পথেঘাটে ভোজনবিলাস: ঢাবি ক্যাম্পাসের জনপ্রিয় যত 'স্ট্রিট ফুড' (দেখুন ছবিতে)

 


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বলা হয় 'প্রাচ্যের অক্সফোর্ড'। এটি যেমন পড়াশোনা ও সুনামের দিক দিয়ে খ্যাতির চুড়ায় অবস্থান করছে, ঠিক তেমনি সাশ্রয়ীমূল্যে ভোজনবিলাসের জন্যেও অধিক প্রচলিত। সেজন্যেই এমন অনেকেই আছেন যারা শুধুমাত্র আড্ডা দিতে বা খাবারগুলো চেখে দেখতে হলেও দূর-দূরান্ত থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘোরাফেরা করতে আসেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হঠাৎ বন্ধুর সঙ্গে আমার ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। ভাবলাম সবসময়েই তো শুধু চেখেই দেখি, আজ না হয় ছবি তুলে এবং বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে একটা ফিচার করলে কেমন হয়? বন্ধুও সায় দিল আমার আইডিয়াতে।


তো, যেই বলা সেই কাজ। বন্ধু শিবলীর ক্যামেরায় সাধারণ সে খাবারগুলোও যেন খুব অসাধারণ ভাবে ফুটে উঠলো। আজকের ফিচারে তেমন কয়েকটি বহুল প্রচলিত খাবার তুলে ধরা হবে সেগুলো শুধুমাত্র ঢাবির আশেপাশের এলাকাগুলোতে পাওয়া যায়। দামের দিক থেকে যথেষ্ট সুলভ এবং স্বাদ বর্ণনাতীত।
 


শামসুন্নাহার হলের সামনে 'আরিফ ফুড কর্ণারে' এ দারুণ সিঙ্গারাগুলো বিক্রি হয়। মাত্র পাঁচ টাকা করে একেকটি। স্বাদে অতুলনীয়। 
 


কলাভবনের পাশে শ্যাডোতে পাওয়া যায় এ অসাধারণ 'মাথা ঠাণ্ডা করা' লেবুর শরবত! মাত্র দশ টাকা করে প্রতিটি গ্লাস। মাথার মগজসুদ্ধ ঠাণ্ডা হয়ে যাবে একটানে খেলে!
 


টিএসসির সামনে এ পানিপুরি পাওয়া যায়, প্রতি প্লেট বিশ টাকা। ডাকসুর সাথে কলাভবনের পাশেও পাওয়া যাবে এ জিনিস।
 


হট পেটিস। ১০ টাকা করে প্রতিটি। এগুলো কোন নির্দিষ্ট জায়গায় বসেনা। তবে এ.এফ. রহমান হলের সামনে বেশি ঘুরাঘুরি করে। হালকা ঝাল স্বাদ।
 


শিক কাবাব ২ শিক- ৬০ টাকা, মুরগি কাবাব - ৪০ টাকা পিস, জালি কাবাব - ১০ টাকা পি্‌স, গরুর চাপ ২ পিসে এক হাফ- ৮০ টাকা সাথে পরটা ৫ টাকা পিস। পার্সেল করে নেবার ব্যবস্থাও আছে। এইটা পাওয়া যায় নীলক্ষেতে বিশ্ববিদ্যালয় গেট দিয়ে ঢুকে একটু সামনে আগালেই নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির পাশে। ভাষা ইন্সটিটিউটের সামনেও কাবাব পাওয়া যায়।
 


কলাভবনের পাশে, শ্যাডোতে পাওয়া যায়। ১০ টাকা প্লেট। বিকেলের নাস্তায় পেট ভরে খাবার মত এর চেয়ে সস্তা কিছু নেই।
 


কলাভবনের সামনে পাওয়া যায়। দশ টাকা-বিশ টাকা দামে পাওয়া যায়। স্বাদে বেশ ঝাল!

শামসুন্নাহার হলের সামনে আরিফ ফুড কর্নারে পাওয়া যায়। ১৫ টাকা করে এক প্লেট, আপনি বেশ অনেকখানি নুডলস পাবেন। সস দিয়ে বেশ ভালোভাবে পরিবেশন করা হয়। ক্ষুধা মেটাতে অনন্য! 
 


এ ছিলো ঢাবির পথেঘাটের ভোজনবিলাসের ওপর আজকের ফিচার। আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে। এমন আরো অনেক ফুড রিভিউ, রেস্টুরেন্ট রিভিউ দেখতে প্রিয়র সঙ্গেই থাকুন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বলা হয় 'প্রাচ্যের অক্সফোর্ড'। এটি যেমন পড়াশোনা ও সুনামের দিক দিয়ে খ্যাতির চুড়ায় অবস্থান করছে, ঠিক তেমনি সাশ্রয়ীমূল্যে ভোজনবিলাসের জন্যেও অধিক প্রচলিত। সেজন্যেই এমন অনেকেই আছেন যারা শুধুমাত্র আড্ডা দিতে বা খাবারগুলো চেখে দেখতে হলেও দূর-দূরান্ত থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘোরাফেরা করতে আসেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হঠাৎ বন্ধুর সঙ্গে আমার ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। ভাবলাম সবসময়েই তো শুধু চেখেই দেখি, আজ না হয় ছবি তুলে এবং বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে একটা ফিচার করলে কেমন হয়? বন্ধুও সায় দিল আমার আইডিয়াতে