সুপ্রিয় পাঠকেরা, প্রিয় লাইফে আপনাদের স্বাগতম। আপনাদের জীবনকে আরও একটু সহজ করতে, নানান রকম পণ্য ও সেবার রিভিউ ও খোঁজ-খবর তুলে ধরতে এখন থেকে আমাদের নিয়মিত আয়োজন থাকবে  "প্রিয় রিভিউ"।  আপনার কষ্টের টাকায় যেন সেরা পণ্যটি  বেছে নিতে পারেন, সেটাই আমাদের কাম্য। রেস্তরাঁ থেকে কসমেটিক্স, পোশাক থেকে জুতো, আসবাব, রান্নাঘর সামগ্রী, সব মিলিয়ে নিত্যদিনের জীবন যাপনের জন্য প্রয়োজন সকল প্রকারের পণ্য ও সেবার ভালো-মন্দ সকল দিকই তুলে ধরার চেষ্টা থাকবে আমাদের এই আয়োজনে।


আমরা বাঙালীরা চাইনিজ খাবার খেতে খুব ভালোবাসি। কিন্তু আপাতদৃষ্টিতে চাইনিজ খাবার বলতে ফ্রাইড রাইস, চিলি চিকেন, সিজলিং, স্যুপ এগুলোই বুঝে থাকি আমরা। ‘বাও’ নামে কোন চাইনিজ খাবার আছে ,তা কী আপনি জানতেন? জানলে তো খুব ভালো। না জানলেও দুশ্চিন্তা করার কোন কারণ নেই কারণ আজকের ফিচার সম্পূর্ণ নতুন এ খাবার নিয়েই।

‘বাও’ খাবারটি বাংলাদেশে প্রথমবারের মতন যে রেস্তোরাঁ নিয়ে এসেছে সেটির নামও মূলত ‘বাও’। রাজধানীর অভিজাত এলাকা বলে পরিচিত গুলশানেই এর অবস্থান। ঠিকানাটি আরো একটু পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দিচ্ছি- বাড়িঃ ১/এ, ২৩ নং সড়ক, গুলশান ১।

বাও অনেকটা শর্মার মতন একটি খাবার কিন্তু এটি বেশ ক্রিমি। ব্রেড ও বিভিন্ন স্টাফিং দিয়ে মূলত তৈরি হয় বাও। স্টাফিং হিসেবে আপনি পাবেন চিকেন, প্রন এবং বিফ। সেই সঙ্গে দারুণ ইয়ামি মেয়োনেজ ও ফ্রাইসের সঙ্গে পরিবেশন করা হয় এটি। বাওয়ের এক বাইট এবং সঙ্গে ফ্রাইস- অসাধারণ মেলবন্ধন!

কপাল হয়তো আপনার একটু কুঁচকে আসতে পারে কারণ বিদেশি খাবার, আবার নতুন এসেছে দেশে। দাম না জানি কেমন হবে! কিন্তু চিন্তার কিছু নেই, এগুলোর প্রত্যেকটির দাম একদম আপনার সাধ্যের ভেতরে। ২৫০-২৭০ টাকার মধ্যেই চেখে দেখতে পারবেন অভাবনীয় স্বাদের বাও।

মনমাতানো খাবারের সঙ্গে সঙ্গে এর অপরুপ ডেকোরেশন আপনাকে মুগ্ধ করবে। অত্যন্ত রুচিশীল প্রক্রিয়ায় সাজানো হয়েছে পুরো রেস্তোরাঁটি যেটি নিমিষেই আপনার মন হরণ করতে বাধ্য!

এই ছিলো আজকের রেস্তোরাঁ রিভিউ। এই খাবার খাওয়ার কিংবা রেস্তোরাঁয় গিয়ে আপনার কেমন অভিজ্ঞতা হয়েছে, সেটি কমেন্ট আকারে আমাদের লিখে জানান। সেরা কমেন্টগুলো আমরা গ্রাহকের কমেন্ট হিসাবে যোগ করে দেব আমাদের এই ফিচারের সাথে!

 


মার্কিন অ্যাপ ভিত্তিক ট্যাক্সি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান উবার লন্ডন পরিবহন কর্তৃপক্ষের সাথে ছাড় দিয়েও দেশটিতে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চায় বলে ইঙ্গিত দিয়েছে। গত সপ্তাহে লন্ডন পরিবহন কর্তৃপক্ষ উবারের লাইসেন্স আর নবায়ন করবেনা ঘোষণা দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি এমন পরিকলপনা করেছে বলে জানা গেছে।


আর লাইসেন্স নবায়ন না করা ঘোষণা দেওয়ার পরেই এই লাইসেন্স বাতিল আদেশকে প্রত্যাহার করতে পাঁচ লাখ মানুষ পিটিশনে স্বাক্ষর করে। উবার লন্ডন নামে দায়ের করা ওই পিটিশনে বলা হয়, ‘গ্রাহকদের পছন্দকে আটকাতে কিছু মানুষের জন্য ট্রান্সপোর্ট ফর লন্ডন এবং তাদের চেয়ারম্যান, মেয়র উবার অ্যাপকে নিষিদ্ধ করতে চাচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে লন্ডনের প্রায় ৪০ হাজার লাইসেন্সকৃত গাড়িচালক বেকার হয়ে পড়বে। তাছাড়া লন্ডনের অধিবাসীরাও শহরে যাতায়াত করতে ঝামেলায় পড়বে। "

লন্ডনে উবারের জেনারেল ম্যানেজার টম এলভিজ দ্য সানডে টাইমস এ বলেন, আমরা লন্ডনে আমাদের লাইসেন্স ফিরে পেতে কি করতে পারি তা জানতে চাই। তবে এর জন্য অবশ্যই সংলাপের প্রয়োজন যা আমারা এখনও করতে পারিনি। ওই প্রতিবেদনে সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয় আরও বলা হয়, সম্ভাব্য সমাধানের জন্য উবারের সাথে আলোচনা করার পথটি পরিচালনা করতে পারে টিএফএল (ট্রান্সপোর্ট ফর লন্ডন)। এতে বলা হয়, যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং চালকদের কর্মসংস্থানের সুবিধাগুলি সহ সম্ভাব্য ছুটির বেতনসহ কর্মঘণ্টায় সীমাবদ্ধ ছাড় দিতে পারে উবার। 

উল্লেখ্য লন্ডল রেগুলেটর এক বিবৃতিতে লাইসেন্স বাতিলের প্রধান চারটি কারণ উল্লেখ করেছে। এগুলো হলো: ট্যাক্সিতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে উবারের গাফিলতি, উবারের আওতায় থাকা গাড়ি চালকদের ভুয়া মেডিকেল সার্টিফিকেট, গাড়ি চালকের যথাযথ তথ্যে ঘাটতি এবং উবার অ্যাপে রেগুলেটরি অ্যাকসেস ব্লক করার জন্য বিতর্কিত গ্রেবল সফটওয়্যার ব্যবহার।

Girls-understand-less-than-boys 

 বিয়ে ডিভোর্স ও সংসার পরিচালনা বিষয়ে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন নাজনিন আক্তার হ্যাপি তথা আমাতুল্লাহ্‌। তিনি লিখেছেন- ‘দ্বীনদারদের ডিভোর্স হবে না, ব্যাপারটা কিন্তু এমন নয়। এক্ষেত্রে দ্বীনদার বলে কথা না, বিভিন্ন কারণেই ডিভোর্স হতে পারে। যে কারোরই হতে পারে। হোক দ্বীনদার বা নয়। অনেকে ভাবেন যে, তারা দুজনই তো দ্বীনদার তাহলে ডিভোর্স হবে কেন? আসলে হতেও পারে। এর মানে সে বা তারা খারাপ না। বাস্তব জীবন স্বপ্নের মতো সুন্দর হয়না। দ্বীনদারদের মধ্যেও ঝগড়াঝাটি হয়, অশান্তি হয়। সংসার মানেই এমন। দুটো মানুষ সম্পূর্ণ দুটি পরিবেশে বেড়ে ওঠা থাকে, মানসিকতা আলাদা থাকে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ সবকিছু মানিয়ে নিতে পারে। আবার কেউ কেউ পারে না, আবার কারো কারো এত অমিল থাকে যে, সেই সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া আজাবের মতো হয়ে যায়। তখন ডিভোর্স একমাত্র উপায় থাকে। যেমন এক স্বামী-স্ত্রী দুজনই দ্বীনদার,তারা দুজনেই আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহর হুকুম মানার চেষ্টা করে। কিন্তু কিছু কিছু বিষয়ে ভালোমতো বুঝে উঠতে পারে না বা কেউ বুঝলেও করে না। যেমন স্বামী তার স্ত্রীকে নিজ থেকে ঘুরতে নিয়ে যায় না। অথচ শরীয়তে বাধাও নেই। তবুও নেয় না।


একটা দ্বীনদার মেয়ের বিনোদন তার স্বামীই হয়। সে তো আর অন্য মেয়েদের মত বন্ধু বান্ধব নিয়ে আড্ডা মাস্তি নিয়ে পড়ে থাকতে পারে না। সিনেমা গান নিয়েও পড়ে থাকতে পারে না। তখন স্বামীও যদি তাকে না বোঝে, এই সিচ্যুয়েশনে একটা মানসিক সমস্যা তৈরি হয়ে যায়। স্ত্রী অনেক কাজ করলেও সেই স্বামী কখনো যদি তাকে না বলে, ‘এত কাজ করছ তোমার তো কষ্ট হচ্ছে’ বা তার কষ্ট হচ্ছে এটা বোঝা, কথাটা অনেক ছোট কিন্তু এই কথাটা মেয়েরা শুনলে হাজার কষ্টও পানি হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে যদি উল্টো এসব না বুঝে এমন ধারণা করা হয় যে, ‘সংসারে আর কাজ কী! তখন বিষয়টি সত্যই কষ্টের। স্ত্রীর বাবা-মাকে যদি প্রায়ই অসম্মান করে কথা বলা হয়, তখন কিন্তু মেয়েটার প্রচণ্ড কষ্ট হয়। আপনার বাবা-মা আপনার কাছে যেমন, তার কাছেও তেমন। ছোটবেলা থেকে আদরে, আদর্শে, শত কষ্ট সহ্য করেও আপনার স্ত্রীকে বড় করেছে তদেরই যদি অপমান করা হয় তখন সে আপনাকে কখনও মন থেকে ভালোবাসতে পারবে না, এটা খুব স্বাভাবিক। স্বামী যদি অফিস করে এসে মোবাইল নিয়েই সময় ব্যয় করেন, তখন স্ত্রী কী করবে? স্ত্রীর সব অপছন্দনীয় কাজগুলো যদি স্বামী করেন বা স্বামী যদি কু-রুচিপূর্ণ কাজ করে, তখন স্ত্রী মোহাব্বতের সাথে বোঝানোর পরও যদি স্বামী উল্টো খারাপ ব্যবহার করে তখন একটা মেয়ের কেমন লাগে! স্ত্রীর কিছু খেতে ইচ্ছা করছে ওমনি মুখের উপর না করে তার মনটাই ভেঙে দেওয়া হলো, তখন তার কেমন লাগবে? এসব যদি চলতেই থাকে তাহলে কিন্তু সেই সংসার করা আজাবে পরিণত হয়।

অথচ স্বামী পাঁচওয়াক্ত মসজিদে নামাজ পড়ে। সুন্নতি লেবাসে চলে। সবাই তো পরিপূর্ণ ভালো হয় না। তো এসব বিষয়ে সমস্যা হতে থাকলে তখন কিন্তু বিয়েটা জান্নাতের বদলে জাহান্নামে যাওয়ার উসিলা হয়ে যেতে পারে। কারণ এসব পরিস্থিতিতে নানারকম কথা বলা হয়ে যায় যা কবিরা গুনাহ হয়ে যায়, কখনো কখনো আরও মারাত্মক অবস্থা তৈরি হয়। আমরা সবাই বিয়ে করি গুনাহ থেকে বাঁচার জন্য সেক্ষেত্রে বিপরীত কোনো কিছু কাম্য নয়। অনেক সাহাবীর/সাহাবারও তালাক হয়েছে তারা আবার বিয়েও করেছে এমন ঘটনা অনেক আছে। এটা খারাপ কিছু নয়। কিন্তু আমাদের বর্তমান সমাজে কারো ডিভোর্স হলে আমরা আড় চোখে দেখি। তা একদমই শরীয়তে অপছন্দনীয় কাজ। হয়তো তারা পরবর্তী জীবনে ভালো থাকে বা একা থাকে। আমাদের উচিত না যাদের ডিভোর্স হয় তাদের সমালোচনা করা। বনিবনা একান্ত না হলে ডিভোর্সের পথই খোলা থাকে। যদিও এটা শরীয়তে নিকৃষ্টতম জায়েজ। মেয়েদের বুঝ ছেলেদের চেয়ে কম থাকে। সংসারের দায়িত্ব এজন্য ছেলেদেরই বেশি থাকে। তারা যখন সংসার চালনায় শরীয়তের বিধান মানে না তখনি সমস্যার সূচনা হয়। যেটা আমাদের সবার জন্য কল্যাণকর, আল্লাহপাক যেন সেটাই করেন। লা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’!

