টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি বোতল সৌদির রয়্যাল ম্যারেজ ৫০ টাকা, ওয়ান ম্যান শো ১২০, শপিজ ৬শ', সাফসাফা ২শ', দুবাইয়ের সুলতান ২২০, ভারতের কোবরা আড়াইশ, বোম্বে দরবার ৩শ', নূর ৩শ' এবং ইরানি গাউজ আতর ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 


তবে মন মাতানো সৌরভের বিদেশি আতরের পাশাপাশি দেশিয় আতরও পাওয়া যাচ্ছে ২০ থেকে ৩শ' টাকার মধ্যে। এর মধ্যে দরবার-কাঁচাবেলী ২০ টাকা, মদিনা ৪০ এবং জান্নাতুল ফেরদাউস ২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। দাম কম হওয়ায় অনেক ক্রেতাই দেশি আতর 'শাহি দরবার' কিনছেন। দেশি শাহি দরবার আতর ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, রজনীগন্ধা ৪০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 
  
টুপি বাহারি পসরা : দেশি টুপির পাশাপাশি বাহারি নকশা আর আকৃতির বিদেশি টুপিও পাওয়া যাচ্ছে দোকানে। নকশার সঙ্গে মিল রেখে এসব টুপির চমকপ্রদ সব নাম দিয়েছেন বিক্রেতারা। এসব দোকান ঘুরে দেখা গেল চীনা টুপি দেড়শ থেকে ২শ' টাকা, পাকিস্তানি টুপি দেড়শ থেকে ৬শ', ভারতীয় টুপি ২০ থেকে ৬শ' এবং দেশে তৈরি টুপি ১ থেকে দেড়শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 


পাকিস্তানি টুপির মধ্যে 'আসিফ জারদারি' বিক্রি হচ্ছে ৮শ' টাকায়। চীনের ওয়ানি সাড়ে ৫শ' টাকা, ভারতের গুজরাটি আড়াইশ থেকে ৩শ', সিডনি ৪শ', পাঠান সাড়ে চারশ এবং ছোট পুঁতির সঙ্গে সোনালি সুতোর কাজ করা প্রতিটি টুপি বিক্রি হচ্ছে ৪শ' থেকে ৮শ' টাকায়। 
এছাড়া নেটের তৈরি চীনা টুপি দেড়শ টাকা এবং তুর্কি টুপি ৫০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি করছেন দোকানিরা।

 
জায়নামাজের দরদাম : এবার পাকিস্তানে তৈরি কোকার জায়নামায সাড়ে ৪শ' থেকে ৫শ' টাকা, শাহীন ৫শ' থেকে সাড়ে ৬শ', ন্যাশনাল সাড়ে ৪শ' থেকে ৬শ', তুরস্কের আইরিন ৫শ' থেকে ৬শ', কাটারে নেওয়াজ সাড়ে ৪শ' টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশে তৈরি গ্যাভার্ডিন কাপড়ের জায়নামাযগুলো বিক্রি হচ্ছে দেড়শ থেকে ২শ' টাকায়। 

জরির কাজ করা তুরস্কের আইরিন জায়নামায ৭শ' থেকে ৯শ' টাকা এবং সিরিয়ার জায়নামাযের দাম ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। এছাড়া একসঙ্গে তিনজন নামাজ পড়া যায়- তুরস্কের তৈরি এমন আকৃতির জায়নামাযের দাম চাওয়া হচ্ছে ৫ হাজার টাকা। কুষ্টিয়ার তৈরি জায়নামাযগুলো দুইশ থেকে ৩শ' টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। 


প্লাস্টিকের পাশাপাশি কাঠ ও পাথরের তৈরি বিভিন্ন ধরনের তসবি পাওয়া যাচ্ছে দোকানগুলোতে। আকার ও উপাদানভেদে দামেও পার্থক্য রয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেটে আকিক পাথরের তৈরি তসবি ৪শ' থেকে ১২শ' টাকা, জমরুদ ৩শ' থেকে ৬শ', সোলেমানি পাথরের তসবি ৩০ থেকে দেড়শ, ক্রিস্টালের তসবি ৫০ থেকে ৩শ' টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। এছাড়া কাঠের তৈরি তসবি ৫০ থেকে ১শ' টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানালেন দোকানিরা। ঈদের আরেক অনুষঙ্গ সৌদি আরবের সুরমা প্রতি তোলা বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা দামে।

ভিন্নধর্মী বেগুনের ডিশ বেগুন মশলা (দেখুন ভিডিওতে) 


‘বেগুন’ সবজিটি কেউ পছন্দ করেন, আবার কেউ পছন্দ করেন না। স্বাস্থ্যকর এই সবজিটি সাধারণত ভাজি বা রান্না করে খাওয়া হয়। এছাড়া কেউ কেউ বেগুনের দোলমা রান্না করে থাকেন। ভাজি এবং রান্না ছাড়াও বেগুন দিয়ে আরেকটি খাবার রান্না করা যায়। তা হলো মশলা বেগুন। ভাত বা পোলাওয়ের সাথে খেতে দারুণ লাগে মশলা বেগুন।


উপকরণ:

৬টি ছোট বেগুন

তেল

১/২ চা চামচ সরিষা

১/৪ চা চামচ মেথি

কারিপাতা

১টি পেঁয়াজ কুচি

১ কাপ তেঁতুলের পানি

১/২ চা চামচ গুঁড় (ইচ্ছা)

২ টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচি

পেঁয়াজ টমেটোর পেস্ট

তেল

১টি পেঁয়াজ পাতলা করে কাটা

১ চা চামচ আদা রসুনের পেস্ট

১/২ চা চামচ হলুদের গুঁড়ো

১টি টমেটো কুচি

১ চা চামচ ধনিয়া গুঁড়ো

১/৪ চা চামচ জিরা

১ চা চামচ কাসমেরি মরিচের গুঁড়ো

১/২ চা চামচ গরম মশলা গুঁড়ো

লবণ

পুরের জন্য

২ টেবিল চামচ তিল

১/২ কাপ নারকেল কুচি

১/৪ কাপ চিনা বাদাম

১ চা চামচ কাশ্মিরি মরিচ গুঁড়ো

লবণ

প্রণালী:

১। প্রথমে বেগুনের পিছনের অংশ চারকোনা করে হালকা করে কেটে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ১০ মিনিট।

২। মাঝারি আঁচে প্যান গরম হয়ে এলে এতে পেঁয়াজ, আদা রসুনের পেস্ট, হলুদের গুঁড়ো, টমেটো কুচি, ধনিয়া গুঁড়ো, কাশ্মিরি মরিচের গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, গরম মশলা, লবণ দিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে ২-৪ মিনিট রান্না করুন।

৩। পেঁয়াজ টমেটো নরম হয়ে এলে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে পেস্ট তৈরি করে নিন।

৪। অন্য একটি পাত্রে তিল, নারকেল, চিনাবাদাম, মরিচ গুঁড়ো, লবণ দিয়ে এক মিনিট ভাজুন। তারপর ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন।

৫। বেগুনের ভিতরে তিল নারকেলের পুর ঢুকিয়ে দিন। এবার এটি প্যানে ঢাকনা দিয়ে ২ মিনিট ভাজুন। বেগুনগুলো কিছুটা ভাজা হয়ে গেলে নামিয়ে রাখুন।

৬। একই প্যানে সরিষা, মেথি, পেঁয়াজ, পেঁয়াজ টমেটোর পেস্ট দিয়ে দিন। মশলা তেল ছেড়ে দিলে এতে বেগুনগুলো দিয়ে দিন।

৭। তেঁতুলের পানি এবং গুড় দিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে ৫ মিনিট রান্না করুন।

৮। ব্যস হয়ে গেলো মশলা বেগুন।

সম্পূর্ণ রেসিপিটি দেখে নিন ভিডিওতে



আইফোন ৮ এর ফেসিয়াল রিকগনিশন ক্যামেরা সরবরাহ করবে এলজি 


টেক জায়ান্ট অ্যাপলের পরবর্তী আইফোন ৮ এর ওএলইডি ডিস্প্লে স্যামসাং সরবরাহ করবে বলে বেশ কিছু গুজব ছড়ালেও নতুন এক প্রতিবেদন বলছে এই ফোনের ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা ( বলা হচ্ছে এই ক্যামেরা থ্রিডি ফেস রিকগনিশন সমর্থন করবে) সরবরাহ করবে এলজি ইনোটেক। ইতোমধ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি আইফোন ৭ এর ডুয়েল রিয়ার ক্যামেরা মডিউল সরবরাহ করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, থ্রিডি ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম টুডি রিকগনিশন সিস্টেমের চেয়ে আরও ভালো কাজ করবে। 


এর আগে আইফোন ৮ এ থ্রিডি সেন্সিং টেকনোলজি নিয়ে বলা হয়েছিল। প্রযুক্তি বিষয়ক সাইট বিজিআর এ বলা হয়, অ্যাপল লমেন্টাম নামের এক প্রতিষ্ঠানের সাথে থ্রিডি সেন্সিং প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। এছাড়াও বিশ্লেষকরা বলছে, আইফোন ৮ এর এই ফিচারের জন্যই ফোনটি দেরিতে উন্মুক্ত হতে পারে। বেশ কিছু গুজব অনুযায়ী, আসন্ন আইফোনে থাকতে পারে অগমেন্টেড রিয়েলিটি ফিচার।

আসন্ন আইফোন নিয়ে অ্যাপল বরাবরই কোনো তথ্য আগেভাগে জানায় না। তাই সত্যিকারেই অ্যাপল তাদের আইফোনে ৮ এ কি প্রযুক্তি নিয়ে আসে তা দেখার জন্য ফোনটি উন্মুক্ত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

সাইবার হামলার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ 


বিশ্বব্যাপী নজিরবিহীন সাইবার হামলায় বাংলাদেশের আক্রান্ত হওয়ার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। লিনাক্স বা ইউনিক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত হওয়ায় জাতীয় ডাটা সেন্টারসহ সরকারি সব সার্ভারে এ হামলা ঘটেনি।


তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ম্যালওয়্যারটিতে বাংলাদেশেরও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

জাতীয় ডাটা সেন্টারের পরিচালক তারেক বরকতুল্লাহ বলেন, আক্রমণটি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সির (এনএসএ) একটি সাইবার অস্ত্রের মাধ্যমে, যা ওয়ানাক্রিপটো বা ওয়ানাক্রাই নামে পরিচিত। হ্যাকাররা এটি চুরি করে বিশ্বব্যাপী আক্রমণের কাজে ব্যবহার করেছে। ম্যালওয়্যারটি মূলত উইন্ডোজভিত্তিক সিস্টেমে আক্রমণ করে। লিনাক্স, ইউনিক্সসহ এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে এটি কাজ করে না। আমাদের ডাটা সেন্টারসহ সরকারি যেসব তথ্যভাণ্ডার রয়েছে, সেগুলো লিনাক্স বা ইউনিক্সভিত্তিক হওয়ায় নিরাপদ রয়েছে।

তিনি বলেন, ডেস্কটপ কম্পিউটারে যারা উইন্ডোজ ব্যবহার করছেন, মার্চেই তাদের জন্য আপডেট ছেড়েছিল মাইক্রোসফট। তবে যারা আপডেট করেননি বা পাইরেটেড সফওয়্যার ব্যবহার করেছেন, তারাই এ আক্রমণের শিকার হয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ওয়ানাক্রিপটোর হামলায় আক্রান্ত হওয়ার তালিকায় বাংলাদেশের নাম নেই। এ-সংশ্লিষ্ট পুরো তালিকাও প্রকাশিত হয়নি। তবে ম্যালওয়্যার আক্রমণ-বিষয়ক যেসব ওয়েবসাইট রয়েছে, সেগুলোয় বাংলাদেশের আক্রমণের বিষয়টি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুক্রবার এ হামলা হওয়ায় দেশের সরকারি সিস্টেমগুলো হামলার মুখে পড়েনি। কারণ ছুটির দিন হওয়ায় অধিকাংশ কম্পিউটার বন্ধ ছিল। তবে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমভিত্তিক কম্পিউটারে এ হামলা হতে পারে। এমন হামলার ঘটনা এখনো সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের বলেন, বিশ্বব্যাপী এ আক্রমণের পর পরই দেশে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ ও তদারকি বাড়ানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত দেশে এ হামলার কোনো ঘটনা চিহ্নিত হয়নি।

