চীনে তৈরি হলো বইপ্রেমীদের স্বর্গ (দেখুন ছবিতে)

 

লাইব্রেরী বলতেই আমাদের মনে আসে কাঠের বুকশেলফে ঠাসা একটা ধুলোময় ঘর, আধো আলো আধো অন্ধকারে ঠাসা সারি সারি বই। আপনার এই চিন্তার দিন আর নেই। বর্তমানে অনেক দেশে অনেক লাইব্রেরী আছে যেগুলো তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে আধুনিক শিল্প ও স্থাপত্যকলা। বইপ্রেমীদের জন্য আরো বড় একটি সুখবর হলো, চীনে সম্প্রতি উন্মুক্ত হয়েছে এমন এক লাইব্রেরী যাকে বলা যেতে পারে বইয়ের এক স্বর্গ। ১২ লাখ বইয়ের সমারোহ এবং সায়েন্স ফিকশনের মত স্থাপত্যকলার এক মূর্তিমান শিল্পকর্ম হয়ে উঠেছে তিয়ানজিন বিনহাই লাইব্রেরী। 



চীনের মহানগরী বেইজিং এর ১০০ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রতীরবর্তী তিয়ানজিনে তৈরি হয়ে এই লাইব্রেরী। ডাচ আর্কিটেক্ট কোম্পানি MVRDV এবং চীনের ডিজাইনার কোম্পানি TUPDI তৈরি করে এই লাইব্রেরী, যার অবয়ব অনেকটা মানুষের চোখের মত। ভবনের মাঝের অংশটি আকাশের দিকে উন্মুক্ত, ফলে ওপর থেকে দেখলে মনে হবে মানুষের চোখ আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে।

পাঁচ তলা এই ভবনের মেঝে থেকে শুরু করে ছাদ পর্যন্ত রয়েছে বইয়ের তাক, এই তাকগুলোই বই রাখার জায়গাম বসার জায়গা এমনকি সিঁড়ি হিসেবে কাজ করে। MVRDV এর এক প্রতিষ্ঠাতা, উইনি মাস জানান, “তিয়ানজিন বিনহাই লাইব্রেরীর ভেতরটা অনেকটা গুহার মত, যেন অসীম এক বুকশেলফ।”

এই লাইব্রেরীর ভেতরে, একদম মাঝখানে রয়েছে গোলাকৃতি এক অডিটোরিয়াম, যা কিনা অবিশ্বাস্য কম সময়ে, মাত্র ৩ বছর সময়ের মাঝে তৈরি করা হয়েছে।

আধুনিক একটা লিভিং রুমের মত করে তৈরি করা হয়েছে এই লাইব্রেরী, যার মাঝখানে রয়েছে বই নিয়ে সময় কাটানোর বিশাল একটি জায়গা। বুকশেলফগুলোতেও বসে বসে বই পড়া যাবে, আর এগুলোর সাহায্যেই ওপরের তাকগুলোতেও ওঠা যাবে।

পহেলা অক্টোবর উন্মুক্ত হবার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়াতে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে অভিনব এই লাইব্রেরীর ছবিগুলো। এই ভবনের ধাঁচটাই এমন যেন এখানে পড়া, হাঁটাচলা, মিটিং এবং সাধারণ আড্ডাও দেওয়া যায় সহজে। গ্রাউন্ড ফ্লোরে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য উপযোগী জায়গা করে দেওয়া হয়েছে। ফার্স্ট ও সেকেন্ড ফ্লোরে মূলত বইয়ের পাশাপাশি আছে অনেকগুলো রিডিং রুম। আর ওপরের বাকি লেভেলগুলোতে আছে মিটিং রুম, অফিস রুম, কম্পিউটার রুম এবং অডিও রুম।

লাইব্রেরী বলতেই আমাদের মনে আসে কাঠের বুকশেলফে ঠাসা একটা ধুলোময় ঘর, আধো আলো আধো অন্ধকারে ঠাসা সারি সারি বই। আপনার এই চিন্তার দিন আর নেই। বর্তমানে অনেক দেশে অনেক লাইব্রেরী আছে যেগুলো তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে আধুনিক শিল্প ও স্থাপত্যকলা। বইপ্রেমীদের জন্য আরো বড় একটি সুখবর হলো, চীনে সম্প্রতি উন্মুক্ত হয়েছে এমন এক লাইব্রেরী যাকে বলা যেতে পারে বইয়ের এক স্বর্গ। ১২ লাখ বইয়ের সমারোহ এবং সায়েন্স ফিকশনের মত স্থাপত্যকলার এক মূর্তিমান শিল্পকর্ম হয়ে উঠেছে তিয়ানজিন বিনহাই লাইব্রেরী।