সীমান্তের কাছে টাওয়ার থেকে দ্বিগুণ আয়

Twin-earnings-from-the-tower-near-the-border 

বিস্ময়কর একটি তথ্য জেনেছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-বিটিআরসি। দেশের শীর্ষস্থানীয় দুটি মোবাইল ফোন অপারেটরের যে সব টাওয়ার বা বিটিএস সীমান্ত ঘেঁষা সেগুলো থেকে আয় সীমান্তের ভেতরকার টাওয়ারের তুলনায় বেশি!একীভূত হওয়া কোম্পাানি রবি ও এয়ারটেল এবং বাংলালিংকের ক্ষেত্রে এ তথ্য পেয়েছে কমিশন । তবে গ্রামীণফোনের বেলায় তথ্যটি বাকি দুই অপারেটরের সঙ্গে মিলছে না।


সম্প্রতি বাংলালিংকের সীমান্তবর্তী শতাধিক বিটিএস নিয়ে কাজ করতে গিয়ে বিটিআরসি এ তথ্য পেয়েছে। এ পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সীমান্ত জেলাগুলোতে সবচেয়ে শক্ত অবস্থানে আছে সম্মিলিত রবি-এয়ারটেল।

৩১ সীমান্ত জেলায় তাদের টাওয়ারের সংখ্যা ১০ হাজার ২৮৭। সেখানে বাংলালিংকের টাওয়ার সংখ্যা মাত্র তিন হাজার ৪৪৬। আর গ্রামীনফোনের আছে তিন হাজার ৮১১ টাওয়ার।

সীমান্ত জেলার এ টাওয়ারগুলোর প্রতিটি থেকে ২০১৬ সালে রবির আয় ছিল গড়ে মাসে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩১১ টাকা। অথচ একেবারে সীমান্ত লাগোয়া টাওয়ারগুলোর প্রতিটি থেকে তাদের আয় গড়ে দুই লাখ ৮৭ হাজার ৭৩৯ টাকা।

বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্যকে বিস্ময়কর বলে মন্তব্য করেন। তারা বলেন, এর পেছনে নানা কারণ থাকতে পারে। তবে সীমান্তের ওপারের লোকেরাও যে বাংলাদেশের মোবাইল ফোন অপারেটরদের সিম ব্যবহার করছেন সেটা এক রকম নিশ্চিত।রবি শুধু ২০১৬ সালেই সীমান্ত জেলাগুলোতে এক হাজার ১৭ টাওয়ার স্থাপন করেছে।

এর আগে বিটিআরসি একবার সীমান্তে রবির অংশীদার এয়ারটেলের ১৯১ টাওয়ার খুজে পেয়েছিল। সেবার নানা কারণে তাদেরকে কেবল সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে এই একই সুবিধা পায় বাংলালিংকও। তবে এবার ১৭ কোটি টাকা জরিমানার সম্মুখীন হতে হয়েছে এক সময়ের দ্বিতীয় গ্রাহক সেরা অপারেটরটিকে।

বাংলালিংকের সীমান্ত জেলাগুলোর প্রতিটি টাওয়ার থেকে গড়ে মাসে আয় আসে দুই লাখ ৭৭ হাজার ৩৯৫ টাকা। অথচ সীমান্তের তিন কিলোমিটারের মধ্যে আছে এমন টাওয়ারগুলোর প্রতিটি থেকে তাদের মাসিক আয় হয় গড়ে তিন লাখ ৩৫ হাজার টাকারও বেশি।সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় শক্তি বাড়িয়েছে গ্রামীণফোন। গত বছর তারা সীমান্ত জেলায় ৯০৬ টাওয়ার স্থাপন করেছে।

সীমান্ত জেলাগুলোর প্রতিটি টাওয়ার থেকে তাদের গড় আয় মাসে মাত্র ৮৮ হাজার ৮৮৯ টাকা। সেখানে সীমান্তবর্তী টাওয়ারের প্রতিটি থেকে তাদের মাসের আয় আরও কম মাত্র ৩৫ হাজার ৩৯১ টাকা।

বিটিআরসি বলছে, তারা আগে থেকেই লক্ষ্য করছিলেন কিছু অপারেটরের সীমান্তে বাড়তি নেটওয়ার্ক আছে এবং ব্যবসাও ভালো। তবে এখন পর্যন্ত তারা সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধানে নামেননি।

‘তবে সময় এসেছে বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নেওয়ার-’ বলে মন্তব্য করেন কমিশনের স্পেকট্রাম বিভাগের এক শীর্ষ কর্মকর্তা।

বিস্ময়কর একটি তথ্য জেনেছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-বিটিআরসি। দেশের শীর্ষস্থানীয় দুটি মোবাইল ফোন অপারেটরের যে সব টাওয়ার বা বিটিএস সীমান্ত ঘেঁষা সেগুলো থেকে আয় সীমান্তের ভেতরকার টাওয়ারের তুলনায় বেশি!একীভূত হওয়া কোম্পাানি রবি ও এয়ারটেল এবং বাংলালিংকের ক্ষেত্রে এ তথ্য পেয়েছে কমিশন । তবে গ্রামীণফোনের বেলায় তথ্যটি বাকি দুই অপারেটরের সঙ্গে মিলছে না।