Mims-new-item-Red-Lipstick 

নতুন একটি আইটেম গানে নাচলেন অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম। ঠোঁটও মেলালেন। উত্তম আকাশ পরিচালিত ‘আমি নেতা হবো’ ছবিতে দেখা যাবে এটি। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থার (বিএফডিসি) অভ্যন্তরে সেট বানিয়ে গত ২৪ সেপ্টেম্বর এর শুটিং শুরু হয়। সোমবারও (২৫ সেপ্টেম্বর) ফ্লোরে দেখা গেছে তাকে।


‘লাল লিপস্টিক’ শিরোনামের গানটি সুরকার আকাশের সঙ্গে গেয়েছেন কণ্ঠশিল্পী তৃষা। এর কথা লিখেছেন প্রিয় চট্টোপাধ্যায়। তারা কলকাতার মানুষ। কোরিওগ্রাফি করেছেন তানজিল আলম। ডিজাইনার ও স্টাইলিস্ট হিসেবে আছেন রামীম রাজ।

সম্প্রতি শুটিং শুরুর পর কিছুদিন বন্ধ ছিল ‘আমি নেতা হবো’র শুটিং। আইটেম গানের মধ্য দিয়ে আবারও শুরু হলো কাজ। মিম একা নন, এই গানে থাকছেন ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান। তিনি এখন লন্ডনে। আগামী ৪ অক্টোবর তাকে নিয়ে বাকি শুটিং হবে।

জানা গেছে, শাপলা মিডিয়া প্রযোজিত ছবিটিতে যাত্রাদলের মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন মিম। এতে আরও আছেন ওমর সানি, মৌসুমী, মিষ্টি জান্নাত, কাজী হায়াৎ প্রমুখ।

এর আগে অনন্য মামুন পরিচালিত ‘আমি তোমার হতে চাই’ ছবিতে ‘হেইলা দুইলা নাচ’ শিরোনামের আইটেম গানে নেচেছিলেন মিম। ‘লাল লিপস্টিক’ দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলবে বলে তার বিশ্বাস।
আগামী ১৩ অক্টোবরে মুক্তি পাবে মিমের নতুন ছবি ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’। মনতাজুর রহমান আকবরের পরিচালনায় এতে আরও আছেন চিত্রনায়ক বাপ্পি চৌধুরী, অভিনেত্রী মৌসুমী ও অভিনেতা ডিপজল।

 

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ও কম্পিউটার অ্যান্ড প্রোগ্রামিং ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে এসিএম আইপিসি অনলাইন প্রিলিমিনারি প্রতিযোগিতার ঢাকা আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের আয়োজনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সিএসই ভবনে।


সারা দেশ থেকে আসা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ হাজার ৪ শ ৫৬টি দল এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। এরমধ্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে ১৪১ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ৪৭টি দল এই মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। বিকেল ৩:০০টায় প্রতিযোগিতা শুরু হয় এবং একটানা পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী প্রতিযোগিরা ১০টি সমস্যার সমাধান করে। প্রতিযোগিতায় কোডমার্শাল অনলাইন জাজিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হয়।

এসিএম আইপিসি অনলাইন প্রিলিমিনারি প্রতিযোগিতায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উত্তরা ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণ করে।

 

 টিপস বিভাগে আমাদের চেষ্টা থাকে এমন কিছু কৌশল উপস্থাপন করার, যা কিনা আপনাদের নিত্যদিনের কাজে লাগে খুব। তারই ধারাবাহিকতায় আজ রইলো দৈনন্দিন জীবনের সাথে জড়িত একটি টিপস। পড়েই দেখুন, হয়তো ভীষণ কাজে লেগে যাবে আপনারও।


অনেকের বাড়িতেই থাকে রূপার ছোট বাটি, চামচ, প্লেট, অলংকার, শোপিস ইত্যাদি। এসব ব্যবহার করুন আর না করুন, কিছু সময় পড়ে তাতে কালচেভাব চলে আসতে দেখা যায়। যত্নে রাখা এসব জিনিস পলিশ করতে তখন যেতে হয় দোকানে। কিন্তু একটি উপায় আছে যাতে আপনি নিজেই ঘরে বসে রূপার জিনিস পরিষ্কার করে ফেলতে পারেন আগাগোড়া। জেনে নিন সেই উপায়টি।

এর জন্য আপনার দরকার হবে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল, বেকিং সোডা এবং লবণ। এক টুকরো অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়িয়ে নিন রূপার জিনিসটি। একটি পাত্রে পানি নিয়ে এতে দুই টেবিল চামচ লবণ এবং দুই টেবিল চামচ বেকিং সোডা গুলে নিন। এরপর এতে ফয়েলে মোড়ানো রূপার জিনিসটি দিয়ে দিন। ২-৩ মিনিট পর বের করে নিন। দরকার মনে হলে টুথব্রাশ দিয়ে ঘষে নিতে পারেন। একদম নতুনের মতো চকচকে হয়ে উঠবে রূপার জিনিসটি।

The-boy-was-thinking-of-the-touch-screen-the-boy-video গেম বয় কনসোলকে টাচস্ক্রিন ভেবেছিল শিশুটি। সংগৃহীত ছবি।

প্রযুক্তি বর্তমান প্রজন্মকে কোথায় নিয়ে গেছে। সম্প্রতি মেইল অনলাইনের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এক বাবা তার মেয়েকে গেম বয় ডিসপ্লে (পোর্টেবল হ্যান্ডহেল্ড গেমিং কনসোল) দিলে ডিভাইসটিকে সে টাচস্ক্রিন ভেবে ডিসপ্লেতে টাচ করে চালানোর চেষ্টা করে। আর ভিডিওটি ইউটিউবে ৭ লাখ বার দেখা হয়।


শিশুটির বাবা ক্রিস কুহন রেডিটে লেখেন, এই আমার মেয়ে যে টাচস্ক্রিন ইন্টারফেসের যুগে গেম বয় কালার চালাতে চেষ্টা করছে।' গেম বয় কালার হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রন করে খেলতে হয়। ১৯৮৯ সালে জাপানি প্রতিষ্ঠান নিন্টেনডো এটি বাজারে আনে। আর ২০১০ সাল থেকে এই ডিভাইস বন্ধ করে দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

২৪ সেপ্টেম্বর রোববার ইউটিউবে আপলোড করা হয়। আর আপলোড করার পরেই সবাই ভিডিওটি দেখে পুরন দিনের কথা মনে করেন।

IS-hackers-have-very-poor-coding-skills 


কথিত ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জন্য কাজ করা হ্যাকারদের কোডিং দক্ষতা খুবই দুর্বল বলে এক গবেষণায় দেখা গেছে। ডার্বিকন সিকিউরিটি সম্মেলনে সিনিয়র নিরাপত্তা গবেষক কাইল উইলহয়েট বলেন, তারা ক্ষতিকারক ম্যালওয়্যার এবং সহজে ভেঙে ফেলা যায় এমন এনক্রিপশন প্রোগ্রাম তৈরি করে থাকে।

 
উইলহয়েট আরও বলেন, যেহেতু আইএস বিশ্বব্যাপী সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সদস্য নিয়োগ দিয়ে থাকে তাই তাদের সাইবার আক্রমণের পদ্ধতি কম উন্নত। তিনি আরও বলেন, এনক্রিপশন সফটওয়্যার এবং সফটওয়্যার ডেভেলপে তারা যথেষ্ট খারাপ। এবং তাদের সবগুলো টুলেই ত্রুটি খুঁজে পাওয়া গেছে।

গবেষক তার গবেষণার জন্য আইএস হ্যাকারের তৈরি আলাদা ধরনের তিনটি টুল বিশ্লেষণ করে দেখেছেন যে এটি হ্যাকার গ্রুপের একটি ছাতা সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত যারা আইএস সমর্থন করে।

এছাড়াও আইএস তাদের কোনো সফল আক্রমণের পর সেসব ছবি শেয়ার করে থাকে, যেসব ছবিতে মেটা ডাটা থেকে যায় যেখান থেকে এই ছবি কোথায় তলা হয়েছে তা বের করা সম্ভব। এবং তারা জানে টুলগুলো উন্নত করনে তাদের সামর্থ্য নেই এজন্য তারা সস্তা এবং সহজে ব্যবহার করা যায় এমন টুল ব্যবহার করে।

 


বিশ্বখ্যাত D-Link ব্রান্ড বাংলাদেশের ক্রেতাদের জন্য নিয়ে এসেছে স্পেশাল Autumnঅফার। এই স্পেশাল Autumnঅফার এ D-Link এর পণ্য কিনে ক্রেতারা জিতে নিতে পারেন আকর্ষনীয় সব পুরস্কার। ঢাকা-সিঙ্গাপুর এবং ঢাকা-বালি রির্টান এয়ার টিকেট, সনি ব্রাভিয়া ৪০ইঞ্চি এলইডি টিভি সহ অসংখ্য সব পুরস্কার ক্রেতারা জিতে নিতে পারেন D-Link পন্যের মোড়কে লাগানে স্ক্র্যাচ কার্ড ঘষে। D-Link স্পেশাল Autumn অফারটি ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখ থেকে রাজধানীর কম্পিউটার মার্কেট সহ দেশব্যাপী এক যোগে শুরু হয়ে তা চলবে আগামী ৩১শে অক্টোবর ২০১৭ ইং পর্যন্ত।


D-Link পন্যের পরিবেশেক ইউসিসি’র তত্বাবধানে আয়োজিত এই স্পেশাল Autumn অফারটিতে মেগা পুরস্কার হিসেবে থাকছে সিঙ্গাপুর রির্টান এয়ার সিকেট, বালি রির্টান এয়ার টিকেট, ৪০ ইঞ্চি SONY এলইডি টিভি, হুয়াওয়ে ১০ইঞ্চি ট্যাব, শাওমী 4x স্মার্ট ফোন, ওয়ান ইয়ার মোবাইল ডাটা প্যাক, হেড ফোন, ব্লুটুথ হেড সেট, পাওয়ার ব্যাংক, ইয়ার বাড ও সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশ ব্যাক এর মত নিশ্চিত উপহার।

উল্লেখ্য, ক্রেতাগন D-Link পণ্য ক্রয়ের পর স্ক্র্যাচ কার্ড ও রশিদ প্রদান করে তাৎক্ষনিক পুরস্কার গ্রহন করতে পারবেন, তবে মেগাপুরস্কার গুলো ক্যাম্পেইন শেষে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রদান করা হবে।

Robi-will-be-able-to-offer-its-fourth-smartphone 

 গ্রাহকদের সুবিধার কথা চিন্তা করে মোবাইল ব্র্যান্ড অপ্পোর সঙ্গে সম্প্রতি একটি ক্যাম্পেইন চালু করেছে রবি। ‘সেলফি এক্সপার্টের সঙ্গে উপভোগ করুন ২৩ জিবি ডাটা’ শীর্ষক এ ক্যাম্পেইনে রবি ও এয়ারটেলের গ্রাহকরা অপ্পো এ থার্টি সেভেন, এ ফিফটি সেভেন, এফ ওয়ান এস (রেগুলার ও নিউ) মডেলের মধ্য থেকে পছন্দমতো ফোরজি স্মার্ট ফোন কিনতে পারবেন গ্রাহকরা। পাশাপাশি সার্ভিসিং সেবাও পাবেন তারা।  এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অপ্পো ফোরজি স্মার্টফোনে থাকছে ৫ থেকে ৫ দশমিক ৫ ইঞ্চির স্কিন, ১২৮ থেকে ২৫৬ জিবি পর্যন্ত মেমরি, ২,৬৩০ থেকে ৩,০৭০ এমএএইচ ব্যাটারি, ৫ থেকে ১৬ মেগাপিক্সের ফ্রন্ট ক্যামেরা এবং ৮ থেকে ১৬ মেগা পিক্সেলের রেয়ার ক্যামেরা। সর্বনিম্ন ১৩ হাজার ৫শ’ টাকায় শুরু হয়েছে এসব ফোরজি স্মার্টফোনের দাম। উল্লিখিত যে কোনও একটি বান্ডেল কিনলে ১৫ দিনের জন্য পাওয়া যাবে ৩ জিবি ডাটা। 

ফোর জি’র এ ব্যান্ডেল কিনলে রবি ও এয়ারটেল গ্রাহকরা মাত্র ১৮৩ টাকায় ১৫ দিন মেয়াদের ২ জিবি ডাটা প্যাকও উপভোগ করতে পারবেন এবং *১২৩*৪৪৫# কোডটি ( ইউএসএসডি) ডায়াল করে পাবেন অতিরিক্তি ২জিবি ডাটা। বিভিন্ন মডেলের অপ্পো’র ফোন কেনা একজন গ্রাহক তিন মাসে সর্বোচ্চ ১০ বার বিশেষ দামের এই ফোরজি ডাটা প্যাক কিনতে পারবেন। এর মানে উল্লিখিত যেকোন বান্ডেল কিনলে একজন গ্রাহক ২ হাজার ১শ’ টাকা বোনাস ডাটা উপভোগ করতে পারবেন।

Fresh-cake-cake-made-of-palm-juice-See-video 

 তালের রস দিয়ে পিঠা-পুলি তৈরি করছেন অনেকেই। কেউ কেউ এ দিয়ে পায়েসও তৈরি করে থাকেন। কিন্তু তালের রস দিয়ে কাপকেক তৈরি করেছেন কখনো? হ্যাঁ, দেশী ফ্লেভারে তৈরি এই তালের কাপকেকের রেসিপিটিই আজ জেনে নেব আমরা। এতে ওভেনের দরকার হবে না, চুলাতেই ভাপে তৈরি করে নিতে পারবেন এই কেক।


উপকরণ:

চালের গুঁড়ো - ১ কাপ

সুজি - ২ টেবিল চামচ

গুঁড়ো দুধ - ১/৪ কাপ

জ্বাল দেওয়া তালের রস - ১/২ কাপ

চিনি - ১/২ কাপ

ডিম - ১ টি

বেকিং পাউডার - ১/২ চা চামচ

কিছুটা কোরানো নারিকেল

প্রণালী

১) প্রথমে চালের গুঁড়ো, সুজি, গুঁড়ো দুধ, চিনি, ডিম এবং তালের রস একটি পাত্রে নিয়ে ভালোভাবে বিট করে মিশিয়ে নিন।

২) এবার এতে মিশিয়ে নিন কিছুটা নারিকেল কোরানো এবং বেকিং পাউডার। ২-৩ টেবিল চামচ পানি দিয়ে আবার মিশিয়ে নিন।

৩) এবার একটা কাপকেক ট্রেতে কাপকেক পেপার বসিয়ে নিন এবং এতে ব্যাটার দিয়ে দিন। টোকা দিয়ে নিন ট্রেটাকে। এরপর ওপরে একটু করে নারিকেল কোরানো ছড়িয়ে দিন।

৪) চুলায় একটি ছড়ানো পাত্র দিয়ে তাতে ভাপ দিয়ে নিতে হবে এই কাপকেকগুলোকে। প্রথমে এই পাত্রে কিছুটা পানি দিয়ে একটি র‍্যাক রাখুন মাঝখানে যাতে যা পানি থেকে একটু উপরে থাকে। এরপর এই র‍্যাকের ওপর কাপকেকের ট্রেটা রাখুন। ঢাকনা চাপা দিয়ে দিন। একদম এয়ারটাইট ঢাকনা হতে হবে। ভাপে দিয়ে ৭-১০ মিনিট অপেক্ষা করুন।

৫) এবার কেকের ভেতরে একটা কাঠি ঢুকিয়ে দেখুন। কাঠি ক্লিন হয়ে বের হয়ে এলে বুঝতে হবে কাপকেক হয়ে গেছে।

চুলা থেকে নামিয়ে কিছুক্ষণ ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন তালের কেক। ভালো করে বুঝতে দেখে নিতে পারেন রেসিপির ভিডিওটি।

টিপস

- এর জন্য আপনার কাপকেক ট্রে দরকার হবে তা কিন্তু নয়, বরং একটা ট্রেতে ছোট ছোট বাটি বা কাপ রেখে তাতেও কাপকেক তৈরি করে নিতে পারেন।

