যে ৬ ধরনের খাবার খেতে নিষেধ করেন সব পুষ্টিবিদেরাই


সুস্থতার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিৎ এটা আমরা সবাই জানি। সুস্থ ও ফিট থাকা এবং দীর্ঘজীবী হওয়ার জন্য কিছু খাবার বাদ দেয়াটাও জরুরী। হ্যাঁ এমন কিছু খাবার আছে যা প্রত্যেক পুষ্টিবিদই খেতে নিষেধ করে থাকেন বা সতর্কতার সাথে গ্রহণ করার কথা বলেন। চলুন তাহলে এমন কিছু খাবারের কথাই আজ জেনে নিই আমরা যা এড়িয়ে চলা উচিৎ সুস্থতার জন্য।
১। ভাজাপোড়া খাবার
ভাজাপোড়া খাবার শুধু ক্যালরিতেই সমৃদ্ধ নয় ক্যান্সারের ঝুঁকিও বৃদ্ধি করে। কারণ উচ্চতাপে তেল কার্সিনোজেনিক হয়ে যায়। এছাড়াও ভাজাপোড়া খাবার কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং ইমিউনিটি কমিয়ে দেয়।
২। চিনি
চিনিতে পুষ্টি উপাদান কম থাকে। চিনি সমৃদ্ধ মিষ্টি খাবার খেলে ডায়াবেটিস এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। অনেকেই জানেন না যে চিনি ড্রাগের মতোই আসক্তি সৃষ্টিকারী খাবার। একবার চিনি খাওয়ার পরই যদি পুনরায় চিনি খাওয়ার ইচ্ছা জাগ্রত হয় তাহলে এটা আসক্তির একটি পরিষ্কার লক্ষণ।
৩। কৃত্রিম মিষ্টিকারক
চিনির পরিবর্তে কৃত্রিম মিষ্টিকারক গ্রহণ করা বন্ধ করুন! কারণ এটি উপকারের চেয়ে অনেকবেশি  ক্ষতিই করে থাকে। জনপ্রিয় বিশ্বাসের বিপরীত হচ্ছে, কৃত্রিম মিষ্টিকারক বিপাকের সমস্যা তৈরি করে, ওজন বৃদ্ধি করে এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। খাবারকে মিষ্টি করতে কৃত্রিম মিষ্টিকারকের পরিবর্তে গুড় এবং মধু যোগ করতে পারেন।  
৪। ময়দা
আমরা যে খাবার খাই তার বেশীরভাগই ময়দার তৈরি। বেক করা খাবারের অন্যতম উপাদান হচ্ছে ময়দা। প্রতিদিন ময়দার তৈরি খাবার খেলে ওজন হ্রাসের ক্ষেত্রে বাঁধার সৃষ্টি হয় এবং স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর।
৫। ট্রান্স ফ্যাট
  
মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড (MUFA), পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড (PUFA), ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। ট্রান্স ফ্যাট শরীরে কোলেস্টেরল ও ফ্যাট জমা হতে সাহায্য করে। এতে আপনার ওজন বৃদ্ধি পায়, যা অনেক লাইফস্টাইল ডিজিজেরই প্রধান কারণ।
৬। অ্যারাটেড ড্রিঙ্কস/প্যাকেটজাত ফলের জুস  
অ্যারাটেড ড্রিঙ্কস/প্যাকেটজাত ফলের জুস শুধু চিনি এবং কার্বন ডাই অক্সাইডেই সমৃদ্ধ নয়, এতে পুষ্টির পরিমাণ কম থাকে বলে শরীরে অস্বাস্থ্যকর উপাদান জমা হওয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি করে। তাই এ ধরনের পানীয়গুলো বর্জন করা উচিৎ আপনার।