১২ ডিসেম্বরকে ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস’ ঘোষণায় মন্ত্রিসভার সায়

 

১২ ডিসেম্বরকে ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ২৭ নভেম্বর আইসিটি ডিভিশন থেকে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


এতে বলা হয়, ১২ ডিসেম্বরকে ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দবিস’ হিসেবে ঘোষণার লক্ষ্যে চলতি বছরের ১২ নভেম্বর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এর সভাপতত্বিে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠতি হয়।  উক্ত সভায় ১২ ডিসেম্বর দিনটিকে ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস হিসেবে পালনের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়াও র্অথ বভিাগ থেকে ২২ নভেম্বর ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস হিসবে পালনের বিষয়ে অনাপত্তি জ্ঞাপন করা হয়।

২৭ নভেম্বর সোমবার মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে ১২ ডিসেম্বরকে ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়।

এদিকে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের ডিজিটাল বিপ্লবের ঘোষাণাটি আসে ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর। ওইদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে যে রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন তার মূল উপজীব্য ছিল ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আধুনিক চিন্তা এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ জনাব সজীব ওয়াজেদ এর তথ্যপ্রযুক্তিলদ্ধ জ্ঞান থেকে উৎসারিত এই ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ যার মূল লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে একটি জ্ঞানভিত্তিক আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ।

এ বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সভাপতি, জননেত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প ঘোষণা করেন। সরকার গঠনের পর আমাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ  দেশে-বিদেশে প্রশংসিত এবং অনুকরণীয়। দেশের মানুষ এই রূপকল্পের সুফল ভোগ করছে। ফলে মন্ত্রিসভা কর্তৃক আজকের এই অনুমোদনের ফলে ডিজিটাল বাংলাদেশ কার্যক্রম চূড়ান্ত লক্ষ্যের দিকে আরও একধাপ অগ্রগতি হলো।’

১২ ডিসেম্বরকে ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ২৭ নভেম্বর আইসিটি ডিভিশন থেকে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।