ভয়েস রিকগনিশন প্রযুক্তি বদলে দিবে যে ৪ শিল্প

 4-art-that-will-change-voice-recognition-technology

সাম্প্রতিক সময়ে মাইক্রোসফট, গুগল, অ্যামাজন এবং অ্যাপলের মতো প্রযুক্তি জায়ান্টরা ভয়েস প্রযুক্তিতে তাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দেখাচ্ছে। আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ভয়েস রিকগনিশন ডিভাইস বা ফোনে ভয়েস অ্যাসিস্টেন্ট এর ব্যবহার দেখা না গেলেও উন্নত দেশে এর ব্যবহার ব্যাপক।


অ্যামাজনের অ্যালেক্সা, গুগলের গুগল আসিস্ট্যান্ট, অ্যাপলের সিরি এবং মাইক্রোসফটের কর্টানা এখন বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু এই দশকে এসে এই প্রযুক্তি এখন একটি বড় বিষয় হয়ে উঠেছে কেন? যদিও কম্পিউটার সেই ৯০ দশক থেকেই ভয়েস কমান্ড গ্রহন করতে সক্ষম। কিন্তু সেই ইন্টারফেস ততটা উন্নত ছিল না। কিন্তু বর্তমানে ক্লাউড ডাটা এবং এআই এর অগ্রগতির কারণে চূড়ান্ত কনভারসেশনাল ইন্টারফেস সম্ভব হয়েছে।

ভয়েস প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির অগ্রগতি অন্যান্য শিল্পেরও মূল চালিকা শক্তি হয়ে দাঁড়াবে। যেমনটা হয়েছে। টাচস্ক্রিনের বেলায়। টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি আইফোনের আগেই বিদ্যমান ছিল কিন্তু অ্যাপল এই পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত এই প্রযুক্তি এবং মিথস্ক্রিয়া ব্যাপকভাবে গ্রহণ করার পর্যায়ে ছিল না। ভয়েস প্রযুক্তিও এখন সেই পর্যায়ে রয়েছে।

আর এই ভয়েস প্রযুক্তি উন্নয়নের ফলে অন্যান্য শিল্পে তা বেশ কার্যকরী হবে। আর এখানে এমন ৫ শিল্পের কথা বলা হলো যেগুলো ভয়েস রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করবে ব্যাপকভাবে।

অটোমোবাইল

নিরাপত্তা ইস্যুতে এখনও চালকরা তাদের গাড়ি চালানোর সময় সীমিত কিছু কাজ করতে পারেন। হ্যান্ডসফ্রি ভয়েস ইন্টারফেস গাড়ি নির্মাতাদের নতুন বেশ কিছু অপশন চালু করার সুবিধা দিবে এতে করে গাড়ি চালানোর সময় চালকরা নিরাপদে গাড়ি চালিয়েও ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে ফোনে বেশ কিছু কাজ করতে পারবেন।

উচ্চ প্রযুক্তির পরিধেয় ডিভাইস

স্ক্রিন ছাড়া পরিধেয় ডিভাইস ভয়েস প্রযুক্তির কারণে সফল হয়েছে। ফিটবিট পরিধেয় ডিভাইস ভয়েস এর মাধ্যমে স্বাধীনভাবে মোবাইলের সাথে কাজ করতে পারে। এমন কি গুগল গ্লাসের মতো ছোট স্ক্রিন ডিভাইস ভয়েস কমান্ড থেকে সুবিধা পাবে।

কাস্টমার সার্ভিস

কাস্টমার সার্ভিস এ ভয়েস কমান্ডের ব্যবহার গ্রাহকের সাথে প্রতিষ্ঠানের সেবাকে আরও উন্নত করবে। কেননা সবসময় এও সেবায় মানুষ এর মানুষের সংযোগ করাটা সম্ভবপর হয়ে ওঠে না।

ভাষা অনুবাদ এবং রিয়েল-টাইম ইন্টারপ্রিটেশন

ভয়েস রিকগনিশনের জন্য ভাষা অনুবাদ আরও সহজ হবে। এমনকি এই প্রযুক্তির উন্নয়নে রিয়েল টাইমে যেকোনো ভাষা অনুবাদ হবে আরও সহজ।

সাম্প্রতিক সময়ে মাইক্রোসফট, গুগল, অ্যামাজন এবং অ্যাপলের মতো প্রযুক্তি জায়ান্টরা ভয়েস প্রযুক্তিতে তাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দেখাচ্ছে। আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ভয়েস রিকগনিশন ডিভাইস বা ফোনে ভয়েস অ্যাসিস্টেন্ট এর ব্যবহার দেখা না গেলেও উন্নত দেশে এর ব্যবহার ব্যাপক।