- ব্যাটার তৈরির জন্য যে ডিম ব্যবহার করবেন সেটা যেন ঠাণ্ডা না হয়। অবশ্যই রুম টেম্পারেচারের ডিম ব্যবহার করবেন।

 

সম্ভাবনাময় স্টার্টআপ সন্ধানের প্রতিযোগিতা ‘সিডস্টারস ঢাকা ২০১৭’ আয়োজনে ‘সুইস অ্যাম্বাসি ২০১৭’ পুরস্কার জিতে নিয়েছে অনলাইনভিত্তিক কোর্সের প্ল্যাটফর্ম রেপটো-এডুকেশন সেন্টার। শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয় জিপি হাউজে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।


সিডস্টারসের এবারের আয়োজনে সেরা স্টার্টআপের পুরস্কার জিতে নেয় সিমেড হেলথ। আর প্রতিযোগিতায় সুইস অ্যাম্বাসি ক্যাটাগরিতে সেরা স্টার্টআপ নির্বাচিত হয় রেপটো-এডুকেশন। এছাড়া, মূল প্রতিযোগিতাতেও রানার-আপ হয় এই অনলাইন প্ল্যাটফর্মটি। রেপটো-এডুকেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইশতিয়াক সিয়াম এই পুরস্কার গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের মূল পৃষ্ঠপোষক ছিল জিপি অ্যাকসেলেরেটর এবং মূল স্পন্সর ছিল লংকা বাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড। এ আয়োজনের সহযোগী হিসেবে আরও ছিল সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং সিলভার স্পন্সর ছিল জেনেক্স ইনফোসিস লিমিটেড।

 


পূজার দিনগুলোতে তৈরি করুন মজাদার সব খাবার। এই সময় বাড়িতে থাকে অনেক কাজ। অতিথিদের আনাগোনা, বাড়ির কাজ, ছোট-বড় সবার প্রতি খেয়াল রাখা। আর সাথে রান্নার কথা ভুলে গেলে তো চলবে না। এতোকিছুর পরও রান্না তো করতে হবেই। তাই ঝটপট দেখেনিন কিছু রান্না।


টমেটোর চাটনি :

উপকরণ :

টমেটো,
আলুবোকরা,
কিসমিস,
চিনি
তেতুল
লবণ
শুকনা মরিচ
কাঁচা মরিচ,
পাঁচফোঁড়ন,
হলুদ,
তেল,
আদা
রসমলাই (ইচ্ছা)
 


প্রণালি: কড়াইতে তেল গরম হওয়ার পর পাঁচফোঁড়ন শুকনা মরিচ দেবেন। তারপর টমেটোগুলো দেবেন। সাথে লবণ কাঁচা মরিচ দিয়ে সেদ্ধ করে নিবেন। আলুবোকরা আর কিচমিচ আগে ভিজিয়ে রাখবেন। এরপর একে একে আলুবোখরা, কিসমিস, চিনি তেতুল দিয়ে একটা কঁচের পাএে নামিয়ে নিবেন। সামান্য আদা কুচি উপরে ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

বুটের ডাল :

উপকরণ:
৪০০ গ্রাম বুটের ডাল।
নারকেল কুচি,
তেল,
মেথি, মৌরি, পাঁচফোঁড়ন,
আদা,
জিরা,
কাঁচা মরিচ,
ঘি,
চিনি,
হলুদ, লবণ,
শুকনো মরিচ ও তেজপাতা পরিমাণমতো।

প্রণালি : প্রেশার কুকারে বুট সেদ্ধ করে নিন। তারপর পাত্রের তেলের মধ্যে শুকনো মরিচ ও তেজপাতা দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজুন। লাল হয়ে এলে মেথি, মৌরি ও নারকেল কুচি দিয়ে নাড়ুন। হালকা বাদামি হয়ে এলে পানিসহ সেদ্ধ ডাল দিয়ে লবণ ও হলুদের গুঁড়া দিয়ে নাড়ুন। ডালটা সেদ্ধ হয়ে ঘন হয়ে এলে ১ চা-চামচ চিনি দিয়ে নাড়ুন। চিনি দেওয়ার মিনিট দুয়েক পরেই নামিয়ে ফেলুন। ওপরে নারকেল কুচি ছড়িয়ে দিন।

লাবড়া :

উপকরণ:
মিষ্টি কুমড়া, বেগুন, আলু, পেঁপে, মুলা, বরবটি, ফুলকপি, কাঁকরোল, পটোল এবং বাজারে পাওয়া যায় এমন যেকোনো সবজি এক কাপ করে।
তেজপাতা,
পাঁচফোড়ন,
শুকনা মরিচ,
ছ্যাঁচা আদা,
ধনে গুঁড়া,
তেল বা ঘি,
হলুদের গুঁড়া,
লবণ ও কাঁচা মরিচ।


প্রণালি : সব সবজি ছোট ছোট টুকরা করে কেটে নিন। পাত্রে পরিমাণমতো তেল বা ঘি ছড়িয়ে দিন। তেল একটু গরম হয়ে এলে শুকনা মরিচ ও তেজপাতা দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন। লাল হওয়ার পর পাঁচফোড়ন ও ছ্যাঁচা আদাটা দিন। একটু ভেজে নিয়ে সব সবজি ঢেলে দিয়ে হলুদের গুঁড়া ও লবণ দিয়ে নাড়ুন। বাড়তি ঝাল খেতে চাইলে একটু মরিচের গুঁড়াও দিতে পারেন। কিছুক্ষণ নাড়ার পর সবজি থেকে পানি বের হয়ে এলে ঢেকে দিন। মাঝেমধ্যে ঢাকনা খুলে নাড়াচাড়া করুন। সবজি গলে যাওয়ার পর ধনেগুঁড়া ও লম্বা করে কাটা দু-তিনটি কাঁচা মরিচ দিয়ে দিন। দু-তিন মিনিট রেখে একটু ঘি ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।

কাঁকরলের চপ :

উপকরণ:
কাঁকরল,
সরষে বাটা,
নারিকেল বাটা,
কালোজিরা,
চালের গুঁড়ো ময়দা,
হলুদ,
কাঁচা মরিচ,
চিনি,
ধনেপাতা,
আদা,
তেল ও লবণ পরিমাণ মতো।


প্রণালি : প্রথমে কাঁকরলগুলো মাঝখানে কেটে দুই টুকরো করে কড়াইতে গরম পানিতে সেদ্ধ করতে হবে। কাঁকরল সেদ্ধ হওয়ার জন্য পরিমাণমতো পানি দিন। কাঁকরলের বিচি নিয়ে নিবেন। পরিমাণ মতো লবণ ও হলুদ মেখে হালকাভাবে কষিয়ে উঠিয়ে নিন। সরিষা ও কাঁচা মরিচ বাটা এক কাপ পানির মধ্যে গুলে নিন।
একটি পাত্রে তেল ও আস্ত সরিষা ছেড়ে দিন। লাল হয়ে এলে সরিষা ও কাঁচা মরিচ বাটা তেলের মধ্যে ছেয়ে দিন। মিনিট দুয়েক পরে এর মধ্যে ভাজা কাঁকরল ছেয়ে দিন।
এবার চালের গুঁড়ো আর ময়দা আদা বাটা লবণ চিনি পানির সাথে মিশিয়ে নিবেন তারপর গরম তেলে লাল করে ভেজে তুলে নিবেন।

কচু শাক :

উপকরণ:

কচু শাক কচুর ডগা পরিমান মতো,
নারিকেল বাটা,
পাঁচফোঁড়ন শুকনো মরিচ,
আদা,
জিরা,
কাঁচা লংকা,
লবণ,
চিনি,
ঘি,
তেজপাতা,
হলুদ,
তেল,
মরিচ গুড়ো

প্রণালি : শাক এবং ডগাগুলো ভালো করে ধুঁয়ে নিতে হবে একটু হলুদ আর লবণ দিয়ে মেখে রাখবেন। কড়াইতে কচুশাক ও ডগাগুলো লবণ হলুদ দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে। পরিমান মতো, নারিকেল বাটা, পাঁচফোঁড়ন শুকনো লংকা, আদা, জিরা, কাঁচা মরিচ, লবণ, চিনি, ঘি, তেজপাতা, হলুদ, তেল, মরিচ গুড়ো দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নামানোর আগে চিনি আর ঘি দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিবেন।

Bollywood-beauties-in-black-dress

 রঙ-বেরঙের নানা চমকদার পোশাকের সাজে জুড়ি নেই তারকা সুন্দরীদের। কিন্তু কেমন লাগবে তারা যদি সম্পূর্ণ কালো পোশাকে সাজেন? শত হলেও বলিউড সুন্দরী তারা, যা-ই পরুক না কেন, ঠিকই মানিয়ে যাবে তাদের। চলুন দেখে নেই কালো পোশাকে বলিউড সুন্দরীদের-


সম্প্রতি এক পার্টিতে দিল্লির পতৌদি পরিবারের পুত্রবধূ, সাইফ পত্নী, বিখ্যাত কাপুর পরিবারের আহ্লাদী কন্যা, বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুরকে দেখা গেছে চিক এন্ড সফিস্টিকেটেড লুকে। অপরূপ সুন্দর এই কালো ব্লেজারটি ডিজাইন করেছেন খ্যাতিমান ডিজাইনার আশিস এন সোনি।

কারিনার পাশাপাশি সেই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন বড় বোন ‘রাজা হিন্দুস্তানি’ সিনেমার জনপ্রিয় সেই মেমসাহেব কারিশমা কাপুর। সেন্ট লরেন্ট ড্রেসে বোনের পাশে দারুণ মানাচ্ছিল তাকে।



মালাইকা মানেই ফ্যাশন আর গ্ল্যামারের উদাহরণ যিনি, অন্যদের তুলনায় তার ড্রেসিং সেন্স বরাবরই কিছুটা ভিন্ন এবং আধুনিক। শিমারি সিলভারি’র বডিকন ড্রেসে সব সময়ের মতোই তাকে গর্জিয়াস দেখাচ্ছে। তাছাড়া কালো তো তার বরাবরই প্রিয় রঙ।


সাবেক বিশ্ব সুন্দরী সুস্মিতা সেন ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ব্যতিক্রমধর্মী স্টাইল ফলো করেন। অন্য সবার তুলনায় তার ফ্যাশন সচেতন বরাবরই একটু ভিন্ন। কালো ড্রেসে এই বাঙালি ললনাকে অপরূপ মোহনীয় লাগছে।


মালাইকার মতো কালো রঙ পছন্দ আরেক বং বিউটি বিপাশা বসুর। বিভিন্ন সময় তাকে কালো পোশাকে পার্টি বা নানা অনুষ্ঠানে দেখা যায়।


কম যান না আরেক বলিউড সুন্দরী কাজল। ‘দিল ওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে’র সাধাসিধে সিমরানের এই কালো পোশাকের লুক, যে কোনো পুরুষের রাতের ঘুম হারাম করার জন্য যথেষ্ট।


মার্কিন বংশোদ্ভূত মডেল ও অভিনেত্রী নার্গিস ফাখরিকে কালোতে অপ্সরীর মতোই দুর্দান্ত লাগছে।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার ভেরিফায়েড পেজে একটি ছবি দেখে বাংলাদেশিদের ভালো লাগতে পারে। এতে তার সঙ্গে এক তরুণীকে দেখা যাচ্ছে, যার হাতে লাল-সবুজ পতাকা।


ছবিটি শেয়ার হয়েছে ১১৬ বার। এতে লাইক পড়েছে ১ হাজার ৮০০। ৮৩টি কমেন্ট দেখা গেছে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত। যেগুলোর প্রায় সবই বাংলাদেশকে নিয়ে গর্বের কথা। অনেকে ছবিটি শেয়ার করার জন্য ৩৫ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মন্তব্যে।

গ্লোবাল সিটিজেন ফেস্টিভ্যাল মঞ্চে ডেকে আনা মেয়েটি প্রবাসী বাংলাদেশি। দেশের প্রতি ভালোবাসা জানাতে লাল-সবুজ পতাকা হাতে তিনি গিয়েছিলেন এ উৎসবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের মিলনমেলা ঘটে এ আয়োজনে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে সেন্ট্রাল পার্কে গত ২৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত গ্লোবাল সিটিজেন ফেস্টিভ্যালের মঞ্চে ছবিটি তোলা। এ আয়োজন উপস্থাপনা করেছেন প্রিয়াঙ্কা। আরেক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তিনি বলেছেন, এটি তার জীবনের সেরা অভিজ্ঞতাগুলোর একটি। তিনি গ্লোবাল সিটিজেনের শুভেচ্ছাদূত।

উৎসবে বিখ্যাত তারকাদের মধ্যে আরও ছিলেন গায়িকা ডেমি লোভেটো, অস্কারজয়ী কৃষ্ণাঙ্গ অভিনেত্রী লুপিটা এন’ইয়োঙ্গো, ভারতীয় বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ অভিনেত্রী ফ্রিডা পিন্টো, হলিউড অভিনেত্রী মিশেল মোনাগান।

অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন বিখ্যাত সংগীতশিল্পীরা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য— স্টিভি ওয়ান্ডার, গ্রিন ডে, দ্য কিলারস, দ্য লুমিনিয়ার্স, দ্য চেইনস্মোকারস, ফ্যারেল উইলিয়ামস, বিগ শন, অ্যালেসিয়া কারা।

 

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ও খুলনা নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়ে গেল আরডুইনো কর্মশালা। গত২২ সেপ্টেম্বর কুয়েটে ও ২৩ সেপ্টেম্বর নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্বিদ্যালয়ে এই আয়োজনের উদ্যোক্তা মাকসুদুল আলম বিজ্ঞানাগার। সহযোগিতা করেছে সংশ্লিষ্ট  বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগ, বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি (বাবিজস) ও বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন)। পৃস্ঠপোষক হিসাবে রয়েছে কম্পিউটার সার্ভিসেস লিমিটেড।


