উপহার যখন আস্ত একটি চকলেট মিউজিয়াম!

উপহার যখন আস্ত একটি চকলেট মিউজিয়াম! 

চকলেট মিউজিয়াম? চকলেটের তৈরি জাদুঘর নাকি সেখানে রাখা আছে বাহারি চকলেট? সেই চকলেট কি খাওয়া যায়? নাকি শুধু দেখতে হয়? এমন অসংখ্য প্রশ্ন ভিড় করছে নিশ্চয়ই চকলেট প্রেমীদের মনে, তাই না? মজার এই মিউজিয়ামটি আপনাদের জন্যই তৈরি। চকলেট যারা ভালোবাসেন তাদের মনে চকলেট নিয়ে অনেক জিজ্ঞাসাও আছে। সেইসব জিজ্ঞাসা মেটাবে এই জাদুঘর। তবে এটির নির্মাণ হয়েছিল উপহার হিসেবে!


জার্মানির কোলন শহরে চকলেট জাদুঘরের অবস্থান। দেখতে অনেকটা জাহাজের আদলে তৈরি জাদুঘরটি ৪,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে অবস্থিত। চকলেট আর কোকোর আদি ইতিহাস থেকে বর্তমান সব কিছুই তুলে ধরা হয়েছে এখানে। আদি মানে কিন্তু ২০০/৪০০ বছর আগের কথা নয়! ৩,০০০ বছর আগের কথা!

জাদুঘরটির নির্মাতা ‘স্টলভের্ক’ নামক চকলেট কোম্পানির মালিক হান্স ইমহোফ। এটির নির্মাণকাল ১৯৯৩ সাল। হান্স তার প্রিয় শহর কোলনকে উপহার দেয় এই মিউজিয়াম! এরচেয়ে চমৎকার উপহার আর হয় না যেন! কারণ বুঝবেন যারা চকলেট ভালোবাসেন প্রাণ দিয়ে তারাই। এখানে প্রবেশ করা মাত্র হারিয়ে যাবেন এক অন্য ভুবনে।

জানবেন ২০ জাতের কোকোর পরিচয়, কোকো চাষসহ আরও অনেক কিছু সম্পর্কে। কোকোর জন্ম ল্যাটিন আমেরিকায়। ১৭০০/১৮০০ শতকে এটি যখন প্রথম ইউরোপে নিয়ে আসা হয় তখন মূলত তৈরি হতো কোকোর ড্রিংক। ১৯/২০ শতকে কোকো আসে চকলেট আকারে! সেই থেকে কোকোর দানাই চকলেটের মূল উপাদান। এমন আরও চমকপ্রদ তথ্য জানতে পারবেন এখানে।

চকলেট জাদুঘরের আরেকটি মজার আর বিশেষ আকর্ষণ হলো চকলেটের ৩ মিটার উঁচু ঝর্ণা। এই ঝর্ণা দেখলে ঝর্ণার চকলেট কেমন স্বাদের তা জানতে ইচ্ছা করবেই! চিন্তার কোনো কারণ নেই, ব্যবস্থা আছে! এখানে আসলেই একটি করে বিস্কুট দেওয়া হবে আপনাকে গরম চকলেটে ডুবিয়ে খাওয়ার জন্য।

জাদুঘরের অধীনে আছে একটি ক্যাফে। চকলেট, চকলেট কেক আর চকলেট দিয়ে বানানো নানা জিনিস পাবেন এখানে। সেই সাথে উপভোগ করতে পারবেন রাইন নদীর অপরূপ সৌন্দর্য।

চকলেট মিউজিয়াম? চকলেটের তৈরি জাদুঘর নাকি সেখানে রাখা আছে বাহারি চকলেট? সেই চকলেট কি খাওয়া যায়? নাকি শুধু দেখতে হয়? এমন অসংখ্য প্রশ্ন ভিড় করছে নিশ্চয়ই চকলেট প্রেমীদের মনে, তাই না? মজার এই মিউজিয়ামটি আপনাদের জন্যই তৈরি। চকলেট যারা ভালোবাসেন তাদের মনে চকলেট নিয়ে অনেক জিজ্ঞাসাও আছে। সেইসব জিজ্ঞাসা মেটাবে এই জাদুঘর। তবে এটির নির্মাণ হয়েছিল উপহার হিসেবে!