গ্রামীণফোন থেকে ২৩৪ কর্মী বিদায়

 গ্রামীণফোন থেকে ২৩৪ কর্মী বিদায়

দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনে নিয়মিত ভলান্টারি রিটায়ারমেন্ট স্কিম বা ভিআরএস নামে চলমান কর্মী ছাঁটাই প্রক্রিয়ায় আজ ৩১ জুলাই সোমবার বিদায় নিচ্ছেন ২৩৪ জন কর্মী। গত ২৯ জুন থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত এই ভিআরএস ঘোষণা করা হলেও পরবর্তীতে ৭ দিন সময় বৃদ্ধি করে ২৫ জুন পর্যন্ত সময় বর্ধিত করা হয়। গত ১৮ জুন পর্যন্ত সব মিলে প্রায় ৭০ জন ভিআরএস-এর জন্য আবেদন করেছিল। কর্তৃপক্ষ আশা করছিল এ সংখ্যা পাঁচ শতাধিক ছাড়িয়ে যাবে। তবে এ সময়ের মধ্যে গ্রামীণফোনের এইচআর বিভাগের অনেকেই দেশের বাইরে থাকার কারণে এ বিষয়ে কাজ করতে পারেনি বলেই এই সময় বৃদ্ধি করা হয়। বাকি সাত দিনে এ সংখ্যা ২৩৪ পর্যন্ত নিতে সক্ষম হয় গ্রামীণফোন।


সর্বশেষ ভিআরএস প্রকল্পে গ্রামীণফোনে অন্তত ৩১ জুলাই পর্যন্ত টানা পাঁচ বছর কাজ করেছেন এমন কর্মীরা এই স্কিমে আবেদন করতে পেরেছেন। তবে সর্বশেষ টেলিনর ডেভেলপমেন্ট প্রসেস বা টিডিপি থেকে টপ ট্যালেন্ট গ্রামীণফোন ছাড়তে অনুমতি পাননি। এছাড়া ৩১ জুলাই এর মধ্যে যাদের বয়স ৫৮ বা তদূর্ধ্ব হবে তারা এই স্কিমের আওতাভুক্ত ছিলেন না। উল্লেখ্য, গত ২৬ মে নিয়োগপ্রাপ্ত গ্রামীণফোনের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাইকেল ফোলি গত ১৩ জুন মঙ্গলবার তার প্রথম টাউন হলে নতুন ভিআরএস সম্পর্কে কর্মীদের অবগত করেন। তিনি বলেন, ‘গ্রামীণফোনে আগামী জুলাই মাসে নতুন ভিআরএস ঘোষণা করা হবে। যারা এই স্কিমের আওতায় চলে যেতে চান তারা ১ জুলাই থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করুন।’

অবশ্য গ্রামীণফোন এই উদ্যোগকে ‘কর্মী ছাঁটাই’ এর পরিবর্তে ‘ঐচ্ছিক অবসর’ হিসেবে দাবি করেছে। নতুন করে কর্মী ছাঁটাই প্রসঙ্গে গ্রামীণফোনের হেড অব এক্সটার্নাল কমিউনিকেশনস সৈয়দ তালাত কামাল  বলেন, ‘গ্রামীণফোনের ভিআরএস কর্মীদের জন্য সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক বিষয়, এটি কারও উপর জোর করে চাপিয়ে দেয়া হয় না। এর আগেও গ্রামীণফোন টেলিকম শিল্পে সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক ভিআরএস প্যাকেজ দিয়েছিল, যা কর্মীদের মধ্যে খুব ভালো সাড়া পেয়েছিল।

দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনে নিয়মিত ভলান্টারি রিটায়ারমেন্ট স্কিম বা ভিআরএস নামে চলমান কর্মী ছাঁটাই প্রক্রিয়ায় আজ ৩১ জুলাই সোমবার বিদায় নিচ্ছেন ২৩৪ জন কর্মী। গত ২৯ জুন থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত এই ভিআরএস ঘোষণা করা হলেও পরবর্তীতে ৭ দিন সময় বৃদ্ধি করে ২৫ জুন পর্যন্ত সময় বর্ধিত করা হয়। গত ১৮ জুন পর্যন্ত সব মিলে প্রায় ৭০ জন ভিআরএস-এর জন্য আবেদন করেছিল। কর্তৃপক্ষ আশা করছিল এ সংখ্যা পাঁচ শতাধিক ছাড়িয়ে যাবে। তবে এ সময়ের মধ্যে গ্রামীণফোনের এইচআর বিভাগের অনেকেই দেশের বাইরে থাকার কারণে এ বিষয়ে কাজ করতে পারেনি বলেই এই সময় বৃদ্ধি করা হয়। বাকি সাত দিনে এ সংখ্যা ২৩৪ পর্যন্ত নিতে সক্ষম হয় গ্রামীণফোন।