এ কেমন রাজনীতিবিদ!

এ কেমন রাজনীতিবিদ! 

 রক্ত মাংসের মানুষ নয়, আছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আর তা দিয়েই রাজনীতিতে আসবে। এমন দিনের কথা আপনি কি কোনো সময় কল্পনা করেছেন? এমন ঘটনা আপনি কল্পনা করতে না পারলেও দক্ষিণ পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের দেশ নিউজিল্যান্ডে তা বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। ২০২০ সালে নিউজিল্যান্ডে জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে স্যাম নামের ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রাজনীতিবিদ’।


নিউজিল্যান্ডের উদ্যোক্তা নিক গ্যারিটসেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রাজনীতিবিদ চ্যাটবট উদ্ভাবন করেছেন। উদ্ভাবিত ভার্চ্যুয়াল রাজনীতিবিদ গৃহায়ণ, শিক্ষা ও অভিবাসনের মতো ইস্যু ছাড়াও স্থানীয় নানা বিষয়সহ নিয়ে মানুষের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। গ্যারিটসেন বলেন, বর্তমানে রাজনীতির চর্চায় মতপার্থক্য অনেক বেশি। তাই এসব বিষয় সমাধান করার জন্যই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রাজনীতিবিদ উদ্ভাবন করেছেন তিনি।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই চ্যাটবটে বর্তমানে নিউজিল্যান্ড নিয়ে আগে থেকে বাছাই করা কিছু বিষয়ের উপর প্রশ্ন করা যাবে। আর তাত্ত্বিকভাবে স্যাম যত বেশি জনগণের মতামত পাবে এর কার্যকরিতা তত বাড়বে বলে জানান গ্যারিটসেন। তিনি আশা করছেন, ২০২০ সাল নাগাদ এই উদ্ভাবন স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে। এবং ওই বছর নিউজিল্যান্ডে জাতীয় নির্বাচন হবে যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে স্যাম।

নির্বাচনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা আইনসিদ্ধ নয় এমন প্রশ্নে গ্যারিটসেনের উত্তর, স্যাম সবকিছু করতে পারে এবং আইনের মধ্যে থেকেই কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা করছি আমরা।

রক্ত মাংসের মানুষ নয়, আছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আর তা দিয়েই রাজনীতিতে আসবে। এমন দিনের কথা আপনি কি কোনো সময় কল্পনা করেছেন? এমন ঘটনা আপনি কল্পনা করতে না পারলেও দক্ষিণ পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের দেশ নিউজিল্যান্ডে তা বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। ২০২০ সালে নিউজিল্যান্ডে জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে স্যাম নামের ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রাজনীতিবিদ’।