আইফোনের ‘ইচ্ছাকৃত’ ধীরগতি ধরল কিশোর, অ্যাপলের ক্ষমাপ্রার্থনা

আইফোনের ‘ইচ্ছাকৃত’ ধীরগতি ধরল কিশোর, অ্যাপলের ক্ষমাপ্রার্থনা 


 অ্যাপল তাদের পুরনো আইফোনগুলোর গতি ইচ্ছা করেই ধীর করে দেয় যাতে গ্রাহকরা নতুন হালনাগাদ করা ফোন কেনে -এমন  অভিযোগে মামলার মুখে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বিষয়টি প্রথম ধরতে পারে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর।


টাইলার বার্নি নামের হাই স্কুলের এক ছাত্র তার নিজের আইফোন ৬এস-এর লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারিতে প্রথম এই সমস্যা খুঁজে পায়। বার্নি জানায়, এটা খুবই ঝামেলার হয়ে উঠছিল, টাইপ করা রীতিমত কষ্টকর হয়ে যায়। এ সময় সে অ্যাপলের নতুন হালনাগাদের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। এসময় বার্নি তার ভাইয়ের আইফোন ৬ ব্যবহার করে দেখে, এবং আশ্চর্জজনকভাবে এই ফোনটি পুরনো হলেও বেশ দ্রুতগতির ছিল।

এরপর বার্নি এর কারণ কী তা জানার জন্য তার ফোনের ব্যাটারি পাল্টায়। এতে তাৎক্ষণিকভাবে তার ফোন দ্রুতগতির হয়ে যায়। বার্নি এই ঘটনার পর রেডিটে টেকফায়ার ইউজার নামে মেসেজ পোস্ট করে এবং অ্যাপলের ‘ইচ্ছাকৃত’ এই ধীরগতি নিয়ে তার নিজের অনুসন্ধানের কথা জানায়। পোস্টটি কিছু সময়ের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়।

বিশ্বব্যাপী আইফোন গ্রাহকরা অ্যাপলের বিরুদ্ধে খেপে গিয়ে মামলা করে দেয়। এই মামলায় প্রতিষ্ঠানটির বিলিয়ন ডলার জরিমানা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

২৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার অ্যাপল ধীরগতি আনার বিষয়ে ক্ষমা চেয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ওয়ারেন্টি শেষ হয়েছে এমন আইফোনের ব্যাটারি পরিবর্তন করতে ৭৯ মার্কিন ডলারের পরিবর্তে ২৯ ডলার নেওয়ার ঘোষণা দেয়।

আইফোনে ধীরগতির কারণ হিসেবে অ্যাপল জানায়, আইফোনের অ্যালগরিদম এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে ব্যাটারিতে চার্জ কম থাকলেও ডিভাইসটি পুরোপুরি বন্ধ না হয়ে সন্তোষজনক কার্যক্ষমতা দিতে পারে। আর একারণেই কিছু গ্রাহক ধারণা করেছেন, নতুন আইফোনে আপগ্রেড করানোর জন্যই অ্যাপল পুরানো আইফোনে ধীর গতি করেছে।

অ্যাপল তাদের পুরনো আইফোনগুলোর গতি ইচ্ছা করেই ধীর করে দেয় যাতে গ্রাহকরা নতুন হালনাগাদ করা ফোন কেনে -এমন অভিযোগে মামলার মুখে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বিষয়টি প্রথম ধরতে পারে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর।