‘ডিজিটাল লাইফ স্টাইলের জন্য প্রযুক্তিপণ্য ও সেবা খুবই গুরুত্বপূর্ণ’

Technology-and-services-are-very-important-for-digital-life-style 

গ্রামীণফোন অ্যাক্সিলেরেটর (জিপিএ)-এর ডেমো ডেতে রাজধানীর জিপি হাউজে তৃতীয় ব্যাচের বিদায় এবং একই চতুর্থ ব্যাচকে স্বাগত জানানো হয় বুধবার। গ্রামীণফোনের সঙ্গে চারমাসের এক্সিলারেটর যাত্রা সফলভাবে সম্পন্ন করে তৃতীয় ব্যাচের স্টার্টআপগুলো বিনিয়োগকারীদের কাছে তাদের ব্যবসাকে উপস্থাপন করে। একই প্ল্যাটফর্মে চতুর্থ ব্যাচের নতুন পাঁচ স্টার্টআপকে স্বাগত জানানো হয়।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, ডিজিটাল দেশ গঠন ও ডিজিটাল লাইফ স্টাইলের জন্য প্রযুক্তিপণ্য ও সেবা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সরকার এক্ষেত্রে সহায়তার চেষ্টা করছে, আপনারাও করছেন।

প্রাথমিক পর্যায়ে তরুণ স্টার্টআপদের প্রযুক্তিবিষয়ক সহযোগিতা দেওয়ার লক্ষ্যে এসডি এশিয়ার সঙ্গে মিলে ‘দি জিপি এক্সিলারেটর প্রোগ্রাম’টি সাজানো হয়। প্রতিটি ব্যাচের স্টার্টআপদের চার মাসব্যাপী আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞ মাধ্যমে কারিকুলামভিত্তিক মেন্টরশিপ প্রদান করা হয়। নির্বাচিত প্রতিটি স্টার্টআপকে সিড ফান্ড হিসেবে ১২ লাখ টাকা, প্রায় ১ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস (এডব্লিউএস) ক্রেডিট এবং চার মাসব্যাপী জিপি হাউজে কাজ করার জন্য বিশাল জায়গা দেওয়া হয়ে থাকে। একইসঙ্গে বিনিয়োগকারীদের নজরে আসা, খাত সংশ্লিষ্ট পেশাদারদের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই এবং নিজেদের প্রকল্পটি বাণিজ্যিকীকরণের লক্ষ্যে সব ধরনের আর্থিক সহযোগিতা পাওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকে স্টার্টআপগুলো। এদের মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠান আগামী সেপ্টেম্বরে টেলিনর গ্রুপ আয়োজিত ডিজিটাল উইনার এশিয়ায় অংশ নেওয়ার মাধ্যমে এশিয়ার অন্যান্য দেশে নিজেদের ব্যবসা বিস্তারের সুযোগ পাবে।

তৃতীয় ব্যাচের তিনটি স্টার্টআপ- জলপাই, মাইক্রোটেক ও ব্যাংকক ম্পেয়ারবিডি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী, পেশাদার প্রযুক্তিবিদ, গ্রামীণফোন ও এসডি এশিয়ার কর্মকর্তাসহ প্রায় ২০০ জনের সামনে যার যার ব্যবসায়িক ধারণা প্রদর্শন করে। চতুর্থ ব্যাচের স্টার্টআপরাও অতিথিদের সামনে নিজেদের পরিচিতি তুলে ধরে।
চতুর্থ ব্যাচের শীর্ষস্থানীয় স্টার্টআপগুলো হচ্ছে- অল্টারইউথ, ফুডটং, অভিযাত্রিক, মার্স এবং আমার উদ্যোগ। দেশের বিভিন্ন খাতের জটিল সমস্যা সমাধানের উপর গুরুত্ব দিয়ে এবারের প্রোগ্রামটি পরিচালনা করা হবে।

নতুন ব্যাচকে স্বাগত জানিয়ে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী মাইকেল ফোলি বলেন, নতুন বাস্তবতার সঙ্গে তাল মেলাতে আমরা একটি ইকো সিস্টেম গড়ে তুলতে চেষ্টা করছি। আপনাদের উদ্ভাবিত সেবাগুলো আমাদের নেটওয়ার্কে চলে যা গ্রাহকদের নতুন নতুন চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে

একটি প্রতিযোগিতামূলক পদ্ধতির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে সব স্টার্টআপ নির্বাচিত হয়। এবার প্রায় ৭০০ আবেদন জমা পড়ে, যার মধ্য থেকে ২৫ স্টার্টআপকে দু’দিনব্যাপী জিপি এক্সিলারেটর বুট ক্যাম্পে ডাকা হয়। এদের মধ্যে থেকে ১১ স্টার্টআপকে পর্যবেক্ষণ, প্রত্যক্ষ সাক্ষাতকার ও প্রতিযোগিতামূলক প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে কঠোরভাবে মূল্যায়ন করা হয়। অবশেষে শীর্ষ পাঁচটি স্টার্টআপ চতুর্থ ব্যাচের জন্য নির্বাচিত হয়।

গ্রামীণফোন অ্যাক্সিলেরেটর (জিপিএ)-এর ডেমো ডেতে রাজধানীর জিপি হাউজে তৃতীয় ব্যাচের বিদায় এবং একই চতুর্থ ব্যাচকে স্বাগত জানানো হয় বুধবার। গ্রামীণফোনের সঙ্গে চারমাসের এক্সিলারেটর যাত্রা সফলভাবে সম্পন্ন করে তৃতীয় ব্যাচের স্টার্টআপগুলো বিনিয়োগকারীদের কাছে তাদের ব্যবসাকে উপস্থাপন করে। একই প্ল্যাটফর্মে চতুর্থ ব্যাচের নতুন পাঁচ স্টার্টআপকে স্বাগত জানানো হয়।