টয়লেটে ফ্ল্যাশ করতে নেই যে ৬ উপাদান

টয়লেটে ফ্ল্যাশ করতে নেই যে ৬ উপাদান 

নগর জীবনে এখন ইংলিশ কমোড প্রায় সব অ্যাপার্টমেন্টেই। ঝকঝকে টাইলসের আধুনিক ফিটিংস দেওয়া বাথরুম দেখতে তো বেশ লাগে, কিন্তু এগুলো ব্যবহারের আছে কিছু নিয়মনীতি। কারণ একবার কমোড বা ড্রেইনের লাইন জ্যাম হয়ে গেলে সেটা মারাত্মক যন্ত্রণার একটি কাজ। টয়লেটের লাইন ব্লক হয়ে যাওয়া মানে বর্জ্য পদার্থ উপচে ওঠাসহ আরও বিশ্রি সব সমস্যার মুখোমুখি হওয়া।


নিত্যদিনের অনেক কিছুই কমোডে ফেলে ফ্ল্যাশ করে দিই আমরা। ধরে নিই যেহেতু অনেকটা পানি সহ ফ্ল্যাশ হচ্ছে, যেটাই ফ্ল্যাশ করবো না কেন চলে যাবে। এই ধারণা খুব ভুল। অনেক ছোট উপাদানও আপনার বাড়ির সুয়ারেজ লাইনে জমে থেকে বাজে বিপত্তি বাঁধাতে পারে। তেমনি ৬ রকম পণ্যের তালিকা দেওয়া হলো আজ। জেনে নিন এই বস্তুগুলো কেন ফ্ল্যাশ করবেন না টয়লেটের কমোডে।

তেল বা ভ্যাসলিন জাতীয় কিছু
এইসব পদার্থ কমোডে বা ড্রেইনে ফেলে ফ্ল্যাশ করবেন না। পানির সংস্পর্শে এলে তেল জাতীয় পদার্থগুলো জমাট বেঁধে যায় এবং ধীরে ধীরে পাইপের ভেতরে জমে মুখ আটকে দেবে।

চুল, কটনবাড, প্লাস্টিকের প্যাকেট ইত্যাদি
এসব ছোট জিনিস কমোডে ফেলে ফ্ল্যাশ করেন প্রায় সবাই। এই কাজটি করবেন না, কারণ এসব জিনিস পানির সাথে পুরোপুরি ধুয়ে যায় না। বরং পাইপের কোনও বাঁকা অংশে গিয়ে আটকে যায়।

ডায়াপার, স্যানিটারি ন্যাপকিন
এইসব উপাদানে আদ্রতা শোষণের জন্য জেল জাতীয় উপাদান থাকে, যা পানির সাথে ধুয়ে যায় না। এসব জিনিস কমোডে একটি/দুটি ফেললেও লাইন জ্যাম হয়ে যাবে।

ওয়েট টিস্যু বা ওয়াইপস
এই টিস্যুগুলো সাধারণ টিস্যুর মত গলে পানিতে মিশে যায় না। এসব কমোডে ফ্ল্যাশ করলে দলা পাকিয়ে জমে থাকে এবং সুয়ারেজ লাইন জ্যাম করে দেয়।

ব্যবহৃত চা পাতা, কফির গুঁড়ো, ডিমের খোসা ইত্যাদি
দেখতে নিরীহ মনে হলেও এসব গুড়ো উপাদানও পানিতে মিশে বা চট করে ধুয়ে যায় না। ফলে সুয়ারেজ লাইন জ্যামে এদের জুড়ি নেই।

বিড়ালের বর্জ্য
আজকাল পোষা বিড়ালের টয়লেট করার জন্য 'ক্যাট লিটার" ব্যবহার করা হয়। ক্যাট লিটারে সাধারণত বালি বা সিলিকা জেল জাতীয় বস্তু থাকে। অনেকেই বিড়ালের বর্জ্য পদার্থ ত্যাগের পর এই বালি বা সিলিকা জেল সহই কমোডে ফ্ল্যাশ করে দেন। এতে সুয়ারেজ লাইন ব্লক হয়ে যাওয়া একদম নিশ্চিত।

সুয়ারেজ লাইন ব্লক হয়ে যাওয়া কেবল নিজের ঘরে ঝামেলা বাঁধায় না, প্রতিবেশীরও সমস্যা তৈরি করে। কমোডে দৈনন্দিন ব্যবহারের জিনিসপত্র ফ্ল্যাশ না করাই সবদিক দিয়ে ভালো।

নগর জীবনে এখন ইংলিশ কমোড প্রায় সব অ্যাপার্টমেন্টেই। ঝকঝকে টাইলসের আধুনিক ফিটিংস দেওয়া বাথরুম দেখতে তো বেশ লাগে, কিন্তু এগুলো ব্যবহারের আছে কিছু নিয়মনীতি। কারণ একবার কমোড বা ড্রেইনের লাইন জ্যাম হয়ে গেলে সেটা মারাত্মক যন্ত্রণার একটি কাজ। টয়লেটের লাইন ব্লক হয়ে যাওয়া মানে বর্জ্য পদার্থ উপচে ওঠাসহ আরও বিশ্রি সব সমস্যার মুখোমুখি হওয়া।