বিনামূল্যের ওয়াই-ফাই ব্যবহারে যেসব সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত

বিনামূল্যের ওয়াই-ফাই ব্যবহারে যেসব সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত 


 বর্তমানে অনেক জায়গাতেই বিনামূল্যের ওয়াই-ফাই সংযোগ থাকে। খাবারের রেস্তোরা কিংবা বিশবিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এমন অনেক জায়গায় পাবলিক ওয়াই ফাই সুবিধা রয়েছে। আর বিনামূল্যের ইন্টারনেট ব্যবহারে অনেকেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।  কিন্তু এ ধরনের নেটওয়ার্ক কিছু সময়ের জন্য ব্যবহার করাটা বিপদের কারণ হতে পারে।


আর তাই বিনামূল্যের ওয়াই-ফাই সংযোগ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু পরামর্শ দেওয়া হল এখানে-

    বিনামূল্যের ওয়াই-ফাই সংযোগ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ডিভাইসের অপারেটিং সিস্টেমটি হালনাগাদ করুন সবসময়। কারণ অপারেটিং সিস্টেমের নিরাপত্তা ত্রুটি কাজে লাগিয়ে ডিভাইসে সংরক্ষিত তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে হ্যাকাররা।
    পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার খুব বেশি নিরাপদ নয়। এক্ষেত্রে ডিভাইসে অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার থাকাটা জরুরি বলা যায়।
    পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে অনলাইন কেনাকাটা বা ব্যাংকিং লেনদেন করা উচিত নয়।
    কাজ শেষ হলে মোবাইলের ওয়াই-ফাই সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখুন। কারণ ২৪ ঘণ্টা অনলাইনে থাকা মানে হ্যাকিংয়ের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
    ভার্চুয়াল পাবলিক নেটওয়ার্ক বা ভিপিএন সফটওয়্যার ছাড়া বিনামূল্যের ওয়াই-ফাই সংযোগ ব্যবহার পরিহার করুন। পাবলিক ওয়াই-ফাই সেবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাধারণত দুর্বল হয়।

বর্তমানে অনেক জায়গাতেই বিনামূল্যের ওয়াই-ফাই সংযোগ থাকে। খাবারের রেস্তোরা কিংবা বিশবিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এমন অনেক জায়গায় পাবলিক ওয়াই ফাই সুবিধা রয়েছে। আর বিনামূল্যের ইন্টারনেট ব্যবহারে অনেকেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। কিন্তু এ ধরনের নেটওয়ার্ক কিছু সময়ের জন্য ব্যবহার করাটা বিপদের কারণ হতে পারে।