নাবালিকাকে যৌন হয়রানি, মুখ খুললেন পাপন এবং নাবালিকা 

অসংখ্য জনপ্রিয় গানের গায়ক পাপনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ দায়ের করা হলো গতকাল শুক্রবার। এই ঘটনা নিয়ে গতকাল গোটা ভারতীয় মিডিয়া ছিল তোলপাড়। সংবাদে প্রকাশ, শিশুদের রিয়েলিটি শো-তে এক নাবালিকাকে জোর করে চুমু খেয়েছেন আসামের জনপ্রিয় গায়ক পাপন। সেই রিয়েলিটি শোয়ের বিচারক তিনিই। গত মঙ্গলবার পাপন নিজের ফেসবুক পেজেই সেই শুটের ভিডিওটি লাইভ করেন। সেখানেই দেখা যায়, হাসি, গান, নাচ, মজা করতে করতে, আচমকাই পাপন এক নাবালিকা প্রতিযোগীকে রং মাখিয়ে তার ঠোঁটে চুম্বন করেন।


এই ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় অভিযোগ। নাবালিকাকে যৌন হেনস্থা করার জন্য অভিযোগের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয় পাপনকে। বিষয়টি প্রথমে সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীর নজরে আসে। তিনি মনে করেন, একজন নাবালিকাকে এভাবে চুম্বন করা যৌন হয়রানির সমান। বিভিন্ন রিয়েলিটি শোয়ে অংশ নেওয়া বাচ্চা প্রতিযোগীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে, পকসো আইনে পাপনের বিরুদ্ধে মামলা করেন এই আইনজীবী।

ঘটনার পর থেকেই সরব হয় সোশ্যাল মিডিয়া। এ ধরনের কাণ্ড ঘটানোর জন্য পাপনকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে, এমন দাবিও তোলেন নেটিজেনরা। অবশেষে নীরবতা ভেঙে প্রতিক্রিয়া দিলেন পাপন। তার দাবি, ভুল অ্যাঙ্গেলে ক্যামেরা ধরে রাখার জন্য মনে হয়েছে চুম্বনটি অশালীন। আসলে সেই মুহূর্তে উচ্ছ্বাসে, উত্তেজনায় তিনি ওই কাণ্ডটি ঘটিয়ে ফেলেন। কোনও রকম খারাপ উদ্দেশে তিনি এমন করেননি। এমনকি পুরো ঘটনাটি রিয়েলিটি শোয়ের অন্য সদস্যদের উপস্থিতিতে ঘটেছে। কোনও রকম অশালীন কিছু বা যৌন হয়রানির উদ্দেশ্য তার ছিল না।

পাপন বলেন, ‘এ ধরনের অভিযোগ করার আগে প্রত্যেকেরই আরও একটু সতর্ক হওয়া উচিত। এই ঘটনায় যাদের নাম জড়িয়ে যায় এবং যাদের পরিবার জড়িয়ে যায়, প্রত্যেকেরই সমাজে প্রচুর লজ্জা-হয়রানির সম্মুখীন হতে হয়। আমার স্ত্রী, দুটি ছোট ছোট সন্তান রয়েছে। এমনকি ওই মেয়েটির পরিবারের সদস্যদেরও একইরকমের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তাই এধরনের ঘটনায় কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে প্রত্যেকেরই উচিত, আরও একটু বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া।’

প্রসঙ্গত, রিয়েলিটি গানের শো ভয়েস ইন্ডিয়া কিডস-এ শান এবং হিমেশ রেশমিয়ার সঙ্গে বিচারক আসনে রয়েছেন পাপন। মঙ্গলবার ওই শোয়ের একটি হোলির পর্ব ধারণ হচ্ছিল। সেই সময়ই আচমকা দেখা যায়, এক নাবালিকা প্রতিযোগীকে রং মাখিয়ে অশালীন ভাবে চুম্বন করেন পাপন। এরপরই শীর্ষ আদালতের ওই আইনজীবী প্রতিবাদ করেন। তার দাবি, এ ধরনের ঘটনা থেকে বিভিন্ন রিয়েলিটি শোয়ে যোগদানকারী শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন উঠে গেল।

আসামের এই গায়ক ‘বারফি’, ‘বেফিকরে’, ‘সুলতান’, ‘দম লাগা কে হাইসা’র মতো একাধিক ছবিতে গান গেয়েছেন এবং প্রতিটিই যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়েছে। এদিকে পুরো ঘটনার অপব্যাখ্যা হচ্ছে হলেই দাবি পাপনের ম্যানেজারের। তিনি জানিয়েছেন, কোনরকম খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে এ কাজ করা হয়নি। তাই পাপনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকেও ভিডিওটি ডিলিটও করা হয়নি। এদিকে পাপনের মতো জনপ্রিয় গায়কের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অভিযোগে পাপনের ফ্যানস ক্লাবের পক্ষ থেকে পালটা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

একই কথা জানিয়েছেন পাপনের আইনজীবীও। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ‘ঘটনার জন্য মানসিকভাবে খুবই অশান্তিতে রয়েছেন পাপন। কোনও অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এই কাজ করেননি তিনি।’ এদিকে ইউটিউবে একটি ভিডিওর মাধ্যমে মুখ খুলল সেই নাবালিকা প্রতিযোগী। সেই ভিডিওতে প্রতিযোগী সাফ জানিয়ে দেয়, ‘পাপন স্যার’ খারাপ কিছু করেননি।

মেয়েটি জানায়, ‘হোলির জন্য আমাদের স্পেশাল শুট হচ্ছিল। শুটের পরে আমরা অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে পাপন স্যারের কাছে গিয়েছিলাম। তখন আমরা সবাই ফেসবুকে লাইভ এসেছিলাম আর সবাই খুব আনন্দ করছিলাম। সবাই দেখেছেন, পাপন স্যার খারাপ কিছুই করেননি। একটা বাচ্চাকে যেমন ভাবে চুমু খায়, পাপন স্যার তেমনই করেছিলেন। আমার মা-বাবাও এমন ভাবেই চুমু খায়। দয়া করে এর কোনও খারাপ মানে বের করবেন না।’

নিজস্ব ব্যবসায় পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি লাগবে না সৌদি নারীদের 

ব্যবসা শুরু করতে স্বামী বা কোনো পুরুষ আত্মীয়ের অনুমতির জন্য অপেক্ষা করতে হবে না সৌদি নারীদের। এখন থেকে নিজ সিদ্ধান্তেই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন তারা। সৌদি সরকার গত ১৫ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।


সৌদি আরবের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, এখন থেকে সৌদি নারীদের ব্যবসা করার ক্ষেত্রে পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি থাকার বিষয়টি প্রমাণ করতে হবে না। এটা ছাড়াই তারা ব্যবসা শুরু করতে পারবেন, এমনকি সরকারের ই-সেবা ব্যবহার করে লাভবান হতে পারবেন। 

মন্ত্রী পরিষদের মুখপাত্র আব্দুল রহমান আল-হুসাইন টুইট করে এই ঘোষণা দেন। এজন্য আরবি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেন তিনি।

হ্যাশট্যাগ ‘নো নিড’-এর ব্যবহারের মধ্য দিয়ে এই শিথিলতা অর্জন করেছে সৌদি নারীরা, এমনটি জানায় সৌদি আরবের সরকারি বার্তা সংস্থা।

সম্প্রতি সরকারি চাকরিতে নারীদের নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে দেশটি। এছাড়া নারীদের গাড়ি চালানোর ওপর এক দশকের নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেওয়া হয়েছে।

সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে গত অক্টোবর ‘মধ্যমপন্থী ও মুক্ত’ সৌদি আরব গড়ার প্রত্যয়ে শুরু হওয়া ‘ভিশন-২০৩০’ সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশটি কর্মজীবী নারীর হার মোট ২২ শতাংশ থেকে প্রায় এক-তৃতীয়াংশে উন্নীত করতে চায়। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও যুব সমাজের কাছে দেশের একটি আধুনিক ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।

 Our-bankers-are-no-less-than-Sophia

গত বছরের শেষে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে অংশ  নিয়ে হৈ চৈ ফেলে দিয়েছিল ভিনদেশি রোবট সোফিয়া। তবে এবারের বেসিস সফট এক্সপোতে আগ্রহের কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছে রোবট ব্যাংরো।


দেশের একটি পলিটেনিক ইন্সটিটিউটের একদল শিক্ষার্থী তৈরি করেছে এই রোবটটি, যা সোফিয়ার থেকে কোনো অংশে কম নয়।

ব্যাংরো, সে কথা বলতে পারে, দিতে পারে তথ্য, চলতে পারে, এমন কি মানুষকে চিনতেও পারে। বাংলা শব্দ থেকে ‘ব’ অক্ষর, ‘ব্যাংক’ শব্দ থেকে -্যাং ও রোবট শব্দ থেকে ‘রো’ নেওয়া হয়েছে। রোবটটির নির্মাতারা জানিয়েছেন, রোবটটির কাছে রয়েছে বিভিন্ন তথ্য। তাই ব্যাংরোর কাছে থাকা এই তথ্য ভাণ্ডারকে বোঝাতে ব্যাংক বিষয়টি এসেছে।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বেসিস আয়োজিত সফট এক্সপোতে উদ্ভাবনী জোনে অংশ নিয়েছে ব্যাংরো। দেখা যায়, ব্যাংরো নামে ডাক দিলেই ব্যাংরো বলছে জ্বি। ব্যাংরোকে প্রশ্ন করা হয়, হাউ আর ইউ? উত্তর দেয় ব্যাংরো। শুধু ইংরেজি নয়, বাংলাতেও পারদর্শী ব্যাংরো। বাংলায় ব্যাংরোকে সামনে যেতে বলা হলে সে সামনে এগিয়ে যায়, পিছিয়ে যেতে বলা হলে সে পিছিয়ে যায়। দিতে পারে বিভিন্ন তথ্যও।

পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন ব্যাংরোর মূল নির্মাতা ফরিদ হোসেন। তিনি জানান, রোবট নিয়ে তার আগে থেকেই এক প্রকারের দুর্বলতা ছিল। এ থেকেই রোবট তৈরির চিন্তাভাবনা মাথায় আসে। সুযোগ হয়ে ওঠে গত বছরের নভেম্বরে। সেই সময় থেকেই ব্যাংরো নিয়ে কাজ করতে থাকেন তারা।

তিনি বলেন, ‘রোবট কথা বলবে, সে মানুষকে সাহায্য করবে এই জন্যই রোবট নিয়ে ভাবি আমি। শুধু রোবট না, ইন্ডাস্ট্রিতে রোবটিকস অনেক প্রভাব ফেলবে। যেমন কোনো ভারি জিনিষপত্র অন্য স্থানে রাখতে বা সরাতে এই রোবটিকস আর্ম অনেক প্রভাব রাখবে। ওই থেকে চিন্তা ঘোরে আমার মাথায়। এ থেকেই রোবট নিয়ে আগ্রহ আমার।’

ব্যাংরো কি করতে পারে জানতে চাইলে ফরিদ হোসেন বলেন, ‘ব্যাংরোকে বাংলা বা ইংরেজিতে প্রশ্ন করলে উত্তর দিতে পারে। ওর হাত থাকায় সে হ্যান্ডশেক করতে পারে। সামনে থাকা মানুষের ছবি তুলতে পারে। কমান্ড অনুযায়ী সামনে, পেছনে, ডানে বামে যেতে পারে, হাত নাড়াতে পারে।’

‘এখন আমরা আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স নিয়ে কাজ করছি। এর প্যাটার্ন সাজাচ্ছি। অতি শিগগিরই আমরা ব্যাংরোর ভেতরে আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স ডেভলপ করতে পারব। এই কাজটি সম্পন্ন হলে ব্যাংরো ডায়নামিক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে।’

ফরিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ব্যাংরো বর্তমানে অফলাইনে কমান্ডের মাধ্যমে এসব কাজ করতে পারে। এর সঙ্গে ইন্টারনেট যুক্ত নেই। তবে তারা বাংলা ভয়েস রিকগনিশনের এপিআই নিয়ে কাজ করছেন। তারা সফল হলে ব্যাংরো ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত হবে এবং বাংলায় কথা বলা থেকে শুরু করে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে।

ফরিদ জানান, বর্তমানে তারা ৮ থেকে ১২ জনের একটি দল কাজ করছেন। আর যারা কাজ করছেন সবাই ঢাকা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের ইলেক্ট্রনিক বিভাগের শিক্ষার্থী। আর এই দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি নিজেই। এ ছাড়া তাদের এই প্রকল্পে সার্বিক সহযোগিতা করছে ইনোভেশন প্রতিষ্ঠান মাস্টার ল্যাবস।

এই রোবট নির্মাণে কত খরচ হয়েছে জানতে চাইলে ফরিদ বলেন, ‘এটির অর্থায়ন আমাদের নিজেদেরই। রোবটে থাকা ল্যাপটপ, ক্যামেরা আমাদের। এই খরচ বাদে আমাদের পকেট থেকে খরচ হয়েছে ২৫ থেক ৩০ হাজার টাকা। তবে অর্থায়ন পেলে ব্যাংরোকে আরও অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।’

দেশে কেউ রোবট নির্মাণ করতে চাইলে তাকে টেকনিক্যাল লাইন এবং প্রোগ্রামিংয়ের বিষয়ে দক্ষ হতে হবে। এ ছাড়া টিম ওয়ার্ক তাদের সফলতায় পৌঁছাতে অনেক সাহায্য করবে বলেও জানান তিনি।

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ভূমিকা রাখবে আইওটি 

ইন্টারনেট অব থিংস বা আইওটি মানুষের জীবনকে আরও সুন্দর ও সহজ করে তুলবে। এই আইওটির ব্যবহার জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।


২৩ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বেসিস আয়োজিত সফটএক্সপোর উইন্ডি টাউন হলে আইওটি-চেঞ্জিং লাইফস্টাইল: অ্যাপ্লিকেশনস ইন এনার্জি অ্যান্ড আদার ইউটিলিটি সার্ভিসেস শীর্ষক সেমিনারে এ কথা জানান বক্তারা।

বক্তারা বলেন, আইওটি এর ভেতর বিদ্যুৎ বিভাগে বিপ্লব সাধনের জন্য পার্ফেক্ট রেসিপি আছে বলে মনে করা হয়। ডেটা অ্যানালিটিক্সের সঙ্গে মিলে এটি নানা বিপ্লব সাধন এবং নানা সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান করছে। আইওটি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ অপচয়, সিস্টেম ক্ষতিসহ গ্যাস ইত্যাদি অপচয় কমিয়ে আনা সম্ভব।

সেমিনারে কি নোট উপস্থাপন করেন, ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আকতার হোসেন ও ডাটা সফট সিস্টেমস বাংলাদেশ লিমিটেডের কর্মকর্তা সামি আল ইসলাম।

সামি ইসলাম তার বক্তব্যে আইওটির প্রসার ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। এ ছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিশ্বের অন্যান্য দেশ আইওটিকে কতটুকু প্রাধান্য দিচ্ছে এবং বাংলাদেশে এর ব্যবহার শুরু হলে কেমন সম্ভাবনার দ্বার খুলে যাবে এর ওপর আলোকপাত করেন।

ক্যাক্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সেমিনারে প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য রাখেন মনিকোর পরিচালক ও সিওও মো. সাখাওয়াত সোবহান, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ এর অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন এবং লিডসফটের সিটিও পাপিয়াস হাওলাদার।

সাজ্জাদ হোসেন তার বক্তব্য এনার্জি সেক্টরে ফান্ডিংয়ের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে বলেন, ‘এনার্জি সেক্টরে বিশাল বাজেট ও টাকা পয়সা রয়েছে। এর জন্য আরএনডি সেক্টরে ফান্ডিং প্রয়োজন। আমাদের দেশের ছেলে মেয়েরা এই সেক্টরে কাজ করার ক্ষমতা রাখে। শুধু তাদের উপর আমাদের ভরসা রাখা প্রয়োজন।’

আইওটি টেকনোলজিকে বাংলায় ট্রান্সফারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বাংলায় এই টেকনোলজিতে কাজ করা গেলে সবার কাছে এই প্রযুক্তি পৌঁছে যাবে।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, ‘ভবিষ্যতে কোনো টেন্ডারের আহ্বান করা হলে আমরা একটি হলেও লোকাল পার্টনার মাস্ট নিতে বলবো।'

