রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শীর্ষস্থানীয় শিল্পকৌশল কোম্পানী যা বিগত ২০ বছরের অধিক সময় ধরে থিম পার্কের রাইড তৈরী ও বিক্রয় করছে। ঢাকার প্রাণকেন্দ্র থেকে কাছেই বসিলাতে ওয়ার্কশপটি হওয়ায় খুব সহজেই আপনি আপনার রাইডটি পছন্দ করতে পারবেন নিয়ে যেতে পারবেন।


রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ পার্ক ডিজাইন ও ডেভেলপ, কিডি ও ফ্যামিলি রাইডস, মাল্টি একটিভিটি প্লে গ্রাউন্ড সিস্টেম, কন্সাল্টেন্ট  এ্যামিউজমেন্ট রাইড ইত্যাদির ম্যানুফ্যাকচারার হিসেবে সুনামের সাথে কাজ করছে। এই রাইড গুলো আপনি আপনার স্কুল, গার্ডেন এবং পার্ক, কন্সট্রাকশন সাইট অফিস, রেসিডেন্সিয়াল সোসাইটিস, ক্লাব ও রিসোর্ট বা হলিডে হোম এর জন্য নিতে পারবেন।

রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিষ্ঠান যেটি মোহাম্মাদপুরের কাছেই বসিলাতে অবস্থিত। এরা যে কোন ধরনের থিম পার্ক বা শিশু পার্ক অথবা স্কুল ও রেসিডেন্ট রাইড ও খেলনা প্রস্তুত ও সরবরাহ করে থাকে।  রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ বিভিন্ন ধরনের রাইড ও খেলনা নকশা এবং উন্নয়নের জন্য অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একটি বড় টিম নিয়ে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারা তাদের মান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গর্বিত।


রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ বিভিন্ন ধরনের রাইড, শিশুর আইটেম তৈরী করে। রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট সব সময় তাদের পন্যের মান ও নতুন পন্য নিয়ে কাজ করে চলেছে। রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ উচ্চ মানের এবং যুক্তিসঙ্গত দামে বিভিন্ন পণ্যে বিভিন্ন ধরণের অফার দিয়ে থাকে।

রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের রাইড গুলো দিয়ে ঢাকাসহ ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জায়গায় ২০টির উপর থম পার্ক ও শিশুপার্ক গড়ে উঠেছে। তাছাড়া শতাধিক প্রতিষ্ঠান ও স্কুল তাদের প্লে গ্রাউন্ডের জন্য রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ থেকে রাইডগুলো নিয়েছেন এবং সন্তুষ্ট আছেন। বর্তমানে রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং দেশের সাথে সাথে বিদেশে পন্য পাঠানোর জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছে। 

আমাদের লক্ষ্য
আমাদের লক্ষ্য হল আমাদের গ্রাহকদের মান নিশ্চিত করা একটি সাশ্রয়ী মূল্যে উচ্চ মানের পণ্য সরবরাহ করা, গ্রাহকের সন্তুস্তি অর্জন ও পন্যের গুণগত মান ঠিক রেখে সেবার মান সর্বোচ্চ করা। প্রায় দুই যুগ ধরে গ্রাহকের সেবাই আমাদের লক্ষ্য।


ম্যানুফ্যাকচারার-প্রত্যক্ষ মূল্যায়ন
রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ থেকে ক্রয় করার সময়, আপনি প্রস্তুতকারকের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় করছেন, এবং ক্রয়ের সময় আপনার পন্য যাচাই বাছাই করে ট্রায়াল দিয়ে নেয়ার সুযোগ ও রয়েছে। বর্তমানের অতি-প্রতিযোগিতামূলক দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির সময়েও আপনি এখানে তুলনামূলক কম মূল্যে রাইড ক্রয়ের নিশ্চয়তা পাবেন এবং আমাদের কারিগরি প্রশিক্ষিত গ্রাহক পরিষেবা প্রতিনিধিরা আপনাকে পথের প্রতিটি পদক্ষেপে নিয়ে যাবে।


উপকরণ ও গুণমান
রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ প্রতিটি পন্য বা রাইড তৈরীর সময় কঠোর ভাবে এর গুণগত মান নিয়ন্ত্রন করা হয়। বাচ্চাদের জন্য তৈরীকৃত রাইড গুলোর উপকরনগুলো ও বাছাই করা হয় বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে এবং অধিক মজবুত করে।
আমরা কেবল গম্ভীরভাবে গুণ গ্রহণ করি না, আমরা এটি নিশ্চিত করি! আমাদের লক্ষ্য গ্রাহকদের তাদের অর্ডার দিয়ে সম্পূর্ণভাবে সন্তুষ্ট হয় তা নিশ্চিত করা। যদি, কোন কারণে, আপনার অর্ডারের নির্ভুলতার সাথে আপনি 100% সন্তুষ্ট নন, আমরা আপনার অর্ডারটি ঠিক করব, আপনার অ্যাকাউন্টকে ক্রেডিট করব, অথবা সম্পূর্ণ রিফান্ড প্রদান করব।

রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ
 সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে 
তাদের অফিসিয়াল 

 

সবকিছুই ঠিকঠাক। শুটিংও মাত্র শুরু হয়েছে। ঠিক অমনি নিজের বিয়ের অজুহাতে ‌‘ভারত’ ছবি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। বিষয়টি নিয়ে বেশ চটেছিলেন ছবির নায়ক সালমান খান।


ঠিক সেই মুহূর্তে পরিচালক-প্রযোজককে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করলেন সালমানের সাবেক প্রেমিকা ক্যাটরিনা কাইফ।


প্রিয়াঙ্কার জায়গায় ছবিটিতে কাজ করবেন তিনি। বিশাল বাজেটের ‘ভারত’ পরিচালনা করছেন আলি আব্বাস জাফর।
পরিচালক টুইটারে এ বিষয়ে একটা ঘোষণা দিয়েছেন। এটি এমন, ‘‘আমি সত্যিই ভীষণ আপ্লুত ক্যাটরিনার সঙ্গে কাজ করব বলে। আমাদের নতুন ছবি ‘ভারত’-তে সালমানের সঙ্গে দেখা যাবে তাকে। এমন প্রতিভাবান অভিনেত্রীর সঙ্গে কাজ করাটা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানজনক।’’

ছবিটির শুটিং চলতি মাসেই শুরু হয়েছে। তবে ক্যাটরিনা সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে টিমের সঙ্গে যুক্ত হবেন। এর শুটিং দেশটির পাঞ্জাব, দিল্লি এবং বিদেশের মধ্যে মাল্টা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে হবে। এতে পাঁচটি ভিন্ন লুকে আসবেন সালমান খান।

সালমান ও ক্যাটরিনাকে একসঙ্গে সর্বশেষ দেখা গেছে ২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ ছবিতে। আর সালমান ও আলি আব্বাস এর আগে কাজ করেছেন ব্লকব্লাস্টার ‘সুলতান’-এ।

 

গত দুই দশক ধরেই ইংল্যান্ডের ধনী-গরিবের মধ্যে গড় আয়ুর বৈষম্য বাড়ছে।


দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ হিসেব মতে, লন্ডন নগরীতে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে আয়ুতেও ফারাক তৈরি হয়েছে।


স্টকটনে ধনীদের আয়ু বাড়ছে। তারা পাচ্ছেন দীর্ঘ জীবন। কিন্তু গরিবদের আয়ু তেমন বাড়ছে না। তাদের বেশির ভাগই মারা যাচ্ছেন অল্প বয়সে।


স্টকটনেরই বাসিন্দা রব হিল। স্ত্রী ও আট সন্তানকে রেখে মাত্র ৪৬ বছর বয়সেই তিনি এখন নিজের মৃত্যুর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। একদিকে তিনি সারা জীবন ধরে সিগারেট পান করেছেন। অন্যদিকে দারিদ্র্যের কারণে সবসময়ই খেয়েছেন সস্তা ও নিম্নমানের খাবার। ফলে সব মিলিয়ে রব হিলের শরীরে বাসা বেঁধেছে রোগ-বালাই। তার আছে এম্ফিসেমা, লিম্ফিডেমা ও টাইপ-২ ধরনের ডায়াবেটিস।

আরও দুই বছর আগেই ডাক্তাররা রবকে মাস ছয়েক সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। তাই আক্ষরিক অর্থেই এখন তিনি বেঁচে আছেন বাড়তি আয়ুর বদৌলতে।

যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের মতে, স্টকটনে গরিবের চেয়ে ধনীর আয়ু অন্তত ১৮ বছর বেশি। এই বিভক্তি ও বৈষম্য যুক্তরাজ্যের একটি জাতীয় সমস্যা। গত দুই দশক ধরে আয়ুর এই বৈষম্য বাড়ছে।

জাতীয় হিসেব মতে, ইংল্যান্ডের ধনী পরিবারে জন্ম নেওয়া শিশুরা অপেক্ষাকৃত গরিব পরিবারে জন্ম নেওয়া শিশুদের চেয়ে গড়ে সাড়ে আট বছর বেশি বাঁচে।

স্টকটন শহরের ডাক্তার ডেভিড হজসন বলেন, ‘এ শহরে পুরুষের গড় আয়ুর প্রত্যাশা মোটে ৬৪ বছর। এটি মূলত আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ার সমান।

শহরটিতে ধনী-গরিবের আয়ুর ক্ষেত্রে কেন এত বৈষম্য?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গত পাঁচ বছর ধরে একটি গবেষণা করেছেন অধ্যাপক ক্লেয়ার বামব্রা।

গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য থেকে দেখা যায়, আয়ুর ক্ষেত্রে বৈষম্য তৈরি হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ থাকলেও মূল কারণ আয়-বৈষম্য। আয়ুর এই বৈষম্য কমাতে দেশটির সরকার বদ্ধপরিকর বলেও জানিয়েছে।

এ বিষয়ে শহরটির সেন্ট বেডস ক্যাথলিক একাডেমির প্রধান বার্নি রিজি-এলান বলেন, ‘মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা ও শ্রেণির বিভেদ দিয়ে আয়ু নিরূপণ হওয়া ঠিক নয়। এই বৈষম্য অবশ্যই কমানো সম্ভব এবং এটি কমবেও। কিন্তু সমাধিস্থানের স্মৃতিফলকগুলোতে চোখ বুলালে দেখা যায়, কত না অল্প বয়সেই ঝরে যাচ্ছে কত প্রাণ।’

 

মনীষার অজয়ের সঙ্গে দুই বছর ধরে পরিচয়। পরিচয়ের কিছুদিনের মধ্যেই মনীষাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন অজয়। মনীষা সরাসরি অজয়কে জানিয়ে দেয় পারিবারিকভাবে সব হলে সে রাজি আছে। অজয় সময় না নিয়ে পারিবারিকভাবে সব ঠিক করে। গত ফেব্রুয়ারিতে দুই পরিবারের মধ্যে কথা হয়। সামনের বছরের জানুয়ারিতে তাদের বিয়ে হওয়ার কথা। কিন্তু গত শনিবার বজ্রপাতে অজয় মল্লিক নিহত হন। আর তার বাগদত্তা মনীষা মল্লিক আহত হন।


এ ঘটনার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মনীষা বলেন, ‘আচ্ছা, ও তো আর নেই, আমি কেন বেঁচে গেলাম? আমাকেও কেন নিয়ে গেল না?


ভারতের কলকাতার মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লাগোয়া সেনোটাফের চাতালে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে অজয়ের। আর গুরুতর আহত অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি মনীষা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিদিনের মতো সেদিনও অজয় আর মনীষা দেখা করতে বিকেলে বের হয়। সেদিন রাখি উৎসবের জন্য কেনাকাটার কথা ছিল। এ ছাড়া একটি লেহেঙ্গা কেনার কথা ছিল মনীষার। অজয়ও তার বোনের জন্য একটা লেহেঙ্গা কিনবে মনীষাকে বলেছিল। কিন্তু এগুলোর কিছুই আর কেনা হলো না।

মনীষা বলেন, ‘সেদিন প্রথমে ময়দানে কিছু সময় কাটিয়ে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের কাছে সেনোটাফের সামনে দিয়ে হাঁটছিলাম। শপিং করে রাতের খাওয়া-দাওয়া করে বাসায় ফেরার কথা। কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টি নামল। দুজনেই সেনোটাফের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। দুজনের মাথার ওপরে একটি ছাতা। বৃষ্টির সঙ্গে তখন একের পর এক বাজ পড়া শুরু হয়। ভয়ে অজয়কে আকড়ে ধরে রেখেছিলাম। হঠাৎ বিকট একটি শব্দ। আর প্রবল আলোয় চোখ ঝলসে গেল। আর কিছুই মনে নেই। পরে জ্ঞান ফেরার পর দেখতে পাই, আমার থুতনি দিয়ে রক্ত পড়ছে। আর পাশে অজয় পড়ে রয়েছে। কিন্তু অজয়কে ডাকার মতোও কোনো শক্তি ছিল না।’

মনীষা জানান, হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। পরে তার কাছ থেকে নম্বর নিয়ে বাসায় খবর দেওয়া হয়। বাসার মানুষজন আসার পর জানানো হয় অজয় আর নেই। এরপরই মনীষা বলেন, ‘ওর সঙ্গে থাকব বলেই তো কত কী ভেবে ফেলেছিলাম। সেই ভাবনাগুলোর এবার কী হবে।’

মনীষার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে শরীরের এক দিক পুরো নিষ্ক্রিয়। ডান কানে ঠিক মতো শুনতে পাচ্ছেন না তিনি।

 

পাঙ্গাস মাছ অনেকেরই প্রিয় মাছ হলেও অনেকেই আবার খেতে চান না গন্ধের কারণে। তবে সঠিক রেসিপিতে রাঁধতে জানলে পাঙ্গাস মাছ অত্যন্ত সুস্বাদু ও উপাদেয় একটি মাছ। সুমনা সুমি আজ জানাচ্ছেন ঠিক সেই রেসিপিটি। এই রেসিপিতে পাঙ্গাস রান্না করা খুব সহজ, কিন্তু রাঁধার পর একটুও বাজে গন্ধ বা স্বাদ হবে না। একবার রান্না করে ২/৩ দিন ফ্রিজে রেখে খাওয়া যাবে, স্বাদটাও তাতে নষ্ট হবে না একটুও। পরিবেশন করতে পারবেন ভাত কিংবা পোলাওয়ের সাথে।


চলুন, জেনে নিই রেসিপিটি।

উপকরণ


    পাঙ্গাস মাছ ১০-১২ টুকরো (মাঝারি আকারে কাটা)
    তেল ১/২ কাপ
    পিঁয়াজ বাটা ১ কাপ
    আদা-রসুন বাটা ১ চা চামচ করে
    সরিষা বাটা ১ টেবিল চামচ
    হলুদের গুঁড়ো ১ চা চামচ
    লবণ স্বাদ মত
    লাল মরিচ গুড়ো ১ টেবিল চামচ
    টালা জিরা গুঁড়ো ১চা চামচ
    টালা ধনে গুঁড়ো ২ চা চামচ
    টমেটো কুচি ১ পিস
    কাঁচা মরিচ ২-৩ পিস
    ধনে পাতা ২ টেবিল চামচ

