সংগীত পরিচালক আলী আকবর রুপু আর নেই

 

জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক, গীতিকার ও সুরকার আলী আকবর রুপু আর নেই। আজ বেলা ১২টা ৪০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন গুণী এই সংগীত ব্যক্তিত্ব। তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদরোগ ও কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। চলছিল কিডনির ডায়ালাইসিস।


গত ৭ ফেব্রুয়ারি লাঞ্চের সময় অফিস থেকে বাসায় গিয়ে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই তাকে নেওয়া হয় ইব্রাহিম কার্ডিয়াকে, সেখানে জায়গা না পাওয়ায় বারডেমে নিতে হয়। সেখানেও জায়গা পাওয়া যায় না, কোনো জায়গাতেই আইসিইউ খালি পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ইবনে সিনা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দুদিন রেখে তারপর আনা হয় ইউনাইটেড হাসপাতালে। তখন থেকেই তিনি এ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। আজ সেখানেই আইসিইউতে তার মৃত্যু ঘটে।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে, আজ (২২ ফেব্রুয়ারি) বাদ আছর রাজধানীর গুলশানের আজাদ মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে তার প্রথম জানাজা। এরপর তার কর্মস্থল টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাভিশন- এর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মরদেহ। সেখান থেকে নেওয়া হবে রুপুর বড় মগবাজারের বাড়িতে। নিজ বাসস্থানে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে তার মরদেহ।

জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’তে আলী আকবর রুপু প্রায় ২৫ বছর ধরে বিভিন্ন গানের সুর ও কম্পোজ করেছেন। ১৯৮২ সালের দিকে ‘উচ্চারণ’ ব্যান্ডে কিছুদিন গিটার ও কিবোর্ড বাজিয়েছিলেন। পরবর্তীতে উচ্চারণ ছেড়ে দেন। তারপর ‘উইন্ডস’ নামে একটি ব্যান্ড গঠন করেছিলেন। অবশ্য তার পরিচয় মূলত গীতিকার ও সুরকার হিসেবে। নিজ কণ্ঠে গেয়েছেন হাতে গোনা তিন-চারটি গান। দেশের স্বনামধন্য শিল্পীদের প্রায় সবাই তার করা সুরে কণ্ঠ দিয়েছেন। সাবিনা ইয়াসমিনের ‘প্রতিটি শিশুর মুখে হাসি’, এন্ড্রু কিশোরের ‘পদ্ম পাতার পানি নয়’ এবং মুরাদের ‘আমি আগের ঠিকানায় আছি’ ছাড়াও অসংখ্য জনপ্রিয় গানে সুরারোপ করেছেন তিনি।

জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক, গীতিকার ও সুরকার আলী আকবর রুপু আর নেই। আজ বেলা ১২টা ৪০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন গুণী এই সংগীত ব্যক্তিত্ব। তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদরোগ ও কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। চলছিল কিডনির ডায়ালাইসিস।