ভবিষ্যতে আপনিও হয়ত উড়বেন এমন ব্যক্তিগত ফ্লায়িং ড্রোনে (ভিডিও)

Private-flying-drone-that-you-may-fly-in-the-future-video 

প্রযুক্তি উন্নতি করতে করতে জীবনকে এমন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে যা আপনি হয়ত এখন কল্পনাও করতে পারেন না। কল্পনা করুন ট্র্যাফিক জ্যাম থেকে বাঁচতে খুব সহজেই ফ্লায়িং ড্রোনে ঘুরে বেড়াতে পারবেন। আর কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিচ্ছে সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক প্যাসেঞ্জার ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।


দুই সিটের প্যাসেঞ্জার ড্রোন নিয়ে আসতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি সিনেটের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিষ্ঠানটি এক প্রেস রিলিজে জানিয়েছে, এই প্যাসেঞ্জার ড্রোন একটি ছোট গাড়ির চেয়ে আকারে বড়, প্রতিষ্ঠানটি গতানুগতিক যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিবর্তন করতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে। টাচস্ক্রিন ব্যবহারের মাধ্যমে যাত্রীরা সহজেই তার গন্তব্য নির্বাচন করে দিতে পারবে। এরপর সিটে বসে আরাম করতে পারবে আর ড্রোন তাকে নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে দেবে। আর ড্রোনটি ঘন্টার ৮০ কিলোমিটার যেতে পারবে।

ড্রোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ১৬টি ইলেকট্রিক ইঞ্জিন এবং ভার্টিক্যালি এটি উড্ডয়ন এবং অবতরণ করতে সক্ষম। তবে সস্তা হবে না এই যাত্রীবাহী ড্রোন। প্রতিষ্ঠানের মতে, এই প্যাসেঞ্জার ড্রোনের দাম হটে পারে ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার থেকে ২ লাখ ডলারের মধ্যে।

প্রতিষ্ঠানের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ২০১৮ সালের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র সহ ইউরোপের কয়েকটি বাজারে অনুমোদন পাবে।


প্রযুক্তি উন্নতি করতে করতে জীবনকে এমন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে যা আপনি হয়ত এখন কল্পনাও করতে পারেন না। কল্পনা করুন ট্র্যাফিক জ্যাম থেকে বাঁচতে খুব সহজেই ফ্লায়িং ড্রোনে ঘুরে বেড়াতে পারবেন। আর কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিচ্ছে সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক প্যাসেঞ্জার ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।