প্রনালি


    মাছের টূকরাগুলো লবণ দিয়ে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
    লবণ ও হালকা হলুদ মেখে ১/৪ কাপ তেলে হালকা করে ভেজে নিন।কড়া ভাজা যাবে না।
    একটি কড়াইয়ে বাকি তেল গরম করে পেঁয়াজ দিন। পেঁয়াজ একটু ভাজা হলে বাকি বাটা মশলা ও সরিষা দিন। এখন সব গুঁড়ো মশলা ও লবণ দিয়ে কষাতে থাকুন। তেল ছাড়লে ১/২ কাপ পানি দিন।
    আবার কিছুক্ষণ কষিয়ে ২ কাপ পানি দিন। পানি ফুটলে মাছের ভাজা টূকরোগুলো ও টমেটো মশলায় ছেড়ে দিন।মশলার পানি মাছের সমান সমান হবে।
    হালকা করে নেড়ে ঢেকে দিয়ে রান্না হতে দিন ২০ মিনিট। এ সময় চুলার আঁচ কম থাকবে। ধনেপাতা ও কাঁচামরিচ দিয়ে ঢেকে দিন।
    ২ মিনিট পর চুলা বন্ধ করে ঢেকে রাখুন।গরম গরম ভাত বা পোলাওয়ের সাথে পরিবেশন করুন।

 

বাংলাদেশ একদিন মহাশূন্য জয় করবে বলে আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরাও একদিন সেই স্পেসে (মহাশূন্যে) চলে যাবো। আমরা একদিন জয় করবো, চাঁদের দেশেও পৌঁছে যেতে পারবো।


তিনি বলেন, আগে চাঁদের দেশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতাম। এখন চাঁদের দেশে পৌঁছানোর সম্ভাবনাও সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ জুলাই) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের নামে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গাজীপুর ও বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন।

বাংলাদেশের স্যাটেলাইট যুগে প্রবেশের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা আরও একধাপ এগিয়ে গেলাম। আজকে বিশ্বটা আমাদের হাতের মুঠোয়। আমরা স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছি। রকেটটা যথাস্থানে ফিরে এসেছে।

গত ১২ মে বাংলাদেশ সময় ভোর ২টা ১৪ মিনিটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে সফলভাবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণের মধ্যে দিয়ে বিশ্বের ৫৭ তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট যুগে প্রবেশ করে। ইতোমধ্যেই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ তার কার্যক্রম শুরু করেছে। এই দু’টি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে স্যাটেলাইট সেবা আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহীতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হলো।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে গাজীপুর ও রাঙামাটির বেতবুনিয়ার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র দু’টির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর গাজীপুরের তেলীপাড়ার ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রাইমারি গ্রাউন্ড স্টেশন এবং রাঙামাটির বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ব্যাকআপ গ্রাউন্ড স্টেশন।

অনুষ্ঠানে স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন দু’টির নাম সজীব ওয়াজেদ জয়ের নামে নামকরণ করার প্রস্তাব করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। মন্ত্রীর প্রস্তাবকে গ্রহণ করে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র দু’টির নাম সজীব ওয়াজেদ জয়ের নামে নামকরণ করা হয়।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন করে গেছেন। আর সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে আমরা মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠিয়েছি। মুজিব থেকে যাত্রা শুরু করে আমরা সজীব ওয়াজেদ জয়ের কাছে পৌঁছে গেছি।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী আগস্ট বা সেপ্টেম্বর থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভিডিও কনফারেন্সে গাজীপুর থেকে সংশ্লিষ্ট বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা জানান, গাজীপুর ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র থেকে সার্বক্ষণিক মহাকাশে থাকা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর গতিবিধি ও অবস্থান পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষেপণের পর এখন ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র থেকে সংকেত পাঠানো হচ্ছে এবং সফলভাবে স্যাটেলাইট থেকে সংকেত গ্রহণ করছে। সেখান থেকে ট্র্যাকিং ও কন্ট্রোলিংয়ের কাজ হচ্ছে এবং পুরো সিস্টেমটিকে টেস্ট করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব টেস্ট ও ট্র্যাকিংয়ের কাজ সফলভাবে শেষ করার পর যেকোনো সময় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ কমার্শিয়াল অপারেশনে (বাণিজ্যিক কার্যক্রম) যাবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ উদযাপন এবং গাজীপুর ও বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

 

শিরোনাম দেখে ভাববেন না হলিউডের ছবিতে অভিনয় করছেন পূর্ণিমা। তবে ছবি দেখে বুঝতে পারছেন তিনি এখন হলিউডেই আছেন।


কালো রঙের ওয়ান পিসের ওপর রঙিন ফুলেল এম্ব্রয়ডারির কামিজ পরে মার্কিন চলচ্চিত্রের রঙিন পাড়ায় গিয়েছিলেন এই চিত্রনায়িকা।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে মাউন্ট লি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত হলিউড সাইনটি প্রায় ছয়তলা ভবনের সমান। এর প্রতিটি অক্ষর ৪৫ ফুট লম্বা। পুরো সাইনটির দৈর্ঘ্য ৩৫০ ফুট। সেটিকে ফ্রেমে রেখেই ছবি তুলেছেন ঢালিউডের এই মিষ্টিমুখ।

পূর্ণিমা  জানান, হলিউডে তাকে সঙ্গ দিয়েছেন একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা টনি ডায়েসের স্ত্রী নৃত্যশিল্পী প্রিয়া ডায়েস। তারা অনেক বছর ধরে আমেরিকা প্রবাসী।

তবে আমেরিকায় শুধুই বেড়াতে যাননি পূর্ণিমা। তিনি  বললেন, “বাংলাদেশি আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব লস অ্যাঞ্জেলেস (বিএএএলএ) আয়োজিত ‘আনন্দমেলা’য় অংশ নিয়েছি। সেখান আমাকে দেওয়া হয়েছে ‘লস অ্যাঞ্জেলেস কংগ্রেসনাল রিকগনিশন’ সনদ।”


শনিবার (২৮ জুলাই) লস অ্যাঞ্জেলেসের ভারমন্ট এভিনিউর ভারজিল মিডেল স্কুলে অনুষ্ঠিত এ বছরের ‘আনন্দমেলা’য় একই সনদ পেয়েছেন প্রিয়া ডায়েস, প্রমিথিউস ব্যান্ডের বিপ্লব, সুরকার ইমন সাহা, আরটিভির সিইও আশিকুর রহমান প্রমুখ।

পূর্ণিমা জানান, আগামী ২ আগস্ট ঢাকায় ফিরবেন তিনি। সম্প্রতি নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূলের পরিচালনায় ‘জ্যাম’ নামের একটি ছবিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।

 

চলতি বছর বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোন বাজারে যত সংখ্যক স্মার্টফোন বিক্রি হবে, তার অর্ধেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহকারী প্রযুক্তি থাকবে।


২৯ জুলাই, রবিবার বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্ট্র্যাটেজি অ্যানালিটিকসের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

স্ট্র্যাটেজি অ্যানালিটিকসের তথ্য মতে, চলতি বছর বিক্রি হওয়া স্মার্টফোনের ৪৭ দশমিক ৭ শতাংশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহকারী প্রযুক্তি থাকবে। যা গত বছরের চেয়ে ৩৬ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।

এখন স্মার্টফোনের এআই প্রযুক্তি উন্নত করতে জোর দিচ্ছে ডিভাইস নির্মাতারা। স্ট্র্যাটেজি অ্যানালিটিকসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০২৩ সাল নাগাদ বিশ্ব বাজারে বিক্রি হওয়া ৮৯ দশমিক ৯ শতাংশ হ্যান্ডসেটে বিল্টইন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহকারী ফিচার থাকবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহকারী বাজারের ৪৬ দশমিক ৭ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে রয়েছে।

 

সকল বিদেশী বইয়ে ২০% পর্যন্ত মূল্য ছাড়! ‘পাঠকের কাছ থেকে কোনো বই-ই আর দূরে নয়’- এমন চিন্তাকে লালন করে বিদেশী বইয়ের অন্যতম বৃহৎ ও বিশ্বস্ত অনলাইন বিক্রেতা পেপার ট্রি ডট কম ডট বিডি পাঠকদের জন্য নিয়ে এসেছে চমৎকার এক ক্যাম্পেইন-‘মনসুন সেল’। ২০ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এ ক্যাম্পেইনটি চলবে ১০ আগস্ট, ২০১৮ পর্যন্ত। এর অধীনে পাঠকরা পছন্দের বইটি কিনতে উপভোগ করতে পারবেন ২০% পর্যন্ত মূল্য ছাড়। বই প্রেমীদের হাতে সাশ্রয়ী মূল্যে বিখ্যাত সব বিদেশী বই তুলে দিতেই এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেছে পেপার ট্রি।


ক্যাম্পেইন চলাকালে পাঠকরা ১৩টি ক্যাটাগরির ৬৫০০ এরও বেশি বিদেশী বই থেকে নিজেদের পছন্দের বইটি অর্ডার করতে পারবেন। উল্লেখযোগ্য ক্যাটাগরির মধ্যে রয়েছে বিজনেস এন্ড ম্যানেজমেন্ট, লিটারেচার এন্ড ফিকশন, আর্কিটেকচার, ট্রাভেল, হিস্ট্রি, চিলড্রেন বুক্স, রিলিজিয়াস বুক ইত্যাদি। অর্ডারের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই পাঠকের হাতে বই পৌঁছে যাবে। বই অর্ডার করতে গ্রাহকরা পেপার ট্রি ডট কম ডট বিডি’তে(https://papertree.com.bd/) গিয়ে ‘মনসুন সেল’ ক্যাম্পেইন ক্লিক করে পছন্দের বইটি নির্বাচন করতে পারেন। গ্রাহকরা পেপার ট্রি থেকে সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা মূল্যের বই কিনতে পারবেন।

‘মনসুন সেল’ ক্যাম্পেইন সম্পর্কে পেপার ট্রি-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ব্যারিস্টার ওয়াসিউল হক চৌধুরী বলেন, ‘নাগরিক জীবনের ব্যস্ততার কারণে বই প্রেমী পাঠকরা অনেক সময় নিজের পছন্দের বইটি কেনার সুযোগ পায় না। বিদেশী বই কেনার ক্ষেত্রে এই সুযোগটি আরও কম। এই প্রথমবারের মতো পেপার ট্রি সম্মানিত পাঠকদের জন্য বিদেশী বইয়ের বিশাল সমারোহ থেকে পছন্দের বইটি কেনার এক অনন্য সুযোগ নিয়ে এসেছে। এর সাথে আকর্ষণীয় মূল্য ছাড় তো থাকছেই। আমরা আশা করি, দেশের বই প্রেমী বৃহৎ জনগোষ্ঠী এতে সত্যিই উপকৃত হবেন’।

 

মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের গৌরবোজ্জ্বল দিন হিসেবে প্রতিবছর ২৯ জুলাই জাতীয় ডাক দিবস পালনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।


রোববার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ এবং ফিলাটেলিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে ডাক টিকিট দিবস-২০১৮ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

২০০৩ সাল থেকে ফিলাটেলিক অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ডাক টিকিট দিবস পালিত হয়ে আসছে।
মন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই ভারতীয় নাগরিক বিমান মল্লিকের ডিজাইন করা আটটি ডাক টিকিট মুজিব নগর সরকার, কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন ও লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়। স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্ব প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে মুজিব নগর সরকার কূটনৈতিক প্রক্রিয়া হিসেবে স্বাধীনতার স্বপক্ষে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ডাকটিকিট দিবস উপলক্ষে ডাক অধিদফতর প্রকাশিত পাঁচ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাক টিকিট, ১০ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম ও পাঁচ টাকা মূল্যমানের ডাটা কার্ড অবমুক্ত করেন। এ বিষয়ে একটি বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করা হয়েছে।

স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটাকার্ড ঢাকা জিপিও এর ফিলাটেলিক ব্যুরো থেকে বিক্রি করা হচ্ছে। পরে অন্যান্য জিপিও ও প্রধান ডাকঘরসহ দেশের সব ডাকঘর থেকে এ স্মারক ডাকটিকিট বিক্রি করা হবে। উদ্বোধনী খামে ব্যবহারের জন্য চারটি জিপিওতে বিশেষ সিলমোহরের ব্যবস্থা আছে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, ডাক অধিদফতরের মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার মণ্ডল এবং ফিলাটেলিক অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে আনোয়ার হোসেন মল্লিক।

 

ডমিনোজ বা পিজ্জা হাটের মত রেস্তোরাঁয় গেলে গারলিক ব্রেডের কথা যেন চাইলেও ভোলা যায় না। যদি বলি সেই প্রিয় চিজি গার্লিক ব্রেড চাইলে তৈরি করতে পারবেন বাড়িতেই? হ্যাঁ, ডমিনোজের মত হুবহু চিজি গার্লিক ব্রেড তৈরি করা যায় সাধারণ গ্যাসের চুলাতেই। আজ সুমনা সুমি জানাচ্ছেন ঘরেই গার্লিক ব্রেড তৈরি করার একটি দারুণ রেসিপি। গ্যাসের চুলা ও ওভেন, দুই ভাবেই তৈরি করার পদ্ধতি থাকছে। রেস্তরাঁর খাবারে যাদের ভরসা নেই, এখন থেকে তারা চাইলেই ঘরে উপস্থিত করতে পারবেন রেস্তরাঁকে!


চলুন, জেনে নিই রেসিপি।

প্রথমে খামির তৈরি

    ২ কাপ ময়দা
    ২ টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ
    ১/২ চা চামচ লবণ
    ১ চা চামচ ইস্ট (ইন্সট্যান্ট)
    ১ চা চামচ চিনি
    ১ টেবিল চামচ তেল
    কুসুম গরম পানি পরিমাণ মত



    -সব শুকনো উপকরণ এক সাথে ভাল করে মিশাতে হবে।
    -পরিমাণ মত গরম পানি দিয়ে নরম খামির বানাতে হবে। অল্প অল্প করে তেল দিয়ে ২ মিনিট খামির ভাল করে মথতে হবে।
    -তারপর ভেজা কাপড় দিয়ে ঢেকে ২ ঘন্টা গরম জায়গাতে রেখে দিন।(গরম ওভেন বন্ধ করে বা চুলা বন্ধ করে গরম চুলার উপর।)

এবারে গার্লিক ব্রেড তৈরি

    মোজারেলা চিজ ১ কাপ
    ক্যাপসিকাম কুচি ১/৪ কাপ
    সুইট কর্ন ১/৪ কাপ
    মাখন ২ টেবিল চামচ
    রসুন মিহি কুচি ১ টেবিল চামচ
    ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ
    প্যাপরিকা বা মরিচের গুঁড়ো ১/২ চা চামচ
    ওরিগেনো ১ চা চামচ

    খামির ফুলে দ্বিগুণের চেয়েও বড় হলে আবার একটূ মথে নিন।
    -খামির ২ ভাগ করে নিন। পিঁড়িতে হালকা ময়দা ছিটিয়ে ১ ভাগ বল নিয়ে বড় ১/৪ ইঞ্চি পুরু রুটি বানিয়ে নিন।
    -রুটিতে মাখন মেখে নিন। রুটির একপাশে ক্যাপসিকাম , কর্ন, ১/২ কাপ মোজারেলা, অল্প করে রসুন কুচি বিছিয়ে দিন।
    -এখন রুটির অন্য পাশ দিয়ে পুর ভরা পাশ ঢেকে হালকা পানি দিয়ে চেপে আটকে দিন। এখন দেখতে চাঁদের মত লাগবে।
    -ব্রেডটি তেল মাখানো বেকিং ট্রে-তে রাখুন।
    -ব্রেডের উপর ব্রাশ ব্রাশ করে উপরে রসুন কুচি, ধনেপাতা কুচি ও মরিচের গুঁড়ো ছিটিয়ে দিন।
    -ধারালো ছুড়ি দিয়ে ব্রেডের উপর ১ ইঞ্চি ব্যবধানে দাগ কেটে দিন।
    -প্রিহিটেড ওভেনে ১৮০ সেলসিয়াসে মাঝের র‍্যাকে ১৫ মিনিটের মত বেক করুন।

