‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের চাকরিতে স্থানীয়দের প্রাধান্য দেওয়া হবে’

‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের চাকরিতে স্থানীয়দের প্রাধান্য দেওয়া হবে’ 

যশোরের ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’-এ চাকরির ক্ষেত্রে স্থানীয় তরুণদের প্রাধান্য দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী  জুনাইদ আহমেদ পলক।

 তিনি বলেন, ‘আমরা স্থানীয়দের প্রাধান্য দেবো। যশোর বা তার আশেপাশের জেলা থেকে দক্ষ এবং অভিজ্ঞ কেউ এগিয়ে এলে তাদের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেবো। পার্কে তরুণদের দক্ষতা অর্জনে নিয়মিত প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’ তাদেরকে আগামী দিনের জন্য তৈরি করা হবে বলেও জানান তিনি।

কিছুদিন আগে অনুষ্ঠিত চাকরির মেলা বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘চাকরির মেলা নিয়মিতভাবে আয়োজনের ব্যবস্থা করা হবে। এসব ছোট ছোট আয়োজনের মধ্যে দিয়েই একদিন শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক পূর্ণতা পাবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে ১২-১৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। 

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১০ ডিসেম্বর গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই পার্কের উদ্বোধন করেন ।    

শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে অন্য অনেক কিছুর পাশাপাশি ডিজাস্টার রিকভারি সেন্টার গড়ে তোলা হচ্ছে। তৈরি হচ্ছে ডেটা সেন্টারের ব্যাকআপ সেন্টারও। ন্যাশনাল ডাটা সেন্টারের পরিচালক তারেক এম. বরকতউল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে ডিজাস্টার রিকভারি সেন্টার গড়ে তোলা হচ্ছে। এছাড়া, কন্টেইনারভিত্তিক ডেটা সেন্টারও যশোরেই হতে যাচ্ছে।’

তিনি জানান, বাংলাদেশে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম ডেটা সেন্টার গড়ে তোলা হচ্ছে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কে। আর ওই ডেটা সেন্টারের ব্যাকআপ স্টেশন তৈরি হচ্ছে যাশোরে। জানা যায়, দেশীয় ব্যাংকগুলোও ডেটা সেন্টার গড়ে তুলতে যাচ্ছে যশোরে।  সরকার এবং ব্যাংকগুলোর যৌথ উদ্যোগে তৈরি হবে এই ডেটা সেন্টার, যেখানে ব্যাংকগুলোর ইকুইটি শেয়ার থাকবে।

তারেক এম. বরকতউল্লাহ মনে করেন, ভূ-প্রকৃতিগত বা অবস্থানের দিক দিয়ে যশোরের পার্কটির বাণিজ্যিক সম্ভাবনা উল্লেখ করার মতো। পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের ডেটা সেন্টার ও অফিস এখানে করতে চায়। এটার বাণিজ্যিক গুরুত্ব রয়েছে। ফলে এই পার্কটি গুরুত্বের দিক দিয়ে দেশের যেকোনও হাইটেক পার্কের চেয়ে কম হবে না।

সূত্র মতে, যশোরের সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। লার্নিং আর্নিং, প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, দক্ষতা উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে এখানে। নবীন উদ্যোক্তা বা স্টার্টআপগুলোর জন্য প্রতিটি হাইটেক পার্কের মতো এই পার্কেও বিশেষভাবে জায়গা বরাদ্দ থাকছে। পার্কের একটি ফ্লোর স্টার্টআপগুলোর জন্য বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। নির্বাচিত স্টার্টআপগুলো সেখানে সব ধরনের সুযোগ সুবিধা ব্যবহার করে তাদের উদ্যোগগুলোকে ‘ম্যাচিওরড’ করতে পারবে।  

যশোরের ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’-এ চাকরির ক্ষেত্রে স্থানীয় তরুণদের প্রাধান্য দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।