কর্মশালার ফ্যাসিলিটেটরদের দলনেতা রেদওয়ান ফেরদৌস জানিয়েছেন ইন্টারনেট অব থিংসের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্যই সারাদেশে এই আয়োজন করা হচ্ছে। কর্মশালায় শিক্ষার্থীরা ইন্টারনেট অব থিংসের বিভিন্ন ছোট সমস্যা সমাধানের জন্য ইলেক্ট্রনিক্সের বহুল পরিচিত কিট আরডুইনো ব্যবহার করেছে। বর্তমানে রোবটিক্স কিংবা প্রোগ্রামবেজ প্রজেক্ট তৈরির ক্ষেত্রে আরডুইনো ডেভেলপমেন্ট কিট বেশ জনপ্রিয়। কর্মশালায় হাতে-কলমে দেখানো হয়েছে কীভাবে এই ওপেনসোর্স হার্ডওয়্যারটি কাজ করে। আরডুইনো পিন কনফিগারেশন , মাইক্রোকন্ট্রোলার, বেসিক ইলেকট্রনিক্স, সিরিয়াল কমুনিকেশন, লেড জ্বালানো নিয়ন্ত্রন, ডিজিটাল পিনের ব্যবহার, এনালগ পিনের ব্যবহার ,পালস উইথ মডুলেশন (পিডাবলুএম), টেমপারেচার সেন্সর , সোনার সেন্সর , সারভো মোটর, পুশ বাটন, পটেনশিওমিটার, এলসিডি ডিসপ্লে এবং বার্জারের ব্যবহার দেখানো হয়।

কর্মশালা দুইটিতে উপস্থিত ছিলেন নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক তারাপদ ভৌমিক, রেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলাম, সিএসই বিভাগের প্রধান অধ্যাপক নওশের আলী মোড়ল প্রমূখ।

কর্মশালায় অধ্যাপক তারাপদ ভৌমিক বলেন:” এইরকম প্রযুক্তির ব্যবহার বর্তমান প্রজন্মের জন্যে খুবই দরকার, কারণ বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের চলতে হবে।” তিনি এই উদ্যোগ সম্প্রসারণের জন্য ম্যাসল্যাবকে অনুরোধ করেন।

দুইট কর্মশালায় মোট ৭৮ জন শিক্ষার্থি অংশগ্রহণ করে। দুই কর্মশালার সেরা ১০ জন পরবর্তী সময়ে এ সংক্রান্ত বুট ক্যাম্পে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে বলে জানালেন উদ্যোক্তারা। কর্মশঅলা পরিচালনায় রেদওয়ান ফেরদৌসকে সহায়তা করেন উজ্জ্বল পোদ্দার, কামরুল হাসান ও  গোলাম মোর্শেদ।

নিজ নিজ ক্যাম্পাসে এই কর্মশালা আয়োজনে আগ্রহীদের iot.fiesta@bdosn.org এই ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

Are-you-suffering-from-additional-hair-loss-problems-Find-out-the-names-of-these-five-elements 

যেকোন নারীর কাছেই চুল নিয়ে সবচেয়ে বড় সমস্যা এবং আতঙ্কের নাম হলো- চুল পড়ে যাওয়া। একজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং একজন সুস্থ নারীর প্রতিদিন গড়ে স্বাভাবিকভাবেই ৫০-১০০ টি চুল পড়ে থাকে। কারোর কারোর হয়তো ১৫০ টি চুলও পড়তে পারে। তবে এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এটি খুবই স্বাভাবিক একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। তবে অনেকেরই চুল পড়ার সমস্যাটি ভয়াবহ মাত্রায় রূপ নেয় এবং যার ফলাফল স্বরূপ দেখা দিতে থাকে নানান রকম সমস্যা, যেমন- মাথার চুল খুব পাতলা হয়ে যাওয়া, টাক পড়ে যাওয়া ইত্যাদি।


একেক জন নারীর চুল পড়ার কারণ একেক রকম হতে পারে। কারোর হয়ত চুলের ত্বকের সমস্যার জন্যে চুল পড়তে পারে, কারোর চুলের সঠিক যত্নের অভাবে চুল পড়তে পারে অথবা কারোর হরমোনাল সমস্যার জন্যে চুল পড়ে যেতে পারে। তবে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে এবং যত্ন নিলে চুল পড়া কমে যায় এবং অনেকাংশে একেবারেই বন্ধ করে ফেলা সম্ভব হয়!

আজকের ফিচার থেকে আপনি জেনে নিতে পারবেন পাঁচটি দারুণ উপাদান এবং তার ব্যবহারের নিয়ম যা আপনার মাথার ত্বকের যত্নে, চুল পড়া রোধে এবং নতুনভাবে চুল গজাতে সাহায্য করবে।

১/ আমলকী

প্রাকৃতিক উপায়ে চুল পড়া বন্ধ করতে এবং নতুন চুল গজাতে চাইলে আমলকী ব্যবহার শুরু করুন। আমলকী তে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি। অনেক সময় এই ভিটামিন-সি এর অভাবেই চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যাটি হয়ে থাকে বলে, আমলকী অনেক বেশী উপকার করে থাকে। আমলকীতে ভিটামিন-সি ছাড়াও রয়েছে প্রদাহ-বিরোধী, এন্টি-অক্সিডেন্ট, এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং এক্সফলিয়েটিং উপাদান সমূহ। যা চুলের গোড়াকে স্বাস্থ্যবান এবং মজবুত রাখতে সাহায্য করে বলে, চুল পড়ার হার কমে যায় বহুলাংশে।

যেভাবে ব্যবহার করবেন:

এক চা চামচ আমলকীর রস এবং লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে নিন। এখন এই মিশ্রণটি আপনার চুলের গোড়ায় খুব ভালোভাবে ম্যাসাজ করে শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে পুরো চুল ঢেকে রাখুন। এইভাবে সারারাত রেখে দেওয়ার পরে সকালে উঠে চুল ধুয়ে ফেলুন।

২/ পেঁয়াজের রস

চুল এবং মাথার ত্বকের জন্য পেঁয়াজের রস একদম জাদুর মতো কাজ করে থাকে। পেঁয়াজের রসে রয়েছে বেশী পরিমাণে সালফার, যা রক্ত চলাচল এর প্রবাহ বাড়িয়ে থাকে। যার ফলে চুল পড়া বন্ধ হয়, নতুন চুলগজাতে শুরু করে এবং চুলের ত্বকের প্রদাহ কমে যায়। এছাড়া, পেঁয়াজের রসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এন্টি-অক্সিডেন্ট মূলক উপাদান, যা চুল ও চুলের ত্বকে থাকা জীবাণু এবং উকুন মেরে ফেলতে সাহায্য করে। অনেকের মাথার ত্বকে ইনফেকশন হয় অথবা ফাংগাসের সমস্যা দেখা দেয়। সেক্ষেত্রেও পেঁয়াজের রস চমৎকার কাজে দিয়ে থাকে।

যেভাবে ব্যবহার করবেন:

একটি বড় সাইজের পেঁয়াজ নিয়ে একদম কুচি কুচি করে কাটুন এবং সেটা থেকে রস বের করুন। এখন এই রস সরাসরি চুলের গোড়ার খুব ভালোভাবে এবং মাথার ত্বকে খুব ধীরে ধীরে লাগান। পেয়ার রস লাগানো শেষে হয়ে গেলে ৩০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। এরপর পছন্দনীয় কোন শ্যাম্পু দিয়ে ভালোভাবে শ্যাম্পু করে ফেলুন।

৩/ মেথি

মেথি শুধুমাত্র রান্নার জন্যে অথবা চুল মোলায়েম করারা জন্যেই নয়, চুল পড়া রোধে এবং নতুন গজাতেও সাহায্য করে। মেথিতে থাকে হরমোন এন্টিসিডেন্টস, প্রোটিন এবং নিকোটিনিক এসিড যা চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এবং চুলকে শক্ত করতে সাহায্য করে থাকে।

যেভাবে ব্যবহার করবেন:

এক কাপ পানিতে পরিমাণমতো মেথি বীজ সারারাতের জন্যে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে এই মেথি বীজ বেটে পেস্ট তৈরি করুণ। এখন এই পেস্ট আপনার সম্পুর্ণ চুলে লাগিয়ে শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন এবং ৪০ মিনিট অপেক্ষা করে চুল ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। মাসে একবার এইভাবে মেথির পেস্ট দিতে হবে চুলে।

৪/ জবা ফুল

অতিরিক্ত চুল পড়ার ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজে দেয় হচ্ছে জবা ফুল! শুধুমাত্র চুল পড়ার রোধেই নয়, চুলের বৃদ্ধি বাড়াতেও জবা ফুল চমৎকার উপকারী একটি উপাদান। এছাড়া সুন্দর এই ফুলটি মাথার ত্বকের খুশকি, অকালে চুল পেকে যাওয়া রোধ করতে, চুল ঘন করতে এবং চুলের আগা ফেটে যাওয়া রোধে দারুনভাবে কাজ করে।

যেভাবে ব্যবহার করবেন:

দুই কাপ নারিকেল তেলের ভেতর দশটি জবা ফুল নিন। এরপর এটি জ্বাল দিতে থাকুন যতক্ষণ না ফুলগুলো একবারে শুকিয়ে আসে। এরপর ফুলগুলো থেকে তেল ঝড়িয়ে নিন। রাতে ঘুমাতে যাবার আগে এই তেল সম্পূর্ণ চুলে যত্ন সহকারে লাগিয়ে নিন এবং সকালে উঠে চুল ধুয়ে ফেলুন। প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩-৪ বার এই তেল ব্যবহার করতে হবে।

৫/ নারিকেলের দুধ:

শুধুমাত্র নারিকেলে তেলই যে চুলের জন্যে উপকারী সেটা নয়, নারিকেলের দুধও চুলের জন্যে দারুণ উপকার করে থাকে। নারিকেলের দুধে থাকে অনেক বেশী পরিমাণে প্রোটিন এবং প্রয়োজনীয় স্নেহ পদার্থ যা চুলের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করতে এবং চুল পড়া কমাতে দারুণভাবে সাহায্য করে থাকে। অন্যান্য সকল উপাদানের চাইতে নারিকেল এর দুধ চুল পড়া রোধে এবং নতুন চুল গজাতে অনেক দ্রুত কাজ করে। 

যেভাবে ব্যবহার করবেন:

নারিকেলের দুধ বাজারে কিনতে পাওয়া গেলেও নারিকেল থেকে নিজের হাতে তৈরি করা নারিকেলের দুধ সবচেয়ে বেশী কার্যকরী হয়ে থাকে। বাসাতে নারিকেলের দুধ বানাতে চাইলে নারিকেল কুড়িয়ে নিয়ে একটি বড় পাত্রে পানিসহ জ্বাল দিতে হবে। পানিতে যখন বুদবুদ দেখা দেবে তখন সেটি নামিয়ে নিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে খুব ভালোমতো ছেঁকে নিতে হবে। এখন এই দুধ সম্পুর্ণ মাথার চুলে খুব ভালোভাবে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে ২০-৩০ মিনিট মতো রেখে দিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলতে হবে।

 

টেক জায়ান্ট অ্যাপলের নতুন আইফোন বাজারে আসার সাথে সাথেই গ্রাহকদের মাঝে অসম্ভব উত্তেজনা শুরু হয়ে যায় সেটটি হাতে পাওয়ার জন্য। আর ভারতীয় এক ব্যবসায়ি তার মেয়ের বিয়েতে সর্বশেষ আইফোন উপহার দেওয়ার জন্য ভারত থেকে উড়ে গিয়েছেন সিঙ্গাপুর। ৪৩ বছর বয়সী আমীন আহমেদ ধোলিয়া সিঙ্গাপুরের অর্চার্ড রোডের অ্যাপল স্টোরের সামনের গ্রাহক লাইনের প্রথমেই দাঁড়িয়ে ছিলেন বলে সিঙ্গাপুরের দ্য স্ট্রেইট টাইমসে খবর প্রকাশিত হয়।


গত ২২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার অ্যাপলের নতুন আইফোন ৮ এবং ৮ প্লাস স্মার্টফোনটি স্টোরে বিক্রির জন্য আসে। আর ধোলিয়া ২১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় এসে লাইনে দাঁড়ান। ধোলিয়া বলেন, ‘আমি দুটি আইফোন কিনেছি। আর এটিই প্রথম আমার কোন কিছুর জন্য সারারাত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ঘটনা, আমি এখন ভাল বোধ করছি কিন্তু সারা রাতে দাঁড়িয়ে থাকাটা কঠিন।’

দুটি আইফোন কিনে শুক্রবারেই দেশে ফেরেন ঢোলিয়া।

শুক্রবার সকাল ৮টায় যখন অ্যাপল স্টোর খোলা হয় তখন দকানের সামনে অনেক বিদেশিসহ ২০০ জন মানুষ লাইনে দাঁড়িয়েছিল। এখানে অনেক বিদেশি নতুন আইফোন কিনতে আসার কারণ অনেক এশিয়া পেসিফিক অঞ্চলের অনেক দেশেই আইফোন উন্মুক্ত করা হয়নি। আর তাই অনেকেই নিজ দেশের অপেক্ষা না করে সিঙ্গাপুরে এসেছে নতুন আইফোন কিনতে। 

সিঙ্গাপুরে গত মে মাসে অ্যাপল স্টোর খোলার পর আইফোন ৮ ও ৮ প্লাস প্রথম আলোচিত পণ্য বিক্রির ঘটনা। ৬৯৯ মার্কিন ডলার ও ৭৯৯ মার্কিন ডলার দামে বিক্রি হচ্ছে আইফোন ৮ এবং আইফোন ৮ প্লাস।

Isleifes-new-laptop-in-the-market 

মার্কিন ল্যাপটপ ব্র্যান্ড আই-লাইফের নতুন মডেলের ল্যাপটপ জেড-এয়ার এইচ২ বাংলাদেশের বাজারে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার  ঢাকার উত্তরা ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন আই-লাইফের কান্ট্রি ম্যানেজার মোহাম্মাদ নাছির উদ্দিন, ল্যাপটপের পরিবেশক সুরভী এন্টারপ্রাইজের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাসুম, পরিচালক যাকের রিয়াদ ও হেড অফ বিজনেস আব্দুল কাইউম খান।


সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মূলত সৌখিন ও মধ্যবিত্তদের জন্যই এই ল্যাপটপ। আরব ও আফ্রিকার দেশগুলোতে ব্যাপক সফলতার পরে এই ল্যাপটপটি বাংলাদেশের বাজারে অবমুক্তের ঘোষণা দেওয়া হয় বলে জানান আই-লাইফের কান্ট্রি মান্যাজার মোহাম্মাদ নাছির উদ্দিন। তিনি ল্যাপটপটির বিস্তারিতও তুলে ধরেন। হালকা ওজনের ল্যাপটপটি ভ্রমণেও নিত্যসঙ্গী হয়ে থাকবে। ঘরে-বাইরে ইন্টারনেট ও ই-মেইল ব্রাউজিং, মুভি দেখার জন্য আদর্শ হতে হতে পারে ল্যাপটপটি। ১৪ ইঞ্চি আইপিএস ডিসপ্লেসহ নতুন এই ল্যাপটপটি ১৬.২ মিলিমিটার পাতলা, ওজন ১.৪ কেজি। ল্যাপটপে রয়েছে‍ ১.১ থেকে ২.৪ গিগাহার্টজ গতির উচ্চক্ষমতার ইন্টেল প্রসেসর। ৩ জিবি ডিডিআর ৩ র‌্যাম, ৫০০ জিবি হার্ডডিস্ক। ৩২ জিবি ইন্টার্নাল মেমোরির ল্যপটপটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৪৮০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি, যা কিনা ব্যবহারকারীকে টানা ৬-৭ ঘণ্টা ওয়ার্কিং ব্যাকআপ দেবে।