চুলায় করবেন যেভাবে


    -বড় হাঁড়িতে ১ কাপের মত লবণ বিছিয়ে দিন। তার উপর যে কোন হিটপ্রুফ স্ট্যান্ড বা বেক করার বাটি বা ছাঁচ দিন। হাঁড়িটি ঢেকে ৫ মিনিট মাঝারি আঁচে গরম করুন।
    -এখন ব্রেডের পাত্রটি স্ট্যান্ড এর উপর রেখে ঢেকে দিন। ২০ মিনিট মাঝারি আঁচে রাখুন।

 

হলিউড তারকা জর্জ ক্লুনি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। ইতালিয়ান দ্বীপ সারদিনিয়ার কোস্টা ক্যারোলিনায় একটি মার্সিডিজ গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষে চোট পেয়েছেন তিনি।


মঙ্গলবার (১০ জুলাই) রাতে ইতালিয়ান গণমাধ্যম এজিআই এ তথ্য জানিয়েছে।
ইতালিতে ‘ক্যাচ ২২’ নামে টেলিভিশনের জন্য নির্মাণাধীন একটি মিনি সিরিজের কাজ করছেন জর্জ ক্লুনি। শুটিং সেটের কাছাকাছি থাকতে কোস্টা ক্যারোলিনার কাছের একটি হোটেলে উঠেছিলেন ৫৭ বছর বয়সী এই আমেরিকান অভিনেতা-পরিচালক। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৮টায় পানতালদিয়া থেকে ওলবিয়ার দিকে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি।

কিন্তু নিয়ম না মেনে কোনও পূর্ব সংকেত ছাড়াই একটি মার্সিডিজ গাড়ি আচমকা ডান দিকে ঘুরে যায়। এ কারণে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে না পেরে মোটরসাইকেল নিয়ে পড়ে যান ক্লুনি। গাড়িচালক নেমে জরুরি সেবা পেতে ১১২ নম্বরে কল করেন। এরপর মিউনিসিপ্যাল পুলিশ ও অ্যাম্বুলেন্স ও অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা হাজির হন। তারা ওলবিয়ার সার্দিনিয়ান শহরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যান তাকে।

ইতালির ‘কী’ ম্যাগাজিনের ওয়েবসাইটে জানানো হয়, হাঁটুতে আঘাত পেয়েছেন জর্জ ক্লুনি। তবে তা গুরুতর নয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা শেষে বুধবার সকালে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে অস্কারজয়ী এই তারকাকে কয়েকদিন পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলেছেন চিকিৎসকরা। তার মুখপাত্র বিবিসিকে বলেন, ‘জর্জ ক্লুনি এখন বাড়িতে বিশ্রাম নিচ্ছেন। তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন।’


এদিকে দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ইতালির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনসা’র দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন এই ঘটনা তদন্ত করে দেখছে স্থানীয় পুলিশ।

ইতালির লেক কোমোতে অনেক বছর আগে একটি বাড়ি কিনেছেন জর্জ ক্লুনি। ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে তার ঘনঘন আসা-যাওয়া আছে। ২০১৪ সালে ইতালিতেই আইনজীবী আমাল আলামুদ্দিনকে বিয়ে করেন এই সুপারস্টার। ২০১৭ সালে যমজ সন্তানের মুখ দেখেন তারা ।

‘ক্যাচ ২২’ সিরিজে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মার্কিন এয়ারফোর্স কমান্ডারের ভূমিকায় অভিনয় করছেন জর্জ ক্লুনি। মার্কিন কথাশিল্পী জোসেফ হেলারের ধ্রুপদী উপন্যাস অবলম্বনে সাজানো হয়েছে এর চিত্রনাট্য। ছয় পর্বের ড্রামা সিরিজটি চ্যানেল ফোরে প্রচার হবে ২০১৯ সালে।


নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, শিশুর বয়স তিনমাস হবার পর থেকেই মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি শক্ত খাবার দিলে তাদের ঘুম ভালো হয়। খবর বিবিসি অনলাইন।


সাধারণত ছয় মাস বয়সের পর শিশুদের বুকের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার দিতে বলা হয়। কিন্তু জেএএমএ পেডিয়াট্রিকস জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হয়, ছয় মাসের আগেই শক্ত খাবার দিলে মা ও শিশু উভয়েই উপকৃত হয়। শিশুরা বেশি সময় ঘুমায় এবং মায়েদের জীবনের মান উন্নত হয়।

লন্ডনের কিং’স কলেজ এবং সেইন্ট জর্জে’স ইউনিভার্সিটি ১,৩০৩টি তিন মাস বয়সী শিশুর ওপর গবেষণা করে। তাদেরকে দুইটি দলে ভাগ করা হয়। প্রথম দলটিকে ছয় মাস পর্যন্ত শুধুই বুকের দুধ পান করানো হয়। অন্যদেরকে তিন মাস বয়স থেকে বুকের দুধের পাশাপাশি অন্য খাবারও দেওয়া হয়। ফলাফলে দেখা যায়, যেসব শিশু তিনমাস বয়স থেকে অন্য খাবার খায় তারা-

    লম্বা সময় ঘুমায়
    ঘন ঘন ঘুম ভাঙে না
    অন্যদের তুলনায় ঘুমের সমস্যা কম হয় তাদের (যেমন কান্না বা মেজাজ খিটখিটে হওয়া)

এ শিশুরা যে খুব বেশি সময় ঘুমায় তাও নয়। অন্যদের তুলনায় তারা প্রতি রাত্রে গড়ে ১৬ মিনিট বেশি ঘুমায়। তবে এটুকুও বাবা-মায়ের উপকারে আসতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উপদেশ দেয় শক্ত খাবার দেওয়ার আগে ছয় মাস অপেক্ষা করতে। তবে তাদের এ নিয়ম নিয়ে আবারও পরীক্ষা চলছে। অন্তত চার মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলেন অনেক ডাক্তার। শিশুকে ছয়মাসের আগেই খাবার দিতে চাইলে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে নিন।

শিশুকে কী খাবার দেবেন?

    আলু, মিষ্টি আলু, গাজর, আপেল, নাশপাতি এসব খাবার সেদ্ধ করে বা চটকে দিতে পারেন।
    বাচ্চার দুধের সঙ্গে মিশিয়ে দিতে পারেন নরম ভাত, সিরিয়াল বা নরম কোনো ফল।
    কিছু বাচ্চা একদম মিহি ব্লেন্ড করা খাবার পছন্দ করে, কেউবা একটু চটকে দেওয়াটাই পছন্দ করে।
    বাচ্চা কী খেতে চায়, বিভিন্ন খাবার দিয়ে তা পরীক্ষা করে দেখুন।

 

ভারতের দিল্লির রাবেয়া গার্লস নামে একটি পাবলিক স্কুলে চার থেকে পাঁচ বছরের ১৬ জন বাচ্চাকে স্কুলের বেসমেন্টে টানা পাঁচ ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। বেসমেন্টে আটকে রাখার কারণ হিসেবে জানা গেছে, ওই বাচ্চাদের অভিভাবকরা মাসিক বেতন সময় মতো পরিশোধ করতে পারেননি। এ ঘটনায় শিশুদের পরিবার বিস্মিত।


ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজ থেকে জানা গেছে, স্কুল ছুটি হওয়ার পর অভিভাবকরা বাচ্চাদের নিতে গেলে এ ঘটনা জানতে পারেন। অভিভাবকদের এসময় স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায় বাচ্চাদের আটকে রাখা হয়েছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, সময় মতো স্কুলের বেতন পরিশোধ করতে না পারায় টানা পাঁচ ঘণ্টা কেজি ক্লাসের ১৬ জন ছাত্রীকে তীব্র গরমের মধ্যে স্কুলের বেসমেন্টে আটকে রাখা হয়। এ সময় অনেকবার অনুরোধ করার পরও ওই বাচ্চাদের ছাড়তে অস্বীকার জানায় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

এদিকে স্কুল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে মাত্র কিছু সময়ের জন্য ওই বাচ্চাদের আটকে রাখা হয়। স্কুলের অধ্যক্ষ এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘বেসমেন্ট শাস্তি দেওয়ার জায়গা নয়। ওই বেসমেন্ট আসলে এক ধরনের ক্লাসরুম। যেখানে বাচ্চাদের বিভিন্ন ধরনের অ্যাকটিভিটি করানো হয়।’

এদিকে ওই স্কুলের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শিশু আটকে রাখা ও নির্যাতনের মামলা করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বয়ান নথি করার জন্য ইতোমধ্যে স্কুল কর্তৃপক্ষকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

 

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) আগামী ১২ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী চলবে ‘টেকশহরডটকম স্মার্টফোন ও ট্যাব এক্সপো-২০১৮’।


রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে মঙ্গলবার (১০ জুলাই) সংবাদ সম্মেলনে মেলার ঘোষণা দেয় আয়োজক সংস্থা ‘এক্সপো মেকার’। এবারের স্মার্টফোন মেলা এক্সপো মেকারের দশম আয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্যামসাং মোবাইল বাংলাদেশের হেড অব প্রোডাক্ট মোহাম্মদ ইফতেখার হোসাইন, ট্রানশান বাংলাদেশ লিমিটেডের হেড অব মার্কেটিং মো. আসাদুজ্জামান, সিম্ফনি মোবাইল’র মার্কেটিং ম্যানেজার এসএম শাহরিয়ার হুদা, উই স্মার্ট  সল্যুশনের ডিজিএম অ্যান্ড হেড অব মার্কেটিং ও কমিউনিকেশন মানতাসির আহমেদ, হুয়াওয়ে কনজ্যুমার বিজনেস গ্রুপ বাংলাদেশের মার্কেটিং ম্যানেজার মো. মনজুরুল কবির, অপ্পো বাংলাদেশের মার্কেটিং ম্যানেজার ও পাবলিক রিলেশন ম্যানেজার ইফতেখার উদ্দীন সানি, ভিভো বাংলাদেশের অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্র্যান্ড ম্যানেজার তানজীব আহমেদ এবং এক্সপো মেকারের কৌশলগত পরিকল্পনাকারী মুহম্মদ খান।

মুহম্মদ খান বলেন, মেলায় দু’টি প্লাটিনাম স্পন্সর প্যাভিলিয়ন, দু’টি গোল্ড স্পন্সর প্যাভিলিয়ন এবং সিলভার স্পন্সর প্যাভিলিয়ন থাকবে চারটি। এছাড়াও চারটি প্যাভিলিয়ন ও ১২টি স্টল নিয়ে সাজানো হবে মেলা প্রাঙ্গণ।

এবারের স্মার্টফোন ও ট্যাব মেলায় প্রতিদিন মূল্য ছাড়ের পাশাপাশি থাকছে গিফট বক্স, র‌্যাফেল ড্র ও সেলফি প্রতিযোগিতা।

প্রদর্শনীর সব আপডেট ও খবর মেলার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে (https://www.facebook.com/STExpo) জানা যাবে। মেলা প্রাঙ্গণ খোলা থাকবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

 

 ব্যস্ত জীবনে আজকাল সকলেই খোঁজেন অল্প সময়ের রান্না। বিশেষ করে ওয়ান পট মিল খুব দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে অনেকের কাছেই। সায়মা সুলতানার হেঁসেল হতে আজ থাকছে একেবারেই ভিন্নধর্মী একটি রেসিপি। নাম- চিকেন কিমা দিয়ে পাঁচমিশালি সবজি। এই একটি খাবার রান্না করলেই একবেলা খাবার হয়ে যাবে খুব সহজে, আলাদা করে মাংস বা সবজি রান্না করতে হবে না। ফ্রিজে রেখেও খাওয়া যাবে বেশ কিছুদিন। কোন পেঁয়াজ কুচি বা মশলা বাটার প্রয়োজন নেই। সকালের নাস্তায় রুটি-পরোটার সাথে খেতেও চমৎকার লাগবে।

যা লাগবে

    মুরগির কিমা ১ কাপ
    মিষ্টি কুমড়া টুকরো হাফ কাপ
    আলু টুকরো হাফ কাপ
    পেঁপে টুকরো হাফ কাপ
    লাউ টুকরো হাফ কাপ
    ঝিঙা টুকরো হাফ কাপ
    পাঁচফোড়ন ২ চা চামচ
    আদা ছেঁচা দেড় টেবিল চামচ
    দুধ ১/৪ কাপ
    ঘি ২ চা চামচ
    তেল ২ টেবিল চামচ
    কাঁচামরিচ কয়েকটা
    লবণ স্বাদমত
    ধনিয়া পাতা কুচি (পরিবেশন এর জন্য)

প্রণালি

    প্রথমে হাঁড়িতে তেল দিয়ে তেল হালকা গরম করুন। এতে পাঁচফোড়ন দিয়ে দিন, ৫ সেকেন্ড পর ১ টেবিল চামচ আদা ছেঁচা দিন। এর কারণ হল পাঁচফোড়ন তেলে বেশি রাখলেই তেতো হয়ে যায়।
    এবার এতে মুরগির কিমা দিয়ে রান্না করুন ৪ থেকে ৫ মিনিট।
    এখন মিষ্টি কুমড়া, আলু টুকরো দিয়ে নাড়াচাড়া রান্না করুন ১০ থেকে ১২ মিনিট। এখন এতে লাউ টুকরা, পেঁপে টুকরো, ঝিঙা টুকরো, বাকি আদা ছেঁচা, দুধ দিয়ে দিন।
    আধা কাপ গরম পানি ,কাঁচামরিচ আর লবণ স্বাদমত দিয়ে মিডিয়াম আঁচে ঢাকনা লাগিয়ে রান্না করুন আরও ১০ মিনিট।
    নামানোর আগে উপরে ঘি ছিটিয়ে দিন। পরিবেশন এর সময় ধনিয়া পাতা কুচি ছিটিয়ে দিন। পরোটা, রুটি কিংবা ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

 

বাঙালির পাতে মাছের নানা পদ আবারও ফিরেছে নানা উপাদেয় স্বাদে। কারণ, রাজ্যে সাম্প্রতিক ভাগাড় কাণ্ডের জেরে চিকেন-মটনের প্রায় সব পদই এখন ব্রাত্য বাঙালির পাতে। তবে মাছের একঘেয়ে পদ থেকে মুক্তি পেতে বাড়িতেই বানিয়ে নিন রেস্তোরাঁর মতো সুস্বাদু অথচ সহজ রেসিপি গার্লিক ফিশ। আসুন শিখে নেওয়া যাক সুস্বাদু গার্লিক ফিশ বানানোর কৌশল।


উপকরণ ম্যারিনেশনের জন্য:


বোনলেস ভেটকি মাছ ৮ থেকে ১২ টুকরো (আপনি আপনার পছন্দের মাছ ব্যবহার করতে পারেন)

হাফ চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো

সয়া সস ১ টেবল চামচ

ভিনিগার ১ টেবল চামচ

লবণ স্বাদ মতো

ব্যাটারের জন্য উপকরণ:

ডিম ১টা

কর্ন ফ্লাওয়ার ২ টেবল চামচ

ময়দা ২ টেবল চামচ

লবণ ১ চিমটি

বেকিং পাউডার হাফ চা চামচ

ফ্রাই করার জন্য তেল

সসের জন্য:

কাঁচা মরিচ ৮টা (কুচনো)

রসুন ৮ কোয়া

সয়া সস ১ টেবল চামচ

চিলি সস ১ চা চামচ

কর্ন ফ্লাওয়ার ১ টেবল চামচ

পানি ১ কাপ

তেল ১ টেবল চামচ

গার্লিক ফিশ বানানোর পদ্ধতি:


মাছ লবণ, সয়া সস, গোল মরিচ গুঁড়ো, ভিনিগার দিয়ে হাফ ঘণ্টা ম্যারিনেড করে রাখুন।

একটা বড় বাটিতে ডিম, লবণ, কর্ন ফ্লাওয়ার, ময়দা, বেকিং পাউডার মিশিয়ে ব্যাটার তৈরি করে নিন। প্রয়োজন হলে একটু পানি দিন।

এই ব্যাটারে মাছ ডুবিয়ে সোনালি বাদামি করে ভেজে তুলুন।

এবার সস বানানোর জন্য: প্যানে তেল গরম করুন। কাঁচা লঙ্কা কুচি ও রসুন দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে পানি দিয়ে দিন।

ফুটতে শুরু করলে সয়া সস দিন। কর্ন ফ্লাওয়ার পানিতে গুলে এর সঙ্গে মিশিয়ে দিন। চিলি সস দিয়ে ঘন গ্রভি তৈরি নিন। মাছ পরিবেশন করার প্লেটে সাজিয়ে ওপর থেকে গরম এই সস ঢেলে দিন।

 

বর্তমানে তরুণীদের পোশাকে মিক্স অ্যান্ড ম্যাচের আধিপত্য। ফলে  পোশাকের ধরন বদলেছে। সিঙ্গল পিস আর সিঙ্গল কুর্তি বা টপস এখন তাই জনপ্রিয়তায় তুঙ্গে। ট্রেডিশনাল এবং পাশ্চাত্য পোশাকে নিজেদের গর্জাস লুকে উপস্থাপনার জন্য উজ্জ্বল রঙের এধরনের পোশাক থাকছে তাই আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজ-এ। সবই সমকালীন ফ্যাশন প্যাটার্ন ও কালার প্যালেট অনুসরণ করে তৈরি।


আইকনিকের উদ্যোক্তা তাসলিমা মলি জানান, টপস, কেপ বা কুর্তিতে কাট প্যাটার্নের সৌন্দর্যের পাশাপাশি হালকা এম্ব্রয়ডারি, প্রিন্টের ভ্যালু অ্যাডিশনও থাকছে আইকনিকের নতুন কালেকশনে। গ্রীষ্মকেন্দ্রিক এসব ট্রেন্ডি কালেকশনগুলোতে থাকছে বৈচিত্র্য। এসব পরা যায় অফিসে, ক্লাসে এমনকি ইনফরমাল পার্টিতেও। স্টোরের পাশাপাশি অনলাইনেও অর্ডার দেওয়া যাবে এসব পণ্য।


উল্লেখ্য, আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজ চালু করেছে ‘ফাস্ট ডেলিভারি’  সুবিধা। ব্র্যান্ডটির উত্তরা, যমুনা ফিউচার পার্ক, ধানমন্ডির স্টোরের  পাশাপাশি ফেসবুকে আইকনিক ফ্যান পেইজেও অর্ডার দেয়া যাবে এসব পণ্য। ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধাও থাকছে শর্ত সাপেক্ষে। তাই ফাস্ট ডেলিভারি সুবিধায় পণ্য পেতে অবশ্যই ভিজিট করুন ফেসবুক পেইজ।

 porn-dekle-jesob-odvut-poriborton-ghote 

ইন্টারনেট প্রযুক্তি হাতের মুঠোয় আসার পর সারা বিশ্বে পর্ন দর্শক বেড়েছে। এসব মানুষের মধ্যে অনেকে আবার পর্ন দেখাটাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যান, যা নেশায়-আসক্তিতে পরিণত হয়। কিন্তু পর্ন দেখার কারণে আপনার শরীরে কী পরিবর্তন ঘটে, তা কি জানেন?


যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসাইকাট্রিস্ট ভ্যালেরি ভুন পর্ন দেখায় দর্শকের মধ্যে পরিবর্তনগুলো পর্যবেক্ষণ করে একটি গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়-

    পর্ন দেখলে প্রথমেই তার প্রভাব পড়ে দর্শকের মস্তিষ্কে। অতিরিক্ত পর্ন দেখা আসক্তির পর্যায়ে চলে যায়, যা মাদকাসক্তির চেয়ে কোনো অংশে কম নয়।

    নিয়মিত ও অতিমাত্রায় পর্ন দেখলে ধীরে ধীরে আপনার একাধিক অভ্যাস পরিবর্তন করে দিতে পারে। একটা সময় হ্যালুসিনেশনের মাত্রা বেড়ে যায় এতে মস্তিষ্কের গ্রহণ ক্ষমতা কমে যেতে পারে।

    পর্নে অনেক কিছুই অতিরিক্ত দেখানো হয়, বাস্তবতার সঙ্গে যার মিল নেই। অতিরিক্ত পর্ন দেখলে আপনিও আপনার সঙ্গীকে অন্যভাবে কল্পনা করতে শুরু করবেন। সে ক্ষেত্রে আপনার সঙ্গীর সঙ্গে আপনার দূরত্ব তৈরি হবে।

    গবেষণা বলছে, পর্ন দেখার প্রবণতা আপনার স্মৃতিশক্তির ওপর খুবই নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ফলে অনেক কিছুই আপনি খুব সহজেই ভুলে যেতে শুরু করবেন।

    নিয়মিত পর্ন দেখার কারণে একটা নির্ভরশীলতা তৈরি করে। ফলে শারীরিক চাহিদা তৈরি হলেও কোনো একটা নির্দিষ্ট সময়ে আপনার শরীর উত্তেজিত হতে চাইবে। এটা আপনার মধ্যে এমন একটা অভ্যাস তৈরি করবে, যার ফলে শরীর ও মনকে সহজে বশে রাখতে পারবেন না।

 

‘স্প্ল্যাশ’ নামে অডিও-ভিজ্যুয়াল ডিজিটাল মিউজিক স্ট্রিমিং অ্যাপ নিয়ে এসেছে ডিজিটাল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রবি।


২৫ জুন, সোমবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে রবি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই অ্যাপটিতে রয়েছে ১৬ লাখের বেশি গান। অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস উভয় সিস্টেম ব্যবহারকারীরা অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন। এ ছাড়া ওয়াপ বা ওয়েব সংস্করণেও সেবাটি উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা।

এতে আরও বলা হয়, রবি গ্রাহকরা দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক যেকোনো ভিত্তিতে সেবাটি গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে এক মাস বিনামূল্যে ট্রায়ালের সুযোগ পাবেন। দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক-ভিত্তিতে অ্যাপটি চালানোর জন্য যথাক্রমে ২ দশমিক ৪৪ টাকা, ১২ দশমিক ১৮ টাকা ও ৩৬ দশমিক ৫৩ টাকা (কর, মূসক ও সম্পূরক শুল্কসহ) প্রদান করতে হবে এর ব্যবহারকারীকে। কন্টেন্ট ব্রাউজ করার জন্য ডেটা চার্জ প্রযোজ্য হবে।

রবির ভাষ্য, এই অ্যাপটির মাধ্যমে গান ডাউনলোড করে অফলাইনেও শোনা যাবে, বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষা ব্যবহার করায় গ্রাহকরা সহজেই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন এবং দ্রুত স্ট্রিমিং সুবিধা থাকায় তুলনামূলক দুর্বল নেটওয়ার্কেও এটি কাজ করবে।

এদিকে এই অ্যাপটিতে যেসব গান থাকবে এর জন্য সংশ্লিষ্ট গায়কের সঙ্গে রবির কোনো চুক্তি হয়েছে কিনা  তা তাৎক্ষণিক যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

যত খুশি তত খাও অফার দিয়ে দেউলিয়া রেস্তোরাঁ

সীমিত মূল্যে যত খেতে পারেন তত খাবারের আনলিমিটেড অফার বাংলাদেশেও বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় পাওয়া যায় বিভিন্ন সময়ে। চীনের এক রেস্তোরাঁ তাদের প্রচার বাড়াতে আনলিমিটেড অফার দিয়েছিল। এতে তাদের প্রচার বাড়ে বটে, কিন্তু রেস্তোরাঁর ক্রেতারা এত বেশি খাওয়া-দাওয়া করেছে যে ঋণের ভারে ডুবে বন্ধ হয়ে গেছে রেস্তোরাঁটি।


আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানায়, এই ঘটনা ঘটে চীনের চেংডু শহরের জিয়ামেনার হটপট রেস্তোরাঁয়। ওই শহরটি প্রচণ্ড ঝাল হটপট ধরনের খাবারের জন্য পরিচিত। হটপটের নিয়ম হলো, কিছু কাটা সবজি, মাংস বাটিতে বাটিতে দেওয়া হয় এবং টেবিলের মাঝখানে একটি বড় পাত্রে ফুটন্ত স্যুপ থাকে। এই স্যুপে সেসব সবজি ও মাংস ডুবিয়ে ডুবিয়ে খাওয়া হয়।

জিয়ামেনার হটপট রেস্তোরাঁটি ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে খোলে। এরপর ২০১৮ সালের ১ জুন থেকে তারা আনলিমিটেড অল-ইউ-ক্যান-ইট অফার দেয়। এই অফারের আওতায়, মাসে কেবল ১২০ ইউয়ান দিয়ে রেস্তোরাঁর সদস্যপদ নিলেই সে ব্যক্তি যত খুশি খেতে পারবেন।

রেস্তোরাঁর এক মালিক, সু জি জানান, রেস্তোরাঁর ওই অফারে বিপুল সাড়া পাওয়া যায়। প্রতিদিন পাঁচশোরও বেশি নতুন ক্রেতা পায় তারা। সকাল ৮টা থেকে ক্রেতার ভিড় জমে রেস্তোরাঁর সামনে। কিন্তু এসব ক্রেতা এত বেশি খাওয়া শুরু করে যে ১১ জুন নাগাদ রেস্তোরাঁর ঋণ জমে ওঠে ৭৬ হাজার ডলার পর্যন্ত। ফলে মালিকরা রেস্তোরাঁটি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।

এত বড় সমস্যা হবার কারণ, ক্রেতারা নিজেদের সদস্য কার্ডটি নিজে ব্যবহার করার পাশাপাশি আত্মীয় ও বন্ধুদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন। ফলে একই কার্ডের অধীনে একাধিক মানুষ খাওয়া শুরু করেন। ফলে রেস্তোরাঁটি মানুষের খাওয়ার চাহিদা পূরণে ঋণে পড়ে যায়।

রেস্তোরাঁর একজন বেয়ারা জানান, অনেক ক্রেতা ইচ্ছেমত খাওয়ার পর আবার বড় ব্যাগে ভরে খাবার বাড়িতেও নিয়ে যায়।

ওই রেস্তোরাঁ কবে খুলবে, আদৌ খুলবে কিনা তা জানা যায়নি। তবে রেস্তোরাঁ খুললে সদস্যরা  কিছুটা ছাড়ে খাবার কিনতে পারবেন। তবে আগের মতো আনলিমিটেড অফারটি আর থাকছে না।

 

অবাক করা কাণ্ড ঘটিয়ে আবারও বিতর্ক সৃষ্টি করলেন কলকাতার পরিচালক জয়দীপ মুখার্জী। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সদ্য শেষ হয়েছে তার পরিচালনায় ‘ভাইজান এলো রে’ ছবির শুটিং। যেটিতে নায়কের ভূমিকায় রয়েছেন বাংলা চলচ্চিত্রের এই সময়ের সবচেয়ে বড় সুপারস্টার শাকিব খান। তার বিপরীতে রয়েছেন কলকাতার সুপারহিট দুই নায়িকা শ্রাবন্তী ও পায়েল সরকার। ছবিটি প্রযোজনা করেছে সেদেশেরই এসকে মুভিজ।


‘ভাইজান এলো রে’ সম্পূর্ণই কলকাতার একক ছবি। কিন্তু অবাক করা বিষয় হচ্ছে, শুটিং শেষ হয়ে যাওয়ার পরে গত রবিবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির কাছে  এই ছবির শুটিং শুরুর ব্যাপারে অনুমতি চেয়েছেন পরিচালক জয়দীপ মুখার্জী। অভিনেতা-অভিনেত্রী হিসেবে নাম দিয়েছেন শাকিব খান, শ্রাবন্তী ও পায়েল সরকারের। যেটাকে ‘চালবাজ’-এর পর আরেক চালবাজি হিসেবে দেখছেন দেশের সিনে বিশেষজ্ঞরা। 

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন গণমাধ্যমকে জানান,  ‘ভাইজান এলো রে’ নামে একটি ছবির শুটিং ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। সেটির শিল্পী শাকিব, শ্রাবন্তী ও পায়েল। শুটিং শেষ করে কীভাবে পরিচালক জয়দীপ মুখার্জী শুটিংয়ের অনুমতি চাইলেন তা আমরা খতিয়ে দেখব।’

খোকন আরও জানান, ‘নিয়ম অনুযায়ী যারা আমাদের পরিচালক সমিতির সদস্য তাদের সিনেমার নাম নিবন্ধন করি।  এ জন্য আগে ওই পরিচালককে আমাদের সমিতির সদস্য হতে হয়।  জয়দেব মুখার্জী সদস্য হওয়ার জন্য কিছুদিন আগে আমাদের সমিতিতে এসেছিলেন। তিনি আবেদনপত্রও জমা দিয়েছেন। কিন্তু এখনও আমাদের সমিতির সদস্য হননি।’


ভাইজান এলো রে’ ছবির বিভিন্ন চরিত্রে শাকিব, শ্রাবন্তী ও পায়েল ছাড়াও রয়েছেন রজতাভ দত্ত, বিশ্বনাথ, শান্তিলাল মুখার্জী, দীপা খন্দকার ও মুনিরা মিঠু প্রমুখ। আসছে রোজার ঈদে সাফটা চুক্তির আওতায় ছবিটি বাংলাদেশে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক জটিলতায় দেশের প্রেক্ষাগৃহে শাকিবের এই ছবির মুক্তি শঙ্কার মধ্যেই পড়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে। বাকিটা সময়ই বলে দেবে।

এর আগে শাকিবের ‘চালবাজ’ ছবিটি নিয়েও ‘চালবাজি’ করেছিলেন কলকাতার পরিচালক জয়দীপ মুখার্জী। শুটিং শুরু সময় থেকেই এই ছবিকে যৌথ প্রযোজনার ছবি হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল। কিন্তু ট্রেলার মুক্তির পর জানা যায়, এটি কলকাতার একক ছবি। যার কারণে পহেলা বৈশাখে ছবিটি বাংলাদেশে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও নানা জটিলতায় পিছিয়ে যায় তারিখ। শেষমেষ সাফটা চুক্তির আওতায় গত ২৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে আসে শাকিব-শুভশ্রীর ‘চালবাজ’। 

তারুণ্য ধরে রাখে ডাবের পানি
 

গরমে সুস্থ থাকতে চাইলে ডাবের পানি পান করুন নিয়মিত। ডাবের পানিতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ এবং জিঙ্ক, যা দূর করবে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা। জেনে নিন ডাবের পানি পান করার উপকারিতা সম্পর্কে।


    শরীরের পানির ঘাটতি পূরণ করে ডাবের পানি। এতে থাকা ইলেকট্রোলাইট কম্পোজিশন ডায়রিয়া, বমি এবং অতিরিক্ত ঘামের কারণে ঘাটতি হওয়া খনিজের চাহিদা মেটাতে পারে।
    ডাবের পানি পেট ঠান্ডা রাখে ও হজমের গণ্ডগোল দূর করে।
    ডাবের পানিতে থাকা ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম হাড় ও দাঁত সুস্থ রাখে।
    ডাবের পানিতে থাকা উপকারী এনজাইম হজম ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি মেটাবলিজমের উন্নতিতেও সাহায্য করে। ফলে ওজন কমতে শুরু করে।
    ডাবের পানি শরীরে লবণের মাত্রা ঠিক রাখে। ফলে ওয়াটার রিটেনশন বেড়ে গিয়ে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা কমে।
    শরীরে জমতে থাকা টক্সিক উপাদান দূর করতে সাহায্য করে ডাবের পানি।
    ডাবের পানিতে থাকা ভিটামিন সি, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা মতে, ডাবের পানিতে থাকা পটাশিয়াম শরীরে লবণের ভারসাম্য ঠিক রাখার মধ্য দিয়ে ব্লাডপ্রেসার স্বাভাবিক রাখে।
    ডাবের পানিতে রয়েছে সাইটোকিনিস নামক একটি অ্যান্টি-এজিং উপাদান, যা শরীরে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। সেই সঙ্গে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