এ সময় আইওটি নিয়ে তরুণদের আইডিয়া তৈরি থেকে শুরু করে তার বাস্তবায়নে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. সৈয়দ আকতার হোসেন বলেন, ‘আইওটি মূলত একটি ডাটা অ্যানালাইটিক প্রযুক্তি যার মাধ্যমে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং প্রয়োগের মাধ্যমে আমাদের কার্যক্রমকে আরও সহজ ও গতিশীল করে। আইওটি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহৃত প্রযুক্তি সেবাপণ্য এবং মাথাপিছু ব্যয় কমিয়ে সাহায্য করবে ব্যবসা কার্যক্রমকে। সেই সঙ্গে সেন্সর প্রযুক্তিই নেতৃত্ব দেবে আগামী দিনের প্রযুক্তির উন্নয়নকে। আইওটি সেবার ফলপ্রসূ ব্যবহারে প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট ডিভাইসের সহজলভ্যতা, সঠিক নীতিনির্ধারণ এবং গণসচেতনতা সেইসাথে মেধাবী তরুণ সমাজের সম্পৃক্ততা।’

ডাটাসফটের প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর সামি আল ইসলাম বলেন, ‘আইওটির বাজার ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ২০২০ সালে এই প্রবৃদ্ধির হার ৩৮.৩% হবে। এ বাজার ২৬৭ বিলিয়নে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সারা বিশ্বে এনার্জি ম্যানেজমেন্ট, ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট, স্মার্ট সিটি, সোলার প্যানেল, স্মার্ট পেভমেন্ট, স্মার্ট ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, ইলেকট্রনিক কার, সেইফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি বিষয়ে আইওটির ব্যবহারে এসেছে সফলতা। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ ও এনার্জি ম্যানেজমেন্টে আইওটির ব্যবহারে এগিয়ে এসেছে ডেসা। এছাড়াও কৃষি খাতে আইওটির ব্যবহার এনেছে সফলতা।’

‘ব্লুমিন ওনিয়ন’ ফুলে অতিথি আপ্যায়ন 

ফুল দিয়ে সাধারণত বরণই করে নেয়া হয়। কিন্তু, একই জিনিস দিয়ে অতিথিকে আপ্যায়নও করা সম্ভব। কি ভাবছেন? অতিথিকে কিভাবে ফুল খেতে দিবেন? চাইলেই পারেন।


তাই বলে বলছি না যে, অতিথিকে কাঁচা ফুল খেতে দিন। পেঁয়াজ দিয়ে তৈরি করুন একটি মজাদার ফুল। আর সেটা খেতে দিয়ে চমকে দিন অতিথিকে।

পেঁয়াজ দিয়ে পাকোড়া, চপ, রিং তৈরি করেছেন নিশ্চয়? এবার পেঁয়াজ দিয়ে তৈরি করুন একটি ফুল। যার নাম ‘ব্লুমিন ওনিয়ন’। আসুন তাহলে আজ জেনে নেই ‘ব্লুমিন ওনিয়ন’ তৈরির সহজ রেসিপি।

ব্লুমিন ওনিয়নের জন্য উপকরণ:

একটি বড় পেঁয়াজ (যত বড় হবে তত ভালো)
ডিম ১টি
দুধ ১ কাপ
ময়দা ১ কাপ
লবণ স্বাদ মতো
মরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ
পাপরিকা এক চা চামচ
কালো গোলমরিচ আধা চা চামচ
শুকনো অরিগানো ৩/১ চা চামচ
জিরা গুঁড়া আধা চা চামচ

সসের জন্য উপকরণ:

মেয়নিজ ২ টেবিল-চামচ
ফ্রেস ক্রিম ২ টেবিল চামচ
টমেটো কেচাপ দেড় চা চামচ
হর্সর্যা ডিস সস ১ টেবিল চামচ (সুপার সপে কিনতে পাওয়া যায়)
পেপারিকা ৪/১ চা চামচ
চিলি ফ্ল্যাক্স ১ চিমটি (স্বাদ অনুযায়ী কমবেশি করা যাবে) এটা মরিচ ভেঁজে গুঁড়া করেও নিতে পারেন।
গোল মরিচ স্বাদ অনুযায়ী
লবণ স্বাদ অনুযায়ী
তেল ভাজার জন্য (ডুবো তেলে ভাজতে যতটুকু তেল লাগবে)
‘ব্লুমিন ওনিয়ন’ ফুলে অতিথি আপ্যায়ন

সস তৈরির প্রণালি:

সসের যত উপকরণ আছে সব এক সাথে মিশালেই সস তৈরি হয়ে যাবে। সস তৈরি করে আলাদা রেখে দিন।

ব্লুমিন ওনিয়ন প্রস্তুত প্রণালি:

প্রথমে পেঁয়াজটি ভালোমতো ধুয়ে মুছে শুকিয়ে নিন। তারপর পেঁয়াজের মাথার দিকটা একটু নিচু করে কাটুন। কিন্তু, খেয়াল রাখবেন গোড়ার দিকটা যেন কেটে না যায়।

এবার পেঁয়াজের ওপরের আবরণটা ফেলে দিন। তারপর পেঁয়াজটি উপুড় করে রেখে ধারালো ছুড়ির মাথা দিয়ে সেটি ছবির মতো করে কাটুন। যেন দেখতে ফুলের মতো লাগে।

তারপর সামান্য লবণ দিয়ে ডিম ভালোমতো ফেটে নিয়ে আলাদা করে রাখুন।

ময়দার মাঝে সব গুঁড়া মসলা ভালো মতো মিশিয়ে নিন। এবার কাটা পেঁয়াজটা হাত দিয়ে একটু ছড়িয়ে দিয়ে ময়দায় মেখে নিন। তারপর ডিমের মধ্যে ডুবিয়ে নিন। ভালোমতো ডিম মাখানো হলে আবার ময়দার গুড়োতে ডুবিয়ে নিন। ময়দার গুড়া পেঁয়াজের ভাঁজে ভাঁজে ঢুকিয়ে দিন।

ময়দা মাখানো হলে গরম তেলে দিয়ে গোল্ডেন ব্রাউন করে ভেজে নিন। টেবিল টিস্যুতে রেখে অতিরিক্ত তেল ঝড়িয়ে নিন।

তারপর গরম গরম সসে ডুবিয়ে নিয়ে চেখে দেখুন মজার স্বাদের ‘ব্লুমিন ওনিয়ন’।

 

জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক, গীতিকার ও সুরকার আলী আকবর রুপু আর নেই। আজ বেলা ১২টা ৪০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন গুণী এই সংগীত ব্যক্তিত্ব। তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদরোগ ও কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। চলছিল কিডনির ডায়ালাইসিস।


গত ৭ ফেব্রুয়ারি লাঞ্চের সময় অফিস থেকে বাসায় গিয়ে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই তাকে নেওয়া হয় ইব্রাহিম কার্ডিয়াকে, সেখানে জায়গা না পাওয়ায় বারডেমে নিতে হয়। সেখানেও জায়গা পাওয়া যায় না, কোনো জায়গাতেই আইসিইউ খালি পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ইবনে সিনা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দুদিন রেখে তারপর আনা হয় ইউনাইটেড হাসপাতালে। তখন থেকেই তিনি এ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। আজ সেখানেই আইসিইউতে তার মৃত্যু ঘটে।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে, আজ (২২ ফেব্রুয়ারি) বাদ আছর রাজধানীর গুলশানের আজাদ মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে তার প্রথম জানাজা। এরপর তার কর্মস্থল টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাভিশন- এর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মরদেহ। সেখান থেকে নেওয়া হবে রুপুর বড় মগবাজারের বাড়িতে। নিজ বাসস্থানে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে তার মরদেহ।

জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’তে আলী আকবর রুপু প্রায় ২৫ বছর ধরে বিভিন্ন গানের সুর ও কম্পোজ করেছেন। ১৯৮২ সালের দিকে ‘উচ্চারণ’ ব্যান্ডে কিছুদিন গিটার ও কিবোর্ড বাজিয়েছিলেন। পরবর্তীতে উচ্চারণ ছেড়ে দেন। তারপর ‘উইন্ডস’ নামে একটি ব্যান্ড গঠন করেছিলেন। অবশ্য তার পরিচয় মূলত গীতিকার ও সুরকার হিসেবে। নিজ কণ্ঠে গেয়েছেন হাতে গোনা তিন-চারটি গান। দেশের স্বনামধন্য শিল্পীদের প্রায় সবাই তার করা সুরে কণ্ঠ দিয়েছেন। সাবিনা ইয়াসমিনের ‘প্রতিটি শিশুর মুখে হাসি’, এন্ড্রু কিশোরের ‘পদ্ম পাতার পানি নয়’ এবং মুরাদের ‘আমি আগের ঠিকানায় আছি’ ছাড়াও অসংখ্য জনপ্রিয় গানে সুরারোপ করেছেন তিনি।

পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে ইলোন মাস্কের টেসলা রোডস্টার 

 ইলোন মাস্কের কোম্পানি স্পেস এক্সের নতুন রকেট মহাকাশে পাঠানো হয়েছে দুই সপ্তাহ আগে। ফ্যালকন হেভি নামের রকেটের সঙ্গে পাঠানো হয়েছে টেসলা রোডস্টার গাড়ি নামের একটি গাড়ি। সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, এই গাড়িটি পৃথিবীতেই আবার আছড়ে পড়ার বা ক্র্যাশ করার আশঙ্কা রয়েছে।


১৩ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার কানাডার ইউনিভার্সিটি অব টরন্টোর গবেষকরা এই তথ্য প্রকাশ করেন, জানিয়েছে আইএফএল সায়েন্স।

তাদের হিসাব অনুযায়ী আগামী এক মিলিয়ন বছরের মাঝে টেসলা রোডস্টার গাড়িটি পৃথিবীতে ক্র্যাশ করার আশঙ্কা ছয় শতাংশ।

অরবিটাল মেকানিকসে দক্ষ এই গবেষক দল এই গাড়ির জন্য সম্ভাব্য ২৪০টি ভবিষ্যৎবাণী করেন। তারা স্বীকার করেন যে, গাড়িটির এলোমেলো গতিপথের কারণে এই গবেষণায় বেশ বেগ পেতে হয়েছে তাদেরকে। তা সত্ত্বেও দূর ভবিষ্যতে কী হতে পারে তা হিসাব করে বের করা সম্ভব।

‘আমরা সব সফটওয়ার প্রস্তুত করে রেখেছিলাম, আর গত সপ্তাহে উৎক্ষেপণ হওয়ার পর আমরা ভাবলাম, দেখি কী হয়। আমরা টেসলার গতিপথ কয়েক মিলিয়ন বছর পর কী হতে পারে তা হিসাব করে দেখলাম’, সায়েন্স ম্যাগাজিনকে বলেন গবেষণার মূল লেখক হ্যানো রেইন।

গাড়িটি বর্তমানে দেড় বছরের লম্বা একটি কক্ষপথে আবর্তিত হচ্ছে যার ফলে সে মোটামুটি মঙ্গলগ্রহের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। গবেষকরা দেখেন, ২০৯১ সাল নাগাদ পৃথিবীর কাছাকাছি আসবে তা। পৃথিবী থেকে টেলিস্কোপ দিয়েও তাকে দেখা যেতে পারে। এর পর অনেক কিছুই হতে পারে।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, আগামী এক মিলিয়ন বছরে শুক্র গ্রহের সাথে সংঘর্ষ হবে তার। আগামী ৩ মিলিয়ন বছরের মাঝে তা সূর্যেও পতিত হতে পারে। আগামী কয়েক কোটি বছর এই গাড়ি অক্ষত থাকার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ।

হ্যানো রেইন জানান, পৃথিবীতে আছড়ে পড়লেও তা বায়ুমন্ডলে বাতাসের ঘর্ষণেই ক্ষয় হয়ে যাবে অনেকটা। এতে পৃথিবীর মানুষের কোনো ক্ষতি হবে না।

 ইন্টারনেটের ওপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহারের ইঙ্গিত অর্থমন্ত্রীর

ভারতের মুম্বাই থেকে আহমেদাবাদগামী নতুন উচ্চগতিসম্পন্ন বুলেট ট্রেন চালু হচ্ছে ২০২২ সালের আগস্টে। ২০২৩ সালে ট্রেনের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আরও আগেই সেবা চালু করতে সক্ষম হচ্ছে দেশটি।


নতুন এই ট্রেনটি চালু হলে মুম্বাই থেকে আহমেদাবাদ যেতে সময় লাগবে ৮ ঘণ্টার পরিবর্তে মাত্র ২ ঘণ্টা। অর্থাৎ বাঁচবে ৬ ঘণ্টা সময়।

ট্রেনটির গড় গতি হবে প্রতি ঘণ্টায় ৩২০ কিলোমিটার। ১২টি রেলস্টেশনে থামবে এই বুলেট ট্রেন। এগুলো হলো—মুম্বাই, থানে, বিহার, বইসার, ভাপি, বিলিমোরা, সুরাট, ভারুচ, ভাদোদারা, আনন্দ, আহমেদাবাদ ও সাবারমাটি। মাত্র ২ মিনিটের জন্য স্টেশনে যাত্রা বিরতি দেওয়া হবে।

বুলেট ট্রেনটির এসি সিটের ভাড়া হবে জনপ্রতি ৩০০০ রুপি বা ৪৬ ডলার।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে বুলেট ট্রেন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। জাপানি প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একত্রে এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। এই প্রকল্পে জাইকা আংশিকভাবে অর্থায়ন করছে।

 

ইন্টারনেটের ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, ‘আমাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ বেড়েছে, কিন্তু সরকারের সম্পদ বাড়েনি। ফলে অনেক কিছুই করতে পারি না। তবে একটা ইতিবাচক সিদ্ধান্ত দেওয়ার আশা করছি। হতাশ হওয়ার কিছু নেই। আগামী জুন মাসের মধ্যে ইন্টারনেটের ওপর আরোপিত ভ্যাটের বিষয়ে একটা সিদ্ধান্ত উপস্থাপন করতে পারবো।’


বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মলেন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) আয়োজিত সফটওয়্যার মেলা ‘বেসিস সফটএক্সপো ২০১৮’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারও অর্থমন্ত্রীর কাছে ইন্টারনেটের ওপর থেকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন। পরে অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে এটা প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দেন।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘গত ২০ বছরে আমরা তথ্যপ্রযুক্তিতে অনেক এগিয়েছি। আরও এগিয়ে যেতে হবে। দেশের সফটওয়্যার রফতানি বাড়ছে। আশা করছি নির্দিষ্ট সময়ের আগে আমরা একশ কোটি ডলার সফটওয়্যার রফতানির লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে পারবো।’

সারাদেশে ওয়াইফাই স্পট থাকার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটা সীমিত থাকলে প্রযুক্তির বিকাশ ধীর গতিতে হবে। গতি বাড়াতে হলে ওয়াইফাই স্পট তৈরি করতে হবে।’ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।


সফওয়্যার মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমরা ২৬ মিলিয়নের দেশ থেকে আটশ মিলিয়ন ডলারের সফটওয়্যার রফতানিকারক দেশ হতে পেরেছি। চলতি বছরের শেষ নাগাদ তা একশ কোটি ডলারে উন্নীত হবে।’

মোস্তাফা জব্বার এসময় উপস্থিত অর্থমন্ত্রীকে তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য ও সেবা রফতানিতে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা এবং ৯৪টি পণ্যের আমদানি শুল্ক ১ ভাগ করায় ধন্যবাদ জানান। এই সিদ্ধান্তের ফলে একটি প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার উৎপাদনে এবং তিনটি প্রতিষ্ঠান ফোরজিসহ সব ধরনের মোবাইল উৎপাদনে যাবে বলেও জানান তিনি। মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমরা আমদানিকারক দেশ থেকে উৎপাদকের দেশ হতে যাচ্ছি।’

এসময় ইন্টারনেটের ওপর থেকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের পাশাপাশি ফেরজি সিম প্রতিস্থাপনে কর না নেওয়ার জন্য অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন তিনি।

বেসিস সফটএক্সপো ২০১৮-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর। বেসিস আয়োজিত চার দিনব্যাপী এই মেলা চলবে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

‘ডিজাইনিং দ্য ফিউচার’ প্রতিপাদ্য নিয়ে শুরু হওয়া এই মেলাকে পাঁচটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। মেলায় ৩০টির বেশি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত।

ঠান্ডা পরশে কোল্ড কফি 

গরমের জন্য এখন যতই দিন যাবে ততই ঠান্ডা জাতীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়বে। এই সময়ে বেশি ঠান্ডা জুস, আইসক্রিম ইত্যাদি বেশি খাওয়া হয়। তাই আপনিও আগে থেকেই একটা লিস্ট করে ফেলুন এই গরমে কি কি ঠান্ডা খাবার বা পানীয় খাবেন। এবার আপনার লিস্টে যদি কোল্ড কফির নাম থাকে তাহলে আজ দেখে নিন কোল্ড কফি তৈরির রেসিপি।


