ভাইয়ের প্রাণ বাঁচাতে বালককে বুদ্ধি দিলো যে ছবি

 The-picture-that-the-boy-gave-to-the-boy-to-save-his-brother

রেসলিং রিংয়ের গণ্ডি পেরিয়ে হলিউড জয় করা ডোয়াইন জনসনের (দ্য রক) ‘সান আন্ড্রিয়াস’ ছবিটি বাঁচিয়ে দিলো এক শিশুর প্রাণ! ভাবছেন কীভাবে?


ওই ছবি দেখে শেখা সিপিআর পদ্ধতিতে নিজের ছোট ভাইয়ের জীবন বাঁচিয়েছে ১০ বছর বয়সী জ্যাকব ও’কনোর। ডেট্রয়েট শহরে পানিতে ডুবতে বসেছিল জ্যাকবের ভাই ২ বছর বয়সী ডিলান।

এজন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই বালকের প্রশংসা করেছেন ডোয়াইন জনসন। তিনি লিখেছেন, ‘জ্যাকব নামে একটা ছেলে আছে। সে সত্যিকারের হিরো। ভাইকে খুঁজে পাচ্ছিল না ছেলেটি। পরে তাকে সুইমিং পুলে ডুবন্ত অবস্থায় পায় জ্যাকব। তড়িঘড়ি ডিলানকে পানি থেকে তোলে সে। এরপর ঠান্ডা মাথায় সিপিআর প্রক্রিয়া কাজে লাগিয়েছে সে। ছেলেটি এটা শিখেছে নিজের প্রিয় একটি ছবি দেখে।’
জ্যাকবকে উদ্দেশ্য করে ডোয়াইন আরও লিখেছেন, ‘তোমার সঙ্গে দেখা করতে পেরে এবং তোমাকে নিয়ে আমি খুব গর্বিত। তোমার মতো বাস্তবের নায়কের সঙ্গে হাত মেলাতে পারা সৌভাগ্যের।’

এবিসিটু নিউজকে জ্যাকব জানায়, ‘সান অ্যান্ড্রিয়াস’-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যে ডোয়াইন জনসন একজনের প্রাণ বাঁচায়। সে বলেছে, ‘ছবিটির গল্পে তখন ভূমিকম্প হয়। এ কারণে সুনামি দেখা দেয়। নিজের মেয়েকে ডুবে যেতে দেখে তাকে পানি থেকে তুলে এনে একই পদ্ধতিতে তার জীবন বাঁচান দ্য রক। আমিও ঠিক তাই করেছি।’

ভাইয়ের জীবন বাঁচানোর পুরস্কারস্বরূপ ডোয়াইন জনসনের পরবর্তী ছবি ‘স্কাইস্ক্র্যাপার’-এর শুটিংয়ে তার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাচ্ছে জ্যাকব। দ্য রক জানিয়ে রেখেছেন— ‘আমার ছবির সেটে তুমি এলে যত খুশি চকোলেট খেতে পারো। কোনও দাম দিতে হবে না। তোমার সঙ্গে আগামী সপ্তাহে দেখা করতে চাই বন্ধু। আশা করছি, তোমার ভাই ডিলানও উড়ে আসবে, কারণ তাকেও দেখার ইচ্ছে আছে। সব বন্দোবস্ত করার জন্য আমার লোকেরা তোমাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করবে।’

ব্র্যাড পিটন পরিচালিত ‘সান আন্ড্রিয়াস’ মুক্তি পায় ২০১৫ সালে। এতে ডোয়াইন জনসনকে দেখা গেছে হেলিকপ্টার পাইলটের চরিত্রে। ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর নিজের মেয়েকে খুঁজে বেড়ান তিনি। ১১ কোটি ডলার বাজেটে নির্মিত ছবিটি আয় করে ৪৭ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহেও দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে ছবিটি।

রেসলিং রিংয়ের গণ্ডি পেরিয়ে হলিউড জয় করা ডোয়াইন জনসনের (দ্য রক) ‘সান আন্ড্রিয়াস’ ছবিটি বাঁচিয়ে দিলো এক শিশুর প্রাণ! ভাবছেন কীভাবে?