অবসরের দিনটিতে করতে পারেন যে ১০টি কাজ

The-10-jobs-that-can-be-done-on-the-day-of-retirement 

মাঝে মাঝেই দেখা যায় হুট করে তুমুল বৃষ্টি, যে কারণে অনেকেই হয়ে পড়েন গৃহবন্দী। স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি কিংবা অফিসে যাবার জন্যে বের হয়েও বৃষ্টির তান্ডব এবং যানজটের অবস্থা দেখে আবারও ফিরতে হয় বাসাতে। অনেকটা যেন অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে পেয়ে যাওয়া একটা ছুটির দিন! এমনভাবে হুটহাট ছুটির দিন কিন্তু সচরাচর পাওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে এমন দিন যখন হুট করে চলে আসে, তখন অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না সারাদিন ঘরে বসে কী করবেন!


তারা জেনে নিতে পারেন এই ১০ টি ব্যপার, যা আপনার অবসরের এই সময়টিতে করতে পারেন আপনি!

১/ আপনি যদি সিনেমা দেখতে ভালোবাসেন তবে এই সময়টুকুর মাঝে দারুণ কিছু সিনেমা দেখে ফেলুন। আশি এবং নব্বই দশকের সিনেমাগুলো সবসময় খুব ক্লাসিক এবং দর্শকপ্রিয়। অথবা এখনকার সময়ের কোন জনপ্রিয় সিনেমা বেছে নিতে পারেন আপনি।

২/ গল্পের বই পড়া সবসময় দারুণ একটা ব্যপার। আর সেটা যদি হয় বৃষ্টির কারণ গৃহবন্দী হয়ে থাকার ফলে গল্পের বই পড়া তাহলে তো কথাই নেই। আপনার খুব প্রিয় কোন গল্পের বই অথবা নতুন কেনা কোন গল্পের বই হাতে বসে যেতে পারেন কিছু সময় নিজেকে অন্য জগতে ডুবিয়ে রাখার জন্য।

৩/ শেষ কবে আপনার পছন্দের গানগুলো জোরে শব্দ দিয়ে শুনেছেন? কানে হেডফোন গুঁজে গান তো অহরহ শোনা হচ্ছেই, কিন্তু নিজের ঘরে একদম ফুল ভলিউমে গান ছেড়ে নিজেও গানের সাথে শেষ কবে গলা মিলিয়েছেন অনেকেরই হয়ত মনে পরবে না। অনেকদিনের জমিয়ে রাখা এই মজার কাজটি করে ফেলতে পারেন এই সময়েই।

৪/ অনেক আত্মীয় এবং বন্ধু থাকে, যাদের সাথে হয়ত নিয়মিত দেখা অথবা যোগাযোগ কোনটাই হয় না। হুট করে পাওয়া অবসরের এই সময়টুকুতে তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। সেটা হতে পারে মোবাইল ফোনে কল দিয়ে অথবা ফেসবুকে ছোট্ট একটা মেসেজ দিয়েও।

৫/ কাজের চাপে অনেক সময় ঘরের অনেক ছোটখাটো দরকারি কাজ করা হয়ে ওঠে না। সেক্ষেত্রে নিজের ঘরটা সেদিন সুন্দর করে পরিষ্কার করে গোছাতে পারেন, যে সকল ছোটখাটো কাজ হাতে ছিল সেগুলো সেরে ফেলতে পারেন।

৬/ আপনি কি ছবি আঁকতে ভালোবাসেন? তবে এই অবসরের দিনটিতে হাতে নিয়ে নিতে পারেন পেন্সিল অথবা তুলি। পছন্দসই কিছু ছবি এঁকে ফেলতে পারেন নিজের মনের মতো করে।

৭/ ক্রাফটসের কাজ পারলে সেক্ষেত্রে আরো দারুণ হয়! চারপাশের কাজের প্রেশারে হয়ত বহুদিন কোন ক্রাফটসের কাজে হাত দিতে পারেননি। আচমকা পেয়ে যাওয়া এই অবসর সমটুকুতে নিজের ভালোবাসার কাজটিতে সময় দিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন নানা রকম দারুণ জিনিস।

৮/ রান্না করতে সকলে ভালো বাসুক কিংবা না বাসুক, খেতে কে না ভালোবাসে! বাসায় বসে থাকার এই দিনটিতে রান্নাবান্নার উপর হালকা এক্সপেরিমেন্ট তো করতেই পারেন আপনি! সেটা হতে পারে কেক বেক করা থেকে শুরু করে থাই স্টাইলের চওমিন রান্নাও। নিজের তৈরি করা মজাদার রান্না খেয়ে নিজেই খুশি হয়ে যাবেন আপনি!

৯/ নিজের যত্ন নেওয়ার কথাটি ভুলে গেলে কি চলবে! ব্যস্ততার মাঝে হয়ত নিজের জন্য সময় বের করে নিজের যত্ন নেওয়ার কথাটা একেবারেই ভুলে যায় আপনি। এমন হুট করে পাওয়া অবসর সময়টা তাই নিজের যত্নের জন্যেও ব্যয় করতে পারেন আপনি। নিজের চুলের, মুখের ত্বকের, হাতের ও পায়ের যত্ন নিতে পারেন আপনি এই সময়ের মাঝে।

১০/ হতেই পারে যে আপনার কিছুই করতে ইচ্ছা করছে না। না ইচ্ছা করছে সিনেমা দেখতে, না ইচ্ছা করছে কারোর সাথে কথা বলতে। এমনকি নিজের পছন্দের কাজটা করতেও হয়ত আপনার ইচ্ছা করছে না একেবারেই! সেক্ষেত্রে একদম নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করতে পারেন আপনি। নতুন যেটাই শিখতে ইচ্ছা করুক না কেনো ইউটিউবে সকল কিছুর উপর টিউটোরিয়াল পেয়ে যাবেন আপনি।

এছাড়াও, এমন থম ধরে থাকা দিনে অনেকের কিছুই করতে ইচ্ছা করে না। সেক্ষেত্রে নিজের জন্য নিজেকে একান্ত সময় দিতে পারেন আপনি। নিজের সাথে একটা দারুণ বোঝাপড়া শুরু করতে পারেন, নিজের ভুলগুলো নিয়ে চিন্তা করতে পারেন। আপনার সামনের দিনগুলো নিয়ে পরিকল্পনা করতে পারে। মোট কথা, নিজের জন্য নিজেকে নতুনভাবে তৈরি করতে পারেন আপনি।

মাঝে মাঝেই দেখা যায় হুট করে তুমুল বৃষ্টি, যে কারণে অনেকেই হয়ে পড়েন গৃহবন্দী। স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি কিংবা অফিসে যাবার জন্যে বের হয়েও বৃষ্টির তান্ডব এবং যানজটের অবস্থা দেখে আবারও ফিরতে হয় বাসাতে। অনেকটা যেন অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে পেয়ে যাওয়া একটা ছুটির দিন! এমনভাবে হুটহাট ছুটির দিন কিন্তু সচরাচর পাওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে এমন দিন যখন হুট করে চলে আসে, তখন অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না সারাদিন ঘরে বসে কী করবেন