বিশ্বব্যাপী এ সাইবার হামলায় এখন পর্যন্ত ৯৯টি দেশ আক্রান্ত হয়েছে। র‌্যানসম: উইন৩২. ওয়ানাক্রিপ্ট নামের ম্যালওয়্যারটি ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশের কম্পিউটার ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ নেয় হ্যাকাররা। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নত দেশগুলোও।

র‌্যানসমওয়্যার  এক ধরনের সফটওয়্যার প্রোগ্রাম, যা কম্পিউটারে প্রবেশ করিয়ে সেটির নিয়ন্ত্রণ নেয়া হয়। এরপর তা থেকে মুক্তির জন্য অর্থ দাবি করে হ্যাকাররা।

Tea-coffee-in-the-morning-helps-overcome-constipation 


দিনের শুরুতেই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় পড়লে আপনার দিনটা মাটি হয়ে যায়। সকালে সতেজতা অনুভবের জন্য আপনার পাকস্থলী পরিষ্কার হওয়া জরুরী। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকে সহজ করার জন্য বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকেন যেমন- কেউ দিনের শুরুতেই ঘুম থেকে ওঠে ১ গ্লাস উষ্ণ পানি পান করেন অথবা ১ কাপ চা বা কফি পান করেন।


পানি পান করা নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর একটি উপায়। কিন্তু কোষ্ঠকাঠিন্যকে সহজ করার জন্য চা বা কফি পান করার বিষয়টি প্রশ্নবিদ্য। এই পানীয়গুলো শুধু উদ্দীপক হিসেবেই কাজ করেনা বরং মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকে বৃদ্ধি করে দেয়। যারা দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন তাদের জন্য অনেকবেশি চা বা কফি পান করা ক্ষতিকর। এ বিষয়ে মুম্বাই এর জাসলোক হাসপাতাল ও রিসার্চ সেন্টারের হেপাটোলজিস্ট, গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট এবং থেরাপিউটিক এন্ডোস্কপিস্ট ডা. জয়শ্রী শাহ বলেন, ‘অনেক মানুষের সকালে পাকস্থলী পরিষ্কারের জন্য বা মল নির্গমনকে উৎসাহিত করার জন্য উদ্দিপকের প্রয়োজন হয়। অন্ত্রের গতিশীলতাকে উদীপ্ত করার জন্য ১/২ কাপ কফি পান করা যায়। যদিও কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগীদের জন্য এটি কার্যকরী নয়, কিন্তু তার সারা দিনের জীবনযাপন পদ্ধতিও এই সমস্যার উপর প্রভাব ফেলে’। 

তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘যেহেতু চা এবং কফি মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে তাই সারাদিনে কয়েকবার প্রস্রাব হয়ে যাওয়ার ফলে পানিশূন্যতা তৈরি হতে পারে, ফলে মল নির্গমন কঠিন হয়ে যায়’। 

আপনি যা করতে পারেন

যেহেতু আপনার জীবনযাপনের পদ্ধতি এবং ডায়েট কোষ্ঠকাঠিন্যের উপর প্রভাব ফেলে তাই এই সমস্যাটিকে সহজ করার জন্য ডা. শাহ দুটি পরামর্শ দিয়েছেন, আর তা হল :

খাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ করা এবং অনেক ফাইবার গ্রহণ করা 

শর্করা সমৃদ্ধ খাবার অন্ত্রের গতিশীলতাকে পরিবর্তন করতে পারে। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারের পরিবর্তে ফল ও সালাদ খেলে মলের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় বলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাটি কমে। সঠিক সময়ে সঠিক খাবার খাওয়া কোষ্ঠকাঠিন্য মোকাবেলার সঠিক উপায়।

পর্যাপ্ত পানি পান করা

আমাদের মত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে যারা বাস করেন তাদের দৈনিক ২-৩ লিটার পানি পান করা জরুরী হাইড্রেটেড থাকার জন্য এবং কোষ্ঠকাঠিন্যকে দূরে রাখার জন্য।

Priyanka-pictures-are-viral-now 


হলিউডে নিজের প্রথম ছবি ‘বেওয়াচ’-এর প্রচারণার কাজে যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে গেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ব্যস্ততার মাঝেই সমুদ্র আর সূর্যস্নানে মেতে উঠলেন তিনি। সেখানে তার বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসের ঝলমলে ছবিগুলো অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ঝুঁকে আছেন সেদিকেই!


গাঢ় নীল রঙের বিকিনি আর হাঁটু অবধি লম্বা শার্ট পরে আরেক ‘বেওয়াচ’ তারকা ভিক্টোরিয়া’স সিক্রেটের মডেল আদ্রিয়ানা লিমার সঙ্গে সমুদ্রস্নানে মেতে উঠেছিলেন প্রিয়াঙ্কা। ৩৪ বছর বয়সী এই তারকার ‌ফ্যান ক্লাব থেকে ছবিগুলো শেয়ার করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বিশেষকরে শনিবার (১৩ মে) দিনভর টুইটারের সর্বাধিক আলোচিত হিসেবে ট্রেন্ডিং ছিল ছবিগুলো।




ঠোঁট রাঙানো লাল লিপস্টিক আর রঙিন রোদচশমা প্রিয়াঙ্কার স্টাইলে এনেছে অন্যমাত্রা। সাগরে নেমে চুলগুলো উড়িয়ে দেওয়ার মুহূর্তে ক্যামেরাবন্দি হওয়া প্রিয়াঙ্কার ছবিটিই ইন্টারনেটে প্রিয় হয়ে উঠেছে সবার।


‘বেওয়াচ’ মুক্তি পাবে আগামী ২৫ মে। ভারতের প্রেক্ষাগৃহে এটি দেখা যাবে ২ জুন থেকে। এতে প্রিয়াঙ্কাকে দেখা যাবে ভিক্টোরিয়া লিডস চরিত্রে। ছবিটিতে আরও আছেন ডোয়াইন জনসন, জ্যাক এফ্রন, আলেক্সান্ড্রা ড্যাডারিও, কেলি রোরবাখ। এটি তৈরি হয়েছে ডেভিড হ্যাসেলহফ ও পামেলা অ্যান্ডারসন অভিনীত নব্বই দশকের জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘বেওয়াচ’ অবলম্বনে।
এদিকে হলিউডের আরেকটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। এর নাম ‘অ্যা কিড লাইক জেক’। এতে সিঙ্গেল মাদারের ভূমিকায় দেখা যাবে তাকে। নিজের শহরের স্কুল ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেন তিনি। পাশাপাশি গড়তে থাকেন নতুন প্রেমের ভুবন। 



‘অ্যা কিড লাইক জেক’ পরিচালনা করবেন সিলাস হাওয়ার্ড। এতে অস্কারজয়ী কৃষ্ণাঙ্গ অভিনেত্রী অক্টাভিয়া স্পেন্সার, ক্লেয়ার ডেন্স ও জিম পারসন্স থাকবেন বলে শোনা যাচ্ছে। ছবিটি তৈরি হবে ড্যানিয়েল পিয়ার্লের মঞ্চনাটক অবলম্বনে।
রূপালি পর্দার পাশাপাশি টিভি সিরিজ ‘কোয়ান্টিকো’র দ্বিতীয় মৌসুমের কাজ নিয়েও ব্যস্ত প্রিয়াঙ্কা। তার প্রযোজিত প্রথম মারাঠি ছবি ‘ভেন্টিলেটর’ ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তিনটি শাখায় সেরা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বলিউডের ‘দোস্তানা’ ছবিতে প্রিয়াঙ্কার সোনালি বিকিনি পরা দৃশ্যটির চিত্রায়ন হয়েছিল মিয়ামিতেই।



