খুব তাড়াতাড়ি পৃথিবী ছাড়তে হবে


জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে খুব দ্রুত। আগামী দিনে সেই রদবদলটা হবে আরো দ্রুত হবে। ভয়ংকরভাবে বেড়ে যাবে উষ্ণায়ন। বেড়ে যাবে সমুদ্রের জলস্তর। একের পর এক আছড়ে পড়তে শুরু করবে বিশাল বিশাল গ্রহানু। শুরু হয়ে যাবে নানা রকমের মহামারী। অসম্ভব রকম বেড়ে যাবে জনসংখ্যার চাপ। এই ধরণী তখন হয়ে উঠবে আমাদের বধ্যভূমি। এমন মন্তব্য করে হুসিয়ারি দিয়েছেন বিখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং।
হাতে আর খুব বেশি সময় নেই আমাদের। খুব তাড়াতাড়ি এই পৃথিবী ছেড়ে যেতে হবে, প্রাণে বাঁচতে। আর বড়জোড়র একশ’ বছর। বিবিসি’র নির্মীয়মান ডকুমেন্টারি ‘এক্সপেডিশান নিউ আর্থ’ এ এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। বক্তব্যের স্বপক্ষে বেশ কয়েকটি যুক্তিও দিয়েছেন হকিং। 

এই একশ’ বছরের মধ্যে অন্য কোনো গ্রহে আমরা আমাদের বসবাসের নতুন ঠিকানা খুঁজে নিতে পারলে আধুনিক মানুষের ‘হোমো সাপিয়েন্স সাপিয়েন্স’ প্রজাতি একেবারেই মুছে যাবে। নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। বিবিসি’র ওই ডকুমেন্টারিতে হকিংয়ের সঙ্গে আছেন আরো এক বিশিষ্ট বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড্যানিয়েল জর্জ। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে খুব দ্রুত। আগামী দিনে সেই রদবদলটা হবে আরো দ্রুত হবে। ভয়ংকরভাবে বেড়ে যাবে উষ্ণায়ন। বেড়ে যাবে সমুদ্রের জলস্তর। একের পর এক আছড়ে পড়তে শুরু করবে বিশাল বিশাল গ্রহানু। শুরু হয়ে যাবে নানা রকমের মহামারী। অসম্ভব রকম বেড়ে যাবে জনসংখ্যার চাপ। এই ধরণী তখন হয়ে উঠবে আমাদের বধ্যভূমি। এমন মন্তব্য করে হুসিয়ারি দিয়েছেন বিখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং।
হাতে আর খুব বেশি সময় নেই আমাদের। খুব তাড়াতাড়ি এই পৃথিবী ছেড়ে যেতে হবে, প্রাণে বাঁচতে। আর বড়জোড়র একশ’ বছর। বিবিসি’র নির্মীয়মান ডকুমেন্টারি ‘এক্সপেডিশান নিউ আর্থ’ এ এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। বক্তব্যের স্বপক্ষে বেশ কয়েকটি যুক্তিও দিয়েছেন হকিং। 

এই একশ’ বছরের মধ্যে অন্য কোনো গ্রহে আমরা আমাদের বসবাসের নতুন ঠিকানা খুঁজে নিতে পারলে আধুনিক মানুষের ‘হোমো সাপিয়েন্স সাপিয়েন্স’ প্রজাতি একেবারেই মুছে যাবে। নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। বিবিসি’র ওই ডকুমেন্টারিতে হকিংয়ের সঙ্গে আছেন আরো এক বিশিষ্ট বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড্যানিয়েল জর্জ। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।