অনলাইন শপ পিকাবু, দারাজ, আজকের ডিল ও কিকশা থেকে ল্যাপটপটি কেনা যাবে। পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন প্রযুক্তি বাজারে। ল্যাপটপটির দাম ২১ হাজার ৫০০ টাকা। সঙ্গে উপহার হিসেবে থাকছে আকর্ষণীয় ব্যাগ।

 

বিতর্কিত রাশিয়ান সফটওয়্যার কোম্পানি “নজরদারি রোধক” স্মার্টফোন তৈরি করেছে। যার নাম দিয়েছে টাইগা ফোন। যা আইফোনের চেয়ে পাঁচগুণ সস্তা বলে দাবি কোম্পানিটির।


রাশিয়ানরা খোলামেলা বা গোপন কথা মোবাইলে বলতে ভয় পায়। তারা মনে করে তাদের কথোপকথোন এ আরিপাতা হচ্ছে। তাবে ক্যাসপারস্কি জানাচ্ছে তারা এর সমাধান বের করেছে।

শুক্রবার মস্কোতে টেইগা ফোন নামের নতুন ব্রান্ডের একটি স্মার্টফোন উন্মোচন করা হয়। যার দাম পরবে ২৬০ ডলারের মত বা বাংলাদেশি টাকায় ২১ হাজার টাকা।

“নজরদারি রোধক” এই স্মার্টফোনটি মুলত করপোরেট ব্যাবহারকারীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এই ফোনটি ব্যাবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে নির্মাতাদের বিশ্বাস।

নির্মাতারা জানিয়েছে ফোনটি বিক্রয়ের সর্বশেষ পর্যায় রয়েছে। স্মার্টফোনটি পাঁচ ইঞ্চি টার্চ স্ক্রিন। দুইটি সিম ও দুইটি ক্যামেরা সংশ্লিষ্ট। ফোনটি হবে পুরোপুরি সবুজ। যা রাশিয়ার উত্তরের বনঅঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করবে।

 

মেক্সিকোতে স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় এগিয়ে এলেন দেশটির বিখ্যাত অভিনেত্রী সালমা হায়েক। নিজের ক্রাউডরাইজ কর্মসূচির মাধ্যমে ইউনিসেফকে ১ লাখ ডলার দান করেছেন তিনি।


শুধু নিজে নন, অন্যদেরকেও সাধ্যমতো অর্থ সহায়তা দিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে আহ্বান জানিয়েছেন সালমা। অস্কার মনোনীত মেক্সিকান এই তারকা বলেছেন, ‘আমাদের দেশে টানা তিনটি প্রাকৃতিক বিপর্যয় হয়েছে। এর মধ্যে ভূমিকম্পে আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত অসংখ্য শিশু ও পরিবারের এখন সাহায্য প্রয়োজন। তাদের জন্য আমি ১ লাখ ডলার দিয়েছি। আমার মতো আপনারাও এগিয়ে আসুন। যার যতটুকু সাধ্য আছে সাহায্য দিন। সহায়সম্বল হারানো মানুষগুলোকে অর্থদান ও সহানুভূতির জন্য আপনাদের উদার মানসিকতার কাছে মিনতি করছি। আপনারা যাই দেবেন তা অনেক।’

সালমা হায়েক
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সালমার ওই কর্মসূচি থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার সংগ্রহ করা গেছে। ইনস্টাগ্রামে স্প্যানিশ ভাষায় ভিডিও বার্তাটি পোস্ট করেন তিনি। ৫১ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীকে সবশেষ “দ্য হিটম্যান’স বডিগার্ড” ও ‘বিট্রিস অ্যাট ডিনার’ ছবিতে দেখা গেছে।
 

১৯৮৫ সালের পর মেক্সিকোতে এত ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় আর ঘটেনি। সালমা মনে করিয়ে দিয়েছেন সেই ঘটনা। স্মৃতি হাতড়ে ভিডিওতে তিনি বলেছেন, ‘মেক্সিকো সিটিতে ওই ভূমিকম্পে বাসায় আটকে পড়েছিলাম। পরে আমাকে উদ্ধার করা হয়। আমার চাচাসহ অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মৃত্যু হয়েছিল ওই ঘটনায়। এমন বিপর্যয়ে পড়ার দুঃসহ ও বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা নিয়ে বেঁচে আছি। এ ঘটনা ছিল ভয়ঙ্কর।’
চলতি মাসে মেক্সিকোতে দুটি ভূমিকম্প হয়েছে। কাকতালীয় হলো, এর মধ্যে দ্বিতীয়টি হয়েছে ১৯৮৫ সালের ভূমিকম্পের ৩২ বছর পূর্ণ হওয়ার দিন (১৯ সেপ্টেম্বর)। মেক্সিকো সিটির প্রাণকেন্দ্রে ৭.১ মাত্রার এই ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২০০। ৫১ কিলোমিটার পর্যন্ত ধসে গেছে বেশকিছু ভবন। এ মাসেই ঘূর্ণিঝড় কাটিয়া আঘাত করে দেশটিতে।

Anant-Jalil-stood-beside-the-director 

চলচ্চিত্র পরিচালক এফ আই মানিকের দিকে সহযোগিতায় হাত বাড়িয়ে দিলেন চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল। একইসঙ্গে দেশের প্রতিষ্ঠিত তারকা ও চলচ্চিত্র পরিবারের সদস্যসহ সবাইকে তার সাহায্যে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তার কথায়, ‘এটা আমাদের কর্তব্য।’


বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সাবেক মহাসচিব ও বহু জনপ্রিয় ছবির নির্মাতা এফ আই মানিকের সমস্যার কথা জানিয়ে বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন অনন্ত। সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি ৫৮ বছর বয়সী গুণী এই পরিচালকের অর্থকষ্টের কথা কিভাবে জানতে পেরেছেন সেই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি।

অনন্ত লিখেছেন, ‘অতি কষ্টের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, আমাদের চলচ্চিত্র পরিবারের সদস্য এফ আই মানিক ভাই, যিনি এ দেশের চলচ্চিত্র শিল্প, দর্শকসহ সবার জন্য এত কিছু করেছেন, তাকেই আজ অর্থকষ্টে ভুগতে হচ্ছে। অর্থের অভাবে স্ত্রীর চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে পারছেন না তিনি। গতকাল (২০ সেপ্টেম্বর) হঠাৎ তিনি আমার অফিসে আসেন। তার সামনে যেতেই চোখে পড়লো মলিন চেহারা। তিনি নিজের কষ্টের কথার পাশাপাশি অর্থের অভাবে স্ত্রীর চিকিৎসা করাতে না পারার কথা জানান। তার কথা শুনে দুঃখ পেয়েছি এই ভেবে, যার হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অনেক তারকা, তাকেই কিনা অর্থের অভাবে ঘুরতে হচ্ছে দ্বারে দ্বারে।’

অনন্ত আরও লিখেছেন, ‘এফ আই মানিক ভাইয়ের সঙ্গে আমার কাজ করার সৌভাগ্য হয়নি। আশা করি, তার মতো কোনও গুণীজনকে যেন দ্বারে দ্বারে যেতে না হয়। আমরাই যেন প্রয়োজনে তাদের কাছে পৌঁছে যাই।’

এফ আই মানিক পরিচালিত ব্যবসাসফল ছবির তালিকায় রয়েছে ‘স্বপ্নের বাসর’ (২০০১), ‘দাদীমা’ (২০০৬), ‘কোটি টাকার কাবিন’ (২০০৬), ‘চাচ্চু’ (২০০৬), ‘পিতার আসন’ (২০০৬), ‘আমাদের ছোট সাহেব’ (২০০৮), ‘মায়ের হাতে বেহেস্তের চাবি’ (২০০৯), ‘মাই নেম ইজ সুলতান’ (২০১২) প্রভৃতি।

এদিকে অনন্তকে সবশেষ বড় পর্দায় দেখা গেছে ‘মোস্ট ওয়েলকাম ২’ (২০১৪) ছবিতে। তার অভিনীত অন্য ছবিগুলো হলো ‘খোঁজ দ্য সার্চ’ (২০১০), ‘হৃদয় ভাঙা ঢেউ’ (২০১১), ‘দ্য স্পিড’ (২০১২), ‘মোস্ট ওয়েলকাম’ (২০১২) ও ‘নিঃস্বার্থ ভালোবাসা’ (২০১৩)।

Why-are-people-introvert-as-friends-as-nice 


সাধারণত যে মানুষগুলো খুব চুপচাপ ধরণের হয়ে থাকে, তাদেরকে আমরা অহংকারী মানুষ ভেবে বসে থাকি। কিন্তু এই মানুষগুলো চুপচাপ থাকতে পছন্দ করলেও তারা মোটেও অহংকারী নন। বরং বন্ধু হিসেবে তারা  চমৎকার এবং দারুণ! আপনার যে কোন সমস্যা আপনি তাদের কাছে নির্দ্বিধায় বলতে পারবেন, তিনই তার অভিজ্ঞতা থেকে আপনার জন্য কোন কাজটি ভালো হবে সেটি বলে দেবেন এবং প্রতিটা মুহূর্তে তারা আপনার কাছে বিশ্বস্ত থাকবেন।


মনে হতে পারে বাড়িয়ে বলছি। কিন্তু প্রতিটা কথাই খুব সত্যি। জেনে নিন কেন একজন অন্তর্মুখী মানুষ বন্ধু হিসেবে চমৎকার হোন।

১/ তারা শ্রোতা হিসেবে চমৎকার হয়ে থাকেন

অন্তর্মুখী মানুষেরা শ্রোতা হিসেবে খুব চমৎকার। তারা আপনার সকল সমস্যার কথা শুনবেন এবং প্রয়োজনে আপনাকে উপদেশ দেবেন। কিন্তু আপনার কথা বলার মাঝে তারা কখনো বাধা দেবেন না এমনকি তারা আপনাকে থামিয়ে দিয়ে নিজেরা কথা বলতে শুরু করবেন না। অন্তর্মুখী যারা, তারা সাধারণত চুপচাপ ধরণের মানুষ হলেও বন্ধু হিসেবে খুবই চমৎকার। সারাদিনে আপনি হাজারো বন্ধুর সাথে মিশে, হাজারজনের সাথে চলাফেরা করলেও দিনশেষে মনের সকল কথা, আপনার জীবনের সকল সমস্যা নির্দ্বিধায় তাদের কাছে উগরে দিতে পারবেন কোন চিন্তা ছাড়াই। জীবনে চলার পথে এমন কাওকে খুঁজে পাওয়াটা খুবই কষ্টকর, যিনি কিনা আপনার ভালো এবং খারাপ নিয়ে চিন্তা করেন এবং আপনার জন্যে যেটা ভালো হবে সেটা উপদেশ দিয়ে থাকেন।

২/ তারা মানুষকে অনেক ভালোভাবে বুঝতে পারেন

আমরা অনেকেই মানুষের চেহারা দেখেই আন্দাজ করে নেই যে সে কেমন হবেন বা কেমন হতে পারেন। কিন্তু যারা অন্তর্মুখী হয়ে থাকেন, তারা এই কাজটা কখনোই করেন না। কারণ তারা নিজেরা চুপচাপ থাকলে অনেক বেশী চিন্তাভাবনা করেন, জীবনকে তারা অনেক ভাবে দেখে থাকেন এবং তাদের নিজেদের অভিজ্ঞতার ঝুলি অনেক ভারী হয়ে থাকে। শুধুমাত্র কারোর চেহারা দেখে, কিংবা, কারোর সাথে দুই-তিন লাইন কথা বলেই তিনি মানুষকে চিনে ফেলেছেন এমন ভাব করেন না। বরং তারা সময় নিয়ে, কারোর সাথে মিশে, তাদের জীবনের গল্প শুনে, তাদের সাথে চলাফেরা করে এরপর মানুষ হিসেবে সে কেমন সেটা বিবেচনা করেন।

৩/ অনেকের চাইতে জ্ঞানী এবং অধিক বোধসম্পন্ন মানুষ তারা

যেহেতু তারা চুপচাপ থাকেন নিজের মতো করে, তারা নিজেরা নিজেদের মতো করেই অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে থাকেন চারপাশ থেকে। একটা ঘটনাকে আপনি হয়তো দেখেও না দেখার মতো করে পাশ কাটিয়ে চলে যাবেন কিন্তু একজন অন্তর্মুখী মানুষ সেটা করেন না। তারা তাদের চারপাশে ঘটা প্রতিটি ঘটনা দেখেন এবং সেটা থেকে শিক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করেন। যে কারণে আপনার অথবা আপনার চারপাশের অন্য সকলের চাইতে যে মানুষটা কিছুটা অন্তর্মুখী ঘরানার তার অভিজ্ঞতা, জ্ঞান, বোধ এবং বিবেচনা শক্তি বেশী হয়ে থাকে। একটা পরিস্থিতিতে আপনি যা ভাববেন, তিনি ভাববেন তার চাইতে একেবারেই অন্যরকম করে। অথবা আপনি যেভাবে একটা ঘটনার ব্যাখ্যা দাঁড় করাবেন, তিনি সেটার ব্যাখ্যা দেবেন একদম ভিন্নভাবে। কারণ, সকল ঘটনার ভেতরে অবস্থা তিনি বোঝার চেষ্টা করেন ও বোঝেন।

৪/ প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে আনন্দ করতে পছন্দ করেন তারা

বন্ধুদের সাথে আপনি সাধারণত কী করেন? কোন অনুষ্ঠানে একসাথে যান অথবা একসাথে কোন রেস্টুরেন্টে খেতে যান কিংবা রাতভর একে অন্যের বাসাতে লেইট নাইট পার্টি করেন। কিন্তু আপনার কোন অন্তর্মুখী বন্ধু থাকলে সে করতো একবারেই ভিন্ন কিছু। মজা করা কিংবা আনন্দের সংজ্ঞা তাদের কাছে একেবারেই ভিন্ন মাত্রা পায়। তারা জানে এই সকল প্রচলিত ধারার অথবা একেবারেই গতানুগতিক কাজের বাইরে গিয়েও জীবনকে অন্যভাবে অন্য রূপে উপভোগ করা যায়, আবিষ্কার করা যায়। তারা হয়তো একেবারে উদ্দেশ্যহীনভাবে রাতের বেলা খোলা রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে কিংবা অচেনা অদেখা কোন স্থানে ঘুরতে যাওয়ার জন্যে নিমিষেই তৈরি হয়ে যাবে। তাদের কাছে কোন কিছুর কোন সীমা অথবা নিয়ম থাকে না।