 
আমরা যখন বাজারে একটি স্মার্টফোন কিনতে যাই তখন কয়েক ডজন বিভিন্ন ধরনের হ্যান্ডসেট আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। এ যেন হ্যান্ডসেটগুলোর এক ধরনের প্রতিযোগিতা। এত কিছুর ভিড়ে, নতুন কোনো স্মার্টফোন বাজারে আসলে আমরা সেটিই পছন্দ করি। বাজারে চাহিদার দিক থেকে সেরা কয়েকটি হ্যান্ডসেট এখানে দেওয়া হলো।
১. স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭ এজ
স্ক্রিন: ৫.৫ ইঞ্চি। ক্যামেরা: ১২ মেগা পিক্সেল। ব্যাটারি (টক টাইম): ২৭ ঘণ্টা।
পূর্বের হ্যান্ডসেট গ্যালাক্সি এস৬ বিক্রির দিক থেকে স্যামসাংকে কিছুটা হতাশ করলেও স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭-সহ এস৭ এজ এর কার্ভড ডিজাইন স্ক্রিনের মাধ্যমে স্যামসাং ফিরে এসেছে। এসডি কার্ড এবং ব্যাটারি লাইফ উন্নত করার মাধ্যমে স্যামাসাং সুন্দরতম একটি স্মার্টফোন তৈরি করেছে। স্যামাসং এস৭ এজ দুটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার এনেছে, যদিও এটি বেশ দামী; এগুলোর একটি হচ্ছে অসাধারণ কার্ভড ডিজাইন এবং চমৎকার ক্যামেরা। অন্যদিকে এটি অন্য স্যামসাং-এর তুলনায় দামী এবং এতে বেশি কিছু অনাকাঙ্খিত বাড়তি সফ্টওয়্যার রয়েছে।
সুবিধা: চমৎকার ডিজাইন, পানি প্রতিরোধি। অসুবিধা: অপ্রয়োজনীয় স্যামসাং অ্যাপ লোড হয়। মূল্য: ৭৪,৯০০ টাকা।
২. আইফোন ৭ প্লাস
স্ক্রিন: ৫.৫ ইঞ্চি। ক্যামেরা: ১২ মেগা পিক্সেল। ব্যাটারি (টক টাইম): ২১ ঘণ্টা।
বিগত দুই বছরে, অ্যাপলের আইফোনের ‘প্লাস’ মডেলে শুধু ৪.৭ ইঞ্চির স্ক্রিনের হ্যান্ডসেট থেকে একটু বড় করে ৫.৫ ইঞ্চি স্ক্রিনে উন্নত করা হয়েছে। আইফোন ৭ প্লাসে কিছু পাথর্ক রয়েছে সেগুলো হচ্ছে- অধিক র‌্যাম, নতুন ডুয়াল লেন্স ক্যামেরা।
এর ক্যামেরাটি নতুন পোট্রেট মোডসহ ফটো ব্যাপকভাবে জুম এবং সাবজেক্টকে ফোকাস করার সময় ব্যাকগ্রাউন্ডকে ব্লার করতে পারে। যদিও এর ইফেক্ট নিয়ে ফটোগ্রাফির জায়গা থেকে বিতর্ক রয়েছে। এর বড় ব্যাটারিসহ ডুয়াল ক্যামেরা আইফোন ৭ থেকে উন্নত।
সুবিধা: অসাধারণ ক্যামেরা, আইফোন ৭ থেকে ভালো ব্যাটারি। অসুবিধা: অনেকের জন্য এটি অনেক বড়, হেডফোন জ্যাক নেই। মূল্য: ৮৯,৬৫০-১০১,৬৫০ টাকা।
৩. আইফোন ৭
স্ক্রিন: ৪.৭ ইঞ্চি। ক্যামেরা: ১২ মেগা পিক্সেল। ব্যাটারি (টক টাইম): ১৪ ঘণ্টা।
অনেক মানুষ আধুনিক স্মার্টফোনের নির্মাতা হিসেবে অ্যাপলকে কৃতিত্ব দেয় এবং প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের সেরা কিছু হ্যান্ডসেট তৈরি অব্যাহত রেখেছে। এতে রয়েছে চমৎকার ডিজাইন এবং আইওএস সফটওয়্যারের এক সমন্বয় এবং এই স্মার্টফোনটির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ম্যাক, আইপ্যাড এবং অ্যাপল ঘড়ি আইফোনকে সেরা ক্রয়ের স্মার্টফোন হতে সহায়তা করে।
২০১৬ সালের আইফোন ৭ কোনো ব্যাতিক্রম নয়। পানি প্রতিরোধী, একটি উন্নতমানের ক্যামেরা এবং স্টেরিও স্পিকার বিগত বছরের ৬এস এর তুলনায় উন্নত। তবুও এটি বিশ্বব্যাপি তেমন জনপ্রিয় হয়নি। এর হেডফোন জ্যাক নেই এবং ব্যবহারকারীরা এর ব্যাটারির কার্যক্ষমতা নিয়ে অভিযোগ করেছেন।
সুবিধা: পানি প্রতিরোধি, উন্নত ক্যামেরা, জেট ব্ল্যাক ডিজাইন। অসুবিধা: হেড ফোন জ্যাক নেই, ব্যাটারির কার্যক্ষমতা ভালো নয়। মূল্য: ৭৬,০০০-৯২,২৫০ টাকা।
৪. মোটো জি৪
স্ক্রিন: ৫.৫ ইঞ্চি। ক্যামেরা: ১৩ মেগাপিক্সেল। ব্যাটারি (টক টাইম): প্রযোজ্য নয়।
আপনি অর্থ ব্যয় করে প্রচুর ফোন কিনতে পারবেন, কিন্তু মোটো জি৪ বাজারে পাবেন আপনার বাজেটের মধ্যেই। এর স্ক্রিন, ক্যামেরা এবং এর প্রসেসর ২২,০০০ টাকা মূল্যের স্মার্টফোনের মধ্যে বেশ ভালো এবং এটি অবশ্যই অনেক মানুষের সাধ্যের মধ্যে।
অবশ্যই, মূল্য অনুযায়ী এতে বেশ কিছু আপোস আছে। সবাই এর ডিজাইনকে ভালো বলছে না এবং ফোনটি দেখতে তুলনামূলক দামী হ্যান্ডসেটের চেয়ে সেকেলে তবে, এর দাম সত্যিই হাতের নাগালে।
সুবিধা: সাশ্রয়ী মূল্যের স্মার্টফোন।অসুবিধা: ডিজাইন সবার পছন্দ হবে না। মূল্য: ২২, ০০০ টাকা।
৫. গুগল পিক্সেল ফোন
স্ক্রিন: ৫ এবং ৫.৫ ইঞ্চি। ক্যামেরা: ১২ মেগা পিক্সেল। ব্যাটারি (টক টাইম): ২৬ ঘণ্টা।
গুগলের প্রথম নিজস্ব ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন। এতে অ্যান্ড্রয়েড বাজারে পিক্সেল যুক্ত হয়েছে। বলা হচ্ছে, ‘বাজারে আসা সব চেয়ে সেরা স্মার্টফোন ক্যামেরা’। এতে রয়েছে সীমাহীন স্টোরেজ সুবিধাসহ পিক্সেল ও পিক্সেল এক্সএল, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি, গুগলের ইন্টেলিজেন্স অ্যাসিস্টেন্ট এবং একটি হেডফোন জ্যাক।
এটি গুগলের অ্যান্ড্রয়েডের ক্লিন ভার্সনে চলে, যার ফলে ফোনের সফ্টওয়্যার ব্যবহারে সেরা অভিজ্ঞতা পাওয়া যায় এবং এর অপারেটিং সিস্টেম দ্রুত আপডেট হয়।
পিক্সেল ফোন হিসেবে এটির পরিপূর্ণ পর্যালোচনা করার সুযোগ আমাদের ছিলো না, তবে আমাদের প্রথামিক অভিজ্ঞতায় এটি একটি ভালো মানের ফোন এবং অ্যান্ড্রয়েডের মধ্যে আপনি আইফোনের কাছাকাছি প্রতিযোগি হিসেবে এটিকে বিবেচেনা করতে পারেন।
সুবিধা: গুগলের আনস্কিন্ড অ্যান্ড্রয়েড, সেরা ক্যামেরা, সীমাহীন ফটো স্টরেজ। অসুবিধা: ব্যয়বহুল আইফোনের চেয়ে এটি তুলনামূলক সস্তা। মূল্য: ৭৬,৪১০ টাকা।
৬. আইফোন এসই
স্ক্রিন: ৪ ইঞ্চি। ক্যামেরা: ১২ মেগা পিক্সেল। ব্যাটারি (টক টাইম): ১৪ ঘণ্টা।
অ্যাপেল-এর তুলনামূলক এই ছোট ফোনটি মার্চে উন্মোচন হয়। এতে ৭ অথবা ৬এস-এর থ্রিডি টাচ-এর মতো নতুন অনেক ফিচারই নেই এবং পানি প্রতিরোধি ফিচারও এতে অনুপস্থিত (যদিও এতে হেডফোন জ্যাক রয়েছে)। আপনার পছন্দ করার মতো দুটো কারণ এতে রয়েছে যেমন- ৪ ইঞ্চি যেটি ছোট হাতে ব্যবহার করতে সুবিধাজনক হতে পারে এবং এর মূল্য ৫৭,৮৩০ টাকা, যেটি তুলনামূলক সস্তা।
সুবিধা: বাজারে সেরা মানের আইফোন, সেরা মানের ছোট স্ক্রিন আপনি পেতে পারেন। অসুবিধা: সাম্প্রতিক কিছু আইফোন ফিচারের ঘাটতি রয়েছে। মূল্য: ৫৭,৮৩০ টাকা।
৭. এইচটিসি ১০
স্ক্রিন: ৫.২ ইঞ্চি, ক্যামেরা: ১২ মেগা পিক্সেল, ব্যাটারি (টক টাইম): ৭২ ঘণ্টা।
নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের দাবি, এইচটিসি ১০ স্পোর্টস-এর ক্যামেরা অন্যতম সেরা স্মার্টফোন ক্যামেরাগুলোর মধ্যে অন্যতম। এতে রয়েছে ৫ মেগা পিক্সেল ফ্রন্ট-ফেসিং লেন্স এবং ১২ মেগা পিক্সেল রিয়ার-ফেসিং লেন্স। এর দুটোতেই রয়েছে অপশনাল ইমেজ স্ট্যাবলাইজেশন। সম্ভবত দুই দিন ব্যাটারির কার্যক্ষমতা বিজ্ঞাপনের কারণে এটি বেশি সেলিং পয়েন্ট পেয়েছে, যদিও পরীক্ষায় দেখা গেছে সব সময় তা ঘটে না।
এছাড়াও, এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এর স্লিক মেটাল ডিজাইন, ব্যবহারযোগ্য অ্যান্ড্রয়েড এবং সেরা অডিও, বিশেষ করে যখন এটির স্পিকারে কোনো কিছু বাজানো হয়। এটির প্রায় সব দিকই ঠিক আছে, তবুও স্যামসাং-এর উপরে একে সুপারিশ করা বেশ কঠিন।
সুবিধা: দীর্ঘ ব্যাটারি, অসাধারণ অডিও। অসুবিধা: ক্যামেরা সেরা মান পর্যন্ত মিলছে না। মূল্য: ৬৪,০০০ টাকা।
৮. ওয়ান প্লাস ৩
স্ক্রিন: ৫.৫ ইঞ্চি, ক্যামেরা: ১৬ মেগা পিক্সেল, ব্যাটারি (টক টাইম): প্রযোজ্য নয়।
ওয়ান প্লাস-এর আগের মডেলের সাশ্রয়ী ফোনগুলো উচ্চ মানসম্পন্ন স্মার্টফোনগুলোর সমতুল্য না হওয়ার কারণে তাদের সর্বশেষ মোবাইল ফোনটিকে তারা খুব একটা সাশ্রয়ী করেনি। তবে, সম্প্রতি বছরগুলোতে এতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আনা হয়েছে। এর ডিজাইন ও মান চমৎকার এবং এতে এনএফসি ও দ্রুত চার্জিং এর মতো কিছু উপকারি ফিচার যোগ করা হয়েছে। সুবিধা: ব্রিলিয়ান্ট ভ্যাল্যু, প্রিমিয়াম ডিজাইন, অসুবিধা: কম কার্যক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারি। মূল্য: ৩৮,৯০০ টাকা।

অনেকটা জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে বিদায় নিল ২০১৬। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জন্ম নিল আরেকটি নতুন বছর ২০১৭। ঋতু অথবা বছরের পালা বদলের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় হালের ফ্যাশন। নতুন বছরের সাথে সাথে ফ্যাশনেও আসে নতুনত্ব। ফ্যাশনের এই পালা বদল চলে সারা বিশ্বজুড়ে।


বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নামিদামি ফ্যাশন রিটেইলার আর ডিজাইনারদের মতে এ বছর অনেক ট্রেন্ড পালটে যাবে। এক রঙা পোশাক থেকে সবাই স্ট্রাইপে চলে আসবে। স্ট্রাইপের পাশাপাশি জায়গা দখল করে নিবে আরটিস্টিক প্রিন্ট অথবা প্যাটার্ন। কাপড়ে রঙের ক্ষেত্রেও আসবে পরিবর্তন। সাদা রংটির চাহিদা বেড়ে যাবে অনায়াসে।
সাদার ছড়াছড়ি থাকবে
মেয়েদের ফ্যাশনের দিক দিয়ে গোলাপি রঙ এগিয়ে থাকলেও এই রঙের হাল্কা শেডের দিকে সবাই ঝুকবে বেশি। যেটাকে বাবল গাম কালার বলা হয়ে থাকে। প্রতিটি রঙের ক্ষেত্রেই হালকা রং প্রাধান্য পাবে বেশি।
পোশাকের ক্ষেত্রে যে পরিবর্তন আসবে তা হল এক রঙের স্কিনি জিন্স এবার ফ্যাশনের তালিকা থেকে বাদ পড়ছে। তবে রঙের সামাঞ্জস্যতা আনতে পারলে হয়তো বাদ পড়বেনা বলেই জানিয়েছেন ডিজাইনাররা। এছাড়াও ফ্যাশনের তালিকায় এবার ঢুকছে বিভিন্ন স্লোগান এবং অনুপ্রেরণামুলক কথা লেখা পোশাক।
জুতা আর ব্যাগে আসবে নতুনত্ব
পোশাকের সাথে সাথে পাল্টে যাবে জুতার স্টাইল। আগের মত হাই হিলের কদর আর থাকছেনা। সবাই ঝুকবে লো হিল এবং ফ্ল্যট স্যান্ডেলের দিকে। এছাড়া জুতার ক্ষেত্রে একটু কমপ্লিকেটেড ডিজাইন বেছে নিবে বলে জানিয়েছেন তারা।
ব্যাগ হবে ছোট
নতুন বছরে আর থাকছেনা বড় অথবা কাধে ঝুলানো ব্যাগ। বিশ্বের নামিদামি ব্র্যান্ড হাতে মোবাইল ফোন হিসেবে ধরার মত করে ছোট ব্যাগ বানাচ্ছে যেগুলোতে ফোন এবং টাকাপয়সা সহজেই নেয়া যায় এবং খুব হাল্কা হয়।
কানের দুলে আসবে ভিন্নতা
অলঙ্কারের ক্ষেত্রে যে পরিবর্তন আসবে বলে ধারনা করা হচ্ছে তা হল লম্বা লম্বা স্টেটমেন্ট রিং, যেটা এক কানেও পরা যায়।
আরও ধারণা করা যাচ্ছে যে, কয়েকধরনের ট্রেন্ড মিশিয়ে ফ্যাশনের নতুন মাইলফলক করা হবে ২০১৭ তে।

