ব্যতিক্রম এক চ্যারিটি প্রদর্শনীর বিচারক হলেন মিস আয়ারল্যান্ড প্রিয়তি

 

এবার ফিলিপাইনের একটি চ্যারিটি প্রদর্শনীর গ্র্যান্ড ফিনালেতে অংশগ্রহণ করলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মিস আয়ারল্যান্ড মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি। তবে প্রতিযোগী হিসেবে নয়, ওই অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করাকে নিজের সৌভাগ্য হিসেবে দেখছেন প্রিয়তি।


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকের এক পোস্টে তিনি চ্যারিটি প্যাজেনট এবং বিউটি প্যাজেনটের মধ্যকার পার্থক্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, `ফিলিপাইনের ওই চ্যারিটি প্যাজেনটের বৈশিষ্ট্য হলো সেখানে বয়স, বৈবাহিক অবস্থা, শারীরিক গঠন বা সৌন্দর্য দিয়ে প্রতিযোগীদের বিচার করা হয় না। বরং বিচার করা হয়, প্রতিযোগীদের সামাজিক এবং দাতব্য কর্মকাণ্ডের উপর ভিত্তি করে।

এই প্রতিযোগীতার টপ আটজন প্রতিযোগী ফিলিপাইনের আটটি অঙ্গরাজ্য থেকে অংশগ্রহণ করেছেন, আটজনের প্রত্যেকেরই নিজ নিজ এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন দাতব্য প্রজেক্ট রয়েছে। প্রত্যেকে তার নিজস্ব এলাকার সুবিধাবঞ্চিত অসহায় মানুষদের সহায়তায় পাশে দাঁড়াতে তিন মাস ধরে বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে ফান্ড যোগাড় করছে, আর যে সবচেয়ে বেশি ফান্ড যোগাড় করতে পেরেছে, প্রতিযোগীতায় তার নাম্বার সবচেয়ে এগিয়ে ছিল।


প্রিয়তি তার সামাজিক মাধ্যমে জানান, মানুষ বিনোদন পেতে ভালোবাসে, আর সে কথা মাথাতে রেখেই গ্র্যান্ড ফিনালেতে চূড়ান্ত প্রতিযোগীরা ছয়টি রাউন্ডে বিভিন্ন সাজে নাচ-গানের মাধ্যমে নিজেদের উপস্থাপন করেছেন। প্রিয়তি আরো জানান, গ্র্যান্ড ফিনালে দেখতে যারা এসেছেন, তাদের টিকেটের সমস্ত টাকাই যাবে ওই চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের তহবিলে। প্রিয়তি এটাকে দেখছেন খুবই ইতিবাচক দৃষ্টিতে। তিনি জানান, চ্যারিটি অর্গানাইজেশন কারো কাছ থেকে ফ্রি টাকা নিচ্ছে না, মানুষকে বিনোদনের মাধ্যমেই টাকা উঠাচ্ছে এবং সেটা মানুষের কল্যাণেই ব্যয় করছে।

মানুষের বেঁচে থাকার জন্য মৌলিক চাহিদার পর বিনোদনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মিস আয়ারল্যান্ড। তিনি বলেন, বিনোদন নানা রকম হতে পারে; মুভি দেখা, ঘুরতে বেড়িয়ে, খেলা দেখে বা কোন রকম শো দেখে, যার যেমন রুচি অনুযায়ী। একজনের সাথে আরেকজনের রুচি না মিললেই যে সেটা খারাপ রুচি হয়ে যাবে এই উপলব্ধি থেকে তিনি বেরিয়ে আসা জরুরি মনে করেন।

এবার ফিলিপাইনের একটি চ্যারিটি প্রদর্শনীর গ্র্যান্ড ফিনালেতে অংশগ্রহণ করলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মিস আয়ারল্যান্ড মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি। তবে প্রতিযোগী হিসেবে নয়, ওই অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করাকে নিজের সৌভাগ্য হিসেবে দেখছেন প্রিয়তি।