পুরনো আসবাবপএের খোঁজ-খবর

পুরনো আসবাবপএের খোঁজ-খবর

    আভিজাত্য ও রুচিশীলতার কথা আসলেও সাথে সাথে চলে আসে সাধ্যের ব্যাপারটিও। কারণ সবার পক্ষে দামী কিংবা নতুন রুচিশীল আসবাব কেনার সাধ্য হয়ে উঠে না ফলে সাধ ও সাধ্যের মধ্যে সামঞ্জস্যতা বজায় রেখে ঝুকতে হয় পুরাতন আসবাব বা ফার্নিচারের দোকানের দিকে। সম্ভবত এ কারণেই পুরাতন ফার্নিচারের দোকানগুলো দিন দিন সরব হয়ে উঠছে ক্রেতাদের ভিড়ে। পুরাতন ফার্নিচারের দোকানগুলোতে সকল ধরনের ফার্নিচার অতি সুলব মূল্যে পাওয়া যায় যা ক্রেতার সাধ্যের মধ্যেই থাকে। তাছাড়া বাসা বাড়িতে মানুষ বসবাস করবে কিন্তু সেখানে আসবাবপএ থাকবে না তাতো কল্পনাও করা যায় না। সেজন্যই বসতবাড়িতে আসবাবপএের প্রয়োজনীয়তার প্রশ্ন আসে। কিন্তু শুধুমাএ প্রয়োজনীয়তার কথা ভাবলেই তো আর চলে না, সাথে সাথে সৌন্দর্য ও নান্দনিকতার প্রশ্নও চলে আসে সামনে। যা ফুটে উঠে রুচিশীলতার মাধ্যমে।


ফার্নিচার সমূহ :

আসবাবের দোকানগুলোতে পুরাতন ফারর্নিচারের মধ্যে যে সকল ফার্নিচার পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে অন্যতন : খাট, পড়ার টেবিল, চেয়ার, সোফা সেট, আলমারী, ডাইনিং টেবিল, ওয়্যারড্রব, বুকসেলফ, ড্রেসিং টেবিল, কম্পিউটার টেবিল ও শোকেইস ইত্যাদি।

ক্রয়-বিক্রির স্থান সমূহ :

যে সকল স্থানে পুরাতন ফার্নিচার ক্রয়-বিক্রয় করা হয়ে থাকে সে সকল স্থানের মধ্যে অন্যতম হল : টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সামনে, মোহাম্মদপুর টাউন হল, আজিমপুর, মিরপুর স্টেডিয়ামের পাশে, আরামবাগ, ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের পাশে, আজমপুর, যাএাবাড়ী বাস স্ট্যান্ডের পাশে, বাড্ডা, নতুন বাজার, পান্থপাথ বসুন্ধরার পাশে, মিরপুর ১২ নম্বর, কচুক্ষেত বাজার ইত্যাদি।

মূল্য :

প্রতি পিস চেয়ার : প্রতি পিস ডাবল খাট : ১০০০ থেকে ২৫০০ টাকা, প্রতি পিস বক্স খাট (খোদাইয়ের কাজ করা) : ৩০০০ থেকে ৫০০০ টাকা, প্রতি পিস আলমারি : ১০০০ থেকে ৩০০০ টাকা, প্রতি পিস ওয়ারড্রব : ১০০০ থেকে ৩০০০ টাকা। ১০০ থেকে ২৫০ টাকা, প্রতি পিস ডাইনিং টেবিলের চেয়ার : ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, প্রতি পিস ডাইনিং টেবিল : ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা, প্রতি পিস ডাইনিং টেবিল সেট : ১২০০ থেকে ২৫০০ টাকা, নরমাল প্রতি পিস ডাইনিং টেবিল : ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, প্রতি পিস বক্স ও রেকসহ টেবিল : ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, প্রতি পিস সিঙ্গেল খাট : ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা, প্রতি পিস সেমি ডাবল খাট : ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা, বিক্রির পাশাপাশি এ সকল ফার্নিচারের দোকানে পুরাতন আসবাব ক্রয়ও করা হয়ে থাকে।

কিছু টিপস :

কেনার পূর্বে অবশ্যই ফার্নিচারটি ভালোভাবে দেখে নিতে হবে।
বিভিন্ন দোকান ঘুরে দর-দাম যাচাই বাছাই করে নিলে কিছুটা কম মূল্যে আসবাব ক্রয় সম্ভব হবে,
দর কষাকষি করতে হবে কারণ বেশিরভাগ ক্ষেএেই বিক্রেতারা কয়েকগুণ বেশি দাম চেয়ে বসেন,
ফানিচারগুলো পরিবহনের ক্ষেএে অবশ্যই সাবধানতা অবলম্ভন করতে হবে।

আভিজাত্য ও রুচিশীলতার কথা আসলেও সাথে সাথে চলে আসে সাধ্যের ব্যাপারটিও। কারণ সবার পক্ষে দামী কিংবা নতুন রুচিশীল আসবাব কেনার সাধ্য হয়ে উঠে না ফলে সাধ ও সাধ্যের মধ্যে সামঞ্জস্যতা বজায় রেখে ঝুকতে হয় পুরাতন আসবাব বা ফার্নিচারের দোকানের দিকে। সম্ভবত এ কারণেই পুরাতন ফার্নিচারের দোকানগুলো দিন দিন সরব হয়ে উঠছে ক্রেতাদের ভিড়ে। পুরাতন ফার্নিচারের দোকানগুলোতে সকল ধরনের ফার্নিচার অতি সুলব মূল্যে পাওয়া যায় যা ক্রেতার সাধ্যের মধ্যেই থাকে। তাছাড়া বাসা বাড়িতে মানুষ বসবাস করবে কিন্তু সেখানে আসবাবপএ থাকবে না তাতো কল্পনাও করা যায় না। সেজন্যই বসতবাড়িতে আসবাবপএের প্রয়োজনীয়তার প্রশ্ন আসে। কিন্তু শুধুমাএ প্রয়োজনীয়তার কথা ভাবলেই তো আর চলে না, সাথে সাথে সৌন্দর্য ও নান্দনিকতার প্রশ্নও চলে আসে সামনে। যা ফুটে উঠে রুচিশীলতার মাধ্যমে।