ব্রাউজিংয়ে ভিন্ন স্বাদ দিতে অপেরা নিয়ে এসেছে কনসেপ্ট ব্রাউজার।‘নিঅন’ নামের নতুন এই ব্রাউজারে বেশ কিছু আধুনিক ফিচার পরিলক্ষিত।
প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যমে অপেরার এই উদ্যোগ সম্পর্কে বলা হয়েছে, ডেস্কটপ এবং মোবাইলের জন্য অপেরা ব্রাউজারে বিল্ট ইন দেয়া আছে অ্যাড ব্লকিং এবং প্রাইভেসি সিস্টেম। এমন আকর্ষণীয় একগুচ্ছ ফিচারের জন্য অপেরা আজ বিশ্বব্যাপী পরিচিত।
তাদের এখনকার কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে অনুমান করে বলা হয়েছিল যে, প্রতিষ্ঠানটির প্রচুর আধুনিক ধারণা রয়েছে। যেটা তারা ভিন্ন কোনো ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে চায়।
সেই পরিকল্পনার ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠানটি সত্যিই নিঅন নামের ধারণামূলক একটি ব্রাউজার প্রকাশ করেছে।    
বর্তমানে অপেরার যে ব্রাউজার রয়েছে, তার মতো করে সেই একই ব্রাউজার ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে নিঅন তৈরিতে। যদিও ব্যবহারকারীরা একদম নতুন ডিজাইন এবং ইউজার ইন্টারফেস দেখতে পাচ্ছেন এতে।
এই নিঅন ব্যবহারকারীদের ওয়েব কনটেন্টের সাথে সংযুক্ত হতে আকর্ষনীয় পদ্ধতি প্রদান করবে। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য প্রকাশ করা হয়।
যেখানে আরো উল্লেখ করা হয়, অপেরা নিঅন তৈরি করা হয়েছে মূলত ওয়েব কনটেন্টের কথা মাথায় রেখে।
নিঅনে যুক্ত অন্যান্য বৈশিষ্ট্য হলো কাজ শুরু করার নতুন পেজটি তৈরিতে ব্যবহারকারীদের বর্তমান ডেস্কটপ বেকগ্রাউন্ড ইমেজ ব্যবহার করা হয়েছে। এর বাম দিকে ভিডিও প্লেয়ার, ইমেজ গ্যালারি এবং ডাউনলোড ম্যানেজার আছে। ব্রাউজার উইন্ডোর ডান দিকে আছে নতুন ভিজ্যুয়াল ট্যাব বার।
এটি অসাধারণ এক পদ্ধতি যেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্যাবগুলো ম্যানেজ করবে। এছাড়া পাওয়া যাবে একদম নতুন ওমনিবক্স বা সার্চ বার। ওয়েব কনটেন্ট উপভোগ করার জন্য আছে নতুন পদ্ধতি। যেমন ভিডিও পপ-আউট হবে অর্থাৎ ব্যবহারকারীদেরকে অন্যান্য ওয়েব পেজ ব্রাউজিংয়ের সময়ও ভিডিও দেখতে সুবিধা দেবে এটি।

 পারকিনসন রোগীদের জন্য মাইক্রোসফটের ‘প্রোজেক্ট এমা’


সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফটের ডেভেলপার সম্মেলন বিল্ড ২০১৭ শুরু হয়েছে ১০ মে বুধবার। সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটি পারকিনসন রোগীদের জন্য এক নতুন প্রযুক্তি উন্মুক্ত করেছে।


‘প্রোজেক্ট এমা’ নামের এই প্রযুক্তির ডিভাইসটি কব্জিতে পরিধেয় একটি ডিভাইস। বিশ্বব্যাপি ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ পারকিনসন রোগে ভোগে। মাইক্রোসফটের গবেষক হায়াং ঝ্যাং এই ডিভাইসটি উদ্ভাবন করেন। এমা নামের একজন পারকিনসনে আক্রান্ত রোগীকে দিয়ে এই ডিভাইসের পরীক্ষা করা হয়। আর এই ডিভাইস পড়ে এমা সহজেই হাত কাঁপা ছাড়াই সহজে একটি লাইন আঁকতে পারেন। আর তার নামেই এই ডিভাইসের নাম দেওয়া হয়েছে এমা ওয়াচ। এমা ওয়াচে একটি ভাইব্রেটিং মোটর ব্যবহার করা হয়েছে। এই মোটর রোগীর হাতকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য মস্তিষ্ককে বিভ্রান্ত করে দেয়।













উৎসবে মিষ্টিমুখ করুন সুস্বাদু জর্দায় 


 আজ সব বাসাতেই বিভিন ধরণের হালুয়া খাওয়া হচ্ছে। একটু অন্যরকম মিষ্টান্ন খেতে চাইলে তৈরি করে নিতে পারেন আমাদের সবার পরিচিত জর্দা। কমলার স্বাদ-গন্ধে একটু অন্যরকম একটি জর্দার রেসিপি দেখে নিন আজ।


উপকরণ

-   ১ কাপ বাসমতি চাল

-   দেড় কাপ গরম পানি

-   পৌনে এক কাপ দুধ

-   পৌনে এক কাপ চিনি

-   এক চিমটি জাফরান

-   এক মুঠো ড্রাই ফ্রুটস

-   এক মুঠো বাদাম

-   ২ টেবিল চামচ শুকনো নারিকেল

-   ২ টেবিল চামচ ঘি

-   আধা টেবিল চামচ কমলার খোসা কুচি

-   সিকি চা চামচ এলাচ গুঁড়ো

-   এক চিমটি জর্দার কমলা রঙ

-   ২ টেবিল চামচ মাওয়া

প্রণালী

১) চাল ধুয়ে ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এরপর পানি ঝরিয়ে নিন ভালো করে।

২) দুধে চিনি এবং জাফরান মিশিয়ে এক মিনিট মাইক্রোওয়েভে গরম করে নিন এবং সরিয়ে রাখুন।

৩) ঘি একটি প্যানে গরম করে নিন। এতে বেশি আঁচে বাদাম এবং ফ্রুট একটু সাঁতলে নিন।

৪) বাদামে রঙ ধরলে এতে নারিকেল এবং পানি ঝরানো চাল দিয়ে দিন। ঘিতে ভেজে নিন যাতে সুন্দর সুবাস আসে। এরপর এতে পানি দিয়ে দিন। সাথে জর্দার রঙ এবং কমলার খোসা কুচি দিয়ে দিন।

৫) আঁচ কমিয়ে দিয়ে ঢাকনা চাপা দিন। ১০ মিনিট রান্না হতে দিন। ইচ্ছে হলে রাইস কুকার বা প্রেশার কুকারও ব্যবহার করতে পারেন।

৬) চাল প্রায় সেদ্ধ হয়ে এলে এতে চিনি ও জাফরান মেশানো দুধ এবং এলাচ গুঁড়ো দিয়ে দিন। এরপর আবার ঢাকনা চাপা দিয়ে দিন। খুব কম আঁচে রাখুন আরও ১০-১৫ মিনিট।

৭) কাঁটাচামচ দিয়ে আলতো করে নেড়ে দিন জর্দা। আঁচ বন্ধ করে দিন।

ওপরে মাওয়া ছড়িয়ে পরিবেশন করুন মুখরোচক জর্দা।

 গুরুতর অসুস্থ নির্মাতা পিএ কাজল



জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক পিএ কাজল গুরুতর অসুস্থ। লিভার সংক্রান্ত অসুস্থতায় তিনি রাজধানীর জেড এইচ সিকদার উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।


তাকে হাসপাতালটির করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিএ কাজলের ছেলে ওম।

জানা যায়, গত ৪ মে সকালে তাকে সিকদার উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা আশংকাজনক হলে বিকালে সিসিইউতে নেওয়া হয়। এরপর থেকে তাকে সেখানেই রাখা হয়েছে। ড. মফিজুর রহমান এই পরিচালকের চিকিৎসার তত্ত্বাবধান করছেন।

এদিকে পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কাজলের অবস্থা বেশ গুরুতর। পরিবারের সদস্যা সবার দোয়া কামনা করেছেন।

পি এ কাজল চাষী নজরুল ইসলামের সহকারী হিসেবে চলচ্চিত্রাঙ্গনে যাত্রা শুরু করেন। ১৯৯১ সালে ‘গোধূলী’ চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। বর্তমান প্রজন্মের শাকিব-সাইমনসহ অনেক তারকাই তার ছবিতে অভিনয় করেছেন।

সকালের নাস্তার পরেও ক্ষুধা লাগে যে ৫ কারণে 


 সকালের নাস্তার সাথে আপনি স্মুদি পান করেছেন বলেই আপনি দুপুর পর্যন্ত তৃপ্ত থাকতে পারবেন তা নয়। যদি সকালের নাস্তায় সিরিয়াল ও ফল খান তাহলে এগুলো চিনিতে পরিবর্তিত হবে এবং খুব দ্রুত হজম হবে। ফলে আপনি খুব তাড়াতাড়ি ক্ষুধার্ত অনুভব করবেন। পুষ্টিবিদের মতে সকালের নাস্তার কিছু ভুলের কথাই জানবো আমরা আজকের ফিচারে।


১। টোস্ট ও জ্যাম খাওয়া 



অফিসে যাওয়ার ব্যাস্ততার সময় পাউরুটি ও জ্যাম খুবই সুবিধাজনক একটি নাস্তা। কিন্তু এটি আপনার পেট ভরা থাকতে সাহায্য করবে না। একের অধিক শস্য দিয়ে তৈরি পাউরুটি – মাল্টিগ্রেইন ব্রেড এর সাথে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার আপনার সকালের নাস্তার প্লেটে রাখুন এবং এর সাথে চিনিযুক্ত জ্যামের পরিবর্তে পিনাট বাটার খান। কয়েক টুকরো বেরি ফল যোগ করুন যা স্বাদ বৃদ্ধি করার পাশাপাশি পেট ভরা রাখতেও সাহায্য করবে।

২। সকালের পানীয়তে চিনি যোগ করা 



আপনি যদি সব সময় আপনার সকালের চা বা কফিতে চিনি যোগ করেন তাহলে আপনার ক্ষুধা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি ক্লান্তি বা ঝিমুনি অনুভব করবেন। চিনি ছাড়া গ্রিনটি বা ব্ল্যাক কফি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

৩। গ্লুটেনমুক্ত খাবার খাওয়া
 


আপনি যদি সকালের নাস্তায় গ্লুটেন মুক্ত পাউরুটি বা কেক খান তাহলে তা আপনার জন্য ভালো নয়। উচ্চমাত্রায় পরিশোধিত স্টার্চ, আলু এবং সাগুসদৃশ শস্য থাকে গ্লুটেনমুক্ত খাবারে যা পরিপাকনালীতে খুব দ্রুত ভেঙ্গে যায় বলে আপনি চূড়ান্ত রকমের ক্ষুধা অনুভব করেন। সকালের নাস্তায় কিছু কলা ও ডিম খেলে আপনার শরীর স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন ও ফাইবার পাবে বলে দীর্ঘক্ষণ আপনার পেট ভরা থাকবে।

৪। স্মুদিতে অনেক বেশি ফল যোগ করা



স্মুদিতে প্রচুর ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে বলে স্মুদিতে অনেকবেশি ফল যোগ করা ভালো বুদ্ধি নয়। ফলের অতিরিক্ত চিনি আপনার রক্তের চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আপনি ক্ষুধা অনুভব করবেন বেশি। শক্তির বিপর্যয় কমানোর জন্য আপনার স্মুদিতে ৫০% সবজি যোগ করুন।

৫। আপনার সকালের নাস্তায় মধু ও শুকনো ফল থাকে বেশি 
 


দই বা অন্য নাস্তা সাজানোর সময় উপরে মধু ও শুকনো ফল যোগ করেন অনেকেই। কিন্তু আপনার প্রোটিন ও ফাইবারে সমৃদ্ধ নাস্তার বাটিটিকে চিনির বাটিতে পরিণত করতে পারে এগুলো। এগুলোর পরিবর্তে বাদাম ও কলা যোগ করতে পারেন নাস্তায়, এই উপাদানগুলো আপনার নাস্তার স্বাদ বৃদ্ধি করবে চিনি যোগ করা ছাড়াই।

বিশাল ব্যাটারির আসুস জেনফোন ৩ জুম উন্মুক্ত তাইওয়ানের প্রতিষ্ঠান আসুস তাদের জেনফোন ৩ জুম ফোনটি উন্মুক্ত করেছে। ফোনটি নির্ধারিত সময়ের পরে উন্মুক্ত করার কারণ হিসেবে জানিয়েছে, স্পেসিফিকেশন হালনাগাদ করার জন্য এই দেরি হয়েছে।


উন্নত ক্যামেরার এই ফোনটিতে আছে ডুয়েল রিয়ার ক্যামেরা সেট আপ। ১২ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরায় ফিচার হিসেবে আছে ২.৩এক্স অপটিক্যাল জুম। এছাড়াও ফোনটি ছবিতে র- ফাইল ফরম্যাট (RAW file format) সমর্থন করবে। ফোনটির যুক্তরাষ্ট্রের সংস্করণের জন্য ৩ জিবি র‍্যাম এবং ৩২ জিবি বিল্ট- ইন স্টোরেজ আর চীনা সংস্করণের জন্য ৪ জিবি র‍্যাম এবং ১২৮ জিবি বিল্ট-ইন স্টোরেজ রয়েছে।

ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড মার্শম্যালোতে চললেও ন্যুগাট আপডেট নেয়া যাবে এই ফোনে। আর এই ফোনে ব্যাকআপের জন্য আছে ৫০০০ এমএএইচ বিশাল ব্যাটারি।

ফোনটির দাম ৩৯৯ মার্কিন ডলার হওয়ার কথা থাকলেও এখন ফোনটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২৯ মার্কিন ডলার। তাইওয়ানের প্রতিষ্ঠান আসুস তাদের জেনফোন ৩ জুম ফোনটি উন্মুক্ত করেছে। ফোনটি নির্ধারিত সময়ের পরে উন্মুক্ত করার কারণ হিসেবে জানিয়েছে, স্পেসিফিকেশন হালনাগাদ করার জন্য এই দেরি হয়েছে।

উন্নত ক্যামেরার এই ফোনটিতে আছে ডুয়েল রিয়ার ক্যামেরা সেট আপ। ১২ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরায় ফিচার হিসেবে আছে ২.৩এক্স অপটিক্যাল জুম। এছাড়াও ফোনটি ছবিতে র- ফাইল ফরম্যাট (RAW file format) সমর্থন করবে। ফোনটির যুক্তরাষ্ট্রের সংস্করণের জন্য ৩ জিবি র‍্যাম এবং ৩২ জিবি বিল্ট- ইন স্টোরেজ আর চীনা সংস্করণের জন্য ৪ জিবি র‍্যাম এবং ১২৮ জিবি বিল্ট-ইন স্টোরেজ রয়েছে।

ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড মার্শম্যালোতে চললেও ন্যুগাট আপডেট নেয়া যাবে এই ফোনে। আর এই ফোনে ব্যাকআপের জন্য আছে ৫০০০ এমএএইচ বিশাল ব্যাটারি।

ফোনটির দাম ৩৯৯ মার্কিন ডলার হওয়ার কথা থাকলেও এখন ফোনটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২৯ মার্কিন ডলার।

Now-Windows-10-OS-on-50-million-active-devices 


  সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফটের ডেভেলপার সম্মেলন ‘বিল্ড ২০১৭’ শুরু হয়েছে ১০ মে বুধবার। যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী সত্য নাদেলা বক্তব্য রাখেন।


সত্য নাদেলা বলেন, বর্তমানে মাসিক ৪০ কোটি সক্রিয় ডিভাইসে এখন উইন্ডোজ ১০ ওএস রয়েছে। গত বছর সেপ্টেম্বরে এই সংখ্যাটা ছিল ৪০ কোটি। অর্থাৎ প্রায় আট মাসে যুক্ত হয়েছে ১০ কোটি ব্যবহারকারী। তবে এই সম্মেলনের বেশির ভাগ ঘোষণাই ছিল ডেভেলপার কেন্দ্রিক। এছাড়াও মাইক্রোসফট জানিয়েছে অফিস ৩৬৫ এর মাসিক বাণিজ্যিক সক্রিয় ব্যবহারকারী এখন ১০০ মিলিয়ন। যা কিনা বর্তমানে সবচেয়ে উৎপাদনশীল সেবা হিসেবে দাবি করে। 

চূড়ান্তভাবে মাইক্রোসফট জানিয়েছে, এখন অফিস স্টোর মাইক্রোসফট অ্যাপসোর্স এর সাথে যুক্ত, যা সংগঠনগুলিকে তাদের কাজের সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক অ্যাপস এবং অ্যাড-ইনগুলি সহজে খুঁজতে সাহায্য করবে।

 


সুপার কম্পিউটার থাকলে আবহাওয়ার যাবতীয় তথ্য-বিশ্লেষণ করে হাওরে বন্যার পূর্বাভাস পাওয়া যেত। সেই অনুযায়ী আগাম ব্যবস্থা গ্রহণ করলে হাওরবাসীর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনা সম্ভব হতো। কিন্তু তা পারা যায়নি উচ্চক্ষমতার সুপার কম্পিউটারের অভাবে। কথাগুলো বলছিলেন সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন ধরনের গবেষণায় তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণের জন্য দেশে দীর্ঘদিন ধরে সুপার কম্পিউটারের অভাব অনুভূত হচ্ছে। সেই অভাব পূরণে সরকার এবার উদ্যোগী হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের তথ্যপ্রযুক্তি গবেষণাকে তরান্বিত করতে বাংলাদেশে সুপার কম্পিউটার স্থাপনের ব্যাপারে আমরা কাজ করছি।’


হাওরের অকাল বন্যার উদাহরণ টেনে পলক বলেন, ‘আমাদেরএকটি সুপার কম্পিউটার থাকলে আমরা আবহাওয়ার ডাটা অ্যানালাইসিস করে অনেক আগেই পূর্বাভাস পেতে পারতাম। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলে সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনার হাওর এবং চলনবিলে অকাল বন্যার হাত থেকে কষ্টার্জিত ফসল রক্ষা করতে পারতাম। অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতিও কম হতো। হাওরের বাঁধ আরও মজবুত ও শক্তিশালী করাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ যেত।’

 


প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের জন্য সুপার কম্পিউটার কেনার কথা ভাবছি। আমি শিগগিরিই প্রধানমন্ত্রী ও তার আইসিটি উপদেষ্টার সঙ্গে সুপার কম্পিউটার আনার বিষয়ে কথা বলব।’ পলক জানান, সুপার কম্পিউটার একটি জায়গায় স্থাপন করা হলেও দেশের যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা হয় সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে টার্মিনাল বসানো হবে। এতে করে ওই সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও বড় ধরনের ‘ডাটা অ্যানালাইসিস’ করতে পারবেন।

আইসিটি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সুপার কম্পিউটার আনার উদ্যোগ বিষয়ে মঙ্গলবার (৯ মে) আইসিটি বিভাগে একটি বৈঠক হয়েছে। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন থাইল্যান্ডের ইন্সপার (থাইল্যান্ড) কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী এড মন্ড ও অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার ডা উই। তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বৈঠকে দেশীয় একটি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। আইসিটি বিভাগের ওই বৈঠকে সুপার কম্পিউটারের সুবিধা, ডাটা অ্যানাইলাইসিসসহ বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে জানিয়েছে বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র।



উল্লেখ্য, ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে ‘টোটাল সলিউশন প্রোভাইডার’ কোম্পানিগুলোর মধ্যে শীর্ষ একটি প্রতিষ্ঠান হলো ইন্সপার। এই কোম্পানির রয়েছে বিশ্বের অন্যতম বড় ডাটা সেন্টার। বিশ্বের এক হাজারেরও বেশি প্রতিষ্ঠানের (এন্টারপ্রাইজ) সঙ্গে কাজ করে ইন্সপার।

আবহাওয়ার ডাটা বিশ্লেষণ ও নিখুঁত পূর্বাভাস পাওয়ার জন্য সুপার কম্পিউটারের প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মো. আরিফ হোসেন। আবহাওয়া অধিদফ্তরের এই কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারলে আবহাওয়ার যেকোনও পূর্বাভাস আরও আগে পেতে পারব। সুপার কম্পিউটার থাকলে দীর্ঘদিনের ডাটা (বেশি সংখ্যক) বিশ্লেষণ করতে সুবিধা হয়।’ আবহওয়া অধিদফতর সুপার কম্পিউটার কেনার জন্য সরকারের কাছে অনেক আগেই প্রস্তাবনা পাঠিয়েছে বলে জানান এই আবহাওয়াবিদ।

মো. আরিফ হোসেন বলেন, ‘সম্প্রতি হাওরে যে বন্যা হলো, তার আগে কিন্তু প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে। সেই বৃষ্টির পূর্বাভাস কিন্তু আমরা ১৮ এপ্রিল দিয়েছিলাম। পূর্বাভাসে উল্লেখ ছিল, ১৯ থেকে ২৪ এপ্রিল সিলেট, সুনামগঞ্জ এলাকায় ভারি বর্ষণ হবে। হয়েছেও তাই।’ তবে তিনি মনে করেন, এই পূর্বাভাসটা যদি আরও আগে পাওয়া যেত তাহলে হাওরবাসী সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে পারতেন। এক-দুই দিন আগেই তারা ফসল ঘরে তুলে নিতে পারলে এত ক্ষয়ক্ষতি হতো না।




আবহাওয়া অধিদফতরের এই কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, সুনামগঞ্জের হাওর এলাকায় বন্যার জন্য কেবল আবহাওয়া তথা ভারী বর্ষণই দায়ী নয়, আসাম বা উজান এলাকার বৃষ্টির পানি ও পাহাড়ি ঢলও এর জন্য দায়ী। তবে সব কথার মূলে ওই পূর্বাভাস। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়ার অনেক পদ্ধতি ও মডেল থাকলেও ‘নিউম্যারিক্যাল ওয়েদার প্রেডিকশন মডেল’ ও ‘ওয়েদার রিসার্চ অ্যান্ড ফোরকাস্টিং মডেলে’র ব্যবহারই বেশি। সুপার কম্পিউটার থাকলে এসব মডেলের আউটপুট ভালো হবে, বেশি রেজ্যুলেশনের ছবি নেওয়া সম্ভব হবে। শতভাগ না হলেও তখন শতভাগের কাছাকাছি সঠিক পূর্বাভাস পাওয়া সম্ভব হবে।’
এদিকে হাওর অঞ্চলে কম সময়ে ধান উৎপাদনের প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করছেন প্রখ্যাত জিন বিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘হাওরাঞ্চলের এক ধরনের ধান আছে যে ধান বোরো মৌসুমে ৯০ এবং আউশ মৌসুমে ৭৫ দিনে ফলন দেয়। এই ধানের জেনম সিকোয়েন্স করে কোন জিনটার জন্য ধান হতে দেরি হয় সেটা চিহ্নিত করা হবে। তখন আগাম ধান ঘরে উঠবে। এপ্রিলে আগাম বন্যা হলেও কোনও সমস্যা হবে না।’ এই গবেষণার জন্যও সুপার কম্পিউটার তথা উচ্চক্ষমতার কম্পিউটার প্রয়োজন বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, ‘১০ হাজার প্রজাতির ধানের দেশ এই বাংলাদেশ। এই দেশে আগাম ধান উৎপাদনও সম্ভব। ধান নিয়ে আমরা গবেষণা করতে চাই। তার ডিএনএ বিশ্লেষণ, জেনম সিকোয়েন্স, ডাটা বিশ্লেষণ ইত্যাদির জন্য সুপার কম্পিউটার প্রয়োজন।’

আবেদ চৌধুরী বলেন, ‘পাটের জেনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করেছিলেন মাকসুদুল আলম। তাকেও পাটের জিনের সিকোয়েন্স মেলাতে সুপার কম্পিউটারের সাহায্য নিতে হয়েছিল। দেশে না থাকায় তিনি মালয়েশিয়ায় গিয়ে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করে কাজটি সম্পন্ন করতে পেরেছিলেন।’

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) দেশে প্রথম ডিপ-ব্লু নামের একটি সুপার কম্পিউটার নিয়ে আসে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া, আরও দু’টি সুপার কম্পিউটার আছে দেশে। এর মধ্যে সরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি এবং বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে অন্য সুপার কম্পিউটারটি।