৫/ বন্ধু হিসেবে তারা চমৎকার বিশ্বস্ত

আমরা এমন একটা সময়ে বাস করছি যেখানে একজন বিশ্বস্ত মানুষ খুঁজে পাওয়াটাই কষ্টকর ব্যাপার। তবে যারা খুব অন্তর্মুখী, তাদের কথা ভিন্ন! ভিন্ন এই কারণেই, প্রথমত তারা বন্ধু নির্বাচনে খুবই সতর্ক থাকেন। সকলকে পর্যবেক্ষন করে, সকলকে বুঝেশুনে এরপর তারা নিজেদের জীবনের জন্য বন্ধু নির্বাচন করে থাকেন। যে কারণে, তারা তাদের বন্ধুদের এবং সকল কাছে মানুষদের প্রতি বিশ্বস্ত থাকেন, সৎ থাকেন। আপনার খুব জরুরি কোন কথা গোপন রাখতে চাইলে আপনি নিশ্চিন্তে আপনার অন্তর্মুখী বন্ধুর কাছে বলতে পারেন, সে কখনোই আপনার বিশ্বাস ভাঙবেন না।

 

 হিমালয় পর্বতমালার অসংখ্য সুউচ্চ দূর্গম পর্বতের মাঝে একটি পর্বতের নাম আমাদের দেশের নামে। অবাক হচ্ছেন? বিষয়টি সত্য এবং এই প্রাপ্তি একদিনের নয়। পর্বতারোহী ইনাম আল হকের অনেক দিনের স্বপ্ন, কোনোভাবে যদি হিমালয়ের বুকে খচিত হতে পারে বাংলাদেশের নাম! কিন্তু কীভাবে?! তার বিটিএমসি ক্লাব (বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাব) এ আছেন এম এ মুহিত সহ আরও অনেক দুধর্ষ ট্রেকার/ ট্রাভেলার। সবাই মিলেই উপায় খুঁজতে লাগলেন।


সম্ভাবনার আলো দেখালেন বিশ্ব রেকর্ডধারী পর্বতারোহী পেম্বা দর্জি শেরপা। তিনি জানালেন, হিমালয়ের এমন কোনো পর্বত যার চূড়ায় মানুষের পা পড়েনি কখনো সেই পর্বতে যদি নেপাল এবং বাংলাদেশ মিলিয়ে একটি যৌথ অভিযান চালোনো যায় এবং সফল হওয়া যায় তাহলে সেই পর্বতটির নাম হতে পারে 'নেপাল বাংলাদেশ মৈত্রী শিখর'।

নেপাল মাউন্টেনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনের (এনএমএ) সভাপতিকে এই বিষয়ে চিঠি লেখা শুরু হয়ে গেল। অনেকদিন কোনো সাড়া না দিলেও অবশেষে ২০১০ সালের আগষ্টে উত্তর আসে ইমেইলে। এনএমএর সভাপতি জিম্বা জাংবু শেরপা জানান চেকিগো পর্বতের কথা। জানা যায়, বিভিন্ন দেশ থেকে এপর্যন্ত ১৩টি দেশ এই পর্বতে অভিযান চালালেও সফল হয়নি কেউই। এতটাই ভয়ংকর দূর্গম চেকিগো। পরিকল্পনা শুরু হল অভিযানের। অর্থায়নে এগিয়ে এল কসমস গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ইউএনবির সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ খান এবং প্যারাগন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান।

অভিযানটি ছিল যৌথ অর্থাৎ বাংলাদেশ ও নেপালের পর্বোতারোহীরা একসাথে এই চেকিগো চূড়ায় আরোহণের সিদ্ধান্ত নেন, সফল হন এবং চেকিগোর নাম রাখা হয় 'নেপাল বাংলাদেশ মৈত্রী শিখর'। বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেন আমাদের গর্ব, দু'বার এভারেস্ট বিজয়ী এম এ মুহিত। অন্যান্য সদস্য ছিলেন নিশাত মজুমদার, সাদিয়া সুলতানা, সজল খালেদ, নুর মোহাম্মদ ও কাজী বাহলুল মজনু বিপ্লব। নেপাল দলের নেতৃত্ব দেন পেম্বা দর্জি শেরপা এবং অন্যান্য সদস্য ছিলেন মিংমা গ্যালজে শেরপা, দা-কিপা শেরপা, মিংমা দর্জি শেরপা, দাওয়া ইয়াংজুম শেরপা, সুস্মিতা মাসকে ও নাওয়াং ফুটি শেরপা।

৫ অক্টোবর থেকে শুরু হয় মূল অভিযান। প্রচন্ড খাঁড়া এবং ভয়ংকর পথ পাড়ি দিতে হল আরোহীদের। এর মাঝে ঘটলো এমন সব বিপদ যাতে মৃত্যুও হতে পারত যেকোনো সময়। কিন্তু সবার মাঝেই তখন পর্বত জয়ের নেশা। দেশের পতাকা চেকিগোর চূড়ায় উড়িয়ে দেবার নেশা তাই লড়াই চলল। বেস ক্যাম্প, এরপর এডভান্স বেস ক্যাম্প আর তারপর হাই ক্যাম্প... এভাবে এগিয়ে যেতে লাগলো দলটি। আগে নেপালি দল, তারা পথ তৈরি করে চলছিল আর পরে বাংলাদেশি দল অনুসরণ করছিল সেই পথ। দীর্ঘ কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে হলেও একদিন বিজয় এলো হাতের মুঠোয়। জয়ী হল বাংলাদেশ।

বিজয়ের সংবাদ পেয়ে কাঠমুন্ডু আসলেন ইনাম আল হক। নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর হোটেল ইয়াক এন্ড ইয়েতিতে এক আড়ম্বর অনুষ্ঠানে চেকিগো পর্বতের নাম পরিবর্তনের ঘোষণা দেওয়া হয়। চেকিগো এর উচ্চতা ২০,৫২৮ ফুট (৬,২৫৭ মিটার)। নামকরণ করেন নেপাল মাউন্টেনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। পর্বতটির অবস্থান নেপাল-তিব্বত সীমান্তে। 

হিমালয় পর্বতমালার একটি পর্বত চেকিগো। এই নামকরণের মাধ্যমে চিরকালের জন্য সুবিশাল এই পর্বত গোষ্ঠীর একজন হয়ে গেলাম আমরা, আমাদের বাংলাদেশ।

IPhone-8-is-not-interested-attract-customers-interested-in-iPhone 

অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপানসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে আজ থেকে অ্যাপল স্টোরগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে আইফোনের নতুন সংষ্করণ আইফোন ৮ এবং আইফোন ৮ প্লাস। তবে অন্যান্যবারের তুলনায় আইফোনের নতুন এই সংষ্করণটি কিনতে আগ্রহ দেখা যায়নি আইফোন প্রেমীদের।


বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের  বরাতে এ তথ্য জানা যায়।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ২২ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে বিক্রি শুরু হয়েছে আইফোনের নতুন সংষ্করণটির। তবে অন্যান্যবার আইফোনের নতুন সংষ্করণ বিক্রির প্রথম দিন অন্তত শ’খানেক এর বেশি মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতো এবার সেখানে মোটে ৩০ জন দাঁড়িয়ে ছিল।

লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা আইফোন প্রেমীরা রয়টার্সকে জানান, তারা আইফোন ৮ বা আইফোন ৮ প্লাস কিনতে এসেছেন। আর এসব কেউ তাদের মা-বাবা আবার কেউ ভাই বোনকে উপাহার দেবেন। তবে তারা নভেম্বরের ৩ তারিখের জন্য মূলত অপেক্ষা করছেন। কারণ ওইদিন বাজারে বিক্রি হবে আইফোন টেন।

জাপানেও আইফোন ৮ বা আইফোন ৮ প্লাস কিনতে তেমন আগ্রহ দেখা যায় নি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জাপান টু-ডে'র বরাতে জানা যায়, দেশটির টোকিও শহরে অ্যাপল স্টোরের সামনে আইফোনের নতুন সংষ্করণ কিনতে রাত থেকে মাত্র ৬০ জন আইফোন প্রেমী দাঁড়িয়ে ছিল, যা গত বারের তুলনায় সংখ্যায় কম।

এ বিষয়ে স্থানীয় সফট ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট কেন মিয়াচি বলেন, জাপানের মানুষ এখনো আইফোন টেন দেখেনি। তাই তারা একটু সময় নিচ্ছে ভালো আইফোনটি কেনার জন্য।

এদিকে অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় সিঙ্গাপুরে তুলনামূলকভাবে আইফোন ৮ এবং আইফোন ৮ প্লাস কেনাতে আগ্রহ দেখা গেছে। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশবলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সিঙ্গাপুরের অ্যাপল স্টোরের সামনে আইফোনের নতুন সংষ্করণটি কেনার জন্য প্রায় ২০০ মানুষ দাঁড়িয়ে ছিল। তবে তাদের মধ্যে অনেকেই আইফোন টেন কেনায় বেশি আগ্রহ দেখিয়েছেন।

কারণ হিসেবে তারা জানিয়েছেন, আইফোন ৮ বা আইফোন ৮প্লাস সংষ্করণে পূর্বের আইফোন ৭ থেকে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। এজন্য অনেকেই আইফোন টেনের অপেক্ষায় রয়েছেন।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে রোহিঙ্গা সংকটকে কেন্দ্র করে উগ্রপন্থি ও সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক লেখা যেসব আইডি থেকে পোস্ট করা হয়, এমন ১০টি আইডি ও তিনটি পেজ  শনাক্ত করে তা বন্ধের অনুরোধ জানিয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে পুলিশ।


ইতিমধ্যে তিনটি আইডি বন্ধ করে পুলিশকে অবহিত করেছে ফেসবুক। বাকি সাতটি আইডি বন্ধ করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া আরও ১২টি আইডি নতুনভাবে শনাক্ত করা হয়েছে, যেখান থেকে ধারাবাহিকভাবে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে উগ্রপন্থি লেখা পোস্ট করে হয়।

এদিকে ওই সব পোস্ট দেশ-বিদেশে প্রচারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছেন, এসব আইডি থেকে উগ্রপন্থার বিষবাষ্প ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। সহিংসতার এমন ছবি সেখানে পোস্ট করা হয়েছে, যা আদৌ মিয়ানমারের নয়। যেসব আইডি থেকে পোস্ট দেওয়া হয় তার অধিকাংশ 'ফেইক'।

এছাড়া মিয়ানমারে সংঘটিত সহিংসতার প্রকৃত চিত্রের বদলে ওই আইডিগুলো থেকে অনেক ভুল বার্তা দেওয়া হয়। কোনো কোনো আইডি থেকে 'জিহাদে'র আহবান জানানো হয়েছে। তবে যারা এসব ফেইক আইডি খুলেছেন, তাদের শনাক্ত করা হবে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের ডিসি আলিমুজ্জামান জানান, রোহিঙ্গা সংকটকে পুঁজি করে কেউ যাতে দেশে কোনো অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে না পারে, সে ব্যাপারে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। এরই মধ্যে ১০টি আইডি বন্ধে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আরও কয়েকটি আইডি নজরদারিতে রয়েছে।

এর আগে রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায়ে গঠিত সশস্ত্র সংগঠন ‘আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মিকে (আরসা)’ বিপজ্জনক আখ্যা দিয়ে তাদেরকে নিষিদ্ধ করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। একই সাথে বিদ্রোহীদের ‘প্রশংসাসূচক’ সকল বিষয়বস্তু মুছে ফেলতেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, জাতিসংঘ বলছে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রাখাইনে যে ‘গণহত্যা’ চালাচ্ছে, তা ‘জাতিগত নিধনের ধ্রুপদি উদাহারণ’। দেশটির সেনাবাহিনীরও একটি ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ আছে, যার ফলোয়ার ২৬ লাখ

এছাড়া মিয়ানমার সরকারের আরও অনেক ফেসবুক পেজ রয়েছে যেখানে দেশটির রাষ্ট্রীয় পরামর্শক অং সান সু চি এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা রোহিঙ্গা বিরোধী ঘৃণা উস্কে নিয়মিত পোস্ট দিচ্ছে। 

 

এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ও বিশ্বের অন্যতম ধনী জ্যাক মা বলেছেন, তিনি যে পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেন, সে হিসেবে খরচের সময় পান না।


গত সপ্তাহে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলীবাবার প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যানের একটি ভিডিও স্বাক্ষাৎকার প্রকাশ করে, যেখানে তিনি আরও বলেছেন, তিনি অনেক অর্থ উপার্জন করেন ঠিকই, কিন্তু শপিংয়ের পেছনে সে অর্থ বা সময় কোনোটিই ব্যায় করেন না।

জ্যাক মা বলেন, অর্জিত অর্থ খরচ সময় নেই আমার। মানুষ আমাকে বলে, ‘জ্যাক, তুমি অন্য অনেকের চেয়ে, এমনকি অনেক সরকারের চেয়েও ভালোভাবে অর্থ খরচ করতে পারো। তোমার সবকিছুই আছে। তুমি কেন অর্থ খরচ করছো না?’

