ফোর-জি’র লাইসেন্স পেতে ৫ অপারেটরের আবেদন

 

চতুর্থ প্রজন্মের (ফোর-জি) ইন্টারনেট সেবার জন্য পাঁচটি মোবাইল ফোন অপারেটর আবেদন করেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।



রোববার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে রমনায় বিটিআরসি ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ একথা জানান।

তিনি বলেন, আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আজকে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন জগতে একটি নতুন দিনের সূচনা হলো। শেষ পর্যন্ত ফোর-জি বা এলটি সেবা শুরু করতে যাচ্ছি। লাইসেন্সের জন্য শেষ সময় (রোববার) বেলা ১২টা পর্যন্ত পাঁচটি অপারেটরের কাছ থেকে আবেদন পাওয়া গেছে।

ফোর-জি সেবা দেওয়ার জন্য টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম (সিটিসেল) লি., বাংলালিংক, গ্রামীণফোন ও রবি আজিয়াটা লিমিটেড আবেদন জমা দিয়েছে। আর তরঙ্গ নিলামের জন্য বাংলালিংক, গ্রামীণফোন, রবি ও সিটিসেল আবেদন করেছে।

সিটিসেলের নিলামে অংশগ্রহণের বিষয়ে বিটিআরসি জানায়, বকেয়া বেশিরভাগ দিয়েছে। তরঙ্গ গ্রহণের পর তাদেরকে ফোর-জি লাইসেন্স নিতে হবে।

নিলামের জন্য বেস্ট প্রাইস হিসেবে ২১০০ মেগাহার্টজে প্রতি মেগাহার্টজের জন্য ধরা হয়েছে ২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ১৮০০ ও ৯০০ মেগাহার্টজের জন্য ধরা হয়েছে ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এখান থেকে নিলাম শুরু হবে। 

পৃথক কমিটি আবেদন মূল্যায়ন করে আগামী ২৩ জানুয়ারি কমিশনের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবে জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, সেই সুপারিশ পরবর্তীতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠানো হবে।

তবে বিদেশি কোনো প্রতিষ্ঠান চাইলে এখনও আবেদন করতে পারবে জানিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, দু’টি প্রতিষ্ঠান এসেছিলো, কিন্তু তার আর উত্তর পাওয়া যায়নি। আগামী মার্চের মধ্যে ফোর-জি সেবা চালু করা সম্ভব হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন চেয়ারম্যান।

তিন ধরনের তরঙ্গের জন্য নিলাম করা হবে জানিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, ২১০০ মেগাহার্টজ, ১৮০০ মেগাহার্টজ এবং ৯০০ মেগাহার্টজের জন্য নিলাম হবে।

বর্তমানে টুজি সেবা ৯০০ মেগাহার্টজ ও ১৮০০ মেগাহার্টজে দেওয়া হয় জানিয়ে তিনি বলেন, থ্রিজি সেবা ২১০০ মেগাহার্টজে দেওয়া হয়। ২১০০ মেগাহার্টজে যে থ্রিজি সেবা দেওয়া হয় সেখানে প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা দেওয়া আছে। অর্থাৎ এই তরঙ্গে ফোরজি, টুজি সেবাও দিতে

চতুর্থ প্রজন্মের (ফোর-জি) ইন্টারনেট সেবার জন্য পাঁচটি মোবাইল ফোন অপারেটর আবেদন করেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।