মহাকাশচারী পরীক্ষার এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর আপনি দিতে পারবেন কি?

 
                             স্পেস ওয়াকের সময়ে মহাকাশচারী টিম পিক

ছোটবেলা থেকেই অনেকের স্বপ্ন থাকে মহাকাশচারী হওয়া। একটা সময়ে গিয়ে অবশ্য সবারই জানা হয়ে যায় স্বপ্নের মত এই পেশাটি আসলে কতটা কঠিন! যে কেউ পৃথিবীর গন্ডি পার হতে পারেন না, তার জন্য হতে হয় দারুণ বুদ্ধিমান, বিভিন্ন কাজে দক্ষ, শারীরিক ফিটনেস থাকতে হয় নিখুঁত, হৃদয় হতে হয় ভয়হীন, আর ধৈর্য থাকতে হয় অসীম। এর পাশাপাশি খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান করতেও জানতে হয়।


ব্রিটিশ মহাকাশচারী টিম পিক সম্প্রতি তার ফেসবুক ফলোয়ারদেরকে একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে আহবান জানান। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি বা ESA এর মহাকাশচারী হিসেবে তাকে বাছাই করার সময়ে এই প্রশ্ন করা হয়েছিল।

এই প্রশ্নটি আসলে একটি ধাঁধাঁ। মেজর পিকের বই ‘আস্ক অ্যান অ্যাস্ট্রোনট’ বইতে থাকা এই ধাঁধাঁয় বলা হয়, একটি স্কয়ার বা চৌকো বাক্সের নিচে একটি ফোঁটা দেওয়া আছে। কিছু নির্দেশনা মেনে এই বাক্সকে নাড়াচাড়া করার পর এই বাক্সের কোন জায়গায় ফোঁটাটি থাকবে, তা জিজ্ঞেস করা হয় এই প্রশ্নে। বিভিন্ন দিক, দৃষ্টিভঙ্গি এবং নির্দেশনা বুঝতে পারার ওপরে নির্ভর করে আপনি প্রশ্নের উত্তরটি পারবেন কি পারবেন না। দেখুন তো, আপনি পারবেন কিনা এই প্রশ্নের উত্তর-


শুনতে খুব সরল মনে হতে পারে, কিন্তু কমেন্ট সেকশন দেখলে বোঝা যায় এই ধাঁধাঁ আসলে সহজ নয়। ১,৭০০ এরও বেশি মানুষ উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু অনেকেই দিয়েছেন ভুল উত্তর, আবার সেই ভুল উত্তরের পক্ষেও যুক্তি দিয়েছেন, যা কিনা ফেসবুকে হয়েই থাকে।

প্রশ্ন করার পরের দিন মেজর পিক এর উত্তরটি জানান। তিনি বলেন, ‘আপনাদের উত্তর পড়তে আমার খুবই ভালো লাগলো. . . আর তাদেরকে অভিনন্দন যারা উত্তরে বলেছেন ফোঁটাটি একদম শেষে কিউবের নিচেই থাকবে।’

ছোটবেলা থেকেই অনেকের স্বপ্ন থাকে মহাকাশচারী হওয়া। একটা সময়ে গিয়ে অবশ্য সবারই জানা হয়ে যায় স্বপ্নের মত এই পেশাটি আসলে কতটা কঠিন! যে কেউ পৃথিবীর গন্ডি পার হতে পারেন না, তার জন্য হতে হয় দারুণ বুদ্ধিমান, বিভিন্ন কাজে দক্ষ, শারীরিক ফিটনেস থাকতে হয় নিখুঁত, হৃদয় হতে হয় ভয়হীন, আর ধৈর্য থাকতে হয় অসীম। এর পাশাপাশি খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান করতেও জানতে হয়।