চেষ্টা করব বাংলাদেশের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে: জেসিয়া ইসলাম

 

 হল ভর্তি মানুষ। সবার নজর মঞ্চের দিকে। কখন নামটি ঘোষণা করা হবে। কে হচ্ছেন ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’? আর এই নামটি শোনার আগ্রহ নিয়েই বসে আছে হল ভর্তি মানুষ। অবশেষে বিবি রাসেলের মুখ থেকে নাম ঘোষণা করা হয় ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ হচ্ছেন জেসিয়া ইসলাম। তারপরই শুরু হয়ে গেল ফটোসাংবাদিকদের তোড়জোড়। কে তুলবেন আগে ছবি, কে কার থেকে ভালো ছবি তুলবেন, এই পীড়াপীড়ির মধ্যেই পেছন থেকে কিছুক্ষণ পর ডাক পরে ইলেক্টিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের। (ফটো সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন) এই স্টিল বসেন, এই স্টিল বসেন।


ছবি তোলার এই দৌড়-ঝাঁপ যখন তারা দিচ্ছেন তখন শুরু হয় আবার আরেক যন্ত্রণা। এবার সাংবাদিকসহ সবাই ব্যস্ত হয়ে যায় সেলফি তোলায়। সেই সময়ে আসলে তার সঙ্গে কথা বলে ইন্টারভিউ নেব সেই সুযোগের অপেক্ষা করতে করতে শেষ পর্যন্ত বুঝতে পারছিলাম আজ বোধহয় আর ইন্টারভিউ নেওয়া হবে না। সুযোগের অপেক্ষায় না থেকে ভিড় ঠেলে জেসিয়ার সামনে এগিয়ে গিয়ে দিলাম পরিচয়, শুরু হলো কথা।


জেসিয়া ইসলাম: হ্যালো ভাইয়া।
 বলেন তো কী অবস্থা মনের এখন?
জেসিয়া ইসলাম: মনের অবস্থা, আমি এখন নার্ভাস। যে হারে ছবি, সেলফি আর পোজ দেওয়া লাগছে তাতে করে একটু নার্ভাস হয়ে যাচ্ছি।

 মডেলিংয়ের বাইরে আর কী করছেন?
জেসিয়া ইসলাম: আমি এ লেভেলে পড়াশোনা করছি। পুরান ঢাকার মেয়ে। সেখানেই বড় হয়েছি।

 প্রথম রানার্স-আপ থেকে বিজয়ী হওয়া বিষয়টা কেমন হয়েছে?
জেসিয়া ইসলাম: রানার্স-আপ হয়েই আমি আমার ফেসবুক ফলোয়ার, আমার পরিচিত সবাইকে বলেছি আমার জন্য দোয়া করতে। আমি যেন সামনে আরও ভালো করতে পারি। কিন্তু এখন যা হলো তা আসলে আমাকে আরও দায়িত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। দোয়া করবেন আমার জন্য।


তাহলে এখন সামনে কী করছেন?
জেসিয়া ইসলাম: ‘আমার জার্নিটা আজ থেকে শুরু হলো। আমার কোনো প্রবলেম ছিল না। আমি অপেক্ষা করছিলাম। আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্য করেন। মিস বাংলাদেশ যদি নাও হতাম, আমি বিশ্বাস করেছি, নিশ্চয়ই আমার জন্য বেটার প্ল্যাটফর্ম অপেক্ষা করছে। আমি চেষ্টা করব আমার বাংলাদেশের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে। আয়োজকদের সবাইকে ধন্যবাদ।

 অনেকের মতে, নীল নাকি বেদনার রং কিন্তু এখন তো আপনার আনন্দের?
জেসিয়া ইসলাম: নীল আমার প্রথম পছন্দ। তাই কারও কাছে যদি নীল বেদনারও হয় তাহলে সেটা তার ব্যাপার। এখন কিন্তু আমার কাছে আনন্দের।

ভিড় ঠেলে এতটুকুই পাওয়া গেল ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ মুখ থেকে মূল কথা। বাকিটা আর কিছু বোঝা গেল না। সবাই যে যার মতো করে প্রশ্ন করে যাচ্ছে। আর জেসিয়া শুধু উত্তর দিয়েই যাচ্ছেন। এই ফাঁকে নম্বর দেওয়া নেওয়া করে বিদায় নিলাম অনুষ্ঠান থেকে। ফিরতে ফিরতে ভাবছি আহা নীল রং কি আনন্দের!

হল ভর্তি মানুষ। সবার নজর মঞ্চের দিকে। কখন নামটি ঘোষণা করা হবে। কে হচ্ছেন ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’? আর এই নামটি শোনার আগ্রহ নিয়েই বসে আছে হল ভর্তি মানুষ। অবশেষে বিবি রাসেলের মুখ থেকে নাম ঘোষণা করা হয় ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ হচ্ছেন জেসিয়া ইসলাম। তারপরই শুরু হয়ে গেল ফটোসাংবাদিকদের তোড়জোড়। কে তুলবেন আগে ছবি, কে কার থেকে ভালো ছবি তুলবেন, এই পীড়াপীড়ির মধ্যেই পেছন থেকে কিছুক্ষণ পর ডাক পরে ইলেক্টিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের। (ফটো সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন) এই স্টিল বসেন, এই স্টিল বসেন।