আগস্ট মাসে ফোর্বসের প্রকাশিত তথ্য অনুসারে জ্যাক মা’র সম্পদের পরিমাণ ৩৭.৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ তিনি এখন বিশ্বের ১৮তম ধনী ব্যক্তি।

বিশ্বের অন্যতম ধনী হয়েও যাচ্ছেতাইভাবে অর্থ খরচ করেন না জ্যাক মা। বরং ধনী হওয়ার জন্য মাঝে মাঝে ‘যন্ত্রণা’ অনুভব করতে হয় তাকে। ২০১৪ সালে মার্কিন সংবাদমাধ্যমে সিএনবিসি’র সাথে এক সাক্ষাৎকারে মা বলেছিলেন, এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হওয়াটা তার জন্য মাঝে মাঝে যন্ত্রণাদায়কও। তিনি বলেছিলেন, ‘আপনি যখন অনেক ধনী হবেন, তখন আপনার আশেপাশে সবাই অর্থের জন্য ঘুরঘুর করবে।’

জ্যাক মা বলেন, নিজের অর্জিত অর্থ কীভাবে সমাজের উন্নয়নে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে ভাবছেন তিনি।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আলীবাবার উত্থান খুব ভালোভাবে চোখে পড়ার মতো। এ বছরের গত কোয়ার্টারে প্রতিষ্ঠানটির লাভ হয়েছে ৭.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা অনুমানকৃত ৭.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চেয়েও বেশি।

বিশ্বের দেশগুলোর জিডিপির সাথে আলীবাবাকে তুলনা করলে প্রতিষ্ঠানটি এখন বিশ্বের ২১ তম শক্তিশালী অর্থনীতি। কিন্তু জ্যাক মা বলেছেন, বিশ্বের ৫ম বৃহত্তম অর্থনীতি হতে চায় আলীবাবা এবং ২০২০ সালের মধ্যে এটি এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে চায়।

IPhone-rival-Huawei-will-have-four-cameras-on-this-phone 

চলতি বছরের অক্টোবরে তিনটি ফ্ল্যাগশিপ ফোন নিয়ে আসতে যাচ্ছে হুয়াওয়ে। হুয়াওয়ের এই ফ্ল্যাগশিপ ফোন লাইনআপের মধ্যে মেট ১০কে ধরা হচ্ছে সম্প্রতি উন্মোচিত আইফোন বা স্যামসাং এর নতুন স্মার্টফোনগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বী!


প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জের প্রতিবেদন অনুযায়ী অক্টোবরের ১৬ তারিখে হুয়াওয়ে তাদের তিনটি ফ্লাগশিপ ফোন উন্মোচিত করতে যাচ্ছে। এগুলো হচ্ছে - মেট টেন, মেট টেন প্রো এবং মেট টেন লাইট। আর এসব ফ্লাগশিপ লাইনআপের মধ্যে মেট টেন লাইট স্মার্টফোনটিতে থাকতে পারে চারটি ক্যামেরা।

সম্প্রতি এসব তথ্য ফাঁস করেছে স্মার্টফোন সম্পর্কিত গোপন তথ্য ফাঁসকারী টুইটার অ্যাকাউন্ট ইভান ব্লাস।

টুইটার অ্যাকাউন্টটির দাবি, মেট টেন লাইট এ থাকবে চারটি ক্যামেরা। দুইটি ক্যামেরা থাকবে পেছনে এবং সামনে থাকবে দুইটি ক্যামেরা। এ ছাড়া পেছনে ১৬ মেগাপিক্সেলের শুটার ক্যামেরা এবং সামনে ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা থাকবে। এ ছাড়া সঙ্গে থাকা ক্যামেরাগুলো থাকবে ২ মেগাপিক্সেলের।

ইভান ব্লাস আরও জানিয়েছেন, মেট টেন লাইট এর দাম হতে পারে ৪৫৫ মার্কিন ডলার।

এর আগে চীন ভিত্তিক এই মোবাইল ডিভাইস নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছিল তাদের আসন্ন এই ফ্লাগশিপ ফোন লাইনআপ হবে বর্তমান সময়ের অন্যান্য ফোনগুলোর তুলনায় অধিক শক্তিশালী। মোবাইলটিতে ব্যবহার করা হতে পারে কিরিন ৯৭০ প্রসেসর যা বাজারে থাকা অন্যান্য মোবাইল থেকে ২০ গুণ দ্রুত কাজ করতে সক্ষম।

Symphony-Eid-offer-has-been-handed-over-to-the-winning-customers 

স্মার্টফোন ব্র্যান্ড সিম্ফনি মোবাইল তাদের ঈদ অফার ‘বিদেশ ভ্রমণ প্যাকেজ’ বিজয়ী কাস্টমারদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।সিম্ফনি কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাদের বিদেশ ভ্রমণ পুরস্কার। এসময় সিম্ফনির ডিরেক্টর মার্কেটিং জনাব আশরাফুল হক কাস্টমারদের সিম্ফনি ফোন কিনে পুরস্কার পাওয়ার জন্য অভিনন্দন জানান।


বিদেশ ভ্রমণ প্যাকেজ পাওয়ার অনুভূতি জানাতে গিয়ে গ্রাহক মো. হানিফ জানান- তিনি মাত্র ৪৫০০ টাকা দামের একটি হ্যান্ডসেট কিনে ‘বালি’ যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এজন্য তিনি সিম্ফনি মোবাইল এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বিদেশ ভ্রমণ প্যাকেজ গ্রাহকদের হাতে তুলে দেন সিম্ফনি মোবাইলের ডিরেক্টর মার্কেটিং, জনাব আশরাফুল হক।

 How-to-make-rosogolas

রসগোল্লা ছাড়া যেন উৎসবের আনন্দ অপূর্ণ থাকে বাঙালির। যেকোনও উৎসবে তো বটেই, অতিথি আপ্যায়নে অথবা প্রিয়জনের জন্যও বাসায় বানিয়ে ফেলা যায় রসে টইটম্বুর রসগোল্লা। জেনে নিন কীভাবে বানাবেন ছানার রসগোল্লা।


উপকরণ

দুধ- ১ লিটার
সাদা ভিনেগার- ১/৪ কাপ
পানি- ৪ কাপ
ঠাণ্ডা পানি- ১ কাপ
কর্ন ফ্লাওয়ার- ১/৪ চা চামচ
চিনি- ১ কাপ 
গোলাপজল ১ চা চামচ 
  
প্রস্তুত প্রণালি
দুধ ফুটিয়ে ১ টেবিল চামচ ভিনেগার ও ১ টেবিল চামচ পানি দিন। ছানা হওয়া পর্যন্ত এভাবে দিতে থাকুন। লেবুর সাহায্যেও দুধ থেকে ছানা বানাতে পারেন। ছানা হয়ে গেলে চুলার জ্বাল বন্ধ করে সঙ্গে সঙ্গে ঠাণ্ডা পানি দিন। তারপর আবার দেড় কাপ পানি দিন। ছানা জমে আসলে ছেঁকে নিন পানি। পানি যেন পুরোপুরি দূর হয় সেদিকে লক্ষ রাখবেন। মিক্সার জারে ছানা ও কর্ন ফ্লাওয়ার একসঙ্গে পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার একটি প্লেটে ঢেলে হাতের সাহায্যে মিহি করুন। মসৃণ ডো তৈরি হলে হাতের সাহায্যে বলের আকৃতি করুন। চুলায় প্যান দিয়ে ৬ কাপ পানি ও চিনি দিয়ে ঢেকে দিন। চিনি গলে সিরা তৈরি হবে। সিরা ফুটে উঠতে শুরু করলে ছানার বলগুলো দিয়ে দিন। প্যান ঢাকনা দিয়ে ঢেকে চুলায় রাখুন ১০ থেকে ১৫ মিনিট। নামিয়ে গোলাপজল ছিটিয়ে দিন। কয়েক ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন মজাদার রসগোল্লা।

Samsung-has-increased-the-price-of-iPhone-tens 

স্যামসাংয়ের কারণে আইফোন টেনের দাম বেড়েছে। আইফোন টেনে থাকা ৫.৮ ইঞ্চি ওএলইডি স্ক্রিনের এক একটি ইউনিটের দামই ৮০ মার্কিন ডলার। আর এই ওএলইডি স্ক্রিন স্যামসাং অ্যাপলকে তৈরি করে দিয়েছে। 


আইফোনের দশম বার্ষিকীতে এ সপ্তাহের শুরুতে আইফোন টেন জনসমক্ষে উন্মোচন করেছিল অ্যাপল। আইফোন টেন ৯৯৯ মার্কিন ডলারে (৬৪জিবি) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাওয়া যাবে। সম্প্রতি এক চীনা ওয়েবসাইটে ইন্ডাস্ট্রি ইনসাইডাররা আইফোন টেন তৈরির সম্ভাব্য খরচ বের করেছে।

চীনা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ৯৯৯ মার্কিন ডলারের আইফোন টেন তৈরি করতে অ্যাপলের উপাদান স্বরূপ খরচ হয়েছে ৪১২.৭৫ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে সবচেয়ে ব্যয়বহুল উপাদান হলো এতে থাকা ৫.৮ ইঞ্চি ওএলইডি স্ক্রিনের। এর পরে রয়েছে তোশিবার এনএএনডি মেমোরি। ২৫৬ জিবি এনএএনডি মেমোরির দাম ৪৫ মার্কিন ডলার। ৩জিবি র‌্যাম চিপের দাম ২৪ মার্কিন ডলার।

অ্যাপলের এ১১ বায়োনিক চিপসেটের দাম পড়েছে ২৬ মার্কিন ডলার। অন্যদিকে কোয়ালকমের তৈরি মোডেমের দাম পড়েছে ১৮ মার্কিন ডলার। আইফোন টেনের থ্রিডি সেন্সরের দাম ২৫ মার্কিন ডলার। আর স্ক্রিনের উপরে থাকা গ্লাসের দাম ১৮ মার্কিন ডলার।

বিশ্বব্যাপী ৩০টি দেশ থেকে আইফোন টেন, ৮ এবং ৮ প্লাসের প্রিঅর্ডার নিচ্ছে অ্যাপল। এসব দেশে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে অ্যাপলের রিটেইল স্টোরে আইফোন পাওয়া যাবে। দেশগুলো হলো: অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, চীন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, হংকং, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, জাপান, লুক্সেমবার্গ, মেক্সিকো, নেদারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, পর্তুগাল, পুয়ের্তো রিকো, সিঙ্গাপুর, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, তাইওয়ান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মার্কিন ভার্জিন দ্বীপসমূহ।

Teletalk-will-die-if-he-does-not-get-the-money-State-Minister-for-Post-and-Telecommunications 

প্রধানমন্ত্রীর কথার পরেও অর্থ মন্ত্রণালয় টেলিটকের জন্য টাকার ছাড় করছে না।আর টাকা ছাড়া না করলে টেলিটক মারা যাবে বলেও বলেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।বুধবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তারানা বলেন, একনেকের বৈঠকে পরপর দুইবার টেলিটকের ৬১০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প উঠেছে। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুইবারই টেলিটকের পক্ষেই বলেছেন।


‘পরে প্রকল্পটি অনুমোদিতও হয়েছে। কিন্তু তারপরেও টাকা ছাড় করেনি অর্থ মন্ত্রণালয়।’- বলেন তারানা।তিনি বলেন, প্রধামন্ত্রীর কথার পরেও টাকা ছাড় করা হচ্ছে না।তারানা দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী টেলিটকের কাছে বিটিআরসির বকেয়া থাকা টাকাও সরকারের বিনিয়োগ হিসেবে ধরে নেওয়ার কথা বলেছেন।‘প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, টেলিটক সরকারের হয়ে সেবা দেয়। তারা কোনো অবস্থাতেই ব্যবসা করে না। সুতরাং অন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের মতো টেলিটককেও বাঁচিয়ে রাখতে হবে।’

টেলিটক ৬১০ কোটি টাকার যে প্রকল্প দিয়েছে তাতে আরও নতুন ১২০০ বিটিএস করার কথা অপারেটরটির। যেগুলো একই সঙ্গে থ্রিজি এবং ফোরজি সেবা দেওয়ার উপযুক্ত হবে। এর বাইরে আরও ৫০০ বিটিএস করার কথা অপারেটরটি।এদিকে বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে তারানা হালিম বলেন, অন্যান্য অপারেটরের মতো টেলিটকও তৈরি হচ্ছে ফোরজি সেবা দেওয়ার জন্য।

ডিসেম্বরে যখন অন্য অপারেটর ফোরজি সেবা দেবে তখন তারাও ঢাকা এবং চট্টগ্রামে ফোরজি সেবা দিতে শুরু করবে বলে জানান তারানা।এর আগে থ্রিজির সময় টেলিটককে এক বছর আগে পরীক্ষামূলক বাণিজ্যিক কার্যক্রমের মাধ্যমে থ্রিজি সেবা দিতে শুরু করার অনুমোদন দেওয়া হলেও এবার সেটা হয়নি।

এর উত্তরে তারানা হালিম বলেন, টেলিটক প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকবে। সরকারি অপারেটর বলে বাড়তি কোনো সুবিধা তাদেরকে দেওয়া হবে না।

Rhea-did-not-open-my-pants 

‘রাগিণী এমএমমএস রিটার্নস’ নামের ওয়েব সিরিজ ও নিজের হুট করে বিয়ের জন্য খবরের শিরোনামে আছেন রিয়া সেন। বিয়ের পরপরই কিছুদিন আগে অভিনেতা নিশান্ত মালকানির সঙ্গে রিয়ার বেশ কিছু উষ্ণ ছবি এবং ভিডিও ফাঁস হয়ে গিয়েছে। এরই মধ্যে খবরে প্রকাশ, এতে অভিনয় করতে গিয়ে নাকি অভিনেতাকে যৌন হেনস্তা

 
করেছেন রিয়া! আর সে বিষয়ে এবার পাল্টা মুখ খুললেন নিশান্ত মালকানি।

তিনি স্পষ্ট বলেন, রিয়া সেন তাকে কোনওভাবেই তাকে যৌন হেনস্থা করেননি। তিনি আরও বলেন, রাগিণী এমএমএস রিটার্নসের শুট করতে গিয়ে রিয়া তাকে কোনভাবে হেনস্থা করেননি। রিয়া জোর করে তার প্যান্ট খুলেছিলেন, তা পুরোপুরি গুজব বলেও দাবি করেছেন নিশান্ত।


নিশান্ত বলেন, ওই ওয়েব সিরিজে একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যে তারা দু’জন অভিনয় করেছেন। ওই দৃশ্যকে বাস্তবায়িত করতে তারা দু’জনেই যথেষ্ঠ চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তাই নিয়ে এ সমস্ত গুজব ছড়ানো উচিত নয় বলেও দাবি করেছেন নিশান্ত। পাশপাশি তিনি আরও বলেন, রিয়া তাকে যৌন হেনস্থা করেছেন বলে যে খবর ছড়াচ্ছে, তা শুনে তিনি অবাক হয়ে গিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ওই দৃশ্যের শুটিং নিয়ে যা খবর ছড়িয়েছিল, সেটি এমন- হঠাৎ রিয়া একরকম জোর করেই নিশান্তের প্যান্ট টেনে নামিয়ে দেন। এতে চমকে যান নিশান্ত। কিন্তু আজ একে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিলেন স্বয়ং অভিনেতা।

Came-to-Padmavati 

অপেক্ষার অবসান। নবরাত্রি উপলক্ষে উন্মুক্ত হলো সঞ্জয়লীলা বানসালির ‘পদ্মাবতী’র দুটি পোস্টার। বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) এগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে শেয়ার দেন বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। তিনিই অভিনয় করেছেন ছিত্তোরের সাহসী ও সুন্দরী রানি পদ্মাবতীর চরিত্রে।


