উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপে বাংলাদেশের ‘দাগ



৭০তম কান উৎসবের শর্টফিল্ম কর্নারে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দাগ’ এবার মুক্তি পাচ্ছে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোতে। আসছে নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যে শর্টসটিভি (দ্য গ্লোবাল হোম অব শর্ট মুভিজ) তাদের ৪ কোটি সাবস্ক্রাইবারের কাছে পৌঁছে দেবে ‘দাগ’।


 বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছবিটির পরিচালক জসিম আহমেদ। তিনি জানান, প্রচারের এক সপ্তাহ আগে সময়সূচি থাকবে শর্টসটিভির ওয়েবসাইটে।

এদিকে আমেরিকা ও ইউরোপের দর্শকরা কয়েকটি টিভি চ্যানেল, ক্যাবল নেটওয়ার্ক ও আইপি টিভিতে দেখতে পারবেন ছবিটি। মার্কিন চ্যানেলগুলো হলো- ডিরেকটিভি- চ্যানেল ৫৭৩, এটি অ্যান্ড টি ইউ-ভার্স- চ্যানেল ১৭৮৯, ইউএস সনেট- চ্যানেল ২৯২, সেঞ্চুরি লিংক- চ্যানেল ১৭৮৯, ফ্রন্টিয়ার কমিউনিকেশন্স- চ্যানেল ১৭৮৯ ও গুগল ফাইভার- চ্যানেল ৬০৩।

এছাড়া নেদারল্যান্ডের জিগো, ডেলটা ও ইউফোন, বেলজিয়ামের টেলিনেট, জার্মানির ম্যাজিন টিভি এবং রোমানিয়া টেলিকম-চ্যানেল ২০১ ও স্লোভাকিয়ার টেলিকম-চ্যানেল ৩১২ প্রচার করবে ‘দাগ’।

পরিচালক জসিম আহমেদ , “ব্যক্তিগত আলাপচারিতা, ফোন এবং ফেসবুকের ইনবক্সে অনেকেই জানতে চান বাংলাদেশের দর্শকরা কবে ‘দাগ’ দেখতে পাবেন। এর কোনও সুনির্দিষ্ট উত্তর দিতে পারছিলাম না। প্রবল ইচ্ছা ছিল, সবার আগে বাংলাদেশের দর্শকদের কাছে ছবিটি পৌঁছাবো। আমাদের আবেগের জায়গা মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমির ছবিটি দেশের দর্শকদের জন্যই তো নির্মিত। কিন্তু আন্তর্জাতিক পরিবেশনার স্বার্থে ও পরিবেশকের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তির কিছু বাধ্যবাধকতায় প্রথমে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোতে মুক্তি দিতে হচ্ছে ছবিটি।”

আমেরিকা ও ইউরোপ প্রিমিয়ারের ছয় মাসের মধ্যেই বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবিটির প্রিমিয়ার হবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা জসিম। এতে মুখ্য তিনটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন শশী, শতাব্দী ওয়াদুদ ও বাকার বকুল। এর গল্পে দেখা যায়, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ধর্ষণের শিকার হওয়া একটি মেয়ে অনেক বছর পর বিয়ের রাতেও একই পরিস্থিতিতে পড়ে। কিন্তু তখন সে প্রতিবাদী হয়ে ওঠে।

৭০তম কান উৎসবের শর্টফিল্ম কর্নারে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দাগ’ এবার মুক্তি পাচ্ছে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোতে। আসছে নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যে শর্টসটিভি (দ্য গ্লোবাল হোম অব শর্ট মুভিজ) তাদের ৪ কোটি সাবস্ক্রাইবারের কাছে পৌঁছে দেবে ‘দাগ’।