উপার্জিত অর্থ খরচ করার সময়ও নেই: জ্যাক মা

 

এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ও বিশ্বের অন্যতম ধনী জ্যাক মা বলেছেন, তিনি যে পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেন, সে হিসেবে খরচের সময় পান না।


গত সপ্তাহে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলীবাবার প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যানের একটি ভিডিও স্বাক্ষাৎকার প্রকাশ করে, যেখানে তিনি আরও বলেছেন, তিনি অনেক অর্থ উপার্জন করেন ঠিকই, কিন্তু শপিংয়ের পেছনে সে অর্থ বা সময় কোনোটিই ব্যায় করেন না।

জ্যাক মা বলেন, অর্জিত অর্থ খরচ সময় নেই আমার। মানুষ আমাকে বলে, ‘জ্যাক, তুমি অন্য অনেকের চেয়ে, এমনকি অনেক সরকারের চেয়েও ভালোভাবে অর্থ খরচ করতে পারো। তোমার সবকিছুই আছে। তুমি কেন অর্থ খরচ করছো না?’

আগস্ট মাসে ফোর্বসের প্রকাশিত তথ্য অনুসারে জ্যাক মা’র সম্পদের পরিমাণ ৩৭.৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ তিনি এখন বিশ্বের ১৮তম ধনী ব্যক্তি।

বিশ্বের অন্যতম ধনী হয়েও যাচ্ছেতাইভাবে অর্থ খরচ করেন না জ্যাক মা। বরং ধনী হওয়ার জন্য মাঝে মাঝে ‘যন্ত্রণা’ অনুভব করতে হয় তাকে। ২০১৪ সালে মার্কিন সংবাদমাধ্যমে সিএনবিসি’র সাথে এক সাক্ষাৎকারে মা বলেছিলেন, এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হওয়াটা তার জন্য মাঝে মাঝে যন্ত্রণাদায়কও। তিনি বলেছিলেন, ‘আপনি যখন অনেক ধনী হবেন, তখন আপনার আশেপাশে সবাই অর্থের জন্য ঘুরঘুর করবে।’

জ্যাক মা বলেন, নিজের অর্জিত অর্থ কীভাবে সমাজের উন্নয়নে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে ভাবছেন তিনি।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আলীবাবার উত্থান খুব ভালোভাবে চোখে পড়ার মতো। এ বছরের গত কোয়ার্টারে প্রতিষ্ঠানটির লাভ হয়েছে ৭.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা অনুমানকৃত ৭.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চেয়েও বেশি।

বিশ্বের দেশগুলোর জিডিপির সাথে আলীবাবাকে তুলনা করলে প্রতিষ্ঠানটি এখন বিশ্বের ২১ তম শক্তিশালী অর্থনীতি। কিন্তু জ্যাক মা বলেছেন, বিশ্বের ৫ম বৃহত্তম অর্থনীতি হতে চায় আলীবাবা এবং ২০২০ সালের মধ্যে এটি এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে চায়।

এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ও বিশ্বের অন্যতম ধনী জ্যাক মা বলেছেন, তিনি যে পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেন, সে হিসেবে খরচের সময় পান না।