দুটি পোস্টারই সাজানো হয়েছে দীপিকার ছবি দিয়ে। পোশাক থেকে গয়না— সব মিলিয়ে রাজকীয় আবহে দেখা গেছে তাকে। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘নবরাত্রির শুভ দিনে দেখুন রানি পদ্মাবতীকে।’

বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) ছবিটির প্রধান তিন অভিনয়শিল্পী শহিদ কাপুর, রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোন টুইটারে প্রথম টাইটেল পোস্টার শেয়ার করেন। টুইটে তারা জানান, রানি পদ্মাবতী আসবে পরদিন। কথা রেখেছেন তিনজনই।

এ ছবিতে পদ্মাবতীর স্বামী রাজা রাওয়াল রতন সিং চরিত্রে অভিনয় করেছেন শহিদ কাপুর। বৃহস্পতিবার সকালে পোস্টার দুটি টুইটারে শেয়ার দিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘ছিত্তোরের রানি হলেন বীরত্ব ও সৌন্দর্যের প্রতীক।’


কাহিনিতে পদ্মাবতীর প্রেমে পাগল হয়ে যাওয়া দিল্লির রাজা আলাউদ্দিন খিলজির ভূমিকায় আছেন রণবীর সিং। টুইটারে পোস্টার শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, ‘ছিত্তোরের রানী।’

চলতি বছরে বলিউডের বহুল প্রতীক্ষিত ছবির তালিকায় ‘পদ্মাবতী’ অন্যতম। এর মুক্তির তারিখ নিয়ে ছিল অনেক জল্পনা, বিভ্রান্তি ও গুঞ্জন। তবে নতুন দুটি পোস্টারে তা কেটে গেছে। এগুলোতে উল্লেখ আছে ‘পদ্মাবতী’ মুক্তি পাবে ১ ডিসেম্বর।

এর সংগীত পরিচালনাও করেছেন সঞ্জয়লীলা বানসালি। তার পরিচালনায় এর আগে ‘গোলিও কি রাসলীলা রাম-লীলা’ ও ‘বাজিরাও মাস্তানি’তে জুটি বেঁধেছিলেন রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোন।

Image result for একাকী সময় উপভোগ করার দারুণ ৭টি উপায়! 

জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই আমরা কারো না কারো সঙ্গে কাটাতে চাই। একা থাকার প্রহরগুলো যেন অভিশপ্ত ও বিষাদপূর্ণ মনে হয়। এমনভাবে জীবন অতিবাহিত করতে করতে আমরা নিজের জন্যে নির্দিষ্ট কিছু সময় বের করতেই ভুলে যাই। আমরা কী ভালোবাসি, আমাদের লক্ষ্য কী, অবহেলায় পড়ে থাকা শখগুলোর দিকেও যেন আর নজর দেওয়া হয় না। প্রায়ই কিন্তু নিজের জন্যে খানিকটা হলেও সময় বের করা উচিৎ!



নিজেকে নিজে অবিচ্ছেদ্যভাবে সময় দিলে অনেক অজানা তথ্য জানা যায়। নিজেকে নতুনরুপে প্রকাশ করা যায়, ভালোবাসা যায় এবং জ্ঞান অর্জন করা যায়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, একা থাকার মুহূর্তগুলোতে আপনি কী করবেন বুঝে উঠতে পারেন না। চিন্তার কিছু নেই, আপনার জন্যেই আমাদের আজকের এ ফিচার।

চলুন তবে চমৎকার কয়েকটি কাজের কথা জেনে আসা যাক যেগুলো একা থাকলে করতে পারবেন আপনি-

কষ্টের কোন সিনেমা দেখুন

জ্বি, আপনি ঠিকই পড়েছেন। ধরুন, কিছুদিন আগেই মুক্তি পাওয়া একটি ছবি দেখার জন্য আপনার মন খুব আকুপাকু করছে। কিন্তু বন্ধুমহলে শুনলেন যে ছবিটি একদম ফ্লপ হয়েছে, দেখে সময় নষ্ট করার কোন মানেই হয়না। আপনি এক কাজ করুন। নিজেই সিনেমা হলে যান, একা টিকেট কেটে, এক বক্স পপকর্ন নিয়ে ছবিটি দেখে আসুন। খুব কান্না পেলে কেঁদে নিন। দেখার তো কেউ নেই, চিন্তা কিসের?

নতুন কোন জায়গায় ভ্রমণ করুন

অন্য কারো সঙ্গে কোথাও ঘুরতে গেলে সব সময় নিজের মন মতন ঘোরা যায় না। অন্যেরা যেটি দেখতে চান কিংবা যেখানে যেতে চান সেদিকে প্রাধান্য দিতে হয়। এক্ষেত্রে আপনি নিজেই পছন্দনীয় কোন জায়গা থেকে ঘুরে আসতে পারেন। কাছেই কোথাও হোক, সমস্যা কী? ঘোরাটাই হলো আসল। আপনি আনন্দ পাচ্ছেন, অভিজ্ঞতা অর্জন করছেন, সময় ভালো কাটছে এগুলোই মূল ব্যাপার।

রাতের খাবারটা বাইরে কোথাও সারুন

এক কাজ করতে পারেন। পছন্দের একটি বই নিয়ে কাছেপিঠে কোথাও রাতের খাবারটা সেরে আসতে পারেন। ভালো খাবার ও সঙ্গী হিসেবে প্রিয় বই- এর থেকে অনিন্দ্য আর কী হতে পারে বলুন? একটা কথা বলে রাখা ভালো, এ সময়টাতে ফোন থেকে অবশ্যই দূরে থাকবেন। খুব ভালো হয়, যদি এটিকে সাইলেন্ট মোডে রেখে দিতে পারেন।

জাদুঘরে ঘুরে আসুন

শৈশবে নিশ্চয়ই জাদুঘরে ভ্রমণ করা হয়েছে আপনার? তবে সঙ্গে ছিলো শিক্ষক, গাইড কিংবা পরিবারের কেউ। এবার একটু ভিন্নধর্মী পন্থা অবলম্বন করুন। কোন একটি ঐতিহাসিক কিংবা শিল্পকলা জাদুঘরে একাই ঘুরে আসুন। জ্ঞানভাণ্ডার সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি দারুণ কিছু সময় পার করতে পারবেন আপনি।

স্পা কিংবা ম্যাসাজ করাতে পারেন

ব্যস্ততার ভিড়ে যাবো যাবো করেও হয়তো পার্লারে যাওয়া হচ্ছে না। একদিন একটু সময় বের করে পার্লারে ঢু মেরে আসুন। ভালো কোন স্পা বা ম্যাসাজ করাতে পারেন। এতে করে শরীরের জড়তাগুলো দূর হওয়ার পাশাপাশি রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যস্ততার দিনগুলোতে আপনি নিঃসন্দেহে কর্মোদ্যম অনুভব করবেন।

বইয়ের দোকানে সময় কাটান

ভালোমতন খোঁজ নিয়ে একটি বইয়ের দোকানে ঢুকে পড়ুন। সেখানে যত বই আছে সবগুলো নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করুন। পছন্দনীয় কোন বই পেলে আরামদায়ক চেয়ারে বসে সেখানেই পড়তে শুরু করুন। পারলে সেখানে বসেই শেষ করতে পারেন। মনের মধ্যে জমে থাকা ক্লান্তিগুলো দূর হয়ে যাবে নিমিষেই।

নিজেকে সময় দিন

এ কাজটা শুনতে সহজ মনে হলেও আদতে সবচেয়ে কঠিন! নিজের সান্নিধ্য কয়জন পছন্দ করে বলুন তো? কিন্তু এক্ষেত্রে একটি চ্যালেঞ্জ নিন আপনি। একদম আপনভাবে নিজেকে সময় দিন। সবচেয়ে ভালোবাসেন যে কাজটি করতে সেটি নিয়ে বসে যান। আঁকতে ভালো লাগে? রং-তুলি বের করে কাগজে আঁচড় কাঁটা শুরু করুন। সাজতে ভালো লাগে? আয়নার সামনে মেকআপ ব্যাগ নিয়ে বসে যান। রাঁধতে ভালো লাগে? রেসিপি বই খুলে পছন্দের পদটি রান্না করা শুরু করুন। লিখতে ভালো লাগে? কলম-কাগজ তো আপনারই অপেক্ষায়! এভাবেই কিছু দারুণ মুহূর্ত নিজের সঙ্গেই কাটান। বিশ্বাস করুন, খুশিতে চোখে জল এসে যাবে শেষমেষ।

সব সময় জনস্রোতে মিশতে কার ভালো লাগে বলুন? মাঝে মধ্যে একটু সময় বের করে নিজ সান্নিধ্যে ব্যয় করুন। আপনি যে আনন্দ এতে পাবেন, তার কাছে যেকোন আনন্দ খুব ঠুনকো। শুভকামনা আপনার জন্যে।

Saudi-Arabia-has-lifted-restrictions-on-other-messaging-apps-including-WhatsApp-Skype 

মধ্য প্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব হোয়াটসঅ্যাপ স্কাইপিসহ অন্যান্য মেসেজিং অ্যাপে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। স্ন্যাপচ্যাটে আল জাজিরা বন্ধ করে দেয়ার একদিন পরই সৌদি আরব ইন্টারনটে এই সেবাগুলো থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার ঘোষণা দিলো।


দেশটিতে এতদিন ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিভিন্ন অ্যাপ যেমন স্কাইপ, ভাইবার, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অডিও-ভিডিও কল করার ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। ২০ সেপ্টেম্বর বুধবার যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইন্টারনেটের সেবাগুলো আবারও সবার জন্য খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তটি একটি খুবই গুরুত্বর্পূণ পদক্ষেপ। ২০১৩ সালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভিডিও কল সেবার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে সৌদি আরব এবং সেবাগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।

তবে সৌদি আরবের ইন্টারনেট ব্যবহার আইন অনুযায়ী, পর্নোগ্রাফি, জুয়া ও অপরাধের সাথে জড়িত ওয়েবসাইটগুলো আগের মতোই নজরদারিতে থাকবে বলেও জানিয়েছে দেশটির যোগাযোগ মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি তেলের দাম হ্রাস পাওয়ায় সৌদি আরব রাজস্ব আয়ে ইন্টারনেট ব্যবসায় ঝুঁকছে। এদিকে আগস্ট মাসে দেশটির একজন ডেভলপার জেইন-আল-আবেদিন-তউফিক সততার অ্যাপ সারাহাহ উন্মুক্ত করে বিশ্বব্যাপী আলোড়ন তুলেছিল। এবং অ্যাপটি গুগল ও অ্যাপল স্টোরে সেরা অ্যাপ ডাউনলোডের শীর্ষে চলে আসে।

 

বাগডুম ডটকম, বাংলাদেশের অন্যতম সর্ববৃহৎ ই-কমার্স সাইট তাদের লাইফস্টাইল পণ্যের জন্য ভিসা এবং এসএসএল কমার্স -এর সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। বাগডুম ডটকম, ভিসা এবং এসএসএল কমার্স-কে চার হাজার পণ্যের ওপর ১১% পর্যন্ত ছাড় দিতে সম্মত হয়েছে। যেকোন ভিসা ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারী বাগডুম ডটকম থেকে এসএসএল কমার্স-এর পেমেন্ট গেইটওয়ের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধে, এসব পণ্য ১১% ছাড়ে ক্রয় করতে পারবে।


এই চার হাজার পণ্যের মাঝে পুরুষ ও নারীর লাইফস্টাইল এবং শিশুদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই আকর্ষণীয় অফারের মধ্যে রয়েছে বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পারফিউম এবং ঘড়ি, পোশাক, অলংকার, প্রসাধনী সামগ্রী, বিউটি প্রোডাক্ট, হেলথকেয়ার, উপহার সামগ্রী, ইলেকট্রনিক গ্যাজেটসমূহ, শিশুদের পণ্যসামগ্রী এবং টয়লেট্রিজের মতো নানা ধরনের পণ্য। বর্তমানে প্রায় সকল নামি ব্যাংকগুলোই তাদের অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদেরকে ভিসা ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড প্রদান করছে এবং এসএসএল কমার্স-এরর মতো পেমেন্ট গেইটওয়ে সেবা প্রদানকারী, সহজ এবং নিরাপদ পেমেন্টের সুবিধা সুনিশ্চিত করছে। এই বিপুল সংখ্যক ইলেকট্রনিক কারেন্সি ইউজার বেইজকে সেবা প্রদানের জন্যই বাগডুম ডটকম এই অফার নিয়ে এসেছে।

বাগডুম ডটকম-এর সিইও, মিরাজুল হক বলেন, “আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো একটি ‘বাগডুম জেনারেশন’ সৃষ্টি করা এবং তা শুধুমাত্র আমাদের ব্র্যান্ডের পণ্যসমূহ বিক্রয়ের মাধ্যমে নয়, বরং তাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা গল্পের অংশীদার হবার মাধ্যমেও। বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক ভিসা কার্ড ব্যবহারকারী রয়েছে এবং তাদের কথা ভেবেই আমরা এই অনন্য ও আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট অফার নিয়ে এসেছি। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের এই অফার গ্রাহকদেরকে দারুণ আনন্দিত করবে এবং আমাদের গ্রাহকেরা ডিজিটাল কারেন্সি ব্যবহারের সুবিধাগুলো উপলব্ধি করতে পারবেন।“

ভিসার ভারত এবং দক্ষিণ এশিয়ার গ্রুপ কান্ট্রি ম্যানেজার টি আর রামচন্দ্রণ বলেন, “আমরা আমাদের এই এক্সক্লুসিভ অফারটিকে এসএসএল কমার্স-এর মাধ্যমে বাগডুম ডটকমের গ্রাহকদের জন্য নিয়ে আসতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ড, গ্রাহকদেরকে ডিজিটাল পেমেন্টের একটি সহজ, নিরাপদ এবং সুবিধাজনক মাধ্যমের সুবিধা প্রদান করে। আমাদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, গ্রাহকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, অনলাইনে এবং অফলাইনে লেনদেনের ক্ষেত্রে ভিসার মতো পেমেন্টের ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহারের ফলে তা অব্যাহত রাখা। ভিসা কার্ড, বাংলাদেশী গ্রাহকদের শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরেই নয় বরং বিশ্বব্যাপী সকল জায়গায়, যেখানে ভিসা কার্ড গ্রহণযোগ্য, সে সকল জায়গায় তা ব্যবহারের সুবিধা প্রদান করে থাকে।“
Blogger দ্বারা পরিচালিত.