স্যামসাংয়ের কারণে বেড়েছে আইফোন টেনের দাম!

Samsung-has-increased-the-price-of-iPhone-tens 

স্যামসাংয়ের কারণে আইফোন টেনের দাম বেড়েছে। আইফোন টেনে থাকা ৫.৮ ইঞ্চি ওএলইডি স্ক্রিনের এক একটি ইউনিটের দামই ৮০ মার্কিন ডলার। আর এই ওএলইডি স্ক্রিন স্যামসাং অ্যাপলকে তৈরি করে দিয়েছে। 


আইফোনের দশম বার্ষিকীতে এ সপ্তাহের শুরুতে আইফোন টেন জনসমক্ষে উন্মোচন করেছিল অ্যাপল। আইফোন টেন ৯৯৯ মার্কিন ডলারে (৬৪জিবি) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাওয়া যাবে। সম্প্রতি এক চীনা ওয়েবসাইটে ইন্ডাস্ট্রি ইনসাইডাররা আইফোন টেন তৈরির সম্ভাব্য খরচ বের করেছে।

চীনা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ৯৯৯ মার্কিন ডলারের আইফোন টেন তৈরি করতে অ্যাপলের উপাদান স্বরূপ খরচ হয়েছে ৪১২.৭৫ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে সবচেয়ে ব্যয়বহুল উপাদান হলো এতে থাকা ৫.৮ ইঞ্চি ওএলইডি স্ক্রিনের। এর পরে রয়েছে তোশিবার এনএএনডি মেমোরি। ২৫৬ জিবি এনএএনডি মেমোরির দাম ৪৫ মার্কিন ডলার। ৩জিবি র‌্যাম চিপের দাম ২৪ মার্কিন ডলার।

অ্যাপলের এ১১ বায়োনিক চিপসেটের দাম পড়েছে ২৬ মার্কিন ডলার। অন্যদিকে কোয়ালকমের তৈরি মোডেমের দাম পড়েছে ১৮ মার্কিন ডলার। আইফোন টেনের থ্রিডি সেন্সরের দাম ২৫ মার্কিন ডলার। আর স্ক্রিনের উপরে থাকা গ্লাসের দাম ১৮ মার্কিন ডলার।

বিশ্বব্যাপী ৩০টি দেশ থেকে আইফোন টেন, ৮ এবং ৮ প্লাসের প্রিঅর্ডার নিচ্ছে অ্যাপল। এসব দেশে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে অ্যাপলের রিটেইল স্টোরে আইফোন পাওয়া যাবে। দেশগুলো হলো: অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, চীন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, হংকং, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, জাপান, লুক্সেমবার্গ, মেক্সিকো, নেদারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, পর্তুগাল, পুয়ের্তো রিকো, সিঙ্গাপুর, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, তাইওয়ান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মার্কিন ভার্জিন দ্বীপসমূহ।

স্যামসাংয়ের কারণে আইফোন টেনের দাম বেড়েছে। আইফোন টেনে থাকা ৫.৮ ইঞ্চি ওএলইডি স্ক্রিনের এক একটি ইউনিটের দামই ৮০ মার্কিন ডলার। আর এই ওএলইডি স্ক্রিন স্যামসাং অ্যাপলকে তৈরি করে দিয়েছে।