অতিরিক্ত গুগল সার্চেও রোগের ঝুঁকি

অতিরিক্ত গুগল সার্চেও রোগের ঝুঁকি 

বর্তমান সময়ে যেকোনো জানা অজানা তথ্যের জন্য আমরা সার্চ জায়ান্ট গুগলের সাহায্য নিয়ে থাকি। কিছু ক্ষেত্রে নিজের বুদ্ধিমত্তা কাজে না লাগিয়ে গুগলে খুঁজি। কিন্তু এমন অভ্যাস আমাদের ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় বলে সতর্ক করেছেন যুক্তরাজ্যের গবেষকরা।


যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অফ সেন্ট অ্যান্ড্রিউস এর গবেষক গুণ মুর বলেন, ‘মস্তিস্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায় হলো এটি ব্যবহার করা। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে আমার ইন্টারনেট থেকে আমারা মস্তিষ্ককে আউটসোর্স করি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার যদি কিছু জানতে চাই তাহলে আমরা তা মনে করার পরিবর্তে গুগলে অনুসন্ধান করি। আর দীর্ঘদিন এমন অভ্যাসে আলঝেইমার সমস্যা হতে পারে।’

২০১৫ সালে ডিমেনশিয়া রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৪ কোটি ৫০ লাখ। যা ১৯৯০ সালের তুলনায় দুই গুণ বেশি। এজন্য মুরের পরামর্শ হলো- কোনো তথ্য জানতে চাইলে বা মনে করতে চাইলে আগেই গুগলে না খুঁজে নিজের মস্তিস্কে খোঁজা শুরু করুন। এতে করে মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা সঠিক থাকবে।

এর আগে ২০১৬ সালে ক্যালিফোর্নিয়া এবং ইলিনয়েস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানিয়েছিলেন, ইন্টারনেটের উপর নির্ভরশীলতা ধীরে ধীরে মানুষের চিন্তা ভাবনা এবং স্মরণ করার পদ্ধতি বদলে দেবে। 

বর্তমান সময়ে যেকোনো জানা অজানা তথ্যের জন্য আমরা সার্চ জায়ান্ট গুগলের সাহায্য নিয়ে থাকি। কিছু ক্ষেত্রে নিজের বুদ্ধিমত্তা কাজে না লাগিয়ে গুগলে খুঁজি। কিন্তু এমন অভ্যাস আমাদের ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় বলে সতর্ক করেছেন যুক্তরাজ্যের গবেষকরা।