প্রাকৃতিক উপায়ে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করুন

Increase-the-beauty-of-natural-means 

একজন মানুষ তখনই সুন্দর হতে পারে যখন তার সৌন্দর্য প্রকাশের মাধ্যমগুলো অর্থাৎ ত্বক, চুল, নখ ইত্যাদি সুন্দর হবে। আর এগুলো সুন্দর করার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত চর্চা। আর এই চর্চায় আপনি হয়তো জেনেশুনেই ব্যবহার করছেন নানা ক্যামিকেল-যুক্ত পণ্য। এসব পণ্য নানা পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। এ সকল পণ্য বা প্রসাধনী সাময়িকভাবে আপনাকে সুন্দর করে তুললেও ধীরে ধীরে আপনার সৌন্দর্য যে চিরতরে নষ্ট করে দিচ্ছে তা আপনি টেরই পাচ্ছেন না। তাই রূপচর্চায় প্রয়োজন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া মুক্ত উপাদান। আর এ জন্য রূপচর্চায় প্রয়োজন প্রাকৃতিক উপাদান। এ নিয়ে আমাদের এবারের আয়োজন


চাকরি, পড়াশোনা ইত্যাদি বিভিন্ন কাজে দিনের বেশির ভাগ সময় আমাদের বাইরে থাকতে হয়। তাই বাইরে থেকে এসে মুখ ধোয়া খুবই জরুরি। আর এ ক্ষেত্রে আমরা কেমিক্যালযুক্ত ক্লিনজিং মিল্ক ব্যবহার না করে ভেষজ উপায়ে মুখ পরিষ্কার করতে পারি। দুই চা চামচ দুধের সাথে এক চিমটে হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর তাতে তুলা ভিজিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে হবে। ত্বক পরিষ্কার করার জন্য দুধ ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে তুলায় ভিজিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

উজ্জ্বলতা বাড়াতে
ত্বকের রং উজ্জ্বল করতে হলুদ বাটা ও চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে লাগান।
কাঁচা হলুদ বাটা, ময়দা ও দুধের সর একসাথে মিশিয়ে ভালো করে মুখে মাখুন। ১৫ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।

মধু, জলপাই তেল, চন্দন বাটা ও এক চিমটে হলুদের মিশ্রণ মুখে মাখালে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

শসার রস মুখে লাগিয়ে পাঁচ-সাত মিনিট রাখার পর এক কাপ পানিতে অর্ধেক পরিমাণ লেবুর রস মিশিয়ে সে পানিতে তুলা ভিজিয়ে তা দিয়ে শসার রস তুলে ফেলতে হবে।

তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে দইয়ের সঙ্গে লেবুর রস মিলিয়ে সারা মুখে মেখে রাখুন। তারপর কয়েক মিনিট পর ভেজা তুলা দিয়ে মুছে ফেলুন।

গোলাপ, পুদিনা, আমলা, বাঁধাকপি ও শসার নির্যাস একসাথে মিশিয়ে টোনার তৈরি করে মুখে লাগালে তা ত্বককে মসৃণ করে তোলে।

ত্বকের হারানো ঔজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনার জন্য আমন্ড, বাদামি গোলাপের পাপড়ি এবং দুধের সর দিয়ে বেটে মুখে লাগান।

ত্বককে টানটান করার জন্য ত্বকে লেবুর খোসা ঘষুন। লেবুর খোসায় উপস্থিত অ্যাসিটনজেন্ট লোমকূপ বন্ধ করে ত্বককে টানটান করে।

দাগ সাড়াতে :
অনেকের মুখেই কালো কালো দাগ দেখা যা সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়। ১ চা-চামচ ধনিয়ার রসের সাথে এক চিমটে হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে সারারাত মুখে লাগিয়ে রেখে দিন। সকালে উঠে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটায় পুরো মুখ ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন কয়েক দিন ব্যবহারেই উপকার পাচ্ছেন।

যাদের মুখে মেছতা আছে তারা ১ চা চামচ সাদা জিরে গুঁড়া, ১ চা-চামচ হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ সরষে গুঁড়া ও ১ চা-চামচ আটা মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে মেছতার উপর লাগান। বিশ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

আপনার মুখে যদি ব্রণের দাগ থাকে তবে প্রতিদিন গোলাপ জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। দেখবেন ব্রণের দাগ ক্রমশ হালকা হয়ে যাচ্ছে।

মুখে ক্লান্তির ছাপ পড়ে গেলে সেই ছাপ কাটাতে চন্দন বাটা, তুলসি বাটা গোলাপ জলে মিশিয়ে গলায় ও মুখে লাগান। দেখবেন ত্বক চকচকে হয়ে গেছে।

একজন মানুষ তখনই সুন্দর হতে পারে যখন তার সৌন্দর্য প্রকাশের মাধ্যমগুলো অর্থাৎ ত্বক, চুল, নখ ইত্যাদি সুন্দর হবে। আর এগুলো সুন্দর করার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত চর্চা। আর এই চর্চায় আপনি হয়তো জেনেশুনেই ব্যবহার করছেন নানা ক্যামিকেল-যুক্ত পণ্য। এসব পণ্য নানা পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। এ সকল পণ্য বা প্রসাধনী সাময়িকভাবে আপনাকে সুন্দর করে তুললেও ধীরে ধীরে আপনার সৌন্দর্য যে চিরতরে নষ্ট করে দিচ্ছে তা আপনি টেরই পাচ্ছেন না। তাই রূপচর্চায় প্রয়োজন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া মুক্ত উপাদান। আর এ জন্য রূপচর্চায় প্রয়োজন প্রাকৃতিক উপাদান। এ নিয়ে আমাদের এবারের আয়োজন