খাসির মাংস ও পরোটা দিয়ে মজাদার কাঠি কাবাব রোল তৈরি করে ফেলতে পারেন দুপুর অথবা রাতের খাবারের জন্য। সুস্বাদু আইটেমটি নিয়ে যেতে পারবেন অফিসেও।


কাঠি কাবাব রোল 


উপকরণ

খাসির মাংস- ৩০০ গ্রাম
মাখন- ৪ চা চামচ
লেবুর রস- ২ টেবিল চামচ
ধনেপাতা কুচি- ১ মুঠো
চাট মসলা গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ
পরোটা- ২টি
লবণ- স্বাদ মতো
পেঁয়াজ- ১ স্লাইস
কাঁচামরিচ- ১টি (কুচি)
কাঁচা পেঁপে কুচি- ১ চা চামচ
ম্যারিনেটের উপকরণ
আদা বাটা- ১ চা চামচ
টক দই- ১০০ গ্রাম
ধনে গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
লেবুর রস- ১ টেবিল চামচ
তেল- ২ চা চামচ
রসুন বাটা- ১ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া- ২ চিমটি
গরম মশলা গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
কাঁচামরিচ- ১টি (কুচি)

প্রস্তুত প্রণালি

একটি পাত্রে হাড়ছাড়া খাসির মাংস নিন। ম্যারিনেটের সব উপকরণ একসঙ্গে মেশান। ম্যারিনেট করা মাংস সারারাত রেখে নিন ফ্রিজে। ১ চা চামচ কাঁচা পেঁপে মাংসে মিশিয়ে দিন। এতে দ্রুত সেদ্ধ হবে মাংস।   

একটি গভীর পাত্রে মাখন গরম করে মাংস ও সামান্য লবণ ছিটিয়ে নিন। পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, লেবুর রস ও চাট মসলা দিয়ে নেড়ে পাত্র ঢেকে নিন। মাঝারি আঁচে রান্না করুন। মাংস নরম হওয়া পর্যন্ত রাখুন চুলায়। শুকিয়ে গেলে সামান্য পানি দিতে পারেন। তবে মাংস যেন অতিরিক্ত নরম না হয় সেদিকে লক্ষ রাখবেন।

আরেকটি পাত্রে ঘি গরম করে পরোটা ভাজুন। মাংসের মিশ্রণ পরোটার মাঝে রেখে রোল করে নিন। ধনেপাতা চাটনির সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার কাঠি কাবাব রোল।



আজ ভারতে পা রাখতে যাচ্ছেন গ্র্যামিজয়ী সংগীতশিল্পী জাস্টিন বিবার। কানাডিয়ান এই পপ তারকা আগামী বুধবার মুম্বাইয়ের ডি ওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে একটি কনসার্টে অংশ নেবেন। এটিই বিবারের প্রথম ভারত সফর। তাঁর ভারত আগমন নিয়ে সে দেশের ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে উন্মাদনা। গণমাধ্যমও জাস্টিন বিবার নিয়ে ব্যস্ত। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, ভারতের জনপ্রিয় সেলিব্রেটি টক শো ‘কফি উইথ করণ’-এ অতিথি হয়ে আসবেন বিবার। 

সাত দিনের ভারত সফরে বিবার মুম্বাই, দিল্লি, আগ্রা ও জয়পুর ঘুরে দেখবেন। এক দিন পুরো যাবে কনসার্ট ও তার প্রস্তুতি নিতে। এত কম সময়ের মধ্যে টেলিভিশন অনুষ্ঠানের জন্য তিনি সময় বের করতে পারবেন কি না, এটা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে করণ জোহর এই গায়ককে তাঁর অনুষ্ঠানে আনার সব রকম চেষ্টাই করে যাচ্ছেন। বিবার যদি এই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হতে রাজি হন, তাহলে এটিই হবে ভারতীয় কোনো টিভি অনুষ্ঠানে প্রথম কোনো বিদেশি তারকার উপস্থিতি। 
এদিকে জাস্টিন বিবারের নিরাপত্তার জন্য নেভি মুম্বাই পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বুধবার কনসার্টে ৫০ হাজারেরও বেশি দর্শক উপস্থিত থাকবেন। আজ সকাল থেকেই সেখানে সিকিউরিটি চেকিং শুরু করে দিয়েছে পুলিশ। নেভি মুম্বাই পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, কনসার্ট চলাকালে স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের জন্য ড্রোন ব্যবহার করা হবে। সেখানে একটি পুলিশ কন্ট্রোল রুম বসানো হবে বলেও জানান তিনি। আজ ভারতে পা রাখতে যাচ্ছেন গ্র্যামিজয়ী সংগীতশিল্পী জাস্টিন বিবার। কানাডিয়ান এই পপ তারকা আগামী বুধবার মুম্বাইয়ের ডি ওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে একটি কনসার্টে অংশ নেবেন। এটিই বিবারের প্রথম ভারত সফর। তাঁর ভারত আগমন নিয়ে সে দেশের ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে উন্মাদনা। গণমাধ্যমও জাস্টিন বিবার নিয়ে ব্যস্ত। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, ভারতের জনপ্রিয় সেলিব্রেটি টক শো ‘কফি উইথ করণ’-এ অতিথি হয়ে আসবেন বিবার। 

সাত দিনের ভারত সফরে বিবার মুম্বাই, দিল্লি, আগ্রা ও জয়পুর ঘুরে দেখবেন। এক দিন পুরো যাবে কনসার্ট ও তার প্রস্তুতি নিতে। এত কম সময়ের মধ্যে টেলিভিশন অনুষ্ঠানের জন্য তিনি সময় বের করতে পারবেন কি না, এটা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে করণ জোহর এই গায়ককে তাঁর অনুষ্ঠানে আনার সব রকম চেষ্টাই করে যাচ্ছেন। বিবার যদি এই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হতে রাজি হন, তাহলে এটিই হবে ভারতীয় কোনো টিভি অনুষ্ঠানে প্রথম কোনো বিদেশি তারকার উপস্থিতি। 
এদিকে জাস্টিন বিবারের নিরাপত্তার জন্য নেভি মুম্বাই পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বুধবার কনসার্টে ৫০ হাজারেরও বেশি দর্শক উপস্থিত থাকবেন। আজ সকাল থেকেই সেখানে সিকিউরিটি চেকিং শুরু করে দিয়েছে পুলিশ। নেভি মুম্বাই পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, কনসার্ট চলাকালে স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের জন্য ড্রোন ব্যবহার করা হবে। সেখানে একটি পুলিশ কন্ট্রোল রুম বসানো হবে বলেও জানান তিনি।

নিজেদের আবিষ্কারকে সফল হিসেবে দেখতে চান সব উদ্ভাবকই। তাঁরা মনে করেন, এতে হয়তো পুরো বিশ্বের চালচিত্রই বদলে যাবে। কিন্তু কখনো কখনো তা বুমেরাং হয়েও আবির্ভূত হয়। কিছু ক্ষেত্রে আবিষ্কারই হয়ে দাঁড়ায় আবিষ্কারকের মৃত্যুর কারণ। আসুন জেনে নিই এমনই কিছু আবিষ্কারকের কথা—
থমাস এন্ড্রুজথমাস এন্ড্রুজ১. নৌযানের নকশাকারদের জগতে থমাস এন্ড্রুজ বেশ বিখ্যাত একটি নাম। টাইটানিক জাহাজের নকশা করেছিলেন তিনি। জাহাজটির প্রথম বা পক্ষান্তরে শেষযাত্রায় সঙ্গী ছিলেন থমাস। বিশাল আকারের জাহাজের নকশা করলেও এর ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন ছিলেন তিনি। নকশায় ৪৬টি জীবন রক্ষাকারী নৌকা (লাইফবোট) রাখার সুপারিশ করেছিলেন তিনি। কিন্তু বড়কর্তারা তা মানেননি। ১৯১২ সালের ১৫ এপ্রিল হিমবাহে ধাক্কা খেয়ে ডুবে যায় টাইটানিক। বাঁচতে পারেননি থমাসও। এমনকি তাঁর মরদেহও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
উইলিয়াম বুলকউইলিয়াম বুলক২. প্রথম আধুনিক প্রেস আবিষ্কার করেছিলেন উইলিয়াম বুলক। ফিলাডেলফিয়ার একটি সরকারি অফিসে প্রেস মেশিন বসাতে গিয়ে এর নিচে চাপা পড়েন তিনি। পরে তাঁর পায়ে গ্যাংগ্রিন হয়ে যায়। ১৮৬৭ সালের এপ্রিলে অস্ত্রোপচারের সময় হওয়া জটিলতায় তিনি মারা যান।
লুই স্লটিনলুই স্লটিন৩. লুই স্লটিন পেশায় ছিলেন একজন পারমাণবিক পদার্থবিদ। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর তিনি প্লুটোনিয়াম নিয়ে গবেষণা করছিলেন। কিন্তু একটি ফিশন বিক্রিয়া চালানোর সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটলে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে। তখন অন্যদের বাঁচাতে স্লটিন ওই প্লুটোনিয়াম পাত্রটিকে আগলে ধরেছিলেন। কিন্তু অতিরিক্ত তেজস্ক্রিয়তায় আক্রান্ত হয়ে দুর্ঘটনার দুই সপ্তাহ পর, ১৯৪৬ সালের ৩০ মে মৃত্যু হয় তাঁর।
সিলভেস্টার এইচ রোপারসিলভেস্টার এইচ রোপার৪. সিলভেস্টার এইচ রোপার বিশ্বের প্রথম মোটরসাইকেল আবিষ্কার করেছিলেন। এর নাম তিনি দিয়েছিলেন ভেলোসিপেড। এটি মূলত ছিল বাষ্প ইঞ্জিন চালিত একটি বাইসাইকেল। ১৮৯৬ সালের ১ জুন পরীক্ষামূলকভাবে মোটরসাইকেলটি চালানোর সময় ভয়ংকর দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। তাতেই মৃত্যু হয় এই আবিষ্কারকের।
হোরেস লসন হানলেহোরেস লসন হানলে৫. হোরেস লসন হানলে সাবমেরিন আবিষ্কার করেছিলেন। তাঁর নকশায় তৈরি প্রথম সাবমেরিনটির পরীক্ষামূলক ব্যবহার সফল হয়েছিল। এরপর আরও উন্নত সাবমেরিন তৈরিতে লেগে পড়েন হানলে। কিন্তু নতুন সাবমেরিন পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহারের সময় ঘটে বিপত্তি। ১৮৬৩ সালের ১৫ অক্টোবর সাবমেরিনটি পানিতে নামে। কিন্তু পানির ওপরে আর ভেসে উঠতে পারেনি। সব ক্রু নিয়ে সলিলসমাধি হয় হানলের।
মেরি কুরিমেরি কুরি৬. মেরি কুরির পরিচয় দুটি। একাধারে পদার্থ ও রসায়নবিদ ছিলেন তিনি। দুবার নোবেল পুরস্কার জিতেছিলেন এই গবেষক। তেজস্ক্রিয়তার তত্ত্ব, দুটি মৌলিক পদার্থ ও এক্স-রে রশ্মি আবিষ্কারেরও কৃতিত্ব ছিল তাঁর। প্রায়ই নিজের সঙ্গে একটি টেস্টটিউবে তেজস্ক্রিয় পদার্থ প্লুটোনিয়াম রাখতেন মেরি কুরি। ১৯৩৪ সালের ১৪ জুলাই তাঁর মৃত্যু হয়। চিকিৎসকদের বক্তব্য, অতিরিক্ত তেজস্ক্রিয়তার কারণেই মৃত্যু হয়েছিল তাঁর।



চুলের প্রতি ভালোবাসা সবার আছে। মেয়েরাই যে কেবল চুল নানাভাবে সাজায় তা নয়। ছেলেরাও তাদের হেয়ারস্টাইল ও হেয়ার ফ্যাশন নিয়ে সমান সচেতন। নানাভাবে তারা তাদের চুলের প্রতি যত্নবান এবং চুলের সাজে নিজেকে নানাভাবে উপস্থাপন করতে ভালোবাসে। তবে এই নানা হেয়ার স্টাইলের মাঝে আছে ট্রেন্ডি হেয়ার স্টাইল। চলুন তা সম্পর্কে জেনে নেই।  


সেমি বান কিংবা টপ
‘সেমি বান’ বা ‘টপ নট’ নামে পরিচিত এই বান করা হয় মাথার উপরের দিকের চুলগুলো দিয়ে। অর্থাৎ মাথার উপরের সব চুল মিলিয়ে একটি বান করা হয় মাথার মাঝখানে। এটি করতে হলে চুলের কাট এমন হওয়া দরকার যে কেবল উপরের অংশেই চুল থাকবে, আর পুরো মাথা চুলহীন।



হাফ বান 
এটি ‘সেমি বান’ গোছের কিছু মনে হলেও আদতে তা নয়। ম্যান বান অথবা সেমি বানের মতো করেই একটি বান বাঁধা হয় কিন্তু সেটিকে চুলের ব্যান্ডের অর্ধেক পর্যন্ত বেঁধে ছেড়ে দিলে এটি তৈরি হয়ে যায়। এতে বেশ অনেকখানি চুল হেয়ার ব্যান্ডের বাইরে থাকবে। তার মানে, বানের বাইরেও আরেকটা বানের মতো হতে পারে।



কার্লি ম্যান বান
কোঁকড়া চুলের জন্য। এর বিশেষত্ব হচ্ছে, বানটি বাঁধার আগে চাইলে চুল কার্লার দিয়ে আরেকটু কোঁকড়া করে নেয়া যায়। এমন চুলে বান বাঁধার মজা হচ্ছে, এটি দেখতে বেশ ‘মজবুত’ লাগে! 