উপকরণ:


ঠান্ডা দুধ- ২ কাপ,

পানি- ১/২ কাপ,

কফি পাউডার- ৩ চা চামচ,

ফ্রেশ ক্রিম- ২ টেবিল চামচ,

চিনি- ১ টেবিল চামচ(আপনার স্বাদ অনুযায়ী)

বরফ টুকরো বা বরফ কুচি পরিমাণমতো।

প্রণালি:


একটি পাত্রে পানি ফুটতে দিন। পানি ফুটে গেলে কফি পাউডার এবং চিনি ফুটন্ত পানিতে দিতে হবে। চিনি গলে যাওয়ার পরে চুলার আগুন নিভিয়ে দিন।

পানি ঠান্ডা হলে তাতে দুধ ও ক্রিম দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। সবশেষে বরফ দিয়ে আরো একবার ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

ফেনা উঠলে উপরে ক্রিম, চকলেট বা শুকনো কফি ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার ঠান্ডা ঠান্ডা কোল্ড কফি।

 

অন্য সবার সঙ্গে রাষ্ট্রায়াত্ব অপারেটর টেলিটকও ফোরজির লাইসেন্স নিয়ে নিচ্ছে, কিন্তু সেবায় আসতে তাদের আরো অনেক সময় লাগবে।কোম্পানি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফোরজি সেবা নিয়ে আসতে আরো অন্তত দুই মাস অপেক্ষা করতে হবে একমাত্র দেশীয় অপারেটরটিকে।


রাষ্ট্রায়াত্ত্ব কোম্পানির সুবিধায় অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে বরং ১৩ মাস আগেই ২০১২ সালের আগস্টে থ্রিজি সেবা চালু করেছিল টেলিটক। তখন এর জন্যে বাড়তি অনেক গ্রাহকও পেয়েছিল অপারেটরটি। কিন্তু এবার তাদের পক্ষে কিছুই নেই।নেটওয়ার্ক তৈরির জন্যে সরকারের কাছে ৭০০ কোটি টাকা চেয়েছিল সেও গত বছরের শুরুর দিকে।সেই টাকা বরাদ্দ হয়েছে। কিন্তু ছাড় করেনি অর্থ মন্ত্রনালয়।

পরে নিজেদের অর্থে অন্তত হাজারখানেক সাইট তৈরি করতে চেয়েছে। কিন্তু সেখানেও বিধিবাম। বোর্ডই বলছে, আন্তর্জাতিক দরপত্র আহবান করতে। এর মানে হল অপারেটরটকে আরো বেশ কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হবে।আমাদের সামনে তেমন কোনো ভবিষ্যত দেখতে পাচ্ছি না। এভাবে একটা অপারেটর চলতে পারে না, বলছিলেন কোম্পানির একজন ক্ষুব্ধ জেনারেল ম্যানেজার।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে তিনি বলেন, রোববার লাইসেন্স ফি’র জন্যে ১০ কোটি টাকা জমা দিয়েছেন তারা। কিন্তু এই টাকা জোগাড় করতেও তাদরেকে সময় নিতে হয়েছে। এতোটাই খারাপ অবস্থায় আছে কোম্পানিটি।আগে থ্রিজি দিয়ে আমরা যতোটা এগিয়েছিলাম। এবার সবার পরে ফোরজি দিয়ে আমরা ততোটাই পিছিয়ে পড়বো, মন্তব্য করছিলেন ওই কর্মকর্তা।

অপারেটরটির হাতে এখন সব মিলে ২৫ দশমিক ২ মেগাহার্ডজ স্পেকট্রাম আছে। এই স্পেকট্র্রামই যথেষ্ট বলে নতুন করে তারা স্পেকট্রাম কেনার নিলামেও বসেনি।অন্যদিকে আবার মঙ্গলবার টেকনোলজি নিউট্রালির জন্যে আবেদন করার শেষ দিন। এখনো আবেদন করার সিদ্ধান্ত হয়নি অপারেটরটির।

তবে টেলিটকের এখন একটাই ভরসা, সেটি হল সরকার যদি তাদের জন্যে কিছু করেন।অপারেটরটিতে এখন সব মিলে ৪৪ লাখ কার্যকর সংযোগ আছে। তবে ফোরজি এবং কয়েক মাসের মধ্যে মোবাইল নাম্বার পোর্টাবিলিটি চালু হওয়ার পর তাদের ওপর বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

লেহেঙ্গা ৩ কোটি, তোয়ালে দেড় লাখ রুপি! 

ভারতীয় সিনেপ্রেমীরা একেবারে আদর্শ হিসেবে মানেন বলিউড তারকাদের। এ নিয়ে ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনাও দেখা যায়। এমনকি সিনেমায় তারকারা যে জিনিসপত্র ব্যবহার করেন, তা কিনতে হুলুস্থুল কাণ্ড ঘটে যায়।


যেমন সালমান খানের তোয়ালে। এর দাম উঠেছে প্রায় দেড় লাখ (১ লাখ ৪২ হাজার) রুপি!  ‘মুঝসে শাদি করোগি’ ছবিতে সালমানের ব্যবহৃত সেই তোয়ালে যেন একসময়ের সিম্বল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আর তাতেই তো এত চড়া দামে নিলাম।
‘লগান’ ছবিতে আমির খানের ব্যাটের জাদুকরিতেই কুপোকাত হতে হয়েছিল ইংলিশদের। গোটা ‘লগান’ টিম সবাই সই করেছিলেন সেই ব্যাটে। আনাড়ি হাতে তৈরি এ ব্যাটের বিক্রি হয়েছিল ১ লাখ ৫৬ হাজার রুপিতে!

একবার শাম্মি কাপুর কাশ্মিরে গিয়ে ‘ইয়াহু’ চিৎকার দিলেন! এটা দেখা গেল ‘চাহে কহি মুঝে জঙ্গলি কহে...’ গানের মাধ্যমে। তখন দর্শকের নজর কেড়েছিল শাম্মির পরনের খয়েরি রঙের জ্যাকেটটি। পরে এর দাম উঠল ৮০ হাজার।
‌‘ধাক ধাক করনে লাগা...’ এই গানের কথা মনে আছে? মাধুরী দীক্ষিত হলদে রঙের এক পোশাক পরে নেচেছিলেন। শুটিং শেষে ৮০ হাজার রুপিতে নিলাম হয়েছিল সেটি।

আর ‘দেবদাস’ এর ‘মার ডালা...’ গানটি অন্য সবার দাম ‘মেরে’ দিয়েছিল। সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত এ ছবিতে মাধুরীর ব্যবহৃত সেই লেহেঙ্গার দাম নিলামে উঠেছিল ৩ কোটি রুপি!


বসন্তের ফ্যাশনেবল পোশাক 

আধুনিক তরুণ প্রজন্ম ঝুঁকছে ট্রেন্ডি ফ্যাশনের দিকে। আর সেই ফ্যাশন চাহিদা মেটাতে ঝুট-ঝামেলার অন্ত নেই। সব ঝামেলা মিটিয়ে আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজ তা দিচ্ছে পোশাকের ক্যানভাসে।


ট্রেন্ডি, ক্যাজুয়াল, এক্সটিক, ভাইব্রেন্ট, স্ট্রিট ও এলিগ্যান্ট রেডি টু ওয়ার ওমেন কালেকশন এবার আইকনিকের ঘরে। হ্যালো স্প্রিং শিরোনামে রঙিন এসব নতুন পণ্য পাচ্ছে সববয়সী প্রতিটি নারী।

প্যাটার্ন ভিন্নতা এবং প্যাশ্চাত্য কাট, আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজের পণ্যে দিচ্ছে সাতন্ত্র্য। হ্যালো স্প্রিং-এর  পাশাপাশি আইকনিকের শোরুমে থাকছে শর্তসাপেক্ষে মূল্যছাড়ের সুযোগও।

ফেসবুকে আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজের ফ্যান পেইজ অনুসরণ করলে জানা যাবে নতুন পণ্যের ডিজাইন সম্পর্কে। ‘ফাস্ট ডেলিভারি’  সুবিধায় ফেসবুক পেইজ থেকে পাওয়া যাবে শর্তসাপেক্ষে পণ্য অর্ডারের সুবিধাও।

আইকনিকের উদ্যোক্তা তাসলিমা মলি জানান, ট্রাডিশনাল এবং পাশ্চাত্য পোশাকে নিজেদের গর্জাস লুকে উপস্থাপনার জন্য উজ্জ্বল রঙের পোশাক থাকছে আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজে। সবই সমকালিন ফ্যাশন প্যাটার্ন ও কালার প্যালেট অনুসরণ করে তৈরি। তাই আমাদের ক্রেতা মূলত: ট্রেন্ডি এবং ফ্যাশন সচেতন।

সত্যিকারের ভালোবাসায় পুরুষের ১৩টি বিশেষ আচরণ 

নারীদের মনে সবচাইতে বেশি প্রশ্ন তার ভালোবাসার পুরুষটিকে নিয়েই থাকে। ‘সে কি আমাকে সত্যি ভালোবাসে? নাকি পুরোটাই বানোয়াট?'- এই প্রশ্নগুলো নারীর মনের মাঝে প্রতিনিয়তই বিভ্রান্তি তৈরি করে। উত্তরগুলো জানা নেই বলেই হয়তো কখনো ঠিক মানুষটিকেও দূরে ঠেলে দেওয়া হয়, কখনো আবার ভুল মানুষের প্রেমে হাবুডুবু খেয়ে জীবন বরবাদ হয়ে যায় মুহূর্তে।


প্রশ্ন হচ্ছে, কীভাবে বুঝবেন? কীভাবে জানবেন যে পছন্দের পুরুষটি আপনাকে সত্যি সত্যি ভালোবেসে ফেলেছে? আন্দাজ করার উপায় আছে বৈকি, একটু খেয়াল করলেই সম্পর্ক থেকে বুঝে নেওয়া যায় অনেক কিছু।

‘সে আমাকে ভালোবাসে, কিন্তু সময় দেয় না কেন? সে আমার পরিবারকে এড়িয়ে চলে কেন? আমার কথার দাম দেয় না কেন?'- ইত্যাদি অসংখ্য প্রশ্নের জবাব থাকছে আজকের ফিচারে।

সত্যিকার অর্থে প্রেমে পড়ে গেলে সব পুরুষই কম-বেশি এই আচরণগুলো প্রদর্শন করে থাকেন-

১) তিনি সঙ্গিনীর কথা শুনবেন এবং মন দিয়ে শুনবেন। সঙ্গিনীর ছোট-বড় সব কথাই তার কাছে জরুরি হবে, ঠিক যেভাবে তার কথাগুলো সঙ্গিনীর কাছে জরুরি। স্ত্রী বা প্রেমিকাকে যখন গভীরভাবে ভালোবাসেন পুরুষেরা, তখন সেই নারীর জীবনের সবকিছুকেই নিজের একান্ত আপন করে নেন।

২) পুরুষেরা ভুল স্বীকার করতে পছন্দ করে না মোটেই। কিন্তু ভালোবাসার নারীর সামনে তাদের এই অস্বস্তিটুকুন থাকে না। ভুল হলে তারা স্বীকার করেন, মেনে নেন এবং শুধরে নেওয়ার চেষ্টাও করে। সত্যিকার অর্থেই করেন, স্ত্রী বা প্রেমিকাকে ধোঁকা দেওয়ার মিথ্যে চেষ্টা করে নয়।

৩) ভালোবাসার নারীর জীবনের যেকোনো সমস্যা সমাধানে পুরুষরা তৎপর থাকেন, তা সে যত ছোট সমস্যাই হোক না কেন। অন্যদিকে, ভালোবাসা না থাকলে ঘটে ঠিক উল্টোটা।

৪) ভালোবাসার নারীর পরিবার বা বন্ধুদের সাথে মেলামেশায় নিজ থেকেই তারা আগ্রহী হয়ে ওঠেন। সঙ্গিনীর পরিবারকে সময় দিতে তার কোনো আপত্তি থাকে না। প্রেমিক বা স্বামী আপনার পরিবারকে এড়িয়ে চলে? এই লক্ষণটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা উচিৎ।

৫) নিজের পোশাক-আশাকের বা ব্যক্তিত্বের ব্যাপারে তিনি সঙ্গিনীর পছন্দকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।

৬) কে বলেছেন পুরুষরা শপিং করা বা টুকিটাকি সাধারণ কাজ করায় আগ্রহ পান না? অবশ্যই পান, যদি সঙ্গিনীর প্রতি থাকে গভীর ভালোবাসা। তখন সঙ্গিনীর সাথে সাধারণ টুকিটাকি কাজকর্ম বা শপিং এর মত বিষয়গুলোও তারা উপভোগ করেন।

৭) তিনি সঙ্গিনীর কষ্ট কম করার এবং তাকে খুশি রাখার সমস্ত চেষ্টা করে থাকেন। রান্নায় সাহায্য, ঘরের কাজ করে দেওয়া ইত্যাদিতে তাদেরকে পাওয়া যায় শত ব্যস্ততা সত্ত্বেও।

৮) সঙ্গিনীকে নিয়ে বেড়াতে যেতে তিনি আগ্রহী হয়ে ওঠেন। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তারিখ বা উপলক্ষ্য, কিছুই পুরুষেরা ভোলেন না যদি সঙ্গিনীর প্রতি থাকে গভীর ভালোবাসা। শত ব্যস্ততার মাঝেও সঙ্গিনীর সাথে যোগাযোগে তাদের ভুল হয় না। তারা নিজেরাই বেড়াতে যাওয়ার প্ল্যান করেন, এক সাথে সময় কাটাবার প্ল্যান করেন।

৯) তিনি মনে করেন ভালোবাসার মেয়েটি সুন্দর। যেকোনো ভাবে, যেকোনো সাজপোশাকে সুন্দর। যত যাই হোক না কেন, সৌন্দর্য পুরুষের চোখে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

১০) সত্যিকারের ভালোবাসার সম্পর্কে সমঝোতা ও ত্যাগ থাকবেই। পুরুষ যখন কোনো নারীর প্রেমে সত্যিকার অর্থেই পড়ে যান, তিনিও যেকোনো রকমের ত্যাগ স্বীকারের জন্য তৈরি থাকেন।

১১) সঙ্গিনীকে তারা দাবিয়ে রাখতে চান না। বরং সঙ্গিনীর যেকোনো অর্জনে গর্বিত বোধ করেন, আরও সামনে চলার অনুপ্রেরণা দেন। সঙ্গিনী তার চাইতে বেশি যোগ্য হলে বা অধিক উপার্জন করলেও।

১২) ভালোবাসা অর্জন ও ধরে রাখার চেষ্টা তারা সব সময়েই করেন। ভালোবাসার মেয়েটির ছোটখাট বিষয়েও তারা দুশ্চিন্তা করেন।

১৩) নিজের দুর্বলতা, কষ্ট, ত্রুটি, বিচ্যুতি প্রকাশ করতে তারা সংকোচ বোধ করেন না ভালোবাসার মেয়েটির সামনে। কতটা ভালোবাসেন, সেটা প্রকাশে তাদের বিন্দুমাত্র সংকোচ থাকে না।

ভালোবাসা শুভ্র, ভালোবাসা সুন্দর। দুজন মানুষ যখন পরস্পরকে ভালোবাসা ঠিক সমান সমান, তখনই তৈরি হয় ভালোবাসার মিষ্টি কাব্য।

রেসিপি: বাঁধাকপি-চিংড়ি ভর্তা 

স্বাদের একঘেয়েমি কাটাতে ঝটপট বানিয়ে ফেলতে পারেন ঝাল ঝাল বাঁধাকপি-চিংড়ি ভর্তা। জেনে নিন রেসিপি।


উপকরণ


বাঁধাকপি- ২ কাপ (কুচি)
চিংড়ি- ৩টি (বড় সাইজের, কুচি)
ধনেপাতা কুচি- ২ টেবিল চামচ
লবণ- স্বাদ মতো 
হলুদ গুঁড়া- ১ চিমটি
শুকনা মরিচ- ৩টি
কাঁচামরিচ- ৩টি
সয়াবিন তেল- ২ টেবিল চামচ
সরিষার তেল- পরিমাণ মতো
পেঁয়াজ কুচি- আধা কাপ

প্রস্তুত প্রণালি

চুলায় প্যান বসিয়ে ১ টেবিল চামচ সয়াবিন তেল দিয়ে শুকনা মরিচ ভেজে নিন। ভাজা হলে শুকনা মরিচ উঠিয়ে একই তেলে পেঁয়াজ কুচি ও আস্ত কাঁচামরিচ দিয়ে নাড়তে থাকুন। সব পেঁয়াজ কুচি দেবেন না। ভর্তায় দেওয়ার জন্য সামান্য অংশ আলাদা করে রাখুন। পেঁয়াজ হালকা বাদামি হয়ে গেলে চিংড়ি, হলুদের গুঁড়া ও লবণ দিয়ে দিন। ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিন। ৪ থেকে ৫ মিনিট ভাজার পর চিংড়ির মিশ্রণ উঠিয়ে একই প্যানে বাকি সয়াবিন তেলটুকু দিয়ে দিন। তেলে বাঁধাকপি কুচি দিয়ে ৫ মিনিট ভাজুন। সামান্য লবণ দিন। বাঁধাকপি সেদ্ধ হলে নামিয়ে নিন চুলা থেকে।

এবার শিলপাটায় ভাজা বাঁধাকপি ও চিংড়ির মিশ্রণ আলাদা করে বেটে নিন। বাঁধাকপি খুব মিহি করবেন না। ভেজে রাখা মরিচ সামান্য লবণ দিয়ে ডলে নিন। বাকি পেঁয়াজ কুচির সঙ্গে মিশিয়ে নিন শুকনা মরিচের গুঁড়া। সরিষা তেল দিয়ে আবারও মেশান। চিংড়ি বাটা, বাঁধাকপি বাটা ও পেঁয়াজ-মরিচের মিশ্রণ একসঙ্গে ভালো করে মাখান। ধনেপাতা কুচি দিয়ে মেখে পরিবেশন করুন ভাতের সঙ্গে। 

Elon-mask-allowed-to-dig-the-soil 

খুব সহজেই মহাকাশে রকেট পাঠিয়ে দিলেও পৃথিবীর মাটিতে হাইপারলুপ তৈরির কাজটা তত সহজ হচ্ছে না ধনকুবের ইলোন মাস্কের জন্য। তবে সম্প্রতি জানা গেছে, নিউ ইয়র্ক এবং ওয়াশিংটন ডিসির মাঝে কিছুটা জায়গায় মাটি খুঁড়ে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে তাকে।


১৬ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার ইলোন মাস্কের বোরিং কোম্পানির এক মুখপাত্র সংবাদ সংস্থা দ্য ওয়াশিংটন পোস্টকে এই তথ্য জানায়।

৫৩ নিউ ইয়র্ক অ্যাভিনিউ এর রেলিং-ঘেরা এক টুকরো পার্কিং লট ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে তাদেরকে। 

স্পেসএক্স ও টেসলার প্রধান নির্বাহী মাস্ক ২০১৬ সালে বোরিং কোম্পানির ধারণা দিয়েছিলেন। রাস্তায় গাড়ির জ্যামে বিরক্ত হয়ে এমন ধারণা টুইট করেছিলেন এই মার্কিন প্রকৌশলী ও উদ্যোক্তা। তিনি বলেছিলেন যানজট এড়াতে সুড়ঙ্গ তৈরি করে এর ভেতর দিয়ে গাড়ি না চালিয়ে বরং এটিকে একটি পডের উপর বসান হবে, আর ওই পড চলবে একটি নেটওয়ার্কে।



ইলোন মাস্ক নিউ ইয়র্ক, বাল্টিমোর, ফিলাডেলফিয়া এবং ওয়াশিংটন ডিসির মাঝে একটি হাই স্পিড হাইপারলুপ তৈরি করার পরিকল্পনা করেছিলেন। ডিপ্রেসারাইজড টিউব এবং ম্যাগনেট লেভিটেডেড পডের সাহায্যে প্রচণ্ড গতিতে এর মধ্য দিয়ে যাত্রীদের যাতায়াত করানো যাবে।

মাটি খোঁড়ার জন্য তাকে যে জায়গাটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সেই জায়গাটিতে হাইপারলুপ স্টেশন তৈরি করা হতে পারে। তবে এর সবটাই এখনো পরিকল্পনার ছকে আছে।

ওয়াশিংটন ডিসির মেয়র মিউরিয়েল ই বাওসারের চিফ অব স্টাফ জন ফ্যালসিচিও জানান, মেয়রের অফিসে ইলোন মাস্কের সঙ্গে আলোচনায় হাইপারলুপের প্রাথমিক একটি ধারণা পেয়েছেন তারা। যাতায়াতের ব্যবস্থা আরও সহজ করে তোলার ব্যাপারে তারা আগ্রহী।

হাইপারলুপের ধারণাটি এমন- প্রতিটি ‘পড’ এর ভেতরে ১৬ জনের মত মানুষ থাকবে এবং ইলেকট্রিক স্লেডের সাহায্যে এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশনে টানেলের ভেতর দিয়ে সেগুলো যাতায়াত করবে।

মাটির নিচে থাকা টানেল স্টেশনে যাবার জন্য এলিভেটর ব্যবহার করা হবে। এসব স্টেশন হবে ছোট আকৃতির। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এই টানেল খোঁড়া অবশ্যই সম্ভব। তবে এর জন্য বেশ সময় এবং অর্থ খরচ হবে। এই পদ্ধতিটি নিরাপদ কিনা, এ নিয়েও সংশয় আছে অনেকের মাঝে।

What-will-the-customer-get-in-the-Four-G 

বহুল কাঙ্ক্ষিত ফোর-জি সেবায় ইন্টারনেটের সুপার হাইওয়েতে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। লাইসেন্স পাওয়ার পরপরই মোবাইল ফোন অপারেটররা দেশে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ইন্টারনেট সেবা তথা ফোর-জি চালু করবে।


বর্তমানে চালু থাকা থ্রি-জি সেবা থেকে ফোর-জি’তে গ্রাহকরা ভয়েস কল ও ডাটা বা ইন্টারনেট সেবায় বেশি সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), মোবাইল ফোন অপারেটর ও বিশেষজ্ঞরা।

বলা হচ্ছে, ফোর-জি সেবা চালু হলে ইন্টারনেটের গতি বাড়বে, ভয়েস কলের ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ থাকবে। আর এতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের পাশাপাশি লাভবান হবেন ই-কমার্স খাত সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকা ক্লাবে মোবাইল ফোন অপারেটরদের ফোর-জি লাইসেন্স হস্তান্তর করবে বিটিআরসি। লাইসেন্স পাওয়ার পরপরই মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো ঢাকাসহ বড় বড় শহরে সীমিত পরিসরে ফোর-জি সেবা চালু করবে।

ফোর-জি চালু হলে ইন্টারনেটের গতি বাড়বে এবং ভয়েস কলের ক্ষেত্রে সেবার মান উন্নত হবে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসির সচিব ও মুখপাত্র মো. সরওয়ার আলম।

বাংলানিউজকে তিনি বলেন, ইন্টারনেটের জন্য গ্রাহক ফিক্সড লাইনের পরিবর্তে মোবাইল নিয়ে যেকোনো স্থানে উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।

তিনি বলেন, বিদেশ থেকে যে কলগুলো করা হয় ইন্টারনেট ও ভয়েস কলে, সেগুলোর মান ভালো হবে। গ্রাহকরা নিরবচ্ছিন্ন কথা বলতে পারবেন, কলড্রপও কমে যাবে।

‘ফোর-জি’র মাধ্যমে আইওটি বা ইন্টারনেট অব থিংস ধারণার প্রসার ঘটবে। বাইরে থেকে মোবাইল বা ডিভাইসের মাধ্যমে ঘরের দরজা লক, ফ্যান নিয়ন্ত্রণ, গ্যাসের চুলা ঠিকঠাক আছে কিনা- এসব কাজ হাতের নাগালে চলে আসবে’।

ফোর-জিতে ইন্টারনেটের গতি বাড়লে দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি বাণিজ্যিক কাজগুলো সহজ হবে জানিয়ে বিটিআরসি মুখপাত্র বলেন, টেলিমেডিসিন থেকে শুরু করে মোবাইল এডুকেশন বা ই-লার্নিংয়ের মতো কাজগুলো খুবই সহজ হয়ে যাবে।

ফোর-জি চালুর আগ মুহূর্তে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নিলামে অংশ নিয়ে ১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে গ্রামীণফোন ৫ মেগাহার্টজ ও ২১০০ মেগাহার্টজে বাংলালিংক ৫ মেগাহার্টজ এবং ১৮০০ মেগাহার্টজে ৫.৬ মেগাহার্টজ তরঙ্গ কিনেছে। নিলামের পর গ্রামীণফোন ও বাংলালিংকের তরঙ্গের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৩৭ ও ৩০.৬ মেগাহার্টজ।

On-the-afternoon-of-the-afternoon-the-Chinese-Szwan-Rice 

আজ ছুটির দিন, তাই বাচ্চাকাচ্চা, বড়, বুড়ো সবাই বাড়িতেই আছে। আর আপনি সবাইকে নিয়ে ছুটির দুপুরে কি খাবেন সেই চিন্তা করছেন? সাদামাটা খাবার তো রোজই খাচ্ছেন। আজ একটু ভিন্ন স্বাদের খাবার খেয়ে দেখুন। কি খাবেন? খুবই দ্রুত তৈরি করে নিতে পারবেন অত্যন্ত সুস্বাদু একটি চাইনিজ রাইস আইটেম সেজোয়ান রাইস। চলুন আজকে জেনে নেওয়া যাক চাইনিজ সেজোয়ান রাইস তৈরির খুবই সহজ রেসিপিটি।


সেজোয়ান সস তৈরি উপকরণ:

শুকনো মরিচ ১ মুঠো
আদা রসুন বাটা ১ চা চামচ
পেঁয়াজ কুচি ১ টি
সয়া সস ১ টেবিল চামচ
ভিনেগার ১ টেবিল চামচ
লবণ স্বাদ মতো
ঝাল বুঝে মরিচ গুঁড়ো
তেল ৩/৪ টেবিল চামচ

রাইসের জন্য উপকরণ:

রসুন কুচি ১ টেবিল চামচ
শুকনো মরিচ ১-২ টি
বরবটি বা ফ্রেঞ্চ বীনস আধা কাপ
গাজর কুচি আধা কাপ
সেজোয়ান সস ঝাল বুঝে
ভিনেগার ১ চা চামচ
সয়া সস ১ চা চামচ
ভাত ১-দেড় কাপ (৯০% সেদ্ধ করা)
লবণ স্বাদ মতো
তেল পছন্দ মতো
স্প্রিং অনিয়ন ইচ্ছে (পেঁয়াজ পাতা)

প্রণালি:


সস তৈরি:
প্রথমে গরম পানিতে শুকনো মরিচ ডুবিয়ে রাখুন এবং এরপর তা ব্লেন্ড করে পেস্ট তৈরি করে নিন।

একটি প্যানে তেল গরম করে নিয়ে এতে আদা রসুন বাটা দিয়ে ভালো করে নেড়ে নিন। পুড়িয়ে ফেলবেন না। এরপর এতে দিন পেঁয়াজ কুচি এবং নরম হয়ে গেলে মরিচের পেস্ট দিয়ে দিন।

যখন তেল ছেড়ে আসবে তখন একে একে বাকি মসলা দিয়ে ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিন। সব শেষে ৫-৬ মিনিট চুলায় অল্প আঁচে রেখে নামিয়ে ফেলুন সেজোয়ান সস।

রাইস তৈরি:
প্রথমে প্যানে তেল দিয়ে এতে রসুন কুচি ও একটি শুকনো মরিচ ছিঁড়ে দিয়ে ভালো করে নেড়ে নিন। এতে যোগ করুন ফেঞ্চ বীনস বা কুচি করে কাটা বরবটি ও গাজর।

১ মিনিট উচ্চ তাপমাত্রায় সবজি নেড়ে নিয়ে সেজোয়ান সস দিয়ে নেড়ে নিন। সয়া সস ও ভিনেগার দিয়ে নেড়ে মিশিয়ে রান্না করা ভাত দিয়ে দিন। উপরে লবণ ছিটিয়ে ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিন।

নামানোর পূর্বে কিছুটা স্প্রিং অনিয়ন দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন। এরপর পরিবেশন করুন সুস্বাদু এই চাইনিজ রাইস আইটেম এবং ছুটির দুপুরে মজা নিন চাইনিজ সেজোয়ান রাইসের

 

ভারতে গুগল সার্চে এখন শীর্ষেও থাকছেন মালয়লাম সুন্দরী প্রিয়া প্রকাশ। এই অষ্টাদশীর চোখের পলকের জাদু মন কেড়েছে সারা ভারতের। ভালোবাসা দিবসে আগের দিন গত মঙ্গলবার তার নামটিই সর্বাধিকবার খোঁজা হয়েছে।


এদিন গুগল সার্চে এক নম্বর হওয়ার দৌড়ে বলিউড অভিনেত্রী সানি লিওনিকে টপকে গেছেন প্রিয়া। পেছনে পড়ে গেছেন দীপিকা পাড়ুকোন ও ক্যাটরিনা কাইফের মতো প্রথম সারির তারকারাও। ভারতের সংবাদ সংস্থা টাইমস অব ইন্ডিয়া এ তথ্য জানিয়েছে।

‘অরু আদার লাভ’ নামের একটি ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হবে প্রিয়ার। এর একটি গানের টিজারের সুবাদে রাতারাতি তারকা বনে গেছেন তিনি। এতে স্কুলের এক অনুষ্ঠানে সহপাঠীর সঙ্গে খুনসুটি করতে দেখা গেছে তাকে। এই মিষ্টি অভিব্যক্তি যে কারও মন কেড়ে নেওয়ার মতো।

 

একুশে ফেব্রুয়ারি প্রতিটি বাঙালি জীবন ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।  পৃথিবীর ইতিহাসে মাতৃভাষার জন্যে এরকমের আত্মত্যাগের  নজির আর নেই। কালক্রমে একুশ আমাদের সার্বজনীন জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছে। ক্রমেই জাতীয় জীবনের ফ্যাশন ভাবনায়ও যুক্ত হয়ে গেছে একুশে ফেব্রুয়ারি।


সকল উৎসব পার্বনে ফ্যাশন হাউজ বিশ্বরঙের বিশেষ আয়োজন থাকে। এর শাড়ি, থ্রিপিস, ফতুয়া, পাঞ্জাবি, এবং বিশেষ ডিজাইনের টি-শার্ট ছাড়াও স্কার্ট-টপস, ওড়না, মগ ইত্যাদিতে তুলে ধরা হয়েছে একুশের অনুসঙ্গ। যেমন শহীদমিনার, বর্ণমালা, ধারাপাত সংখ্যা, একুশের গান ও কবিতা, আল্পনা,রক্তলাল সূর্য, ফুল, পাখি প্রভৃতি।

ছেলেমেয়েদের সাদাকালো কম্বিনেশনের কাপড় পড়ে খালি পায়ে শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অপর্নের প্রথা ছিল শুরু থেকেই। সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের পোশাকে রঙ এবং পাশাপাশি আমাদের জাতীয় পতাকার সবুজ ও লাল রঙকে ব্যবহার করা হয়েছে। একুশ আমাদের পরম পাওয়াও সেই উল্লাসকে কেন্দ্র করে রঙ নির্বাচনের ক্ষেত্রে  বিশ্বরঙ হয়েছে অনেক স্বাধীন তাই উজ্জল রঙের  ব্যবহারও করা হয়েছে ডিজাইনের প্রয়োজনে। কাজের মাধ্যম হিসাবে এসেছে টাই-ডাই, ব্লক, স্প্রে ব্লক, এপলিক, কাটওয়াক, স্ক্রিন, হ্যান্ডপেইন্ট, এ্যামব্রয়ডারি, ইত্যাদি। আর এসকল সামগ্রী পাওয়া যাবে ‘বিশ্বরঙ’ এর সকল বিক্রয়কেন্দ্রে।

প্রেমের শুরুতে যে ৮ লক্ষণ জানায় বিপর্যয়ের ইঙ্গিত! 

প্রেম! সে তো সবার জীবনেই আসে। কারো একবার, কারো বারবার। কিন্তু এই প্রেমের পাঠশালার শিক্ষা বুঝি কখনোই সমাপ্ত হয় না। কারণ মনের অলিগলিতে হাজার রকমের অনুভূতি মিলমিশে হরহামেশাই বিচ্ছিরি একটা তালগোল পাকিয়ে ফেলে! তৈরি হয় টানাপোড়েন।


সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রেমের শুরুতেই যদি এই ৮ টি বিপদজনক লক্ষণ দেখতে পান, তাহলে পিছিয়ে যাওয়াটাই উচিৎ হবে। কারণ এই লক্ষণগুলো জানিয়ে দেয় যে ভবিষ্যতে সম্পর্কটি সুখের হতে যাচ্ছে না। মিলিয়ে দেখুন, আপনার সম্পর্কের মাঝে নেই তো এই লক্ষণগুলো?

আপনার চোখে তার অনেক কিছুই খারাপ লাগছে
ব্যাপারটা যদি এমন হয় যে তার অনেক কাজই আপনি মেনে নিতে পারছেন না কিংবা তার অনেক কিছুই আপনার খারাপ লাগতে শুরু করেছে, তাহলে সম্পর্ক থেকে এখনই পিছিয়ে যান। প্রেমের শুরুতে অনুভূতির তীব্রতার সময়ে খারাপ লাগছে মানে ভবিষ্যতে আপনাদের মতের মিল হবে না কিছুতেই।

ঝামেলার সমাধান হয় না
সম্পর্ক থাকলে ঝামেলা হবেই। আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকা যদি সমস্যাটি নিয়ে কথা বলে সমাধানের ব্যাপারে আগ্রহী না হন, তাহলে এই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

তিনি প্রায়ই আপনার পরীক্ষা নিচ্ছেন
ভালোবাসায় টক-ঝাল-মিষ্টি পরীক্ষা হয়তো প্রথম প্রথম বেশ লাগে, কিন্তু সারা জীবন নয়। সঙ্গী প্রায়ই আপনার পরীক্ষা নিচ্ছেন মানে তিনি একজন সন্দেহপ্রবণ মানুষ এবং আপনাকে বিশ্বাস করতে পারছেন না

যে কোনও একজন কেবল দিয়েই যাচ্ছেন
সম্পর্ক হয় সমানে-সমানে। একজন কেবল দিয়েই যাচ্ছেন আর অপরজন কেবল নিয়েই যাচ্ছেন, এমন হলে সম্পর্ক না থাকাই উত্তম। এই দেওয়া কেবল টাকা-পয়সার ক্ষেত্রে সত্যি নয়। ভালোবাসা, আবেগ, সময়, বিশ্বাস ইত্যাদি সবকিছু দেওয়ার ক্ষেত্রেও সত্যি।

আপনার মন বলে কিছু একটা ঠিক নেই
আমাদের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় হচ্ছে দারুণ এক বেস্ট ফ্রেন্ড। যদি মন থেকে সতর্ক বার্তা আসতে শুরু করে, সাবধান হয়ে যান।

সবকিছু তাকে নিয়েই
তার কষ্ট, তার ইচ্ছা, তার চাহিদাকেই গুরুত্ব দিতে হয় আপনার। তিনি যখন সময় দিতে পারবেন, তখনই আপনাকে সময় বের করতে হবে। আপনার কোনও ইচ্ছা, অসুবিধা, কষ্ট বা আকাঙ্ক্ষা এই সম্পর্কের মাঝে মূল্য পাচ্ছে না মোটেই। ব্যাপারটি যদি এমন হয়ে থাকে, সরিয়ে নিন নিজেকে।

প্রাক্তন প্রেমিক/প্রেমিকার ব্যাপারে সমস্যা
নিজের প্রাক্তন প্রেমের ব্যাপারে তিনি অনেক আজেবাজে কথা বলেন, কিংবা আপনার প্রাক্তন সম্পর্কের ব্যাপারে খুবই সন্দেহপ্রবণ তিনি? এমনটা হলে জানবেন এই মানুষের সাথে সম্পর্ক চালিয়ে যেতে আপনাকেও বেগ পেতে হবে।

তিনি আপনাকে অবজ্ঞা, অবহেলা করেন
কেউ আপনাকে অবজ্ঞা বা অবহেলা করছেন সারাক্ষণ, তিরস্কার করছে, নানা রকমের কথা শোনাচ্ছে? এর অর্থ একটাই, মানুষটি আপনাকে ভালোবাসে না। সম্মান করে না। যে সম্মান করে না, তার সাথে সম্পর্ক রাখা অর্থহীন।

জীবন একটাই, সেই জীবনের সময়টুকুন ভুল মানুষের পেছনে ব্যয় না করে ভুল সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসুন। নিজের জন্য উপযুক্ত একজন মানুষ ঠিক পেয়ে যাবেন।

‘ই-স্বাস্থ্য’ কার্ডের মাধ্যমে ফোনেই মিলছে ডাক্তারের পরামর্শ 

ই-স্বাস্থ্য হেলথ কার্ডের মাধ্যমে বিশেষ ধরনের সেবা দিতে শুরু করেছে ডক্টরোলা ডট কম। এই কার্ডধারীরা এখন থেকে ফোনে ডাক্তারের পরামর্শ, টেস্টে বিশেষ ছাড় বা ক্যাশব্যাক, অগ্রাধিকারভিত্তিতে ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, হেলথ টিপসসহ বিভিন্ন ধরনের সেবা পাবেন।


ফোনে সপ্তাহে ৭ দিন সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ডাক্তারের (জেনারেল প্র্যাকটিশনার) সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাবেন গ্রাহকরা। প্রয়োজনে এসএমএস বা ই-মেইলের মাধ্যমে অ্যাডভাইস, মেডিসিন (ওটিসি), টেস্টের তালিকাও পাওয়া যাবে। এছাড়া ই-স্বাস্থ্যর গ্রাহকরা পাচ্ছেন বিভিন্ন চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠানে টেস্টসহ বিভিন্ন সেবায় ২০ ভাগ পর্যন্ত ছাড় ও ক্যাশব্যাক সুবিধা। কার্ডের দাম ২০০ টাকা। মেয়াদ ৬ মাস। এই কার্ড নবায়ন করা যাবে।

কার্ডটি পেতে বা বিস্তারিত জানতে কল করতে হবে ১৬৪৮৪ নম্বরে। https://doctorola.com/e- sastho/ সাইটে গিয়ে সদস্য ফরম পূরণ করলেও সব জানা যাবে

 রেসিপি: ডাল-পালং শাক

গরম গরম ভাতের সঙ্গে পালং শাক দিয়ে ডাল রান্না খুবই সুস্বাদু। জেনে নিন কীভাবে রান্না করবেন মজাদার আইটেমটি।


উপকরণ


পালং শাক- ১ আঁটি (মোটা কুচি)
মসুরের ডাল- আধা কাপ
পেঁয়াজ কুচি- ১ টেবিল চামচ
রসুন কুচি- ১ টেবিল চামচ
শুকনা মরিচ- ২টি
তেজপাতা- ১টি
কাঁচামরিচ- ২টি 
লবণ- স্বাদ মতো
মরিচ গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ
ধনে গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ
পাঁচফোড়ন- আধা চা চামচ
তেল- ২ টেবিল চামচ

প্রস্তুত প্রণালি

ডাল আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন পানিতে। পানিতে ডাল ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। হাড়িতে পানি নিয়ে চুলায় দিন। বলক আসলে ডাল ও আধা চা চামচ লবণ দিয়ে দিন। ডাল সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। আধা ঘণ্টা পর হলুদ, মরিচ ও ধনে গুঁড়া দিয়ে নেড়ে নিন। পালং শাক কুচি দিয়ে ঢেকে দিন পাত্র। ২ মিনিট পর দেখুন শাক সেদ্ধ হয়েছে কিনা। সেদ্ধ হয়ে গেলে টমেটোর টুকরা দিয়ে নেড়ে হাড়ি নামিয়ে নিন।

চুলায় আরেকটি কড়াই দিয়ে তেল গরম করুন। এবার পাঁচফোড়ন দিয়ে নাড়তে থাকুন। ফেনা উঠলে শুকনা মরিচ ও তেজপাতা দিয়ে দিন। পেঁয়াজ কুচি দিয়ে লাল না হওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন। পেঁয়াজ লাল হয়ে গেলে রসুন কুচি দিয়ে দিন। সেদ্ধ করা পালং শাক থেকে খানিকটা অংশ দিয়ে দিন বাগারের কড়াইয়ে। সুন্দর গন্ধ বের হলে কড়াইয়ের মিশ্রণ পালং শাক ও ডালের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। আস্ত কাঁচামরিচ দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে চুলা বন্ধ করে দিন। ২ মিনিট পর গরম গরম পরিবেশন করুন ডাল দিয়ে পালং শাক।

স্বামী আদিত্যের এই অভ্যাসটি মোটেও পছন্দ নয় রানির! 

নেহা ধুপিয়ার চ্যাট শো ‘বিএফএফ উইথ ভোগ’ বর্তমানে দারুণ জনপ্রিয় দর্শকমহলে। বলিউডের নামকরা তারকারা হাজির হচ্ছেন তাদের বন্ধুদের নিয়ে এই শো-তে। এসেই খোলাসা করছেন না জানা অনেক কথা। সম্প্রতি এসেছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রানি মুখার্জি। সেখানে তিনি জানালেন, স্বামী আদিত্য চোপড়ার একটি ব্যাপার মোটেও পছন্দ নয় তার!


শুধু তাই নয়, রানি চান তার কন্যা আদিরা যেন বাবার সেই স্বভাব না পান। আসলে কী সেই অপছন্দের স্বভাব? রানি জানালেন, ‘আদিত্য খেতে খুব ভালোবাসে। আমি চাই না আদিরাও এই স্বভাবটা পাক।’ 


আদিরার বিষয়ে খুব সতর্ক তার বাবা-মা। মিডিয়ার থেকে মেয়েকে যতটা সম্ভব দূরে রাখার চেষ্টা করেন রানি-আদিত্য। আর মেয়ের ব্যাপারে আদিত্যর প্রায় সব কথাই মেনে চলেন রানি। মেয়ে বাবার মতো হোক তাতেও আপত্তি নেই তার। তবে, রানি চান, আদিত্যর খাওয়ার স্বভাবটা যেন আদিরা না পায়!

রানি আরও জানান, আদিত্য চোপড়া সিনেমা দেখতেও খুব ভালোবাসেন। আদিত্যর ভালো লাগা এখানেই শেষ নয়। তবে খাওয়া আর সিনেমা দেখা ছাড়া আদিত্য চোপড়া আর কী করতে ভালোবাসেন তা এড়িয়ে গেছেন রানি।  

রানি মুখার্জি তার আসন্ন সিনেমা ‘হিচকি’র প্রচারণায় এসেছিলেন এই শো-তে। সঙ্গে ছিলেন তার বন্ধু ও ডিজাইনার সব্যসাচী মুখার্জি। এই শোয়ের সঞ্চালক নেহা ধুপিয়া। নেহা রানিকে স্বামী ও মেয়েকে নিয়ে নানা প্রশ্ন করেন। তেমনই এক প্রশ্নের জবাবে রানি আদিত্য এবং আদিরাকে নিয়ে এমন কথা বলেন।

সবার সেরা ৪জি সেবা নিয়ে আসছে গ্রামীণফোন 

গ্রামীণফোন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন আয়োজিত স্পেকট্রাম নিলামে প্রতি মেগাহার্জ ৩১মিলিয়ন মার্কিন ডলার হারে ৫মেগাহার্জ বেতার তরঙ্গ কিনেছে।


গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল ফোলি বলেন,”আমাদের প্রযুক্তি নিরপেক্ষে স্পেকট্রামের সাথে নতুন এই স্পেকট্রাম যোগ হওয়ায় গ্রামীণফোন দেশের সবচেয়ে আধুনিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেরা ৪ জি সেবা প্রদানে একটি দৃঢ় অবস্থানে পৌছে গেল।”

১৮০০মেগাহার্জ ব্যান্ড ৪জি/এলটিই বিস্তারে সবচেয়ে কার্যকরী স্পেকট্রাম এবং গ্রামীণফোনের নতুন ক্রয় তার শীর্ষস্থানকে আরো জোরদার করেছে।এর আগে প্রতিষ্ঠানটি তার সম্পূর্ণ ২জি স্পেকট্রাম এর জন্য ২জি প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা চেয়ে আবেদন করে এবং রেগুলেটরের অনুমতি লাভ করে।

গ্রামীণফোন তার নেটওয়ার্কের আধুনািকায়ন করেছে ,ফলে তার গ্রাহকরা নিরবিচ্ছিন্ন এইচডি ভিডিও ও লাইভ টিভি স্ট্রিমিং, ঝকঝকে ভিডিও কল এবং অতিদ্রুত গতির ডাউনলোড করতে পারবেন গ্রামীণফোনের অপ্রতিদ্বন্দী নেটওয়ার্কে।গ্রামীণফোনের আধুনিক নেটওয়ার্ক উপভোগ করার জন্য গ্রাহকদের তাদের ৩জি সিম পরিবর্তন করে ৪জি সক্ষম সিম গ্রহণ করতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

গ্রামীণফোনের সিইও বিটিআরসি, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সরকারকে সাফল্যের সাথে স্পেকট্রাম নিলাম সম্পন্ন করার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং সারাদেশে একটি মানসম্পন্ন ৪জি নেটওয়ার্ক বিস্তারে সহায়তা কামনা করেন।তিনি বলেন,” এই নিলাম আয়োজন করে সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল।আমরা আশা করবো যে সফল ভাবে ৪জি বিস্তার এবং এর ব্যবসায়িক সাফল্য নিশ্চিত করতে তারা যৌক্তিক নীতি গ্রহণ করবেন।”

গ্রামীণফোন উন্নততর নেটওয়ার্ক এবং মানসম্পন্ন সেবার জন্য সবসময় পরিচিত একথা পুনারয় উল্লেখ করে তিনি বলেন,”যখন আমরা ৪জি চালু করবো তখনো আমরা গ্রাহকের অভিজ্ঞতার বিষয়ে কোন ছাড় দেবনা।”

টেনিস শিখতে গিয়ে প্রথম প্রেমে পড়েছিলেন আমির 

ভালোবাসা দিবসে ভক্তদের কাছে নিজের ‘পেহলা নেশা’ অর্থাৎ প্রথম প্রেমের স্মৃতি জানালেন বলিউড সুপারস্টার আমির খান। ১০ বছর বয়সে প্রথম প্রেমে পড়েছিলেন তিনি। এতদিন এ কথা গোপন ছিল বলেও উল্লেখ করেন ৫২ বছর বয়সী এই তারকা।


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিডিও বার্তায় আমির বলেছেন, “বিশ্বাস করুন আর না করুন, আমার বয়স যখন ১০ বছর, তখন প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম। খুব কম মানুষ এটা জানে। সেই সময় টেনিস কোচিংয়ে যেতাম। ৪০-৫০ জনের একটা দল ছিল সেখানে। তাদের মধ্যে একটা মেয়েকে দেখে যারপরনাই মুগ্ধ হয়েছিলাম। প্রথম দেখাতেই এটা ছিল আমার ‘পেহলা নেশা’।”

যোগ করে আমির বলেন, ‘ওই মেয়েটির প্রেমে রীতিমতো হাবুডুবু খাচ্ছিলাম। তার জন্য বুঁদ হয়ে পড়েছিলাম। দিনরাত তাকে নিয়েই ভাবতাম। কিন্তু কখনও তার কাছে আমার অনুভূতি প্রকাশের সাহস পাইনি। আমার আর তার বয়স ছিল অল্প। মেয়েটা খুব সুন্দরী ছিল।’

এর মধ্যেই টেনিসে উন্নতি করতে থাকেন আমির। তার ভাষ্য, ‘আমি প্রচুর অনুশীলন করতাম। কারণ আমি যেতাম সবার আগে আর বের হতাম সবার শেষে। তাছাড়া ওই মেয়েটির মন জয় করাও ছিল আমার লক্ষ্য। কিন্তু এক বছরের ব্যবধানে তার পরিবার শহর ছেড়ে চলে যায়। তাই এটি হয়ে থাকলো আমার ব্যর্থ প্রেম। এই নীরব ভালোবাসা কখনও পূর্ণতা পেলো না। একথা আগে কখনও বলিনি।’

মজার আরেকটি ব্যাপার বলেছেন আমির, ‘পরে আরও দুই-তিনবার প্রেমে পড়েছি, কিন্তু সেগুলো ব্যর্থ হলো। প্রেমে কখনও ভাগ্য কাজ করেনি আমার পক্ষে। তবে এখন আমি ভাগ্যবান।’

পরিচালক কিরণ রাওকে ভালোবেসে বিয়ে করেছেন আমির। তাদের ঘরে আছে পুত্রসন্তান আজাদ রাও। এর আগে রীনা দত্তকে বিয়ে করেন আমির। ওই সংসারের ছেলেমেয়ে হলো জুনায়েদ ও ইরা।
বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টুইটারে আমির জানান, ‘পেহলা নেশা’ গানটি শুনে ভালোবাসা দিবস উদযাপন করেছেন তিনি। এটা তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের ছবি ‘জো জিতা ওহি সিকান্দার’-এ ছিল। তিনি মনে করেন, ভালোবাসা দিবসের জন্য যুতসই গান এটি। ‘দঙ্গল’ তারকা লিখেছেন, ‘আমার নিজের প্রিয় গানগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। সবাইকে ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা।’

২৫ বছর পর ‘পেহলা নেশা’ গানটির নতুন সংস্করণ তৈরি হয়েছে ওনিরের ‘কুছ ভিগে আলফাজ’ ছবির জন্য। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন পলক মুচ্ছাল ও জুবিন নটিয়াল।

এদিকে আমির খান এখন ‘থাগস অব হিন্দুস্তান’ নিয়ে ব্যস্ত। এতে তার বিপরীতে থাকছেন ক্যাটরিনা কাইফ ও ফাতিমা সানা শেখ। এছাড়াও আছেন অমিতাভ বচ্চন। ছবিটি মুক্তি পাবে এ বছরের দীপাবলিতে।

টয়লেটে ফ্ল্যাশ করতে নেই যে ৬ উপাদান 

নগর জীবনে এখন ইংলিশ কমোড প্রায় সব অ্যাপার্টমেন্টেই। ঝকঝকে টাইলসের আধুনিক ফিটিংস দেওয়া বাথরুম দেখতে তো বেশ লাগে, কিন্তু এগুলো ব্যবহারের আছে কিছু নিয়মনীতি। কারণ একবার কমোড বা ড্রেইনের লাইন জ্যাম হয়ে গেলে সেটা মারাত্মক যন্ত্রণার একটি কাজ। টয়লেটের লাইন ব্লক হয়ে যাওয়া মানে বর্জ্য পদার্থ উপচে ওঠাসহ আরও বিশ্রি সব সমস্যার মুখোমুখি হওয়া।


নিত্যদিনের অনেক কিছুই কমোডে ফেলে ফ্ল্যাশ করে দিই আমরা। ধরে নিই যেহেতু অনেকটা পানি সহ ফ্ল্যাশ হচ্ছে, যেটাই ফ্ল্যাশ করবো না কেন চলে যাবে। এই ধারণা খুব ভুল। অনেক ছোট উপাদানও আপনার বাড়ির সুয়ারেজ লাইনে জমে থেকে বাজে বিপত্তি বাঁধাতে পারে। তেমনি ৬ রকম পণ্যের তালিকা দেওয়া হলো আজ। জেনে নিন এই বস্তুগুলো কেন ফ্ল্যাশ করবেন না টয়লেটের কমোডে।

তেল বা ভ্যাসলিন জাতীয় কিছু
এইসব পদার্থ কমোডে বা ড্রেইনে ফেলে ফ্ল্যাশ করবেন না। পানির সংস্পর্শে এলে তেল জাতীয় পদার্থগুলো জমাট বেঁধে যায় এবং ধীরে ধীরে পাইপের ভেতরে জমে মুখ আটকে দেবে।

চুল, কটনবাড, প্লাস্টিকের প্যাকেট ইত্যাদি
এসব ছোট জিনিস কমোডে ফেলে ফ্ল্যাশ করেন প্রায় সবাই। এই কাজটি করবেন না, কারণ এসব জিনিস পানির সাথে পুরোপুরি ধুয়ে যায় না। বরং পাইপের কোনও বাঁকা অংশে গিয়ে আটকে যায়।

ডায়াপার, স্যানিটারি ন্যাপকিন
এইসব উপাদানে আদ্রতা শোষণের জন্য জেল জাতীয় উপাদান থাকে, যা পানির সাথে ধুয়ে যায় না। এসব জিনিস কমোডে একটি/দুটি ফেললেও লাইন জ্যাম হয়ে যাবে।

ওয়েট টিস্যু বা ওয়াইপস
এই টিস্যুগুলো সাধারণ টিস্যুর মত গলে পানিতে মিশে যায় না। এসব কমোডে ফ্ল্যাশ করলে দলা পাকিয়ে জমে থাকে এবং সুয়ারেজ লাইন জ্যাম করে দেয়।

ব্যবহৃত চা পাতা, কফির গুঁড়ো, ডিমের খোসা ইত্যাদি
দেখতে নিরীহ মনে হলেও এসব গুড়ো উপাদানও পানিতে মিশে বা চট করে ধুয়ে যায় না। ফলে সুয়ারেজ লাইন জ্যামে এদের জুড়ি নেই।

বিড়ালের বর্জ্য
আজকাল পোষা বিড়ালের টয়লেট করার জন্য 'ক্যাট লিটার" ব্যবহার করা হয়। ক্যাট লিটারে সাধারণত বালি বা সিলিকা জেল জাতীয় বস্তু থাকে। অনেকেই বিড়ালের বর্জ্য পদার্থ ত্যাগের পর এই বালি বা সিলিকা জেল সহই কমোডে ফ্ল্যাশ করে দেন। এতে সুয়ারেজ লাইন ব্লক হয়ে যাওয়া একদম নিশ্চিত।

সুয়ারেজ লাইন ব্লক হয়ে যাওয়া কেবল নিজের ঘরে ঝামেলা বাঁধায় না, প্রতিবেশীরও সমস্যা তৈরি করে। কমোডে দৈনন্দিন ব্যবহারের জিনিসপত্র ফ্ল্যাশ না করাই সবদিক দিয়ে ভালো।

 কম দামে ক্লোন কম্পিউটার

অফিসের সব ধরনের কাজের উপযোগী কম্পিউটার ১৩ হাজার ৯০০ টাকায় দিচ্ছে সিস্টেমআই টেকনোলজিস লিমিটেড।


অফিস পি-১ পিসিতে রয়েছে ইন্টেল কোর২ ডুয়ো ৩.০০ গিগাহার্টজ প্রসেসর, ৩২০ জিবি হার্ডডিস্ক, ২ জিবি র‍্যাম, ১৮ দশমিক ৫ ইঞ্চির ডেল বা এলজি মনিটর।

এছাড়া ২১ হাজার ৯০০ টাকায় কোরআই-৩ ও ৪১ হাজার ৫০০ টাকায় কোরআই-৫ ডেস্কটপ পিসি পাওয়া যাবে। ঢাকার মধ্যে অফিস ডেলিভারি পাওয়া যাবে এবং সরাসরি অফিসে এসেও কেনা যাবে। রয়েছে ১ বছরের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করতে পারেন www.systemeye.net এই ঠিকানায়।

অবৈধ টাওয়ারে আড়াই কোটি টাকার বেশি জরিমানা করা হয়েছে জিপিকে 

সীমান্তে অনুমোদনহীন টাওয়ার স্থাপন করায় গ্রামীণফোনকে ২ কোটি ৬৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর সর্বশেষ কমিশন বৈঠকে অপারেটরটিকে এই জরিমানা করা হয়েছে।অবশ্য গ্রামীণফোন এখনও এই জরিমানার বিষয়ে কিছু জানে না বলে জানিয়েছে।অপারেটরটি হতে টেকশহরডটকমকে জানানো হয়, ‘বিটিআরসির এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্তের বিষয়ে এখনো অবগত নই, তাই এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা সমীচীন হবে না।’


বিটিআরসি সূত্রে জানা যায়, নিয়ন্ত্রণ সংস্থার অনুমোদন না নিয়েই সীমান্ত এলাকায় ১৭টি টাওয়ার স্থাপন করেছে গ্রামীণফোন। ২০১৪ সালের জানুয়ারি হতে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর সময়ের মধ্যে এই টাওয়ারগুলো স্থাপন করে তারা।সীমান্তের ০ পয়েন্ট হতে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে টাওয়ার স্থাপনে বিধি-নিষেধ রয়েছে। অপারেটরটি এসব বিধি-নিষেধও মানেনি।

এর আগে ২০১৭ সালের আগস্টে সীমান্তে অনুমোদনহীন টাওয়ার স্থাপন ও ভাড়া নেয়ায় বাংলালিংককে ১৭ কোটি টাকা জরিমানা করেছিল বিটিআরসি।তখন সীমান্তে বাংলালিংকের ৪০টি অনুমোদনহীন টাওয়ার পাওয়া যায়। এছাড়া ৬৯টি টাওয়ার ভাড়া নেয়ার ক্ষেত্রেও তাদের কোনো অনুমোদন ছিল না।

 

আমি জানি না আমাদের সমাজ ব্যবস্থা বা মানসিকতা এমন কেন, এখানে প্রেম নিয়ে কোনও কথা বলা যেন পাপ! প্রকাশ্যে ইভ টিজিং করলে সেটার প্রতিবাদ করতে কেউ এগোবে না কিন্তু প্রকাশ্যে প্রেম করলে সবাই ঠিকই তেড়ে আসে। এদেশের এ এক অদ্ভুত রীতি। আপনি কাকে ভালোবাসবেন বা কার সঙ্গে জীবনযাপন করবেন সেটা ফ্যামিলি ঠিক করে দেয়। আপনি নিজে সেটা ঠিক করলে সবার চোখে আপনি বেয়াদব! আশার কথা হলো- এই রীতি ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে।


বলছিলাম আমার প্রেম-জীবনের কথা। অদ্ভুতভাবে আমি খুব ছোট থেকেই অসংখ্যবার প্রেমে পড়েছি; যেগুলোর আয়ুষ্কাল ছিলো বড়জোর ৭দিন! যার সবগুলোই ছিল একতরফা। আর প্রেমগুলো একদম ‘আমি তো প্রেমে পড়িনি/ প্রেম আমার ওপরে পড়েছে’ টাইপ!

যাই হোক, স্কুলের শেষের দিকে রনির (ছদ্মনাম) সঙ্গে প্রেম হয় আমার। বয়সে আমার থেকে সে মিনিমাম ১০ বছরের বড় ছিলো! এটা একতরফা না, সেও আমার প্রেমে হুড়মুড় করে পড়লো। প্রথম ডেট করার দিন বাসায় ধরা খেলাম। কারণ আমি লুকিয়ে কিছু করতে শিখিনি। তাই প্রথম লুকানো ডেটিংয়েই একেবারে কট-বিহাইন্ড! এরপর কোনোভাবে এক বছর গেল। তারপর ব্রেকআপ।

সেই কষ্ট কাটাতে প্রেম শুরু হলো মিডিয়ার এক পরিচিত মুখ অভিষেকের (ছদ্মনাম) সঙ্গে। আবার ফ্যামিলি থেকে বাধা। দেড় বছর পর সেটাও ব্রেকআপ! এরপর মুরাদের (নির্মাতা মুরাদ পারভেজ) সঙ্গে পরিচয়। টানা নয় মাস আমাকে জ্বালাতন করার পর মনে হলো- বেচারা দেবদাস, হ্যাঁ বলে দিই। এই ‘হ্যাঁ’ বলার তিন মাসের মধ্যেই বিয়ে করার প্রস্তাব! আমিও তালে তালে বিয়ে করে ফেললাম।
জীবনের এত বড় একটা সিদ্ধান্ত নিলাম হাসতে-খেলতে, এখন ভাবলেও হাসি পায়।

মনে পড়ে প্রতিবারই আমি খুব সিরিয়াসলি প্রত্যেকের প্রেমে পড়েছি। প্রেমের প্রতিটি মুহূর্ত আমি উপভোগ করেছি। কেঁদেছি, হেসেছি।

জীবনের অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজও আমি একই গতিতে সিরিয়াসলি মানুষের প্রেমে পড়ে যাই। এখনও সেই প্রেমের দায়ে কষ্ট, আঘাত, সুখ আর ভালোবাসার উষ্ণতা উপভোগ করি নিয়মিত।

এসবের জন্য আমার কোনও দুঃখ নেই, লজ্জাও নেই। আমার কাছে প্রেমে পড়ার মুহূর্তটাকে বরাবরই মনে হয় বৃষ্টি ভেজা মাটির গন্ধের মতো। শুকনো মাটিতে বৃষ্টি পড়লে যে গন্ধটা ছড়ায়, প্রেমে পড়লে ঠিক তেমন একটা প্রাণ জুড়ানো গন্ধ পাই আমি।

আর যখন প্রেমটা ভেঙে যায়, প্রতিবারই মনে হয় নদীর পাড় থেকে আমার হৃদয়ের টুকরোটা বুঝি ভেঙে পড়লো ঝুপ করে। এত কষ্ট হয়, বুকটাই ছিঁড়ে যায়। কিন্তু সেই কষ্ট থেকেও আমি খানিক আনন্দ খুঁজে পাই। কারণ প্রতিটি বিরহ-বিচ্ছেদ আমাকে নতুন সাবা করে গড়ে তোলে। আমি ফের উঠে দাঁড়াই। ফের প্রেমে পড়ার অপেক্ষায় থাকি।

প্রতিটি প্রেম আমার কাছে প্রথম প্রেম। আমার গোটা জীবনের বড় অংশ জুড়ে আছে প্রেম। প্রেমে না পড়লে নতুন করে স্বপ্ন দেখা, জীবনের নতুন মানে খুঁজে পাওয়া যায় না। অন্তত প্রেমহীন জীবন আমি মানি না।

এই যে, সম্প্রতি আমি একটা প্রেমে ডুবে আছি (তার ছদ্মনামও দিতে চাই না, মায়া লাগে)। নতুন প্রেমের স্বাদ মনে লেগে আছে বলেই এত প্রেমময় কথা লিখতে পারছি। ভাবতে পারছি, লাইফ ইজ বিউটিফুল।

 ‘আরেক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ’

ফোরজি তরঙ্গ নিলামের আয়োজনের মধ্য দিয়ে বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল ফোলি।


১৩ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এদিন রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত ফোরজি তরঙ্গ নিলামে অংশ নেয় গ্রামীণফোন। নিলামে প্রতি মেগাহার্জ ৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার হারে ৫ মেগাহার্জ বেতার তরঙ্গ কেনে প্রতিষ্ঠানটি।

মাইকেল ফোলি বলেন, ‘আমাদের প্রযুক্তি নিরপেক্ষে স্পেকট্রামের সাথে  নতুন এই স্পেকট্রাম যোগ হওয়ায় গ্রামীণফোন দেশের সবচেয়ে আধুনিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেরা ৪জি সেবা প্রদানে একটি দৃঢ় অবস্থানে পৌঁছে গেল।’

তিনি বলেন, ‘এই নিলাম আয়োজন করে সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল। আমরা আশা করবে যে, সফলভাবে ৪জি বিস্তার এবং এর ব্যবসায়িক সাফল্য নিশ্চিত করতে তারা যৌক্তিক নীতি গ্রহণ করবেন।’

অনুষ্ঠানে বলা হয়, গ্রামীণফোন তার নেটওয়ার্কের আধুনিকায়ন করেছে। ফলে তার গ্রাহকরা নিরবিচ্ছিন্ন এইচডি ভিডিও ও লাইভ টিভি স্ট্রিমিং, ঝকঝকে ভিডিও কল এবং  অতি দ্রুতগতির ডাউনলোড করতে পারবেন গ্রামীণফোনের অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেটওয়ার্কে।

গ্রামীণফোন উন্নততর নেটওয়ার্ক এবং মানসম্পন্ন সেবার জন্য সবসময় পরিচিত দাবি করে তিনি বলেন, ‘যখন আমরা ৪জি চালু করবে, তখনো আমরা গ্রাহকের অভিজ্ঞতার বিষয়ে কোনো ছাড় দেব না।’

 

বহুল প্রতীক্ষিত চতুর্থ প্রজন্মের নেটওয়ার্ক তথা ফোরজি চালু হচ্ছে ২১ ফেব্রুয়ারি। এর দুই দিন আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় একটি অনুষ্ঠানে দেশের মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটক কর্তৃপক্ষের হাতে ফোরজি লাইসেন্স তুলে দেবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। তাদের মধ্যে সবার আগে ফোরজি সেবা চালু করতে চায় বাংলালিংক।



মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা ক্লাবে স্পেক্ট্রাম (তরঙ্গ) নিলাম শেষে ফোরজি লাইসেন্স তুলে দেওয়ার ঘোষণা আসে। সেখানে বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেন, ‘লাইসেন্স হাতে পেলেই অপারেটররা ফোরজি সেবা দিতে পারবে।’

তরঙ্গ নিলাম অনুষ্ঠান শেষে বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এরিক অস ঘোষণা দেন, আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি ফোরজি সেবা চালু করবেন তারা।



অন্যদিকে মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী মাইকেল ফলি বলেন, ‘আমরা লাইসেন্স পাওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব ফোরজি সেবা চালু করবো।’

গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্কের আধুনিকায়ন করা হয়েছে বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী। ফলে গ্রাহকরা নিরবচ্ছিন্ন এইচডি ভিডিও ও লাইভ টিভি স্ট্রিমিং আর ঝকঝকে ভিডিও কল এবং অতি দ্রুত গতিতে যে কোনও কিছু ডাউনলোড করতে পারবেন। গ্রামীণফোনের আধুনিক নেটওয়ার্ক উপভোগের জন্য থ্রিজি সিম পরিবর্তন করে ফোরজি সিম নিতে সবার প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

‘কোয়ালিটি অব সার্ভিস’ই নিজেদের মূল কথা বলে উল্লেখ করেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী। তিনি জানিয়েছেন, গ্রাহককে মানসম্মত সেবা দিতে গ্রামীণফোন গত বছরের তৃতীয় ও চতুর্থ প্রান্তিকে নেটওয়ার্ক অবকাঠামো উন্নত করেছে। তার ভাষ্য, ‘ফোরজির প্যাকেজ কী হবে তা আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবো। আর ফোরজির গাইডলাইনে যা উল্লেখ থাকবে সেই অনুযায়ী গতি নিশ্চিত করা হবে।’

এদিকে দেশের সব মোবাইল ফোন অপারেটর ফোরজি চালুর প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। তাদের ফোরজি সিম বিক্রি শুরু হয়েছে অনেকদিন হলো। গ্রাহকরা সিম রিপ্লেস করতে গেলেও দেওয়া হচ্ছে ফোরজি সিম।

অপারেটরগুলো ইতোমধ্যে ‘টেস্ট রান’ হিসেবে ফোরজি সফলতা পেয়েছে। সেই হিসেবে বাংলালিংকের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, ফোরজি সেবা চালুর শুরুতে ঢাকা ও খুলনায় গ্রাহকদের সেবা দিতে চায় অপারেটরটি।

মোবাইল ফোন অপারেটর রবি ফোরজি চালুর দিনক্ষণ ঘোষণা না দিলেও তারাও যে কোনও সময় সেবা দিতে প্রস্তুত বলে জানা গেছে। অপারেটরটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ইকরাম কবির (কমিউনিকেশন অ্যান্ড করপোরেট রেসপনসিবিলিটি) বলেন, ‘আমরা আরও উন্নত মানের ফোরজি সেবা নিয়ে আসছি।’

গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকের পাশাপাশি ফোরজির লাইসেন্স পেতে সিটিসেল আবেদন করলেও তরঙ্গ নিলামে অংশ নেয়নি। তরঙ্গ না থাকায় সিটিসেল ফোরজি চালু করতে পারবে না এই শর্তে লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়ে অপারেটরটি। ফলে চূড়ান্ত পর্যায়ে লাইসেন্স পেতে যাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকসহ চারটি মোবাইল ফোন অপারেটর।

ফোরজি দিয়ে কী হবে জানতে চাইলে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ  বলেছিলেন, ‘যত দিন যাচ্ছে, মানুষ কিন্তু কথা বলার চেয়ে ডাটার (ইন্টারনেট) ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। গোটা পৃথিবীই ডাটার ওপর পরিচালিত হচ্ছে। এখন ডাটা অনেক দামি, কিন্তু তা ধীরগতির। ইন্টারনেট থেকে কিছু ডাউনলোড করতে গেলে অনেক সময় লাগে। ফোরজি এলে এসব সমস্যা দূর হয়ে যাবে।’

তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের উন্নতির পেছনে ডাটার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান। তার কথায়, ‘এই যে আইটিভিত্তিক শিল্প, তা কিন্তু ইন্টারনেটের ওপর ভিত্তি করেই অগ্রসর হয়। যত বেশি গতি পাওয়া যাবে এই শিল্প খাতের পরিধি তত বেশি বাড়বে। ফোরজি এলে মোবাইল ফোনে যে কোনও কনটেন্ট দ্রুত ডাউনলোড করতে পারবো। এখন কিন্তু তা পারি না।’

বিটিআরসি’র একজন কর্মকর্তা  বলেছেন, ‘ফোরজি এলে ব্যান্ডউইথের সক্ষমতা বাড়বে। ফলে মোবাইল ইন্টারনেটের গতিও বৃদ্ধি পাবে অনেকাংশে। একইসঙ্গে মোবাইল ফোনের সেবার মান (ভয়েস ও ইন্টারনেট) অনেক ভালো হবে।’

ওই কর্মকর্তার ভাষ্য, ‘ওটিটি (ওভার দ্য টপ) সেবা তথা যোগাযোগভিত্তিক অ্যাপগুলোর কোয়ালিটি অব সার্ভিস অনেক ভালো হবে। ভাইবার, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্যান্য অ্যাপে কথা আরও পরিষ্কার শোনা যাবে, ছবি হবে ঝকঝকে। টেলিমেডিসিন সেবাও হবে আরও উন্নত। যে কোনও যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও দ্রুত গতির হবে।’

অনলাইনভিত্তিক সরকারি সেবাগুলো আরও ভালোভাবে পাওয়া যাবে বলে মনে করেন বিটিআরসি’র এই কর্মকর্তা। যে কোনও কিছু দ্রুত ডাউনলোড করা ও অ্যাকসেস করার ক্ষেত্রে সময় অনেক বাঁচবে বলেও তিনি মনে করেন।

এছাড়া মোবাইল ওয়েব সেবা, আইপি টেলিফোনি, গেমিং সেবা, এইচডিটিভি, হাই-ডেফিনেশন মোবাইল টিভি, ত্রিমাত্রিক টেলিভিশন (থ্রিডি টিভি) ও ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা পাওয়া যাবে ফোরজির মাধ্যমে।

গত ২৯ নভেম্বর সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ঘোষণা দেয়, নতুন বছরে দেশবাসীর জন্য উপহার হতে যাচ্ছে ফোরজি। এই সেবার সংশোধিত গাইডলাইন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার পরেই এ ঘোষণা আসে।

সেই সময় জানানো হয়— ফোরজির গতি হবে ২০ এমবিপিএস (মেগাবাইট পার সেকেন্ড)। যদিও পরে এই গতিও সংশোধন করা হয়েছে। তবে ফোরজির গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড গতি ১৬ এমবিপিএস। বাংলাদেশে ফোরজির ডাউনলোড গতি ১ এমবিপিএস থেকে শুরু করে এর ১ হাজার ২৪ গুণ, অর্থাৎ ১ জিবিপিএস পর্যন্ত হতে পারে।

ফোরজি কী
লং টার্ম ইভোল্যুশনকেই (এলটিই) চতুর্থ প্রজন্মের নেটওয়ার্ক বা ফোরজি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এই নেটওয়ার্কে সেকেন্ডে ২ মেগাবাইট থেকে ৪০ মেগাবাইট পর্যন্ত গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা যাবে। ফোরজি হলো ইন্টারনেট গতির ক্ষেত্রে বড় একটি পর্যায়। তাত্ত্বিকভাবে এর ডাউনলোড গতি ১০০ এমবিপিএস থেকে ১ জিবিপিএস পর্যন্ত হতে পারে।

অন্যদিকে যে নেটওয়ার্ক সেকেন্ডে কমপক্ষে ২০০ কিলোবাইট তথ্য স্থানান্তর করতে পারে সেটাই থ্রিজি নেটওয়ার্ক। থ্রিজিতে অনলাইন টিভি, হাই ডেফিনেশন ভিডিও, ভিডিও কলিং, ভিডিও গেমসগুলো ডেভেলপ হয়েছে। উদাহরণ দিয়ে বলা যায়, একজন থ্রিজি ব্যবহারকারী ইন্টারন্টে সেকেন্ডে ১৪ মেগাবাইট গতি পেলে তিনিই ফোরজিতে ১ জিবিপিএস পর্যন্ত গতি পাবেন।

 

ভালোবাসা দিবসে, ভালোবাসার মানুষটির সাথে একটু মিষ্টিমুখ হবে না তা কি হয়? আপনার ভালোবাসা দিবসের সন্ধ্যাটাকে আরেকটু মিষ্টিময় করে তুলার জন্য বাড়িতেই তৈরি করুন ‘স্ট্রবেরি আইসক্রিম’। এই মজাদার ভালোবাসা ভাগাভাগি করে নিন বাড়ির ছোট বড় সকলের সাথে। ঝামেলার কথা মোটেও ভাববেন না। কারণ এই আইসক্রিম তৈরি করা খুবই সহজ। তাহলে আসুন আজ আমরা জেনে নেই স্ট্রবেরি আইসক্রিম তৈরির সব চাইতে সহজ রেসেপিটি।


উপকরণ:

স্ট্রবেরি ১০টি৷
হেভি ক্রিম ২ কাপ।
কনডেন্সড মিল্ক ১ কাপ।
চিনি ২ টেবিল-চামচ স্বাদ মতো।
এক ফোঁটা লাল খাবার রং,(ইচ্ছা)
ভ্যানিলা এসেন্স অথবা স্ট্রবেরি এসেন্স ১ চা-চামচ।

রণালি:

আস্ত স্ট্রবেরি ও চিনি ব্লেন্ডার ব্লেন্ড করে স্ট্রবেরি পিউরি তৈরি করে নিতে হবে৷

ইলেক্ট্রিক কেক বিটার দিয়ে প্রথমে হেভি ক্রিম আট মিনিট বিট করুন। ক্রিমটা ফোমের মতো হয়ে আসলে কনডেন্সড মিল্ক, ভ্যানিলা এসেন্স এবং স্ট্রবেরি পিউরি দিয়ে দুই মিনিট বিট করে সব একসঙ্গে মিশিয়ে দিতে হবে।

সব মিশে গেলে একটি এয়ার টাইট বাক্সে ভরে, চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখলে জমে তৈরি হয়ে যাবে মজাদার স্ট্রবেরি আইসক্রিম৷

টিপস:

আপনি চাইলে ভ্যানিলা ফ্লেভারের আইসক্রিম আলাদা তৈরি করে তারপর স্ট্রবেরি পিউরি অথবা সিরাপ মিশিয়ে নিন। এতে আপনি তৈরি করে নিতে পারেন একটি নতুন ধরনের স্বাদ ও ফ্লেভারের আইসক্রিম।

আরেকটু ভিন্নতা চাইলে কয়েকটি স্ট্রবেরি টুকরো টুকরো করে কেটে দিতে পারেন। এতে প্রতি কামড়ে যখন স্ট্রবেরি পরবে, তখন খেতে লাগবে দারুণ।

 রোহিঙ্গাদের দেখে গেলেন ব্রিটিশ গায়িকা

ব্রিটিশ গায়িকা জেসি ওয়্যার একেবারে নির্বাক! মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের দেখতে কক্সবাজারে গিয়েছিলেন তিনি।


কিন্তু সেখানকার শরণার্থী ক্যাম্পে স্বজনহারা ও পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন শিশুদের কথা বলে চোখে জল ধরে রাখতে পারেননি ৩২ বছর বয়সী এই তারকা। রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বরতার ঘটনা শুনে থমকে গেছেন তিনি।

নিজ দেশে ফিরে বার্তা সংস্থা বিবিসিকে জেসি ওয়্যার বলেছেন, ‘নিজেদের পরিবার, বন্ধু ও প্রতিবেশীর সঙ্গে রাখাইনে যে বর্বরতা হতে দেখেছে রোহিঙ্গারা, তা অবর্ণনীয়। কল্পনাও করা যায় না তারা কী ধরনের পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছে। কক্সবাজারে আমি শিশু-কিশোরদের সঙ্গে বেশি সময় থেকেছি। মা-বাবা হারা অন্য শিশুদের কোলে রাখে এই শিশু-কিশোররাই।’

১৬ বছর বয়সী কিশোরী মিনারার সঙ্গে কথা বলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন জেসি। তিনি বলেন, ‘এই মেয়েটি তার মা-বাবাকে খুন হতে দেখেছে। এরপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর তাণ্ডব থেকে বাঁচতে নিজের ছোট ভাইবোনকে হারিয়েছে সে। তার মনে হচ্ছে, ভাইবোনের সঙ্গে আর কখনোই দেখা হবে না।’

ইউনিসেফের জন্য কাজের অংশ হিসেবে গত বছরের ডিসেম্বরে রোহিঙ্গাদের দেখে গেছেন জেসি। তবে শরণার্থীদের জন্য খাবার, আশ্রয় ও শিক্ষায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের প্রশংসা করেছেন তিনি।

জেসির বর্ণনায়, ‘ক্যাম্পে শিশুবান্ধব পরিবেশে আঁকাআঁকি করছে ওরা। শুরুর দিকে বেশিরভাগ শিশুর আঁকায় উঠে এসেছে বাড়িঘরে আগুন আর বন্দুক ও ছুরি হাতে দুর্বৃত্তদের দৃশ্য। এগুলো মনকে বিষণ্ন করে দেয়। তবে এখন তাদের ছবিতে ফুটে ওঠে ফুল ও রোদ্দুর। আঁকাআঁকির চর্চা শিশুমন নিয়ে বেড়ে উঠতে সহায়ক হচ্ছে ওদের জন্য।’

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অন্তত ২০ শিশু-কিশোর জেসি ওয়্যারকে গান গেয়ে শোনানোর অনুরোধ জানায়। তার সঙ্গে ‘উই শ্যাল ওভারকাম’ গানে গলা মিলিয়েছে শিশুরাও। ‘আমি তখন খুশিতে কেঁদেছি। ওদের হাসিমুখ দেখতে খুব ভালো লাগছিল। ক্যাম্পে এমন মুহূর্ত খুব কমই আসে’- বললেন জেসি।

ইংরেজ গায়িকা জেসি ওয়্যারের প্রথম অ্যালবাম ‘ডিভোশন’ প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে। তার অন্য দুই অ্যালবামের মধ্যে ‘টাফ লাভ’ ২০১৪ সালে ও ‘গ্লাসহাউস’ গত বছর বাজারে আসে।

 

স্কটল্যান্ডের অ্যালডউইচ ক্যাফে অ্যান্ড আইসক্রিম পার্লারে পাওয়া যাচ্ছে ‘পৃথিবীর সবচাইতে বিপজ্জনক’ আইসক্রিমটি।


গ্লাসগো শহরের অ্যালডউইচ ক্যাফে অ্যান্ড আইসক্রিম পার্লারটি মূলত ইতালিয় একটি পরিবার পরিচালনা করে আসছে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি এই পরিবারের একজন লি বানদোনি। তিনি নিউ ইয়র্ক পোস্টকে এই তথ্য দেন।

ইতালিয় এই পরিবার দাবি করে, ‘রেসপিরো ডেল ডিয়াভলো’ অর্থাৎ ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ নামের এই আইসক্রিম খাওয়ার চল এসেছে ইতালির ডেভিল’স ব্রিজ নামের এক জায়গা থেকে। এই আইসক্রিমের রেসিপি ১৯৩৬ সাল থেকে একই রকম আছে। প্রতিদিন টাটকা উপকরণ ব্যবহার করে তারা এই আইসক্রিম প্রস্তুত করেন।

আইসক্রিম পার্লারের দাবি, প্রচণ্ড ঝাল টাবাস্কো সসের চাইতেও পাঁচশ গুণ বেশি ঝাল এই আইসক্রিম। এটা তৈরিতে ব্যবহৃত ক্যারোলিনা রেড পেপার মরিচটি ঝাল পরিমাপের স্কোভিল স্কেলে ১৫ লাখ এসএইচইউয়েরও বেশি ঝাল।

আইসক্রিমটি এতই ঝাল যে, তা তৈরি করার সময়ে হাতে গ্লাভস পরে থাকা বাধ্যতামূলক। এটি খাওয়ার জন্য আপনাকে ১৮ বছর বয়সী হতেই হবে। এরপরেও নিস্তার নেই। আইসক্রিম মুখে দেবার আগেই এমন একটি না-দাবি পত্রে আপনাকে স্বাক্ষর করতে হবে, যেখানে অসুস্থতা এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকির কথাও বলা হয়েছে। তবে এত অসাধারণ একটি আইসক্রিমের দামটা সামান্যই, এক স্কুপ আইসক্রিমের দাম তারা রাখেন দুই পাউন্ড।