 

প্রযুক্তি দিন দিন আমাদের নিত্যনতুন জিনিস উপহার দিচ্ছে। সেগুলোর ব্যবহার আমাদের সমৃদ্ধ করছে। ইন্টারনেট হলো সেই প্রযুক্তিরই একটি। কিন্তু আমরা অনেকেই পূর্ণভাবে জানি না ইন্টারনেটটা কী এবং এর স্বত্বাধিকারী কে। আসুন এবার আমরা জেনে নিই সেই বিষয়টিই।


ইন্টারনেট (Internet) কী


ইন্টারনেট হলো বিভিন্ন নেটওয়ার্কের একটি সমন্বিত সংযোগ। এই সংযোগগুলো পরিচালিত হয় কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম- নীতির মাধ্যমে, যাকে বলা হয় প্রোটকলস (Protocols)। এই নিয়মগুলোই সব নেটওয়ার্কের মধ্যে সহজভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে যাচ্ছে। তবে এ সবকিছুই নির্ভর করে রাউটার, নেটয়ার্ক এক্সেস পয়েন্ট (Network Access Points (NAP) এবং কম্পিউটার সিস্টেমের ওপর। এর সঙ্গে নেটওয়ার্ক সিগন্যাল পাঠানোর জন্য প্রয়োজন কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট, হাজার হাজার মাইল বিস্তৃত কেবল এবং সহস্র ওয়্যারলেস রাউটার। এত কিছুর সমন্বয়ে যে বৈশ্বিক সিস্টেম গঠিত হয়েছে, তা কোনো কিছুর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারেনি, অতিক্রম করে চলেছে দেশের পর দেশ, সাগর, মহাসাগর এবং পাহাড়-পর্বত।

কোনো দেশের সীমানা আটকে রাখতে পারেনি এই চলমান প্রযুক্তির আশীর্বাদকে। দিনের পর দিন এটি সংযুক্ত করছে শত শত নেটওয়ার্ক। এটি যেন অনেকটা সেই নোকিয়া ফোনের সাপের গেমটার মতো, খাবার খাচ্ছে আর বড় হচ্ছে। বলতে গেলে বিশ্বের প্রায় প্রত্যেকটি দেশেই এখন ইন্টারনেট সংযোগ আছে। বর্তমান বিশ্বের সবাই এখন একটি নির্দিষ্ট নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত হয়ে গেছে। এখন প্রশ্ন হলো, এই বিশাল নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করছে কে?

অনেক ছোট ছোট সিস্টেম মিলে যে দৈত্যাকার ইন্টারনেট তৈরি করেছে, তাকে আমরা একটা বিশেষ সত্তা বলতেই পারি। এখন এই সত্তার স্বত্ব কার হবে? এটি কি একজন নিয়ন্ত্রণ করে, নাকি অনেকেই বা বিশেষ কোনো গোষ্ঠী? এটা কি সত্যিই কোনো বিশেষ একজনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব?

ইন্টারনেটের সত্যিকারের মালিক কে?


যে ফিজিক্যাল নেটওয়ার্ক বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে ইন্টারনেট ট্রাফিক পরিবহন করে, তাকে বলা হয় ইন্টারনেটের মেরুদণ্ড (Internet Backbone)। আগেকার দিনের ইন্টারনেট সিস্টেমে ARPANET ইন্টারনেটের মেরুদণ্ড বা Backbone হিসাবে কাজ করেছে। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন কোম্পানি, যারা রাউটার এবং ক্যাবল যোগানের মাধ্যমে ইন্টারনেটের মেরুদণ্ড হিসাবে কাজ করছে। এই কোম্পানিগুলোকেই বলা হয় ইন্টারনেট সেবাদাতা বা আইএসপি (Internet Service Provider)।

এখন কোনো দেশ বা যদি কেউ নিজের প্রয়োজনে ইন্টারনেট এক্সেস পেতে চায়, তাহলে তাকে অবশ্যই এই আইএসপির সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। বিশ্বের যেসব আইএসপি বা ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিখ্যাত তারা হলো—ইউইউনেট (UUNET), লেভেল ৩ (Level 3), ভেরাইজন (Verizon), এটিঅ্যান্ডটি (AT&T), কোয়েস্ট (Qwest), স্প্রিন্ট (Sprint), আইবিএম (IBM) ইত্যাদি।

বড় বড় আইএসপিগুলো থেকে আবার ছোট ছোট আইএসপি সৃষ্টি হয়েছে। যারা আমাদের সেবা দিয়ে থাকে। এখানে মনে রাখা প্রয়োজন, যে সিস্টেম আমাদের কম্পিউটার টু কম্পিউটার ডাটা এক্সচেঞ্জ করে থাকে, তাকে বলা হয় Internet Exchange Points (IXP)। বিভিন্ন কোম্পানি এবং অলাভজনক কিছু প্রতিষ্ঠান এটা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

এখন কথা হলো, প্রত্যেকটা আলাদা আলাদা আইএসপির আলাদা ইন্টারনেট থাকে। এখন আপনি এককভাবে যদি কোনো কম্পিউটার দিয়ে সেই ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত হন, তাহলে সেই ইন্টারনেটের মালিক আপনিও। মানে হলো, আপনি নিজেও ইন্টারনেটের একটা অংশের মালিক। কারণ পুরো ইন্টারনেটের কোনো মালিকানা হয় না। যদিও অনেক প্রতিষ্ঠান বা দেশের সরকার নিজেদের ইন্টারনেট ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে, যাকে বলা হয় লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা LAN (Local Area Network)। যা হোক, মোদ্দা কথা হলো, আপনি এবং আমি আমরা সবাই একেকজন একেকটা ইন্টারনেট অংশের মালিক।

ইন্টারনেট ব্যবস্থাটা চলে কিছু নিয়মের ওপর, যাকে আমরা প্রটোকলস (Protocols) বলি। সেই প্রটোকলগুলো মেনেই একটি কম্পিউটার ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের সাহায্যে অন্য কম্পিউটারে তথ্য প্রদান করে। প্রটোকল না মেনে কোনো কম্পিউটার তথ্য প্রদান করতে পারে না। এখন যদি কোনো প্রটোকল না থাকে, তাহলে আপনাকে আগে নিশ্চয়তা দিতে হবে যে আপনি অন্য কম্পিউটারে যে তথ্য প্রদান করছেন, তার জন্য আপনাদের বোঝাপড়া আছে এবং আপনার পাঠানো তথ্য সঠিক গন্তব্যেই পৌঁছাতে পারবে।

ইন্টারনেটের যে হারে উন্নয়ন হচ্ছে, তাতে বিংশ শতাব্দীর প্রটোকলের সঙ্গে একবিংশ শতাব্দীর প্রটোকল বা আগের বছরের সঙ্গে পরের বছরের প্রটোকল একই রকম থাকবে—এটা ভাবা বোকামি। ইন্টারনেটের উন্নতির সঙ্গে এই প্রটোকলগুলোরও উন্নতি প্রয়োজন। তার মানে দাঁড়াল, কাউকে না কাউকে এই নিয়মগুলো, মানে প্রটোকল পরিবর্তন করতে হবে। পুরো ইন্টারনেট কাঠামো এবং প্রটোকল ঠিক করে দেওয়ার জন্য রয়েছে অনেকগুলো সংগঠন, যারা নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

এবার সংগঠনগুলো সম্পর্কে জানা যাক।

দি ইন্টারনেট সোসাইটি: একটি অলাভজনক সংগঠন, যারা ইন্টারনেট স্ট্যান্ডার্ড এবং পলিসি নির্ধারণ ও উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

দি ইন্টারনেট ইঞ্জিনিয়ারিং টাস্ক ফোর্স (IETF): এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন, যাদের রয়েছে ওপেন মেম্বারশিপ পলিসি এবং এরা বিভিন্ন গ্রুপভিত্তিক কাজ করে থাকে। ইন্টারনেটের বিভিন্ন বিষয়কে এরা আলাদা আলাদা ভাগ করে প্রত্যেক ভাগের জন্য দক্ষ জনশক্তিকে কাজে লাগায় এ সংগঠনটি। বর্তমান ইন্টারনেটের এই স্থিতিশীলতা এই সংগঠনের অনবদ্য অবদান।

দি ইন্টারনেট আর্কিটেকচার বোর্ড (IAB): এরা সাধারণত ইন্টারনেট প্রটোকল প্রণয়ন এবং স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণে কাজ করে থাকে।

দি ইন্টারনেট করপোরেশন ফর অ্যাসাইন্ড নেমস অ্যান্ড নাম্বারস (ICANN): এ সংগঠনটি ব্যক্তিগত কিন্তু অলাভজনক একটি প্রতিষ্ঠান, যাদের কাজ হলো এটা নিশ্চিত করা যে, প্রত্যেকটা ডোমেইন নেইম সিস্টেমের (Domain Name System (DNS) সঙ্গে সঠিক আইপি অ্যাড্রেসটি লিঙ্ক করা আছে কি না।

 এই সংগঠনগুলো ইন্টারনেটের জন্য সবকিছু করলেও এরা কখনো ইন্টারনেটের মালিকানা দাবি করতে পারে না। আসল কথা হলো, কেন্দ্রীয়ভাবে ইন্টারনেটের কোনো মালিকানা নেই। অনেকেই এর উন্নয়নে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত কেউ এটার মালিকানা দাবি করতে পারেনি।

অনলাইনের অপব্যবহারে বাড়ছে নারী-শিশু নির্যাতন  

অনলাইনের অপব্যবহারে নারী ও শিশু নির্যাতন দিন দিন বেড়েই চলেছে। গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি বছরের মার্চের মধ্যে রাজশাহীতেই নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটেছে ৪শ ৮৭টি। এর মধ্যে নারী নির্যাতন ২৭১টি ও শিশু নির্যাতন ২১৬টি। নির্যাতনের ধরন ছিল- হত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু, অপহরণ, যৌন হয়রানি, আত্মহত্যা, আত্মহত্যা চেষ্টা, নির্যাতন, ধর্ষণ ও পারিবারিক সহিংসতা। নারী ও শিশুরা যে ভয়ানক পরিস্থিতির মধ্যে অবস্থান করছে এ পরিসংখ্যান তাই নির্দেশ করে।


সম্প্রতি রাজশাহীর বেসরকারি উন্নয়ন ও মানবাধিকার সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট (এসিডি) প্রকাশিত এক জরিপ প্রতিবেদনে ভয়ঙ্কর এই তথ্য উঠে এসেছে।

এতে বলা হয়েছে, গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিপ্লব ঘটে গেছে। আর এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সমাজে যুক্ত হয়েছে শিশু নির্যাতনের নতুন নতুন উপাদান। এরই মধ্যে পরিচিত হতে হচ্ছে ‘অনলাইন যৌন শোষণ’, ‘অনলাইন বাণিজ্যিক যৌন শোষণ’ ‘সাইবারবুলিং’ ‘সেক্সটিং’, ‘সেক্সটরশন’ ইত্যাদি বিষয়াবলীর সঙ্গে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে বড়দের মতো শিশুরাও এক বিশাল তথ্য ভাণ্ডারে ঢুকে নিজের জ্ঞান ও ধারণাকে সমৃদ্ধ করতে পারে। এ প্রবেশ সুবিধা সবার জন্য অবারিত।

যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদানের এটি একটি প্রধান মাধ্যম। তবে অস্বীকার করার সুযোগ নেই এটা শিশুদের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।

এদিকে কিশোর-কিশোরী ও অল্পবয়সী ছেলে-মেয়েরা প্রযুক্তি ব্যবহারের মধ্য দিয়ে জ্ঞান অর্জন করছে।

অন্যদিকে, তারা ইন্টারনেট ও প্রযুক্তির প্রতি দিন দিনে আসক্ত হয়ে পড়ছে। সবার অজান্তে প্রতিদিন রাত জেগে বহু মূল্যবান সময় তারা এর পেছনে ব্যয় করছে।

হাতের স্মার্টফোন থাকায় অনেক শিশু নজরদারিহীন অবস্থায় অনলাইনে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে। যা তাদের সম্ভাব্য বিপদের মাত্রাকে আরও বাড়িয়েছে। এর মধ্যে সাইবার বুলিং' হচ্ছে অনলাইনে কোনো শিশুকে হেয় প্রতিপন্ন করা, ভয় দেখানো এবং মানসিক নির্যাতন করা।

শুরুতে কিশোর-কিশোরীরাই কেবল এ ধরনের কাজে জড়িত থাকে ভেবে বুলিং সংজ্ঞায়িত করা হলেও পরে দেখা যায় অনেক ক্ষেত্রে স্বনামে বা ফেক আইডির আড়ালে প্রাপ্তবয়স্ক অনেকেও এ ধরনের হীন কাজে জড়িত রয়েছে।

এছাড়া শিশুদের আবেগ-অনুভূতিকে হেনস্থা করা, মানহানি ঘটানো বা অপবাদ দেওয়া, ভয় দেখানো বা ধমকানো


 

বার্গার খেতে পছন্দ করেন অনেকেই। তাই বলে ৩০ হাজার! হ্যাঁ, যুক্তরাষ্ট্রের এক ব্যক্তি নিয়মিত দুই বেলা বার্গার খেয়ে আসছেন গত ৪৬ বছর ধরে।


বার্গার-পাগল এই ব্যক্তির নাম ডন গোর্সকে, বয়স ৬৪। তিনি বাস করেন যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনে। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্টকে তিনি জানান, গত ৪৬ বছর ধরে দিনে দুটো করে ম্যাকডোনাল্ডসের বিগ ম্যাক বার্গার খেয়ে আসছেন তিনি। চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার পরও একই অভ্যাস বজায় রাখার সংকল্প তার।

অবসরপ্রাপ্ত এই কারারক্ষী বলেন, ‘৪০ হাজার বার্গার খাওয়ার লক্ষ্য আছে আমার, আর তা করতে আরও ১৪ বছর লাগবে।’

২০০৪ সালে গোর্সকে ‘সুপার সাইজ মি’ নামের এক তথ্যচিত্রে স্থান পেয়েছিলেন, কারণ প্রচুর ফ্যাটযুক্ত এসব বার্গারে রয়েছে ৫৬৩ ক্যালোরি। তবে গোর্সকে দাবি করেন, এসব বার্গার নিয়মিত খাবার পরেও তিনি পুরোপুরি সুস্থ।

গোর্সকে জানিয়েছেন, ১৯৭২ এর ১৭ মে থেকে প্রতিদিন তিনি অন্তত একটি করে বিগ ম্যাক বার্গার খেয়ে আসছেন। তা প্রমাণের জন্য প্রতিটি রিসিট যত্ন করে রেখে দিয়েছেন তিনি। ২০১৬ সালে ২৮,৭৮৮টি বার্গার খাওয়া হলে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম ওঠে তার।

বার্গার খাওয়ার ব্যাপারে নিয়ম মেনে চলেন গোর্সকে। তিনি প্রতি সোমবার ছয়টি বিগ ম্যাক কেনেন। এর মাঝে দুইটি তখনই খেয়ে নেনে, আর বাকি চারটি বাড়িতে ফ্রিজে রেখে দেন, প্রতিদিন বের করে মাইক্রোওয়েভে গরম করে খান। আবার বৃহস্পতিবারে আটটি বার্গার কিনে একই কাজের পুনরাবৃত্তি করেন।

গোর্সকে বার্গার বাদে অন্যকিছু কমই খান। তার খাদ্যভ্যাসের ৯০ শতাংশই হলো বার্গার। কেউ কেউ তার এই বার্গার-প্রীতিকে ‘অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিজঅর্ডার’ বলে ধারণা করেন। কিন্তু একে মানসিক সমস্যা বলে ভাবতে নারাজ গোর্সকে।

 

গ্রাহকদের স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করার জন্য স্যামসাং বাংলাদেশ ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চালু করেছে মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ। অ্যাপটি শুধু স্যামসাং গ্যালাক্সি স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এই অ্যাপ ব্যবহার করে গ্রাহকরা দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডের লাইফ স্টাইল পণ্য, বই, ভ্রমণ এবং গানের উপর আকষর্ণীয় ছাড় পাবেন। এখন পর্যন্ত মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ দেশের শীর্ষ স্থানীয় ব্র্যান্ড গুলোর মধ্যে উবার, বাগডুম, এবং গো-জায়ানের সাথে পার্টনারশিপ করেছে।


এছাড়াও খুব শীঘ্রই দেশের একটি জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত বিনোদন প্ল্যাটফর্ম মাই গ্যালাক্সি অ্যাপের সাথে পার্টনারশিপ করবে। উবারে চলাচল হবে এখন আরও সাশ্রয়ী কারণ মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ এবার উবারের পার্টনার হয়েছে। মাই গ্যালাক্সি অ্যাপের সাহায্যে নতুন উবার ব্যবহারকারীরা তাদের প্রথম দুই রাইডে ১০০ টাকা ডিসকাউন্ট পাবেন। ডিসকাউন্ট পাওয়ার জন্য গ্রাহককে মাই গ্যালাক্সি অ্যাপের সাহায্যে কুপন তৈরি করতে হবে। এরপর উবার অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। উবার অ্যাপ ডাউনলোড করার পর গ্রাহককে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে এবং এরপরই একজন গ্রাহক তার ডিসকাউন্ট কুপন ব্যবহার করতে পারবেন।

দেশের প্রখ্যাত ই-কমার্স সাইট বাগডুম গ্রাহকদের এক্সক্লুসিভ ডিল দেয়ার জন্য মাই গ্যালাক্সি অ্যাপের সাথেও পার্টনার হয়েছে। ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য ছাড়া বাগডুম তাদের অন্য সব পণ্যে ৮% ছাড় প্রদান করছে। এছাড়াও মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ এবং গো-জায়ান একত্রিত হয়ে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বুকিংয়ে ৫% ডিসকাউন্ট সুবিধা প্রদান করছে। মাই গ্যালাক্সি অ্যাপে দিয়ে সার্ভিস ট্রাকারের সাহায্যে যে কেউ তার মোবাইলফোন মেরামতের অগ্রগতি এবং কোন পর্যায় আছে তা জানতে পারবেন। এই সার্ভিস কেয়ার অপশনটি মাই গ্যালাক্সি অ্যাপের কেয়ার সেকশনে পাওয়া যাবে। সার্ভিস অগ্রগতি ট্র্যাক করার জন্য একজন গ্রাহককে তার মোবাইল সম্পর্কিত কিছু মৌলিক তথ্য অ্যাপে ইনপুট করতে হবে।

বাংলাদেশে গ্যালাক্সি অ্যাপ চালু হওয়ার পর থেকেই এর বিষয়বস্তু, সুবিধা এবং কেয়ারের জন্য গ্রাহকদের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। ২০১৭ সালে চালু হওয়ার পর খুব কম সময়ের মধ্যে ১ লাখেরও বেশী ব্যবহারকারী পেয়েছে যা দিনে দিনে বেড়েই চলছে। ব্যবহারকারীদের মধ্যে এই জনপ্রিয়তার দেখে, মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ আরও পার্টনার বাড়ানোর মাধ্যমে গ্রাহকদের জীবনকে আরও সহজ করে তোলার পরিকল্পনা করছে।

মুয়ীদুর রহমান, হেড অফ মোবাইল, স্যামসাং বাংলাদেশ বলেন, “মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ বিভিন্ন সুবিধা এবং সহযোগিতা প্রদানের জন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই অনন্য অ্যাপটি শুধু স্যামসাং স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে যার মাধ্যমে একজন গ্রাহক বিভিন্ন ধরণের ডিসকাউন্ট এবং অফার উপভোগ করতে পারবেন।”

স্যামসাং অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে থেকে মাই গ্যালাক্সি ডাউনলোড করতে পারবেন। এছাড়াও এই অ্যাপটি স্যামসাং-এর নতুন সব স্মার্টফোনের সাথে আগে থেকেই দেয়া থাকবে। আকর্ষণীয় অফারগুলো উপভোগ করার জন্য গ্রাহকদেরকে মাই গ্যালাক্সি অ্যাপের সার্ভিস সেকশনে যেতে হবে এবং কুপন তৈরি করতে হবে। নির্ধারিত কুপন নাম্বারের সাহায্যে একজন গ্রাহক কেনাকাটাতে ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারবেন।

 

জেমস বন্ড’ তারকা ড্যানিয়েল ক্রেগ ও অস্কারজয়ী অভিনেত্রী র‌্যাচেল ভাইস এক ছাদের নিচে আছেন আট বছর ধরে। তারও আগে পৃথকভাবে সন্তানের মুখ দেখেছেন তারা। এবার তাদের সংসারে আসছে নতুন অতিথি।


৪৮ বছর বয়সে এসে আবারও মা হচ্ছেন র‌্যাচেল ভাইস। তাই সন্তানসম্ভবা হওয়ার কথা জানিয়ে খবরের শিরোনাম হয়েছেন তিনি। এজন্য উচ্ছ্বসিত ড্যানিয়েল ক্রেগ। তবে অনাগত সন্তান ছেলে নাকি মেয়ে তা জানেন না তারা।

নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ‘দ্য মমি’ তারকা র‌্যাচেল ভাইস বলেছেন, ‘শিগগিরই আমাদের ঘরে নতুন একজন আসছে। ড্যানিয়েল ও আমি খুব খুশি। তাকে দেখতে আমরা মুখিয়ে আছি। জানি না সে ছেলে নাকি মেয়ে। বলতে পারেন এটা পুরোপুরি রহস্য।’

২০১১ সালের ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে বিয়ের বন্ধনে জড়ান এই ব্রিটিশ দম্পতি। র‌্যাচেল ভাইসের আগের সংসারের ছেলে হেনরির বয়স ১১ বছর। পরিচালক ড্যারেন অ্যারোনোফস্কির সঙ্গে বাগদান হয়েছিল তার। কিন্তু পরে তারা আর ঘর বাঁধেননি।

অন্যদিকে ক্রেগের ২৫ বছর বয়সী এক মেয়ে আছে। তার মা অভিনেত্রী ফিওনা লাউডন। ১৯৯২ সালে ক্রেগ ও তিনি বিয়ে করেছিলেন। দুই বছর টিকেছিল ওই সংসার। বিয়েবিচ্ছেদের পর জার্মান অভিনেত্রী হাইকি মাকাচের সঙ্গে সাত বছর প্রেম করেছেন ক্রেগ। ২০০৪ সালে সেই পাট চুকিয়েছেন তিনি। এরপর প্রযোজক সাতসুকি মিচেলের সঙ্গে ২০০৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রেম আর বাগদানও হয়েছিল তার।

সম্প্রতি ‘দ্য মার্সি’ ছবিতে দেখা গেছে র‌্যাচেল ভাইসকে। তিনি এখন নিজের নতুন ছবি ‘ডিসোবেডিয়েন্স’-এর প্রচারণা চালাচ্ছেন। এতে সমকামি চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। এটি প্রযোজনাও করেছেন তিনি। এর চিত্রনাট্য তৈরি হয়েছে ব্রিটিশ লেখিকা নাওমি অ্যাল্ডারম্যানের গ্রন্থ অবলম্বনে। আর ড্যানিয়েল ক্রেগ সামনে ‘জেমস বন্ড’ সিরিজের ২৫তম ছবির শুটিং শুরু করবেন।

 

কাজে দক্ষতা বাড়াতে কর্মীদের তাগিদ দিয়েছেন হাই-টেক কোম্পানি টেসলারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলোন মাস্ক। কর্মদক্ষতা বাড়াতে ই-মেইলের মাধ্যমে তাদেরকে সাতটি টিপসও দিয়েছেন তিনি।


১৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যম বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি টেসলার মডেল থ্রি ইলেকট্রনিক কারের কাজ আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে সপ্তাহে সাত দিন এবং দিনে ২৪ ঘণ্টা প্রতিষ্ঠানটির কাজ চালু রাখার ঘোষণা দিয়েছেন ইলোন মাস্ক। যেহেতু কর্মীদের বেশি বেশি কাজ করতে হবে, তাই কাজে দক্ষতা বাড়াতে নিজে কিছু টিপস দিয়েছেন।

কাঠখোট্টা নিয়ম মানতে বা মিটিং করতে তেমন পছন্দ করেন না মাস্ক। বুদ্ধি খাটিয়ে দ্রুত হাতের কাজ শেষ করাই তার লক্ষ্য। শুধু যে অন্যদেরকে পরামর্শ দিচ্ছেন তা নয়, বরং অন্যদের থেকেও পরামর্শ আশা করেছেন তিনি।

ই-মেইলে ইলোন মাস্ক বলেন, টেসলার কাজ আরও ভালো করে তুলতে কারো কোনো পরামর্শ থাকলে তাকে যেন জানানো হয়।

যে ৭ পরামর্শ দিয়েছেন ইলোন মাস্ক—

১) বেশি মানুষ নিয়ে মিটিং করাটা শুধুই সময়ের অপচয়

বেশি মানুষ নিয়ে অনেক সময় ধরে মিটিং করাকে সময়ের অপচয় মনে করেন মাস্ক এবং এসব মিটিং বন্ধ করে দেওয়ার উপদেশ দিয়েছেন তিনি। সবাইকে নিয়ে যদি মিটিং করতেই হয় তাহলে তা কম সময়ে সেরে ফেলতে বলেছেন।

২) নিয়মিত মিটিং করার দরকার নেই

খুব জরুরি কোনো বিষয় না থাকলে নিয়মিত মিটিং করার দরকার নেই। জরুরি কাজটা শেষ হয়ে গেলে মিটিংয়ের সংখ্যা কমিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।

৩) মিটিং থেকে বের হয়ে যান

‘মিটিংয়ে যদি আপনার উপস্থিত থাকার দরকার না থাকে, তাহলে মিটিং থেকে চলে যান’, বলেন ইলোন মাস্ক। মিটিং থেকে বের হয়ে যাওয়াটা অপমানজনক নয়, বরং মিটিংয়ে বসে অন্যের সময় নষ্ট করাটাই খারাপ।

৪) বিভ্রান্তিকর ভাষা পরিহার করুন

কোনো বিষয়ে কথা বলতে গেলে এমন ভাষা ব্যবহার করা উচিত যা সবাই বুঝবেন। টেসলায় কাজ করতে গেলে বিশেষ ভাষা ব্যবহারের দরকার নেই বলে মনে করেন মাস্ক।

৫) যোগাযোগের ক্ষেত্রে চেইন অব কমান্ড মানার দরকার নেই

কোনো কাজে যোগাযোগের দরকার হলে দ্রুতই সেটা করা উচিত। এক্ষেত্রে চেইন অব কমান্ড মেনে চলার দরকার নেই। এমনকি কোনো ম্যানেজার যোগাযোগের ক্ষেত্রে চেইন অব কমান্ড আরোপের চেষ্টা করলে তাকে চাকরিচ্যুত করার কথা বলেছেন ইলোন মাস্ক।

৬) সরাসরি যোগাযোগ করুন

কোনো বিষয়ে কারো সঙ্গে কথা বলতে হলে সরাসরিই কথা বলা দরকার। এক্ষেত্রেও চেইন অব কমান্ডের দ্বারস্থ না হয়ে নিজ থেকে উদ্যোগ নিয়ে যোগাযোগ করতে বলেন ইলোন মাস্ক। চেইন অব কমান্ডের বিশাল শেকল পার হতে হতে কাজটা আর হয় না, দাবি করেন তিনি।

৭) নিয়ম মেনে চলতে গিয়ে সময় নষ্ট করার দরকার নেই

‘সবসময় উপস্থিত বুদ্ধি ব্যহার করে কাজ করুন। কোম্পানি রুল যদি কোনো পরিস্থিতিতে উদ্ভট মনে হয় তাহলে ওই নিয়মটা পাল্টে ফেলাই উচিত,’ বলেন মাস্ক।

 

কোনো অর্থ ব্যয় ছাড়াই শুধু স্মার্টফোন ব্যবহার করে হাজার হাজার ডলার আয় করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের কিছু তরুণ। তাদের এই আয়ের উৎস ‘এইচকিউ ট্রিভিয়া’ নামে একটি জনপ্রিয় মোবাইল অ্যাপলিকেশন।


অ্যাপটি যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয়তার পর চলতি বছরের শুরুতে ব্রিটেনে আসে। বিনা পয়সার এই অ্যাপটি মূলত ১৫ মিনিটের লাইভ স্ট্রিম কুইজ শো প্রচার করে থাকে। আর এই কুইজে অংশ নিয়েই ব্যবহারকারীরা প্রতিদিন দুই ডলার থেকে শুরু করে হাজার হাজার ডলার পর্যন্ত আয়ের সুযোগ পান।

সম্প্রতি অ্যাপটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় জ্যাকপট নিয়ে হাজির হয়। সেখানে ৮৩ জন বিজয়ীর মধ্যে ৩ লাখ ডলার ভাগ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করে তারা। মোবাইলের মাধ্যমে কুইজের মোট ১২টি প্রশ্নের সঠিক উত্তরের ভিত্তিতে দেওয়া হয় এই মোটা অংকের অর্থ পুরস্কার।

শুধু তাই না ওই জ্যাকপট শো’র অতিথি উপস্থাপক হিসেবে ছিলেন দ্য রক-খ্যাত জনপ্রিয় রেসলার ও অভিনেতা ডোয়েন জনসন।

ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ ভাইনের সহ প্রতিষ্ঠাতা কলিন ক্রোল ও রুশ ইউসুপোভ এই অ্যাপ্লিকেশনটি তৈরি করেন।

এ ব্যাপারে রুশ বলেন, ‘আমরা চাই সবাই যেন সেই গৎবাঁধা টেলিভিশন কুইজ থেকে বেরিয়ে এসে নতুন কিছুর প্রতি আকৃষ্ট হয়। এ কারণে আমরা প্রতিটি অনুষ্ঠান এমনভাবে সাজাই যেন ব্যবহারকারীরা আমাদের সঙ্গে বেশি করে সম্পৃক্ত হতে পারে এবং তারা যেন প্রতিদিন আমাদের ভিজিট করতে আগ্রহ পায়।’

তবে অনেকেই প্রশ্ন তোলেন যে অ্যাপটির নাম দু’দিন আগেও কেউ জানতো না, সেটি কিভাবে রাতারাতি এতো বিপুল পরিমাণ অর্থ বিলিয়ে যাচ্ছে? এমনকি আলোচিত তারকাদেরও মঞ্চে আনছে কোনো বাড়তি বিজ্ঞাপন প্রচার না করেই।

এ ব্যাপারে অ্যাপটির ব্রিটিশ সংস্করণের উপস্থাপক শ্যারন কারপেন্টার জানান, লাইভ স্ট্রিমিংয়ের ভিউয়ার হিট থেকেই তাদের এই আয় হয়।

শ্যারন কারপেন্টার বলেন, ‘সরাসরি সম্প্রচারিত বিষয়ের প্রতি ভিউয়ারদের আগ্রহ সবসময় বেশি থাকে। কারণ এখানে রাখ-ঢাকের কোনো সুযোগ নেই। যেকোনো সময় যেকোনো কিছু হতে পারে। সবাই জানতে চায় কুইজটার শেষ পর্যন্ত কি হয়। আর মোবাইলে ব্যবহার করায় মানুষ চলার পথেও আমাদের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। এভাবে এইচকিউ ট্রিভিয়া একদিন টেলিভিশন সম্প্রচারের জায়গা দখল করবে।’

ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে এখন কুইজ শো’টির দর্শক সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে লাখ থেকে কোটিতে।

মোবাইল ফোনে মিথ্যা বললে ধরিয়ে দেবে অ্যাপ! 

মোবাইল ফোনে কথা বলার সময় প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে মিথ্যা বলেন অনেকেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা ধরতে পারেন না অন্যপ্রান্তে থাকা মানুষটি। এ বিষয় ভেবে নতুন একটি অ্যাপ তৈরি করছেন ইউনিভার্সিটি অব কোপেনহেগেনের একজন বিজ্ঞানী। তিনি এক গবেষণায় দেখিয়েছেন, মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী মিথ্যা বলছেন কিনা তা ফোনের সহায়তায় খুঁজে বের করা সম্ভব।


এজন্য একটি মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম তৈরি করেছেন ওই বিজ্ঞানী। এর নাম ‘ভেরিটেপস’। এই অ্যালগরিদম দুটি সংকেতের মাধ্যমে সত্য-মিথ্যার চিহ্ন দেবে। যখন অ্যাপে সবুজ চিহ্ন আসবে তখন বুঝতে হবে ব্যবহারকারী সত্য বলছেন। আবার লাল রঙের প্রশ্নবোধক চিহ্নের মাধ্যমে মিথ্যা বক্তব্য চিহ্নিত করা যাবে।

বর্তমানে পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে এই অ্যাপ। ইতিবাচক সাড়া পেলে এটাকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হতে পারে। তবে এই অ্যাপ শুধু অ্যান্ড্রয়েড গ্রাহকরা ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।

অ্যাপটির সঙ্গে জড়িত একজন বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, পলিগ্রাফের ওপর ভিত্তি করে সত্য-মিথ্যা চিহ্নিত করা হবে। অবশ্য অ্যাপটির ক্ষমতা সীমাবদ্ধ। যে কারণে উচ্চপর্যায়ের কোনও কাজে এর ব্যবহার ফলপ্রসূ হবে না।


জন্মদিনে (গত ২৮ মার্চ) বেশ ঘটা করে নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‌‘শাকিব খান অফিশিয়াল’ চালু করেছেন ঢালিউড কিং। এখন সেই চ্যানেলটির জন্য নিয়মিত ইউটিউব প্যাকেজও তৈরি হচ্ছে।


যার ভালো নমুনা পাওয়া গেল গত ১৯ এপ্রিল। শাকিবের মুক্তিপ্রতীক্ষিত ছবি ‘ভাইজান এলো রে’ নিয়ে ইউটিউবে বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে তিনি তার ভক্ত-দর্শকদের নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন ছবিটি দেখার জন্য।

লন্ডনে গানের শুটিংয়ের ফাঁকে ধারণ করা বিশেষ এই ভিডিওতে শাকিবের সঙ্গে অংশ নেন ওপার বাংলার পায়েল সরকার। পাশাপাশি এই ছবির ‘চলো হাঁটি পায়ে পায়ে’ গানের কিছু অংশ নেচে দেখিয়েছেন এই তারকারা।

ভিডিওতে শাকিব খান বলেন, ‘এই গানের মাধ্যমেই ছবিটির কাজ শেষ হলো। এটির শেষ কাজ হয়েছে লন্ডনে। আগামী ঈদুল ফিতরে ছবিটি মুক্তি পাবে।’

‘ভাইজান এলো রে’ ছবিটি পরিচালনা করেছেন জয়দীপ মুখার্জি। এতে আরও অভিনয় করছেন শ্রাবন্তী, রজতাভ দত্ত, বিশ্বনাথ, শান্তিলাল মুখার্জি ছাড়াও কলকাতা ও বাংলাদেশের অনেকেই। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে কলকাতায় একটি গানের মাধ্যমে ছবির কাজ শুরু হয়। ছবিটি প্রযোজনা করছে ভারতের এসকে মুভিজ।

জানা গেছে, বাংলাদেশে ছবিটি সাফটা চুক্তির আওতায় মুক্তি দেওয়া হবে।

এদিকে লন্ডনে এই ছবির কাজ শেষে গতকাল (২০ এপ্রিল) ঢাকায় ফিরেছেন শাকিব খান। দেশে তিনি ‘সুপার হিরো’ ও ‘ক্যাপ্টেন খান’ ছবির কাজ করবেন। ছবি দুটোতে তার বিপরীতে অভিনয় করছেন শবনম বুবলী।

এদিকে ২০ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের ৯১টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে শাকিব-শুভশ্রীর ‘চালবাজ’।
ইউটিউবে শাকিবের নিমন্ত্রণ বার্তা:



 

বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ লাইফস্টাইল ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম বাগডুম ডট কম এবং বিশ্বখ্যাত শেভিং পণ্য ও লাইটার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বিক-এর বাংলাদেশের পরিবেশক এম এন্ড ইউ ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। বিক প্যারিস স্টক এক্সচেঞ্জ এর তালিকাভুক্ত পারিবারিক মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠান। এই চুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকরা বাগডুম-এ বিশাল মূল্যছাড়ে বিক-এর পণ্য কিনতে পারবেন।


সম্প্রতি রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী এভিনিউ, বারিধারা, গুলশান এ অবস্থিত এম অ্যান্ড ইউ-এর প্রধান কার্যালয়ে এই চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। বাগডুম ডট কম-এর সিইও মিরাজুল হক এবং এম অ্যান্ড ইউ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর কাজী সাদিক বিন মাহমুদ এর উপস্থিতিতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারাও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বাগডুম একটি ওয়ান-স্টপ লাইফস্টাইল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বেশকিছু স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের পণ্য পাওয়া যায়। একেবারে সাদাসিধে থেকে শুরু করে ক্যাজ্যুয়াল কিংবা বিলাসবহুল, ট্রেন্ডি, অনন্য কিংবা ঐতিহ্যবাহী কী নেই এখানে। বাগডুম মানুষের নিত্যদিনের প্রয়োজনীয়তা থেকে শুরু করে বিশেষ অনুষ্ঠান, জরুরি চাহিদা ও বিশেষ উপলক্ষ্য উদযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুর উপর গুরুত্ব দেয়। বাগডুম তরুণ প্রজন্মকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়, যারা ‘বাগডুম প্রজন্ম’ নামে পরিচিত এবং বাগডুম কেবল ব্র্যান্ড সম্প্রসারণেই বিশ্বাস করে না, বরং তরুণ প্রজন্মের জীবনের নানা গল্প শেয়ার করে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করে।

বিক প্রোডাক্টস আমাদের দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে সহজলভ্য সেবা প্রদান করে। ফ্রান্স ভিত্তিক কর্পোরেশন বিক, বলপয়েন্ট কলম তৈরি করার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। এটি ১৯৪৫ সালে ব্যারন মার্সেল বিক কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সহজলভ্য দৈনন্দিন পণ্য যেমন: লাইটার, রেজর, মেকানিকাল পেন্সিল ও কাগজের পণ্য তৈরি করে পরিচিতি লাভ করে। বাংলাদেশে বিক-এর একমাত্র পরিবেশক এম এন্ড ইউ ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড। এই চুক্তির মাধ্যমে বিক-এর পুরুষ এবং মহিলাদের ফোম এবং জেল শেভার এর পাশাপাশি লাইটার-ও বাগডুম ডট কম-এ পাওয়া যাবে। এই চুক্তির ফলে গ্রাহকরা বাগডুম ডট কমে বিক পণ্যে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মূল্য ছাড় উপভোগ করবেন।

বাগডুম ডট কম-এর সিইও মিরাজুল হক বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড এম এন্ড ইউ ডিস্ট্রিবিউশন লিঃ এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। যেটি বিক এর মত আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডকে পরিবেশন করেছে। আমরা বিশেষভাবে আনন্দিত কেননা তাদের পণ্যের মান, ট্রেন্ড ও পণ্যের দাম আমাদের মিলেনিয়াল ক্রেতাদের সাথে দারুণভাবে মিলে যায়; যা আমাদের একসাথে সমান তালে পথচলাকে দীর্ঘায়িত করবে’।

বাগডুম-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হওয়া সম্পর্কে এম অ্যান্ড ইউ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর কাজী সাদিক বিন মাহমুদ বলেন, ‘বিক প্রোডাক্টসমূহের জন্য বাগডুমের সাথে চুক্তিবদ্ধ হতে পেরে আমরা গর্বিত। দুইটি প্রতিষ্ঠানই নিজ নিজ ক্ষেত্রে নেতৃস্থানীয় পর্যায়ে রয়েছে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি ব্যবসায় শীর্ষস্থান ধরে রাখার জন্য নিত্যনতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করা অপরিহার্য। আমাদের লক্ষ্য ই-কমার্স খাতকে দেশ এবং ক্রেতার জন্য আরো শক্তিশালীভাবে গড়ে তোলা’।

ফেসবুকে একজনের স্ট্যাটাস আরেকজন কি পরিবর্তন করতে পারেন? 

সম্প্রতি দেশে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ইস্যুতে সরগরম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যুতে ভরে উঠছে ফেসবুক ওয়াল। নিউজ ফিডে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন নিউজ, স্ট্যাটাস এবং ছবিসহ আরও অনেক কিছু। আবার এর মধ্যেই দেখা যাচ্ছে এমন কিছু স্ট্যাটাস বা স্ক্রিনশট, যা প্রচুর শেয়ার হচ্ছে, তর্ক-বিতর্ক হচ্ছে, এমনকি ভাইরালও হয়ে যাচ্ছে। অথচ এসবের বেশিরভাগই ভুয়া বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এমনও দেখা গেছে, কারও মূল স্ট্যাটাসকে বিকৃত করে স্ক্রিনশট আকারে তুলে দেওয়া হচ্ছে। যা বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে, সমাজে ঘৃণা উসকে দিচ্ছে। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে, ফেসবুকে একজনের স্ট্যাটাস আরেকজন কি পরিবর্তন করতে পারেন?


সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্ট্যাটাস পরিবর্তন করা সম্ভব। এমন অনেক টুল অনলাইনে, এমনকি ফেসবুকেই আছে। সেসব ব্যবহার করে বক্তব্য বদলে বা অর্থ পরিবর্তন করে স্ক্রিনশট আকারে ফেসবুকে প্রকাশ করা সম্ভব। অন্তত তিনটি উপায়ে এসব করা যায় বলে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কারও স্ট্যাটাস কপি করে ওই সব টুল ব্যবহার করে প্রকৃত স্ট্যাটাসের কোনও লাইন পরিবর্তন করে তাতে স্পর্শকাতর কোনও অংশ জুড়ে দিয়ে ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়া সম্ভব। আর এখন অনেক ক্ষেত্রে এসবই হচ্ছে। আর এভাবে বিদ্বেষপ্রসূত কোনও স্ট্যাটাস সংশ্লিষ্ট কোনও গোষ্ঠীর বিপক্ষে দিলে তা অনেক সময় ভাইরাল হয়ে যায়।

প্রযুক্তি নিরাপত্তা বিশ্লেষক বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক অপারেটর্স গ্রুপের (বিডিনগ) ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ সাবির বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে আমরা সবকিছুর উৎস বানিয়ে ফেলেছি এবং বিশ্বাস করছি। এটা ঠিক নয়। সবকিছু বিশ্বাস করা যাবে না। আগে যাচাই করতে হবে স্ট্যাটাসটি যিনি দিয়েছেন তিনি এটি দিতে পারেন কিনা বা তার ওয়ালে গিয়ে চেক করা যে সেখানে স্ট্যাটাসটি আছে কিনা।’ কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, কারও স্ট্যাটাস একটু মডিফাই (বা পরিবর্তন) করে অর্থ বদলে দিয়ে তা পোস্ট দেওয়া সম্ভব। এটা মানুষকে, সমাজকে এমনকি দেশকে বিপদে ফেলতে পারে। রাজনৈতিক সংঘাত ডেকে আনতে পারে। এজন্য তিনি সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

সুমন আহমেদ সাবির বলেন, ‘ভুয়া স্ট্যাটাস মানুষের বিপদ ডেকে আনতে পারে, তাকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে এবং তা বুঝতে পেরে চিহ্নিত করে প্রটেস্ট (প্রতিবাদ) করলে তা কমে আসবে।’ সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং এ ধরনের অপরাধ করলে তা আইনের আওতায় নিয়ে বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিলে এসব কমতে পারে বলে মনে করেন তিনি। সম্প্রতি কোটা সংস্কার আন্দোলনে এ ধরনের অনেক ঘটনা ঘটেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ফেসবুক ডেভেলপার গ্রুপের সাবেক ব্যবস্থাপক আরিফ নিজামী বলেন, ‘সম্প্রতি কারও কারও স্ট্যাটাস পরিবর্তন করে নতুন লাইন জুড়ে দিয়ে তা স্ক্রিনশট আকারে আবারও স্ট্যাটাস দেওয়া হচ্ছে। এগুলো এত নিখুঁতভাবে করা হয়ে যে কোনোভাবেই বোঝার উপায় থাকে না যে এটা ভুয়া স্ট্যাটাস।’ তিনি বলেন, ‘এসব দেখেই প্রথমে বিশ্বাস করা উচিত নয়। এর চেয়ে বরং মূল স্ট্যাটাসটি দেখে আসা যেতে পারে। সার্চ অপশনে গিয়ে একটু চেষ্টা করলেই তা খুঁজে পাওয়া সম্ভব।’

তিনি জানান, রাতারাতি অনেক আইডি তৈরি হয়ে কোনও বিষয়ে প্রচারণা চালানো বা কুৎসা রটানো হতে পারে। বিষয়টি পরীক্ষার জন্য ওই আইডি কবে ক্রিয়েট হয়েছে এবং ইউজার নেম বা ইউআরএল পরীক্ষা করলেই তা বোঝা সম্ভব। তিনি বলেন, ‘অনেক সময় ইউজার নেম বদলেও এ ধরনের স্ট্যাটাস ছাড়া হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ইউআরএল ভালো করে পরীক্ষা করে দেখলেই মূল তথ্য অনেকাংশে উদঘাটন করা সম্ভব।’ আরিফ নিজামী জানান, প্রযুক্তি ব্যবহারকারীরা যদি প্রযুক্তিতে সচেতন না হন, শিক্ষিত না হন তাহলে এ ধরনের ভুল নিউজ বা ভুয়া স্ট্যাটাসের জয়জয়কার থামবে না। তিনি বলেন, “‘তুমি ইন্টারনেটে যা দেখো তা-ই বিশ্বাস কোরো না, যাচাই করে বিশ্বাস করো’, তাহলে এ ধরনের গুজব বা ভুয়া স্ট্যাটাস ডালপালা মেলতে পারবে না।”

তিনি উল্লেখ করেন, যারা এভাবে বিপদে পড়েন (স্ট্যাটাস পরিবর্তন হয়ে যাওয়া) তারা বুঝে হোক বা না হোক নিজেকে রক্ষা করার নিমিত্তে ফেসবুক আইডি হ্যাক হওয়ার কথা বলেন। আসলে তিনি নিজেও জানেন না যে তার আইডি হ্যাক হয়নি। একটু চেক করলেই এটা বোঝা যায়।

