নিখুঁত ভ্রূ পাবার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস

Some-important-tips-for-getting-the-perfect-frown 

সুগঠিত এবং ন্যাচারাল ভ্রুযুগল সকলেরই কাম্য! বর্তমান বিউটি ট্রেন্ডে এটি খুব জমজমাট একটি বিষয়। কিন্তু আমরা এখনো অনেকেই জানি না কিভাবে নিজেদের মুখের গড়নের সঙ্গে মানানসই করে আই-ব্রো এঁকে নেওয়া যায়। অল্পবয়সী তরুণীদের মধ্যে অন্যদের অনুসরণ করার একটি প্রবণতা দেখা যায় খুব বেশি। কিন্তু এটি ভুল। একেকজনের মুখের গড়ন, ধরণ এবং গায়ের রঙ আলাদা। সুতরাং, মেকআপও আলাদাই হওয়া উচিৎ।


আমাদের আজকের ফিচারে আপনাদের জানানো হবে কিভাবে আপনি মেকআপ আর্টিস্টের কাছে কিংবা পার্লারে না গিয়ে ঘরে বসেই নিখুঁত আই ব্রো বা ভ্রূ পেতে পারেন। চলুন তবে দেখে আসা যাক-

শুরু করার পূর্বে...

আপনার ভ্রুযুগল যথেষ্ট ঘন কি না সেটি পর্যবেক্ষণ করুন আগে

আপনার ভ্রূ যদি যথেষ্ট ঘন না হয় তাহলে দুশ্চিন্তা করার কোন কারণ নেই। আপনি চেষ্টা করলেই এর উন্নতি করতে পারবেন। প্রতি রাতে ঘুমোনোর আগে ক্যাস্টর অয়েল, জলপাই তেল কিংবা বাদাম তেল দিয়ে ভ্রূ ৩-৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন। সুষম খাদ্যপরিকল্পনা শুধু আপনার চুলের জন্য না, সারা শরীরেই জাদুর মতন কাজ করবে। খাদ্য তালিকায় অবশ্যই মাছ, বাদাম, কিসমিস রাখবেন। এতে করে আই-ব্রো এর ঘনত্ব বাড়বে এবং হেয়ার ফলিকল শক্ত হবে। ফলাফল পাবার জন্য খুব বেশি অপেক্ষা করতে হবে ন

মুখের ধরণের সঙ্গে মিলিয়ে পারফেক্ট আই-ব্রো শেপ খুঁজে নিন

* আপনার মুখ যদি গোল হয় তাহলে যত উঁচু করে সম্ভব আর্চ তৈরি করুন। কোনভাবেই আপনার ভ্রূর শেপ যেন গোল না হয়। তাহলে মুখ দেখতে বেশি গোলাকার লাগবে।

* চতুষ্কোণ মুখের জন্যে বাঁকানো ব্রো শেপ মানায় বেশি। খেয়াল করবেন খুব বেশি পাতলা এবং ছোট না হয়ে যায়।

* হার্ট-শেপড মুখের জন্যে লো আর্চ এবং গোলাকার ব্রো শেপ পছন্দ করুন। এতে করে মুখ বেশ ন্যাচারাল লাগবে। হাই আর্চ এড়িয়ে চলুন।

* ডিম্বাকৃতি মুখের জন্যে ফ্ল্যাট এবং সফট শেপ বেছে নিন।
 


আই-ব্রো শেপ করার সময় আপনার তিনটি পয়েন্টের দিকে গভীর মনোযোগ দিতে হবে। এটিকে 'পেন্সিল মেথড' বলে। একটি পেন্সিল আপনার নাকের পাশ বরাবর ধরুন। এখান থেকে ব্রো আর্ট করা শুরু করতে হবে (ভেতরের দিক)। এবার চোখের মণি বরাবর পেন্সিল ধরুন। এখানে এসে আপনি আর্চ ঠিক করবেন এবং এটিই কিন্তু আপনার আই-ব্রো এর সর্বোচ্চ অংশ। এবার আপনার নাসারন্ধ্র বরাবর পেন্সিল ধরুন (চোখের শেষ কোণে)।  এটি আই-ব্রো এর শেষ অংশ। 
 