গোপনে যে বইগুলো মহাকাশে পাঠিয়েছেন ইলোন মাস্ক 

গত সপ্তাহে বিশ্বের সবচাইতে শক্তিশালী রকেটের সাথে চকচকে একটি গাড়িকে মহাশূন্যে পাঠিয়েছেন ধনকুবের ইলোন মাস্ক। এই গাড়িতে একটি ডিস্কের সাহায্যে তিনি গোপনে কিছু বইও পাঠিয়েছেন আর্ক মিশন ফাউন্ডেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে। আর্ক মিশন ফাউন্ডেশনের তৈরি এই ডিস্কটি ১৪ বিলিয়ন বছরেও নষ্ট হবে না বলে দাবি করা হয়েছে।


৯ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার আর্ক মিশন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা নোভা স্পিভাক গণমাধ্যম ম্যাশেবলকে এই তথ্য জানান।

৬ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেস এক্স তাদের ফ্যালকন হেভি রকেট উৎক্ষেপণ করে। এই রকেটের ভেতর দেওয়া হয় টেসলার নামে একটি ইলেকট্রিক কার। এই তথ্যটা অনেকেই জানেন। কিন্তু সেই চকচকে লাল রোডস্টার গাড়িটিতে করে মহাকাশে পাড়ি জমিয়েছে আইজ্যাক আসিমভের ফাউন্ডেশন ট্রিলজির বইগুলোও।

এই তথ্যটা গোপন রেখেছিলেন ইলোন মাস্ক। রকেট উৎক্ষেপণ হয়ে যাবার পরই কেবল এই তথ্য সবাইকে জানানোর অনুমতি দেওয়া হয় নোভা স্পিভাককে।

রকেট উৎক্ষেপণের ছয় ঘণ্টা পর এই গাড়িটি মহাশূন্যে ছেড়ে দেওয়ার কথা। পরিকল্পনা অনুযায়ী এই গাড়ি পৃথিবী থেকে ২৫০ মিলিয়ন মাইল দূর থেকে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করবে এবং কোনো একসময়ে মঙ্গল গ্রহে আছড়ে পড়তে পারে বলে গণমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানান ইলোন মাস্ক। এই গাড়িটিতেই দেওয়া আছে ৩৬০ টেরাবাইটের একটি কোয়ার্টজ ডিস্ক, যা ধারণ করছে আইজ্যাক আসিমভের ফাউন্ডেশন ট্রিলজি।

ডিস্কে করে মহাকাশে বই পাঠানো হয়েছে, এটা ছোট একটা ব্যাপার মনে হতে পারে। চমকটা হলো, মহাকাশযানের জানালা যে উপাদান দিয়ে তৈরি হয়, এই ডিস্কও সেই উপাদান দিয়েই তৈরি। এই ডিস্কের প্রস্তুতকারক আর্ক মিশন ফাউন্ডেশনের মতে, আগামী ১৪ বিলিয়ন বছরেও এই ডিস্ক নষ্ট হবে না।

কিন্তু শুধু একজন লেখকের কয়েকটি বই কেন পাঠানো হলো ৩৬০ টেরাবাইট ধারণক্ষমতার এই ডিস্কে? ‘আমরা পরীক্ষা করার জন্যই এটা করেছি,’ বলেন নোভা স্পিভাক। ‘যদি নিশ্চিত জানতাম এটা মহাকাশে যাবে, এতে আরও কিছু দিতাম।‘

দক্ষ জনবল তৈরিতে অ্যাপটেক এডিএনের যৌথ উদ্যোগ 


বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় দেশ এবং এর জনগোষ্ঠী মেধাবী। এই মেধাবী জনগোষ্ঠীকে দক্ষ এবং যোগ্য করে তুলতে প্রয়োজন আধুনিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ। সঠিক প্রশিক্ষণ পেলে এদেশের তরুণরা বিশ্ব বাজারে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে সক্ষম হবে। রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে অ্যাপটেক ও এডিএন এডু সার্ভিস আয়োজিত অ্যাপটেক শিক্ষা প্রশিক্ষণ সেবা পণ্যের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব মন্তব্য করেন। 


অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে অ্যাপটেক কম্পিউটার এডুকেশন, এরিনা মাল্টিমিডিয়া, অ্যাপটেক হার্ডওয়্যার অ্যান্ড নেটওয়ার্ক একাডেমি ও অ্যাপটেক ইংলিশ লার্নিং একাডেমির কার্যক্রম শুরু হয়। এ উপলক্ষে সোমবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এডিএন এডু সার্ভিসেস। এডিএন এডু সার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন কান্তি সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজি কেরামত আলী।

প্রধান অতিথি বলেন, শিগরিই বাংলাদেশ একটি ডিজিটাল ও উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে রুপান্তর হবে। এই ডিজিটাল রূপান্তরের সম্ভাবনার সুফল অর্জনে প্রয়োজন দক্ষ জনবল। ডিজিটাল হওয়ার পুরোপুর সুবিধা নিতে শিক্ষিত এবং জনবলকে আরও সুশিক্ষিত ও দক্ষ করে তুলতে হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার নিবিড়ভাবে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব জনাব শ্যাম সুন্দর শিকদার, তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব নাসির উদ্দিন আহমেদ, এটুআই প্রকল্প পরিচালক জনাব কবির বিন আনোয়ার, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথরিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম (সচিব), অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুশান্ত কুমার সাহা, আইডিয়া প্রকল্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হারুনুর রশিদ-সহ আরও অনেকে।

ভালোবাসা দিবসের স্পেশাল রেসিপি: লাসোনি ফিস কাবাব 

ভালোবাসা দিবসে বিভিন্ন আয়োজনে সেজেছে পাঁচতারকা হোটেল লা মেরিডিয়ান ঢাকা। তাদের বিশেষ আয়োজন থেকে  পাঠকদের জন্য রেসিপি দিয়েছে তারা। জেনে নিন লাসোনি ফিস কাবারের রেসিপি।


উপকরণ

কাঁটাছাড়া মাছ- ৫০০ গ্রাম(২ ইঞ্চি কিউব করে কাটতে হবে)
আদা-রসুন বাটা- ১ চা চামচ
কাঁচামরিচ বাটা- ১ চা চামচ
২টি লেবুর রস
পরিমাণ মতোলবণ
মৌরি- ১/৪ চা চামচ
সরিষার তেল- ৪ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া-১/৪ চা চামচ
বেসন- ২ চা চামচ
কাঁচামরিচ- ২টি (কুচি)
হলুদ গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ
গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ
বিট লবণ এক চিমটি
১০ কোয়া রসুন (কুচি)
দই- ৪ চা চামচ
তেল পরিমাণ মত

প্রস্তুত প্রণালি

একটি বাটিতে মাছের টুকরোগুলো নিন। আদা-রসুন বাটা, কাঁচামরিচ বাটা, লেবুর রস ও লবণ দিয়ে মেখে নিন মাছ। ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন।

কড়াইয়ে সরিষার তেল গরম করুন। তাতে কাঁচামরিচ ও রসুন কুচি দিয়ে সোনালি রং না হওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন।বেসন দিয়ে ১-২ মিনিট নেড়ে একটি বাটিতে নামান। মিশ্রণটির সাথে মরিচ গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, গরম মসলা গুঁড়া, বিট লবণ, দই ও সামান্য পানি দিয়ে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণে মাছ এবং লবণ দিয়ে আবার মেশান।

এয়ার ফ্রায়ারে সামান্য তেল দিয়ে তাতে ২০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় বার-বি-কিউ মোডে ৮-১০ মিনিট রান্না করুন। রান্না হয়ে গেলে প্লেটে নামান। চাটনি, সালাদ ও পরোটা দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন লাসোনি ফিস কাবাব।

 আজ থেকে ‘আমার ভাষার চলচ্চিত্র উৎসব’

সংস্কৃতির অন্যতম ধারক ও বাহক বাংলা চলচ্চিত্রকে জনগণের আরও কাছে আনার প্রয়াস থেকে ১৭বারের মতো আয়োজিত হচ্ছে ‘আমার ভাষার চলচ্চিত্র উৎসব’।


এর আয়োজক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ।

আজ (১২ ফেব্রুয়ারি) থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) এ আয়োজন চলবে। এবারের চলচ্চিত্র উৎসবে দুই বাংলার ধ্রুপদি ও সমসাময়িক মিলিয়ে মোট ২০টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে।

উৎসবের প্রথম দিন; বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন চলচ্চিত্র সংসদের সঞ্চালক অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে প্রদর্শিত হবে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘ডুব’।

এরপরের দিনগুলোতে প্রতিদিন তিনটির বা অধিক ছবি দেখানো হবে।
১৭ ফেব্রুয়ারি সমাপনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ এর পক্ষ থেকে ২০১৭ সালে নির্মিত শ্রেষ্ঠ বাংলা চলচ্চিত্রকে প্রদান করা হবে ‘হীরালাল সেন পদক’।

উল্লেখ্য, ‘সুস্থ চলচ্চিত্র সুস্থ দর্শক’এই স্লোগানকে সামনে রেখে চলচ্চিত্র নিয়ে কাজ করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ। এছাড়াও প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র নিয়ে সংসদ আয়োজন করে ‘আমার ভাষার চলচ্চিত্র’ শীর্ষক চলচ্চিত্র উৎসব।

 

ইউরোপের কসোভোর রাজধানীবাসীরা দাবি করছেন, এই শহর এতটাই দূষিত যে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়েছে ঘরে ঘরে।


১১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার এই খবর জানায় বার্তা সংস্থা এএফপি।

কসোভোর রাজধানী প্রিস্টিনা থেকে কিছুটা দূর অবস্থিত অবলিক শহরটি। এই শহরের মূল চালিকাশক্তি হলো দুইটি কয়লা-চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র।

‘এই শহর নতুন একটা চেরনোবিল হয়ে উঠবে। আমাদের এখান থেকে চলে যেতে হবে,’ বলেন শহরের বাসিন্দা, শ্রমিক আজিম ইব্রাহিমি (৪৬)। তিনি আরও জানান, তার পরিবারের তিনজন ক্যান্সারে মারা গেছেন এই শহরের দূষণে।

অবলিকের বাসিন্দা, ৬৩ বছর বয়সী রুজদি মিরেনা কয়লা খনির সাথে অবস্থিত একটি গ্রাম দেখিয়ে জানান, এই গ্রামের ৮৫টি পরিবারের প্রতিটিতেই কেউ না কেউ ক্যান্সারে আক্রান্ত। ডাঃ জাশরিও বলেন, গত বছরে এই ছোট শহরটিতেই ৮৮ জন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন।

অবলিক শহরে 'কসোভো এ' এবং 'কসোভো বি' নামের দুইটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাঝে এবং আশেপাশেই বাস করে ৩০ হাজার মানুষ।

১৯৬৫ সাল থেকে ১৯৭৫ সালের মাঝে তৈরি হওয়া এই দুইটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র পুরো দেশের ৯৫ শতাংশ বিদ্যুত সরবরাহ করে। কিন্তু কয়লা পোড়ানোর ধোঁয়ায় শহরটিকে প্রচন্ড দূষিত করে ফেলছে এরা। 

অবিলিক শহরটি কতটা দূষিত তা পরিমাপ করার কোন উপায় নেই। কিন্তু অবলিক থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে রাজধানী প্রিস্টিনায় আমেরিকান দূতাবাস থেকে শহরটির দূষণের মাত্রা পরিমাপ করা হয়। দেখা যায়, বিশ্বের সবচাইতে বেশী দূষিত শহরগুলোর মতোই দূষিত অবলিকের বায়ু। 


শহরটি এতই দূষিত যে কোন তথ্য ছাড়াই এর বাসিন্দারা বলে দিতে পারে শহরটি বসবাসের অনুপযুক্ত। ঘন ধোঁয়াশায় ছাওয়া এই শহর, সেখানে মুখে মাস্ক বা মাফলার না জড়িয়ে বের হতে পারেন না তারা।

বায়ুদূষণ নিয়ে সাম্প্রতিক এক বিক্ষোভে প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘নিঃশ্বাস নেওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।’

২০১৩ সালে বিশ্ব ব্যাঙ্কের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতি বছর দূষণের কারণে কসোভো এবং তার অধিবাসীদের ২২৩ মিলিয়ন ইউরো মূল্যমানের ক্ষতি হচ্ছে।

শুধু তাই নয়, বছরে ৮৫২ অকাল মৃত্যু, ৩১৮ জনের ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস, ৬০৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এবং ১১,৯০০ বার হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ভর্তি হবার পেছনেও কারণ এই বায়ু দূষণ।

ফেব্রুয়ারির ১৭ তারিখে কসোভোর স্বাধীনতার ১০ বছর পূর্তি হবে। সার্বিয়া থেকে মুক্তি পেলেও বায়ু দূষণের হাত থেকে এখনো মুক্তি পায়নি বলকান এই দেশটি। ইউরোপের সবচাইতে দরিদ্র একটি দেশ রয়ে গেছে কসোভো।

কিন্তু কয়লা না পুড়িয়ে উপায়ও নেই তাদের। এদেশের মিনিস্টার অফ ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট, ভালদরিন লুকা এএফপিকে জানান, বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্য কোন উপায়, গ্যাস বা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট নেই এদেশে। তাদের শুধুই কয়লা আছে।

অবিলিকের এক ছোট হাসপাতালের ডাক্তার হাকি জাশারি মন্তব্য করেন, বিদ্যুৎ দরকারি হলেও এর জন্য মানুষের স্বাস্থ্য এবং পরিবেশের ক্ষতি করা উচিৎ নয়।

কসোভোর ন্যাশনাল ইলেকট্রিসিটি কোম্পানি কেইকের মালিকানায় আছে অবিলিক শহরের ৭২ শতাংশ জমি। অবিলিকের কয়লা খনি এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্র দুটোই তারা পরিচালনা করে এবং এগুলোতে ৪,৭০০ মানুষ কাজ করে।

অবিলিকের স্থানীয় টেকনিকাল স্কুলের প্রধান সাহিত জেকিরি বলেন,’আমাদের নিঃশ্বাস নেবার বায়ু, চাষের জমি, পানের পানি সবটাই দূষিত।‘

তিনি আরও জানান, প্রতি শীতে কমপক্ষে ৫-১০ জন শিক্ষার্থী ফুসফুসের সমস্যায় ভুগে অনুপস্থিত থাকে। খোলা বাতাসে খেলাধুলা করার কথা তো ভাবাই যায় না। আর এ বছর বৃষ্টি বা তুষারপার না হওয়াতে বাতাসে দূষণের পরিমাণ আরও বেশী দেখা যাচ্ছে।

‘কসোভো এ’ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি সোভিয়েত আমলে তৈরি। ‘কসোভো বি’ জার্মান প্রযুক্তিতে তৈরি এবং তুলনামূলকভাবে আধুনিক। 

গত বছর ডিসেম্বরে কসোভো আমেরিকার সাথে এক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে যাতে ‘কসোভো এ’ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জায়গায় ১.৩ বিলিয়ন ইউরো মুল্যমানের একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এতে ধুলোর পরিমাণ কমে যাবে ২৫ শতাংশ এবং চারগুণ কমে যাবে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ। এছাড়া ‘কসোভো বি’ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দূষণ কমানোর জন্য ফিল্টার ব্যবহার করা হবে বলে জানান ভালদরিন লুকা।

এছাড়াও ২০১৬ সালে পাস হওয়া এক আইনে বলা হয়, কেইকে পরিচালিত খনির কয়লা থেকে পাওয়া ২০ শতাংশ অর্থ দিতে হবে অবিলিক শহরকে। এতে শহরের বায়ু দূষণের মাত্রা পরিমাপ করা যাবে, মাটি দূষণমুক্ত করা যাবে এবং চিকিৎসার মান উন্নত করা যাবে, জানান অবলিকের মেয়র জাফর গাশি।

সিদ্ধান্ত পরিবর্তন, ধীরগতি নয় স্বাভাবিক থাকবে ইন্টারনেট 

এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে প্রশ্নফাঁস রোধে ইন্টারনেটের গতি আড়াই ঘণ্টা কমিয়ে রাখার নির্দেশনা দেওয়ার একদিন পরেই সিদ্ধান্ত থেকে সড়ে আসলো বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।


১২ ফেব্রুয়ারি, সোমবার সকালে ইন্টারনেট সেবা স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছে বিটিআরসি।

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এএসপিএবি) সভাপতি এম এ হাকিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

১১ ফেব্রুয়ারি দেশের সব ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইন্টারনেট ধীর গতি রাখার নির্দেশনা দিয়েছিল বিটিআরসি।

বিটিআরসির ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল আমিন স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, পরীক্ষা শুরুর দুই ঘণ্টা আগে থেকে শুরুর আধা ঘণ্টা পর পর্যন্ত অর্থাৎ সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ইন্টারনেট ধীর গতিতে চলবে।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.