হেয়ার বানের জন্য দরকারি পণ্য
ইলাস্টিক ব্যান্ড বান দরকার শক্তভাবে বাঁধার জন্য। হেড ব্যান্ড দরকার বানের ভেতর থেকে যে চুল অনিচ্ছাকৃতভাবে বেরিয়ে গেছে, সেগুলো এক জায়গায় করে রাখতে। কন্ডিশনার দরকার শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার লাগালে চুল স্বাস্থ্যোজ্জ্বল দেখায়, বান বাঁধলেও ভালো দেখায়, হেয়ারস্টাইলিং ক্রিম দরকার যেকোনো বানের স্থায়িত্ব বাড়ানোর জন্য।


পুরুষেরর পোশাক বরাবরই একটু ভারী হয়। এসব পোশাক শীতে আরামদায়ক হলেও তীব্র গরমে কষ্টদায়ক। গ্রীষ্মের হাত ধরে প্রকৃতি উত্তপ্ত হচ্ছে পাল্লা দিয়ে। আবহাওয়ার পূর্বভাস বলছে গরমের তীব্রতা বাড়বে আরও বেশি। এই আবহাওয়ায় নিজেকে সুস্থ রাখতে ব্যবস্থা নেয়া চাই এখনই।
তীব্র গরমে পুরু পোশাক পরে থাকলে দ্রুত ঘেমে ভিজে যায়। সেই ঘাম শরীরে বসে সর্দি-কাশি, ঘামাচি, চুলকানি বা অন্যান্য রোগের আর্বিভাব ঘটে। তাই পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে অবশ্যই পাতলা ও আরামের বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।
ফ্যাশন সচেতন অনেকেই নিজেকে ট্রেন্ডি ভাবতে অভ্যস্ত। তারা স্বস্তির পাশাপাশি সৌন্দর্যকেও সমান প্রাধান্য দেন। গরমে ছেলেদের জন্য সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক পোশাক হচ্ছে টি শার্ট। বিশেষ করে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছেলেদের কাছে এই পোশাকের বিকল্প নেই। জিন্স, গ্যাবাডিন কিংবা অন্যান্য প্যান্টের সঙ্গে টি-শার্ট বেশ মানিয়ে যায়। সব বয়েসের পুরুষ তাদের স্বাচ্ছন্দময় পোশাকের তালিকায় টি-শার্ট রাখতে পারেন।
গোল গলা, ভি গলা ও কলারসহ নানা রকম টি-শার্ট বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। টি-শার্ট কেনার আগে কাপড় সম্পূর্ণ সুতি কিনা তা যাচাই করে নেয়া জরুরি। টি-শার্টের হাফ হাতার নিচের দিকে ও কলারে ভিন্ন রঙের ব্যবহার চলছে। এসব ছাড়াও ফতুয়া কাটের গলাও বেশ চলছে। কাঁধে বা হাতায় একাধিক মোটা সেলাই দেখা যাচ্ছে। নিচের দিকে সম্পূর্ণ গোল বা হালকা কাটা। কিছু টি-শার্টের সামনের পার্ট পেছনের পার্টের চেয়ে সামান্য খাটো থাকে। এছাড়াও টি-শার্টের বুকে নানা ডিজাইনের সংমিশ্রণ ঘটেছে।
কালো রঙ অতিরিক্ত তাপ শোষণ করে। তাই গরমে বেছে নিতে পারেন সাদা, নীল, ছাই, ঘন নীল, সবুজ, মেরুন, চাপা সাদা, হলুদ, হালকা ফিরোজা, গোলাপি, লালচে ইত্যাদি রঙের টি-শার্ট। চাঁদনী চক, নিউমার্কেট, আজিজ সুপার মার্কেট, মতিঝিল, গুলিস্তান, ইসলামপুর, মৌচাক মার্কেটে রয়েছে টি-শার্টের বিপুল সমাহার। দাম পড়বে গোল গলা ১৮০ থেকে ৩৫০ টাকা, কলারওয়ালা হলে ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা। নিত্য উপহার, দেশী দশ, মেঘ, ওটু, স্মার্টেক্স, ইয়েলো, বিগবস ও ফ্রিল্যান্ডে টি-শার্ট কিনতে পারবেন ২০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকায়।

প্রশ্নোত্তরের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট কোরা-তে অনেক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীই ‘আইফোন মানুষের আচারবিধি এবং সংস্কৃতিতে কীভাবে পরিবর্তন এনেছে’ এ প্রশ্নটি করেছেন। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম সিনেট-এর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সারা টিবকেন জনপ্রিয় এই প্রশ্নটির উত্তর দিয়েছেন।

 
আইফোন আমাদের জীবনে পরিবর্তন এনেছে। স্মার্টফোন ছাড়া একটা দিনও বাসা থেকে বের হওয়ার কথা ভাবতে পারবেন আপনি? আমি নিশ্চিত যে আপনি পারবেন না।
স্মার্টফোন দিয়ে আজ সারাদিন কী করলেন, সেটা একটু ভাবুন। ইন্টারনেটের পুরো দুনিয়া আপনার পকেটে। আপনি যেকোনো সময় তা ব্যবহার করতে পারবেন। রানী এলিজাবেথের বয়স কত বা রেস্টুরেন্ট আপনার থেকে কতদূরে, তা খুঁজে বের করতে এখন আর কম্পিউটার চালু করা লাগে না। স্মার্টফোন ছাড়া দিনের ৮০ শতাংশ সময়ই আশাহতভাবে কেটে যাবে আমার। আর স্মার্টফোনের অ্যাপগুলোর কথা চিন্তা করুন। স্মার্টফোন না থাকলে উবারের দেখা পেতাম না। সেলফি বলেও কোনো শব্দ থাকত না (সেটা খারাপ নাকি ভালো তা অবশ্য আমি জানি না)। 
আপনি চাইলে যেকোনো সময় লাইভ ভিডিও সম্প্রচার করতে পারেন। আপনার ছোট্ট শিশুটি কী করছে বা পুলিশের কোনো অবিচারও সহজে ক্যামেরার পর্দায় ধারণ করে রাখতে পারেন আপনি। ডিভাইসে টাচস্ক্রিন থাকাটা আদর্শ হয়ে গেছে। স্মার্টফোনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সাইটগুলো দেখতে দেখতে অনেক সময় পার করি আমরা। 
এসব কিছুই স্মার্টফোনের সঙ্গে সম্পর্কিত। আইফোন না থাকলে আমরা হয়তো স্মার্টওয়াচ কিংবা টাচস্ক্রিন ট্যাবলেটগুলোও পেতাম না। মোবাইল প্রযুক্তি স্মার্ট হোম, ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উৎকর্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তা ছাড়া স্মার্টফোনসহ সকল প্রকার মোবাইল ডিভাইসের হেডফোন, চার্জার, ক্যাবলের ব্যবসাও উর্ধ্বগতিতে ছুটছে। এবিআই রিসার্চ সম্প্রতি এক গবেষণায় জানিয়েছে, ২০২১ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী এ ব্যবসার মুনাফা ১১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়াবে।
আইফোনের কারণে কিছু ব্যবসাও ঝরে গেছে। আমার এখন তেমন একটা পয়েন্ট-এ্যান্ড-শ্যুট ক্যামেরা ব্যবহার করি না। অ্যাপল নিয়মিতভাবে আইফোনে নতুন নতুন ফিচার যুক্ত করছে। কিছু থার্ড পার্টি অ্যাপ গ্রহণযোগ্যতা হারাচ্ছে।
জীবনে স্মার্টফোনের প্রভাব পড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। আমাদের তথ্য-উপাত্ত নিরাপদ রাখতে অ্যাপল শক্তপোক্ত অপারেটিং সিস্টেম নির্মাণ করেছে। তবে স্মার্টফোন থাকা মানে আপনার ওপর কেউ না কেউ নজরদারি করছে। ফোন ছাড়া দিন চলার কথা আমরা ভাবতেই পারি না। আইফোনসহ যতগুলো স্মার্ট ডিভাইস পরবর্তীতে এসেছে সবগুলোই আমাদের জীবন-যাপনে পরিবর্তন এনেছে।

 টক-মিষ্টি ভালো লাগে না? আছে ঝাল চিকেন রোষ্ট!


অনেকেই টক-মিষ্টি চিকেন রোষ্ট খুব একটা পছন্দ করেন না। বিশেষ করে যেসব অঞ্চলের লোকের ঝাল বেশি পছন্দ। অথেনটিক রেসিপি না হলেও ঝাল দিয়ে চিকেন রোস্ট  কিন্তু তৈরি করা যায়। সেই রোষ্টের ফ্লেভার, কিন্তু স্বাদে একটু খানি ঝাল। ভাত কিংবা পরোটার সাথে দারুণ , পোলাও দিয়েই ভারি মজা। চলুন, সায়মা সুলতানার হেঁসেল থেকে জেনে আসি রেসিপি।


যা লাগবে

মুরগি ১ টি ১ কেজি পরিমাণ ৮ পিস করা

পেঁয়াজ বেরেস্তা ২ কাপ

টক দই ১ কাপ

আদা বাটা ২ টেবিল চামচ

রশুন বাটা ১ চা চামচ

হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ

মরিচ গুঁড়ো ২ চা চামচ

জিরা গুঁড়ো ১ চা চামচ

গরম মশলা গুঁড়ো ২ চা চামচ

এলাচি বাটা হাফ চা চামচ

ঘি ৪ টেবিল চামচ

লবণ স্বাদমত


প্রনালি


-প্রথমে মাংসের পিসগুলোকে কেঁচে নিয়ে হালকা তেলে বাদামি করে ভেজে নিন। ঠিক রোস্ট রান্না করার সময় আমরা যেভাবে করি সেভাবেই ।

-এখন একটি বাটিতে ভাজা মাংসের সাথে উপরের সব উপকরণ মাখিয়ে মেরিনেট করে রাখুন ২ ঘণ্টা।

-এবার একটি প্যানে এই মাখানো মুরগির মাংস মিডিয়াম আঁচে চুলায় বসিয়ে দিন ৪০ মিনিটের জন্য , মাঝে নাড়াচাড়া করে দেবেন। মাংস সেদ্ধ হয়ে এলে ওপরে কয়েকটা কাঁচা মরিচ ফালি দিয়ে ১০ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে নিন।

নামিয়ে পোলাও, নান কিংবা পরোটার সাথে পরিবেশন করুন এই মজার ঝাল চিকেন রোস্ট !