কিভাবে ভ্রূ প্লাক করবেন

ভ্রূর ব্যাপারে প্রাথমিক জ্ঞান নেওয়া শেষ আপনার। এবার ব্যবহারিক অংশে যাওয়া যাক। হাতে টুইজার নিন এবং প্লাক করা শুরু করুন। তবে তার আগে নিচের ছোট্ট টিপসগুলো আপনার বেশ কাজে লাগবে-

* এমন জায়গায় বসে ভ্রূ প্লাক করুন যেখানে পর্যাপ্ত আলো আছে। ভালো টুইজার ব্যবহার করুন। এটি একটি ভালো শেপ পেতে আপনাকে সাহায্য করবে।

* এক টুকরো বরফ নিয়ে কিছুক্ষণ ঘষুন ভ্রূ এর উপরে। এতে করে লালচে ভাব এবং ব্যথা দূর হবে। এর পর আলতো করে ময়েশ্চারাইজার লাগান।

* আই-ব্রো এর উপরের দিক প্লাক করার সময় খেয়াল রাখবেন যেন খুব বেশি প্লাক না করে ফেলেন। তাহলে কিন্তু বেশ চিকন ও দৃষ্টিকটু দেখাবে। আয়নায় বার বার খেয়াল করে নেবেন।

* আই-ব্রো পরিপাটি করার জন্য ভালো মানের ব্রাশ ব্যবহার করুন। একদম শেষে ছোট্ট নেইল সিজর দিয়ে ট্রিম করে নিন।

আই-ব্রো কিভাবে আঁকবেন বা ভরাট করবেন

আই-ব্রো এর পাঠে এটি সবচেয়ে কঠিন ও সময়সাধ্য। এমন ভাবে ব্রো আর্ট করতে হবে যেন এটি একই সঙ্গে ঘন এবং ন্যাচারাল দেখায়। আপনার চুলের রঙের সঙ্গে মানানসই করে আর্ট করুন। একই রঙের না হলে বিশেষ আই-ব্রো ডাই ব্যবহার করুন।

আপনি পেন্সিল, আই-ব্রো পাউডার কিংবা ব্রো মাসকারা দিয়ে আঁকতে পারেন এবং ভরাট করতে পারেন। পেন্সিল ব্যবহার করলে আপনি বেশ ন্যাচারাল একটি লুক পাবেন। অপরদিকে ব্রো পাউডার ব্যবহারে আপনি বেশ ঘন ও ভরাট আই-ব্রো আঁকতে পারবেন। যারা অত্যধিক ঘন আই-ব্রো চান, তারা ব্রো মাসকারা ব্যবহার করবেন।

ভ্রূ আঁকা সম্পর্কে সকল টিপস জানলেন আপনি। এবার আত্মবিশ্বাস নিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়ান এবং আই-ব্রো'কে অন্যরকম এক লুক উপহার দিন। আপনার বোঝার সুবিধার্তে একটি ভিডিও যোগ করে দেওয়া হলো-

সুগঠিত এবং ন্যাচারাল ভ্রুযুগল সকলেরই কাম্য! বর্তমান বিউটি ট্রেন্ডে এটি খুব জমজমাট একটি বিষয়। কিন্তু আমরা এখনো অনেকেই জানি না কিভাবে নিজেদের মুখের গড়নের সঙ্গে মানানসই করে আই-ব্রো এঁকে নেওয়া যায়। অল্পবয়সী তরুণীদের মধ্যে অন্যদের অনুসরণ করার একটি প্রবণতা দেখা যায় খুব বেশি। কিন্তু এটি ভুল। একেকজনের মুখের গড়ন, ধরণ এবং গায়ের রঙ আলাদা। সুতরাং, মেকআপও আলাদাই হওয়া উচিৎ।