বায়োমেট্রিক সিম ১৩ কোটি ছাড়াল

বায়োমেট্রিক সিম ১৩ কোটি ছাড়াল 

বায়োমেট্রিক পদ্ধতির নিবন্ধনের ধাক্কায় মাত্র কয়েক মাসে দেশে কার্যকর মোবাইল সিমের সংখ্যা দেড় কোটি কমে গিয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে মাঝের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি কাটিয়ে গ্রাহক বাড়তে শুরু করেছে অপারেটরগুলোর।


কার্যকর সিমের সংখ্যা এখন প্রায় আগের অবস্থানে ফিরে এসেছে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, মে মাসের শেষে সক্রিয়  কার্যকর মোবাইল সিমের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৩৫ লাখ, যার প্রতিটিই বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত।

গত বছরের শুরুতে যখন বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়, তখন দেশে কার্যকর মোবাইল সিম ছিল ১৩ কোটি ৩৭ লাখ। পরে গত বছরের আগস্টে সেটি ১১ কোটি ৭৭ লাখেও নেমে আসে।

বিটিআরসি’র ওই হিসাব বলছে, সেপ্টেম্বর থেকে মে পর্যন্ত নয় মাসে এক কোটি ৫৮ লাখ সিম যোগ হয়েছে অপারেটরদের হিসাবে, যা সেই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৪২ শতাংশ বেশি।

এ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মে মাসের শেষে গ্রামীণফোনের কার্যকর সংযোগ ছয় কোটি ১০ লাখ। রবি ও এয়ারটেল মিলিয়ে তিন কোটি ৮৭ লাখ, বাংলালিংকের তিন কোটি ১৪ লাখ এবং টেলিটকের ৩৭ লাখ ৫৯ হাজার।

এ নয় মাসে সবচেয়ে বেশি সিম সংখ্যা বেড়েছে একীভূতিকরণের পর একটি অপারেটরে পরিণত হওয়া রবি ও এয়ারটেলের। তাদের নেটওয়ার্কে এ সময়ে ৭৫ লাখ নতুন সংযোগ এসেছে।

বায়োমেট্রিক পদ্ধতির নিবন্ধনের ধাক্কায় মাত্র কয়েক মাসে দেশে কার্যকর মোবাইল সিমের সংখ্যা দেড় কোটি কমে গিয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে মাঝের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি কাটিয়ে গ্রাহক বাড়তে শুরু করেছে অপারেটরগুলোর।