এই তথ্যগুলো ফেসবুক থেকে এখনই ডিলিট করে দিন 

আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে এখনই ডিলিট করে দিন চারটি বিশেষ তথ্য। তা না হলে বিপদের সম্ভাবনা। যতোই প্রাইভেসি ফিল্টার ব্যবহার কাজে লাগাক ফেসবুক, আজও হ্যাকারদের পরাস্ত করা অত সহজ নয়। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার করা আপনার বিশেষ কয়েকটি তথ্যকেই তারা আপনার বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।


এই সমস্ত তথ্য কাজে লাগিয়ে তারা শুধু যে আপনার প্রোফাইল হ্যাক করতে পারে তা-ই নয়, আপনার আইডেন্টিটি জাল করে তারা গড়ে তুলতে পারে আপনার ডুপ্লিকেট আইডেন্টিটিও। সুরক্ষিত থাকার জন্য অবিলম্বে ডিলিট করুন এই চারটি তথ্য—

১. জন্মদিন: আপনার জন্মদিন ফেসবুকে উল্লেখ করা অত্যন্ত বিপজ্জনক। ভেবে দেখুন, প্যান কার্ড হোক বা ভোটার আই কার্ড হোক- সর্বত্রই আপনার বয়স অথবা জন্মদিনের উল্লেখ থাকে। কাজেই আপনার ডুপ্লিকেট আইডেন্টিটি তৈরি করতে হলে আপনার জন্মদিন অপরিহার্য তথ্য।

২. নিজের চেক ইন: কখন কোথায় যাচ্ছেন, কোন রেস্তরাঁয় খাচ্ছেন কিংবা কোন সিনেমা হলে সিনেমা দেখছেন— তা ফেসবুকে জানাবেন না। আপনার পরিচিতি জাল করতে চায় যারা, তারা কিন্তু এই তথ্যগুলোই কাজে লাগাবে।

৩. নিজের ঠিকানা: নিজের বাসস্থানের ঠিকানা কখনই জানাবেন ফেসবুকে। এতে শুধু যে নিজের আইডেন্টিটি ডুপ্লিকেসির সম্ভাবনা বাড়বে তা নয়, কেউ চাইলে সরাসরি আপনার বাসস্থানে হামলাও চালাতে পারে।

৪. আপনার কর্মক্ষেত্র: আপনার অফিসের ঠিকানা শেয়ার করাও একই রকম বিপজ্জনক। দিনের একটা বড় অংশ সেই ঠিকানাতেই আপনি কাটাচ্ছেন। কত ক্ষণ আপনি সেখানে থাকছেন, আপনার অফিস থেকে বাড়িতে যেতেই বা কতটা সময় লাগে— ইত্যাদি তথ্য আপনার প্রোফাইল হ্যাকিং-এর সম্ভাবনা বাড়ায়। কাজেই এই তথ্যও গোপন রাখাই ভালো।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কৃত্রিম সূর্য 

 যখন পর্যাপ্ত সূর্যালোক থাকে না, তখন সোলার প্যানেল বা সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন কাজ কীভাবে চলবে? যেহেতু সোলার প্যানেলের মূল খাবার আসে সূর্যের আলো থেকে, ফলে পৃথিবীর যেসব দেশে প্রায়ই সূর্যের দেখা মেলে না, তারা রীতিমত বিপদে পড়েন। সেই সংকটের জবাব খুঁজতে গিয়ে জার্মানির বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন কৃত্রিম এক সূর্য, যাকে বলা হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কৃত্রিম সূর্য।


বিজ্ঞানীদের এই দলটির নেতৃত্ব দিয়েছেন জার্মানির ইন্সটিটিউট অব সোলার রিসার্চ এর প্রধান ড. কাই উইগহার্ট। তিনি বলছেন, ‘এই সূর্যের মাধ্যমে আমরা নিরবচ্ছিন্ন ভাবে কৃত্রিম আলো পাবো, যা খুবই প্রয়োজনীয়। বিশেষ করে পশ্চিম জার্মানির মত জায়গায়, যেখানে প্রতিদিন সূর্যের দেখা পাওয়া যায় না এবং আবহাওয়াও খুব একটা ভালো নয়।’

এই কৃত্রিম সূর্যে ১৪৯টি ফিল্ম প্রজেকশন লাইট একত্রিত করে আলো প্রক্ষেপণ করা হয়। আর সেই সম্মিলিত আলো প্রতিদিন সূর্যের যে রশ্মি পৃথিবীতে আলো ছড়ায় তার থেকে দশ হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী। এই আলোর মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা আগামী দিনের সোলার বা সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাদি পরীক্ষানিরীক্ষা করতে পারছেন।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, যেহেতু হাইড্রোজেন পুড়লে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয় না, তাই ভবিষ্যতে হাইড্রোজেনকেই জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা উচিত হবে। বিজ্ঞানীদের বানানো এই কৃত্রিম সূর্যটির যে বিশাল এক যন্ত্রের মাধ্যমে পরিচালনা করা হচ্ছে, তার উচ্চতা তিনতলা একটি ভবনের সমান। সেখানে ১৪০ জেনন শর্ট আর্ক ল্যাম্প জ্বলছে। এ প্রচণ্ড তাপমাত্রায় হাইড্রোজেন গ্যাস প্রস্তুত করা হচ্ছে। কয়েক বছর আগেই সোলার রেডিয়েশন ব্যবহার করে হাইড্রোজেন তৈরি করা পদ্ধতি উদ্ভাবনা করেছিলেন বিজ্ঞানীরা।

কিন্তু বিশ্বের বৃহত্তম সূর্যের মাধ্যমে যে পরিমাণে হাইড্রোজেন উৎপন্ন করা সম্ভব, তা কেবল জ্বালানি হিসেবে নয়, ব্যবহার করা যাবে শিল্প খাতেও।

 চেহারা বদলে দিচ্ছে ফেসঅ্যাপ 


ফেসবুকে কিছুদিন ধরে অনেকে ‘ফেসঅ্যাপ’ নামের একটি অ্যাপ ব্যবহার করে তৈরি ছবি পোস্ট করছেন। অ্যাপটির মাধ্যমে মানুষের মুখের বিভিন্ন রূপ বদল করা যায়। অ্যাপটিতে কি কোনো সমস্যা আছে?


এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, অ্যাপটি মানুষের মুখের আদল পরিবর্তন করে ফেলে। ছবি বিকৃত করে তা বয়স্ক, শিশু, নারী ও পুরষের আদলে দেখায়। স্বাভাবিক ছবিতে মুখে কোনো হাসি না থাকলেও অ্যাপটির সাহায্যে তৈরি ছবিতে মুখে হাসি যুক্ত হয়। যাঁরা নিজের মুখ নিয়ে খেলতে চান, তাঁদের খুশি করতেই এ অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। অ্যাপটিতে ব্যবহৃত হয়েছে নিউরাল নেটওয়ার্কস। এতে পরিবর্তিত ছবিটি বাস্তবের কাছাকাছি করার চেষ্টা করা হয়।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে ফেসঅ্যাপটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়ারোস্লিভ গনচারোভ প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চকে বলেছিলেন, সাধারণভাবে বিবেচনা করলে মুখে একটু হাসি যুক্ত করা হয়তো সাধারণ পরিবর্তন, কিন্তু বাস্তবে এটি খুব কঠিন। হাসি মানে শুধু ঠোঁটের নড়াচড়া নয়। হাসলে পুরো মুখ সূক্ষ্ম অথচ জটিলভাবে পরিবর্তন হয়ে যায়।

বিনা মূল্যের অ্যাপটি নিউরাল ফেস ট্রান্সফরমেশনস অ্যাপ হিসেবে তৈরি করেছে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ওয়্যারলেস ল্যাব। ইয়ারোস্লিভ বলেন, ‘আমরা নতুন একটি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছি, যা নিউরাল নেটওয়ার্কস ব্যবহার করে কোনো চেহারা বদলাতে পারে। এতে ছবির ওপর ডিপ লার্নিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ছবিটির ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।’ ইয়ারোস্লিভ বলেন, ‘আমাদের মূল্য পার্থক্য হচ্ছে ফটোরিয়্যালিজমে। ফিল্টার যুক্ত করার পরেও সেটি আপনার আসল ছবিটিই থাকছে। অন্যান্য অ্যাপে মজা দেওয়ার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে ছবি বিকৃত করা হয়, যা আর আসল ছবি থাকে না।’ ইতিমধ্যে ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়ে ওঠা অ্যাপটি তারকাদের আকৃষ্ট করেছে। অ্যামি শুমাখার, মিন্ডি কালিংয়ের মতো তারকারা এটি ব্যবহার করেছেন। গত কয়েক মাস আগে অ্যাপটি উন্মুক্ত করা হলেও সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। গত ২৫ এপ্রিল গুগল প্লেস্টোরে অ্যাপটি হালনাগাদ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এটি ৫০ লাখের বেশি ডাউনলোড হয়েছে।


ফেসঅ্যাপ হঠাৎ জনপ্রিয় হওয়ায় পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না বিশ্লেষকেরা। অনেকে মনে করছেন, কিছু বিশ্বাসযোগ্য ছবি তৈরি করা এর কারণ হতে পারে। তবে গত কয়েক সপ্তাহে ফেসঅ্যাপ ব্যবহার করে তৈরি করা ছবি ফেসবুকে ছড়ানোর পর থেকে অনেকেই এটি উপভোগ করছেন। কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে এ জনপ্রিয়তা থাকবে কি না, তা নিয়ে অনেকেই সন্দিহান।

ফেসঅ্যাপ অ্যাপ্লিকেশনটি নিয়ে অবশ্য কিছু প্রশ্নও উঠছে। অ্যালগরিদম-সংক্রান্ত সমস্যা থাকায় শুরুতেই এতে বর্ণবৈষম্যের বিষয়টি উঠে আসে। সম্প্রতি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপে ওই সমস্যা দূর করার কথা জানিয়েছে ফেসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া অ্যাপটি ব্যবহার করে পরিবর্তন করা ছবি আবার ব্যবহার করলে আরও বিরক্তিকর ছবি তৈরি হয়।

প্রশ্ন উঠছে অ্যাপটি ব্যবহারে প্রাইভেসির বিষয়টি নিয়েও। তাই যখন ফেসঅ্যাপের মতো ভাইরাল কোনো অ্যাপ ডাউনলোড করবেন, তখন কয়েকটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। এর মধ্যে অন্যতম বিষয় হচ্ছে প্রাইভেসি বা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা। মজা করার জন্য অ্যাপটি ডাউনলোড করলেও এটি ডাউনলোডের সময় থার্ড পার্টি বা তৃতীয় পক্ষের হাতে আপনার ব্যক্তিগত কিছু তথ্য তুলে দেওয়ার জন্য সম্মতি দিতে হয়। অ্যান্ড্রয়েড ফোনে অ্যাপটি ডাউনলোডের সময় ইন-অ্যাপ পারচেজ, ফটো ও মিডিয়া ফাইল, ডিভাইস স্টোরেজ ও মাই ক্যামেরা অপশনের অনুমতি দিতে হয়। এ ছাড়া আরও ইন্টারনেট ডেটা গ্রহণ, নেটওয়ার্ক কানেকশন দেখা, পূর্ণ নেটওয়ার্ক সংযোগ, ফোন স্লিপিং মোডে যাওয়ার ঠেকানোর অনুমতি দিতে হয়। অবশ্য এখন পর্যন্ত প্রাইভেসি নিয়ে খুব বেশি অভিযোগ করেনিন ব্যবহারকারীরা। এদিক থেকে অন্যান্য ছবি পরিবর্তনের টুলের চেয়ে ফেসঅ্যাপ কিছুটা এগিয়ে। ফেসঅ্যাপের প্রাইভেসি নীতিমালায় বলা হয়েছে, বিজ্ঞাপন দেখানোসহ সেবা উন্নত করার ক্ষেত্রে ফোন থেকে অ্যাপটি তথ্য সংগ্রহ করে। তথ্যসূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট, এনডিটিভি।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.