বন্ধ হয়ে যাওয়া মোবাইল সিমের অব্যবহৃত অর্থ ফেরত না দিলে জরিমান

Fine-do-not-return-the-unused-money-to-the-mobile-SIM-of-the-closing 

বন্ধ হয়ে যাওয়া মোবাইল সিমের অব্যবহৃত অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশনা আমলে নিচ্ছে না বেশিরভাগ অপারেটর।দেড় বছরের বেশি সময় আগের এ নির্দেশনা না মানায় এখন শুক্ত অবস্থান নিতে যাচ্ছে  নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে অপারেটরগুলো। এখন পর্যন্ত শুধু একটি অপারেটর কমিশনে টাকা জমা দিয়েছে।


একমাত্র গ্রামীনফোন ছাড়া বন্ধ হয়ে যাওয়া সিমে থাকা অব্যবহৃত ব্যালেন্স ফেরত দেয়নি বাকি অপারেটরের কেউ।বিটিআরসির এক কর্মকর্তা জানান, অন্য অপারেটরগুলোর কাছে অন্তত ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকার অব্যবহৃত ব্যালেন্স জমা আছে। আর গ্রামীণফোন জমা দিয়েছে সাত কোটি ৩৪ লাখ টাকা।

গত বছরের শেষ দিকে বিটিআরসি সবগুলো অপারেটরদেরকে চিঠি দিয়ে জানায়, অবৈধ কল টার্মিনেশনের অভিযোগে যেসব সিম ২০০৮ সালের মে মাস থেকে ২০১৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে বন্ধ হয়েছে সেগুলোতে থাকা অব্যবহৃত ব্যালান্স বিটিআরসির কাছে ফেরত দিতে হবে।শুধু গ্রামীনফোনই তাদের আহবানে সাড়া দিয়ে সাত কোটি ৩৪ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছে।

বন্ধ হওয়ার সময় ওই সব সিমে ছিল মোট নয় কোটি ৩৭ লাখ টাকার ব্যালেন্স। যার মধ্যে জিপি ১৫ শতাংশ ভ্যাট হিসেবে আগেই এনবিআরকে দিয়েছে বলে  জানিয়েছে। আরও ১০ শতাংশ তারা অন্যান্য কর হিসাবে কেটে রেখে বাকি টাকা কমিশনে জমা করে।জিপির ২৫ লাখ ৪২ হাজার সিমে এ পরিমাণ ব্যালান্স জমা ছিল বলে জানিয়েছে অপারেটরটি। আর এ টাকা জমা দেওয়ায় এখন তারা নতুন করে এ সিমগুলো বিক্রি করতে পারবে।

অন্যদিকে বাকি পাঁচ অপারেটরকে বিটিআরসি অব্যবহৃত ব্যালান্স ফেরত না দেওয়ার কারণ জানাতে প্রথমে সাত দিন সময় দিয়ে চিঠি দেয়। প্রথম দিকে অপারেটরগুলো বলেছে, তাদের কাছে এ বিষয়ে প্রকৃত তথ্য নেই।পরে আবার কড়া চিঠি দেওয়া হলেও সাড়া দেয়নি অপারেটরগুলো। এমন পরিস্থিতিতে বিটিআরসি কড়া অবস্থান নিতে যাচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে।এদিকে ফোরজি’র নীতিমালায়ও গ্রাহকের বন্ধ সিমে থাকা অব্যবহৃত ব্যালেন্স বিটিআরসি’র কাছে ফেরত দেওয়ার বিধান যোগ করা হয়েছে। তবে বিষয়টিতে আপত্তি জানিয়েছে অপারেটরগুলো।

বন্ধ হয়ে যাওয়া মোবাইল সিমের অব্যবহৃত অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশনা আমলে নিচ্ছে না বেশিরভাগ অপারেটর।দেড় বছরের বেশি সময় আগের এ নির্দেশনা না মানায় এখন শুক্ত অবস্থান নিতে যাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে অপারেটরগুলো। এখন পর্যন্ত শুধু একটি অপারেটর কমিশনে টাকা জমা দিয়েছে।