চিত্রা হরিণ যুক্ত হচ্ছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে

 


মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অন্যান্য বন্যপ্রাণীর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে চিত্রা হরিণ। জীববৈচিত্রের দিক থেকে লাউয়াছড়া রেইন ফরেস্ট এবং বাংলাদেশের জাতীয় উদ্যান সমৃদ্ধতম বনগুলোর মধ্যে একটি। দুর্লভ উদ্ভিদ এবং প্রাণীর এক জীবন্ত সংগ্রহশালা লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান।


পরীক্ষামুলকভাবে চিত্রা হরিণ ছাড়ার বিষয়ে পরিকল্পনা ও প্রাথমিক কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষন বিভাগের মৌলভীবাজার কার্যালয় সুত্র জানায়, সহকারী বন সংরক্ষক মো. তবিবুর রহমান লাউয়াছড়ায় চিত্রা হরিণ ছাড়ার বিষয়টি প্রথম চিন্তা-ভাবনা করেন এবং বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মিহির কুমার দেকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি এতে সম্মতি দেন।

সহকারী বন সংরক্ষক তবিবুর রহমান জানান, দেশের শ্রেষ্ঠ রেইন ফরেস্ট লাউয়াছড়া। এখানে আগে থেকেই মায়া হরিণ বসবাস করছে। চিত্রা হরিণ বসবাসের জন্য লাউয়াছড়ায় সব উপাদান বিদ্যমান রয়েছে। লাউয়াছড়ার আবাসস্থল, খাদ্য, আবহাওয়া ও পরিবেশ চিত্রা হরিণের জন্য খুবই উপযোগী।

পরিকল্পনা অনুযায়ী লাউয়াছড়ার জানকিছড়ায় রেসকিউ সেন্টার সংলগ্ন ৩০ শতক জায়গা নির্বাচন করা হয়েছে। এ স্থানটিতে আপাতত পরীক্ষামুলকভাবে চিত্রা হরিণের আবাসস্থল হিসেবে গড়ে তোলা হবে এবং ২-৩ জোড়া চিত্রা হরিণ এখানে ছাড়া হবে। পরীক্ষামুলক চিত্রা হরিণের বসবাস সফল হলে পরে চিত্রা হরিণ লাউয়াছড়া জাতীয় পার্কের অভ্যন্তরে আনুষ্ঠানিক অবমুক্ত করা হবে।

মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অন্যান্য বন্যপ্রাণীর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে চিত্রা হরিণ। জীববৈচিত্রের দিক থেকে লাউয়াছড়া রেইন ফরেস্ট এবং বাংলাদেশের জাতীয় উদ্যান সমৃদ্ধতম বনগুলোর মধ্যে একটি। দুর্লভ উদ্ভিদ এবং প্রাণীর এক জীবন্ত সংগ্রহশালা লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান।