কেটে ফেলার আগেই দেখে আসুন যশোরের শতবর্ষী গাছগুলো

কেটে ফেলার আগেই দেখে আসুন যশোরের শতবর্ষী গাছগুলো 

গাছ রক্ষায় মোমবাতি মিছিল হলো। সংগ্রহ করা হলো গণস্বাক্ষর। এরপরও রক্ষা হচ্ছে না গাছগুলো। গত দুই মাস থেকেই পরিকল্পনা চলছে যশোর রোডের গাছগুলো কেটে ফেলার। তখন থেকেই চলছে গাছগুলো রক্ষায় নানা প্রতিবাদ। প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তোলেন শিল্পী, শিক্ষার্থী, পেশাজীবী, গায়কসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে চলছে প্রতিবাদ।


যশোর জেলার প্রসিদ্ধ ও গুরুত্বপূর্ণ যশোর-বেনাপোল মহাসড়কটি (যশোর রোড) খুব শিগগিরই দুই লেন থেকে চার লেনে উন্নীত করার কাজ শুরু হবে। গত ৫ জানুয়ারি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ বিষয়ে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় সভাপতি ছিলেন জেলা প্রশাসক জনাব মো. আশরাফ উদ্দিন। মতবিনিময় সভায় যশোর ৩ আসনের সংসদ সদস্যসহ নানা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সমাজের বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় জানানো হয়, ইতোমধ্যে এ মহাসড়কের উন্নয়ন কাজের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। তাই খুব শিগগিরই গাছগুলো কাটা শুরু হবে। রাস্তা তৈরির পর আবার নতুন করে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা আছে। কিন্তু পরিবেশ নিয়ে কাজ করে এমন সংগঠনগুলোর দাবি ছিল গাছগুলো রেখে মহাসড়কের কাজ করার।

এখানে উল্লেখ্য যে, এ গাছগুলো সাধারণ কোনো গাছ নয়। প্রত্যেকটি গাছের বয়স প্রায় ১৭৫ বছরেরও বেশি। যশোর জেলায় ভ্রমণকারীদের কাছে অন্যতম পছন্দের জায়গা ছিল শতবর্ষী এ রেইনট্রি গাছগুলোর ছায়ায় সৃষ্ট অসাধারণ পরিবেশ।

গাছ রক্ষায় মোমবাতি মিছিল হলো। সংগ্রহ করা হলো গণস্বাক্ষর। এরপরও রক্ষা হচ্ছে না গাছগুলো। গত দুই মাস থেকেই পরিকল্পনা চলছে যশোর রোডের গাছগুলো কেটে ফেলার। তখন থেকেই চলছে গাছগুলো রক্ষায় নানা প্রতিবাদ। প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তোলেন শিল্পী, শিক্ষার্থী, পেশাজীবী, গায়কসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে চলছে প্রতিবাদ।