দেশে তিন কোটির বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী থাকায় এসব অপকর্মের মাধ্যম হিসেবে ফেসবুকের নামই সবার আগে চলে আসছে। ফেক টুইট বা ফেসবুক স্ট্যাটাস জেনারেটর টুলস দিয়েও এসব করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অন্যদিকে একই কায়দায় মেসেঞ্জারের চ্যাট বক্সের ক্রিনশট নিয়ে ‘যা বলা হয়েছে’ তা সম্পাদনা করে নতুন লাইন যুক্ত করেও স্ট্যাটাস দেওয়া যাচ্ছে। এগুলো এতটাই নিখুঁত হচ্ছে যে যার মেসেজ বক্স থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া হয়েছে, তিনি নিজেও ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না এটা তার নয়।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা পরিচয় গোপন রাখার শর্তে  জানান, এ ধরনের কোনও ঘটনায় কেউ সংক্ষুব্ধ হলে তার অভিযোগ আমলে নেওয়া যেতে পারে। পরে তার অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট স্ট্যাটাস, স্ক্রিনশট পরীক্ষা করে দেখে নিশ্চিত হওয়া যেতে পারে কাজটি তিনি করেছেন কিনা।

ওই কর্মকর্তা তার বিভাগের আইটি ফরেনসিক ল্যাবের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘এখানে যেসব প্রযুক্তি রয়েছে তা দিয়ে অনলাইনে ঘটে যাওয়া যেকোনও ঘটনার প্রকৃত চিত্র উদঘাটন করা সম্ভব।’

আজকাল সবাই কমবেশি স্বাস্থ্যসচেতন। তবে হ্যাঁ, বিকেলবেলার নাশতায় মন যদি মুখরোচক কিছু দাবি করে বসে, তখন দেখা দেয় মুশকিল। কারণ মুখরোচক খাবার মানেই ভাজাপোড়া, অর্থাৎ অনেকটা কার্বোহাইড্রেট-ফ্যাট ও ক্যালোরি গ্রহণ করে ফেলা।


স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্সের বিষয়টি মাথায় রেখে আজ নিয়ে এলো সায়মা সুলতানার আরও একটি দারুণ রেসিপি ‘কাবুলি ছোলার চাট’। এতে তেল আছে মাত্র আধা চা চামচ, কার্বোহাইড্রেটও খুব সামান্য। প্রোটিন ও স্বাদে ভরপুর খাবারটির তৈরি করাটাও ভীষণ সহজ। ঠিক রেস্তোরাঁর মতো স্বাদ আনার কৌশল বিস্তারিত থাকছে রেসিপিতে।
 

উপকরণ

—কাবুলি ছোলা সেদ্ধ করে নেয়া ১ কাপ
—আলু সেদ্ধ করে টুকরা করে নেয়া ১/৪ কাপ (আলু খেতে না চাইলে পছন্দের অন্য সবজি দিতে পারেন)
—ধনিয়া পাতা মিহি কুচি ২ টেবিল চামচ
—পেঁয়াজ ছোট কিউব ৪ টেবিল চামচ
—কাঁচামরিচ পছন্দমতো
—আস্ত ধনিয়া দেড় চা চামচ
—আস্ত জিরা ১ চা চামচ
—আজওয়াইন আস্ত আধা চা চামচ (বাংলাতে এটাকে জৈন বলে, যদিও আজওয়াইন নামেই বাজারে পরিচিত। একরকম জিরার মতো দেখতে কিন্তু ছোট। যদি না পাওয়া যায় তাহলে বাদ দিয়েও করতে পারেন।)
—বিট লবণ আধা চা চামচ
—শুকনা মরিচ ফাঁকি আধা চা চামচ (কমবেশি করা যাবে )
—লবণ, বিট লবণ ও তেল স্বাদমতো
 

প্রণালি

—প্রথমে আস্ত ধনিয়া, আস্ত জিরা, আস্ত আজওয়াইন একটা প্যানে নিয়ে কম আঁচে হালকা লাল করে ভেজে নিন। খুব বেশিক্ষণ নয়, আধা মিনিটে হয়ে যাবে। বেশিক্ষণ ভাজলে তেতো হয়ে যাবে।

—আস্ত ভাজা মসলাগুলো এবার হামানদিস্তায় ছেঁচে নিন। একটু আধা ভাঙা করলেই হবে, মিহিদানার মতো গুঁড়া প্রয়োজন নেই।

—এখন একটা ননস্টিক প্যানে আধা চা চামচ তেল দিয়ে এতে কাবুলি ছোলা ও সেদ্ধ আলু টুকরা দিন। বাদামি করে ভাজুন। এবার এতে পেঁয়াজ কুচি, মরিচ কুচি, ধনিয়া পাতা কুচি, ছেঁচে রাখা শুকনো মসলা, বিট লবণ, স্বাদমতো লবণ, শুকনা মরিচ ফাঁকি দিয়ে দিন। ৩ থেকে ৫ মিনিট রান্না করে নামিয়ে নিন।
 

সসের জন্য

—টক দইয়ের সঙ্গে বিট লবণ, চিনি, জিরা গুঁড়া, মিহি কুচি ধনিয়া পাতা, মিহি কুচি পুদিনা আপনার স্বাদ অনুযায়ী দিন। একসঙ্গে ফেটিয়ে মিশ্রণ বানিয়ে নিন।

—বাটিতে চাট নিন এবং এর ওপর খানিকটা দইয়ের মিশ্রণ দিন। অল্প তেঁতুলের মাড় আর ভুজিয়া দিয়ে পরিবেশন করুন কাবুলি ছোলার চাট।

 মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষ অফার

গ্রাহকদের স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করার জন্য স্যামসাং বাংলাদেশ ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চালু করেছে মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ। অ্যাপটি শুধু স্যামসাং গ্যালাক্সি স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এই অ্যাপ ব্যবহার করে গ্রাহকরা দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডের লাইফ স্টাইল পণ্য, বই, ভ্রমণ এবং গানের উপর আকষর্ণীয় ছাড় পাবেন। এখন পর্যন্ত মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ দেশের শীর্ষ স্থানীয় ব্র্যান্ড গুলোর মধ্যে উবার, বাগডুম, এবং গো-জায়ানের সাথে পার্টনারশিপ করেছে।


এছাড়াও খুব শীঘ্রই দেশের একটি জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত বিনোদন প্ল্যাটফর্ম মাই গ্যালাক্সি অ্যাপের সাথে পার্টনারশিপ করবে। উবারে চলাচল হবে এখন আরও সাশ্রয়ী কারণ মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ এবার উবারের পার্টনার হয়েছে। মাই গ্যালাক্সি অ্যাপের সাহায্যে নতুন উবার ব্যবহারকারীরা তাদের প্রথম দুই রাইডে ১০০ টাকা ডিসকাউন্ট পাবেন। ডিসকাউন্ট পাওয়ার জন্য গ্রাহককে মাই গ্যালাক্সি অ্যাপের সাহায্যে কুপন তৈরি করতে হবে। এরপর উবার অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। উবার অ্যাপ ডাউনলোড করার পর গ্রাহককে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে এবং এরপরই একজন গ্রাহক তার ডিসকাউন্ট কুপন ব্যবহার করতে পারবেন।

দেশের প্রখ্যাত ই-কমার্স সাইট বাগডুম গ্রাহকদের এক্সক্লুসিভ ডিল দেয়ার জন্য মাই গ্যালাক্সি অ্যাপের সাথেও পার্টনার হয়েছে। ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য ছাড়া বাগডুম তাদের অন্য সব পণ্যে ৮% ছাড় প্রদান করছে। এছাড়াও মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ এবং গো-জায়ান একত্রিত হয়ে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বুকিংয়ে ৫% ডিসকাউন্ট সুবিধা প্রদান করছে। মাই গ্যালাক্সি অ্যাপে দিয়ে সার্ভিস ট্রাকারের সাহায্যে যে কেউ তার মোবাইলফোন মেরামতের অগ্রগতি এবং কোন পর্যায় আছে তা জানতে পারবেন। এই সার্ভিস কেয়ার অপশনটি মাই গ্যালাক্সি অ্যাপের কেয়ার সেকশনে পাওয়া যাবে। সার্ভিস অগ্রগতি ট্র্যাক করার জন্য একজন গ্রাহককে তার মোবাইল সম্পর্কিত কিছু মৌলিক তথ্য অ্যাপে ইনপুট করতে হবে।

বাংলাদেশে গ্যালাক্সি অ্যাপ চালু হওয়ার পর থেকেই এর বিষয়বস্তু, সুবিধা এবং কেয়ারের জন্য গ্রাহকদের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। ২০১৭ সালে চালু হওয়ার পর খুব কম সময়ের মধ্যে ১ লাখেরও বেশী ব্যবহারকারী পেয়েছে যা দিনে দিনে বেড়েই চলছে। ব্যবহারকারীদের মধ্যে এই জনপ্রিয়তার দেখে, মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ আরও পার্টনার বাড়ানোর মাধ্যমে গ্রাহকদের জীবনকে আরও সহজ করে তোলার পরিকল্পনা করছে।

মুয়ীদুর রহমান, হেড অফ মোবাইল, স্যামসাং বাংলাদেশ বলেন, “মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ বিভিন্ন সুবিধা এবং সহযোগিতা প্রদানের জন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই অনন্য অ্যাপটি শুধু স্যামসাং স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে যার মাধ্যমে একজন গ্রাহক বিভিন্ন ধরণের ডিসকাউন্ট এবং অফার উপভোগ করতে পারবেন।”

স্যামসাং অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে থেকে মাই গ্যালাক্সি ডাউনলোড করতে পারবেন। এছাড়াও এই অ্যাপটি স্যামসাং-এর নতুন সব স্মার্টফোনের সাথে আগে থেকেই দেয়া থাকবে। আকর্ষণীয় অফারগুলো উপভোগ করার জন্য গ্রাহকদেরকে মাই গ্যালাক্সি অ্যাপের সার্ভিস সেকশনে যেতে হবে এবং কুপন তৈরি করতে হবে। নির্ধারিত কুপন নাম্বারের সাহায্যে একজন গ্রাহক কেনাকাটাতে ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারবেন।

 

আজ (১৮ এপ্রিল) অন্যতম আলোচিত নায়ক-প্রযোজক অনন্ত জলিলের জন্মদিন। বর্তমানে ধর্মীয় কাজে বেশ সক্রিয় থাকা এ তারকা আজকের দিন কাটানোর জন্য বেছে নিয়েছেন পবিত্র শহর মক্কাকে।


সপরিবারে সেখানে অবস্থান করছেন তিনি। সেখান থেকেই ফেসবুকের মাধ্যমে তিনি জানান, বাস চাপায় হাত হারানো মারা যাওয়া যুবক রাজীবের পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। তার অসহায় দুই ভাইয়ের লেখাপড়ার ভার নিজ কাঁধে তুলে নিতে চান বলে জানান এই তারকা।

মঙ্গলবার রাতে অনন্ত জলিল জানিয়েছেন, কিছু দিন আগে বাস দুর্ঘটনায় রাজীব নামে একজন মেধাবী শিক্ষার্থী তার হাত হারিয়েছিলেন। এবং আজ তিনি পৃথিবী হতে বিদায় নিয়েছেন। যা আমাকে বেশ মর্মাহত করেছে। বাবা-মা হারা এই সন্তান তার ছোট দুই ভাইকে পিতা-মাতার স্নেহ দিয়ে আগলে রেখেছিলেন।

কিন্তু রাজীবের অকাল বিদায়ে তার দুই ছোট ভাইয়ের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছে। তাই আমার জন্মদিনে আমি চাচ্ছি যে পরিবার হারা এই দুই সন্তানের পড়ালেখার দায়িত্ব নিতে।

উল্লেখ্য, গত ৩ এপ্রিল দুপুরে রাজধানীর কাওরানবাজারে সার্ক ফোয়ারার সামনে দুই বাসের চাপায় তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীব হোসেনের (২২) হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে পান্থপথের শমরিতা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ৪ এপ্রিল বিকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজীবকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। গত ৬ এপ্রিল রাজীবের চিকিৎসায় গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের প্রধান ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. শামসুজ্জামান শাহীন জানিয়েছিলেন, রাজীব এখনও আশঙ্কামুক্ত নয়। কারণ, তার হেড ইনজুরি আছে। মাথার সামনের অংশ আঘাতপ্রাপ্ত। মাথার হাড়ে ফাটল আছে। এরপর গত ১৭ এপ্রিল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ’তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রাজীব।

এদিক অন্তত জলিলের এমন জনহিতকর কাজ এটাই প্রথম নয়। এর আগে পরিচালক এফ আই মানিকের স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য তার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন অসম্ভবকে সম্ভব করা এ নায়ক। এছাড়া নিজে এতিমখানা পরিচালনাসহ জাতীয় দুর্যোগে দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন অনন্ত জলিল।

 

 নেদারল্যান্ডের রাজধানী আমস্টারডামে সংঘটিত ‘ফিউনারেল ফেয়ার’ মেলায় স্বেচ্ছামৃত্যুর সুযোগ করে দেবে এমন একটি যন্ত্র প্রকাশ করা হয়েছে। এই যন্ত্রটি তৈরি করেছেন অস্ট্রেলীয় উদ্ভাবক এবং চিকিৎসক ফিলিপ নিৎশকে।


১৫ এপ্রিল, রবিবার বিজ্ঞানবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমস্টারডামের এই মেলায় ‘সার্কো’ নামের এই যন্ত্রের প্রদর্শনী করেন ফিলিপ নিৎশকে। থ্রি-ডি প্রিন্টারে তৈরি এই যন্ত্রটি স্বেচ্ছামৃত্যুর ধরন পাল্টে দেবে বলে তিনি আশা করেন। এই যন্ত্রের সাহায্য কোনো কষ্ট ছাড়াই একজন মানুষ মৃত্যুবরণ করতে পারবেন।

‘সার্কো’ নামটি এসেছে ‘সার্কোফ্যাগাস’ শব্দটি থেকে। পাথরের তৈরি অলঙ্কৃত কফিনকে সার্কোফ্যাগাস বলা হয়। কফিনের মতো এই যন্ত্রটি একটি স্ট্যান্ডের ওপর দাঁড় করানো আছে। এর সঙ্গে সংযুক্ত আছে নাইট্রোজেনের একটি ক্যান। ফিলিপ নিৎশকে বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, স্বেচ্ছামৃত্যু চাইলে এই কফিনের ভেতরে শুয়ে একটি বোতাম চাপতে হবে। এতে ওই কফিনের ভেতরটা নাইট্রোজেনে ভরে যাবে। প্রথমে একটু মাথা ঘোরার ভাব হবে। এরপর ওই ব্যক্তি অচেতন হয়ে যাবেন এবং কিছু সময় পর মারা যাবেন।

ফিলিপ নিৎশকে নিজেকে ‘স্বেচ্ছামৃত্যু এবং ‘যুক্তিযুক্ত আত্মহত্যার’ পক্ষে একজন কর্মী মনে করেন। ‘এক্সিট ইন্টারন্যাশনাল’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে তার, যেখানে বলা হয় অসুস্থ এবং মৃত্যুপথযাত্রী একজন মানুষের অধিকার রয়েছে নিজের মৃত্যু বেছে নেওয়ার। তিনি মনে করেন, স্বেচ্ছামৃত্যু এবং আত্মহত্যা দুটোই মানুষের অধিকার। এ কারণেই সার্কো তৈরি করেছেন তিনি।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.