আমি চলচ্চিত্র সমিতিতে আবেদন করেই যাব!

আমি চলচ্চিত্র সমিতিতে আবেদন করেই যাব! 


মূলত দ্বন্দ্বটা তৈরি হয়েছিল শাকিব খান ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মধ্যে। কিন্তু এ দ্বন্দ্বের মাঝে আটকে আছেন আরও একজন, তরুণ পরিচালক শামীম আহমেদ রনী।


 এখনও নিষিদ্ধ আছেন শাকিবের ‘রংবাজ’ ছবির এ পরিচালক। রবিবার পর্যন্ত জানা যায়, তার স্থগিতাদেশ বহাল রাখা হয়েছে। তাই নতুন করে আবারও পরিচালক সমিতির সদস্য পদের জন্য আবেদন করেছেন রনী।

বিষয়টি নিয়ে রনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘নিষিদ্ধের ঘটনার পর আমি পরিচালক সমিতিতে ইতোমধ্যে দুইবার আবেদন করেছি! দেখি তারা যতদিন আমাকে সদস্যপদ না দেন, আমি ততদিন তাদের কাছে আবেদন করেই যাব।’

পরিচালক সমিতির কারও সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে কিনা বা শাকিব খান আপনাকে কি সহযোগিতা করছেন- এমন দুটো প্রশ্নে রনী বলেন, ‘আমি কারও সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করিনি। আবেদনপত্রের মাধ্যমে আমি আমার কথাটা তাদের জানিয়ে যাব। আর শাকিব ভাই নিজেও কিছু কারণে ঝামেলায় আছেন। তারপরও তার যা করার তিনি তা করছেন।’

উল্লেখ্য, পারিবারিক ঘটনায় সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে শাকিব অনেক পরিচালকদের ‘বেকার’ বলে অভিহিত করেছিলেন। এতে বেজায় চটে যায় চলচ্চিত্র পরিচালকদের নীতিনির্ধারণী সংগঠন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি।

২৪ এপ্রিল শীর্ষ এ নায়ককে উকিল নোটিশ পাঠায় সমিতি। একই দিন সমিতির প্যাডে নতুন ঘোষণা দেওয়া হয় শাবিক খানকে বয়কটের। এরপর চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১২ সংগঠন মিলে তাকে নিষিদ্ধ করে।

পাশাপাশি তার অভিনীত ও শামীম আহমেদ রনী পরিচালিত ‘রংবাজ’ ছবির কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু রনী করেছিলেন থোরাইকেয়ার। পক্ষ নিয়েছিলেন শাকিবের। কাজ চালিয়েছিলেন। তখন পরিচালক সমিতি তাকেও নিষিদ্ধ করে। এরপর শাকিব ক্ষমা চাইলে ১ মে তার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু রনীর সদস্য পদ স্থাগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয়নি।

‘রংবাজ’ ছবিতে মূল চরিত্রে আছেন শাকিব খান ও বুবলী। আরও অভিনয় করেছেন নূতন, সাদেক বাচ্চু, রজতাভ দত্ত প্রমুখ। যৌথ প্রযোজনার ছবি ‘রংবাজ’টি প্রযোজনা করছে রূপরঙ ও শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মস।

মূলত দ্বন্দ্বটা তৈরি হয়েছিল শাকিব খান ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মধ্যে। কিন্তু এ দ্বন্দ্বের মাঝে আটকে আছেন আরও একজন, তরুণ পরিচালক শামীম আহমেদ রনী।