চুল পড়া রোধে পেয়ারা পাতার জাদু! 

চুল পড়া নিয়ে চিন্তা যেন এখন নিত্য দিনের। চিন্তার সাথে যোগ হয়েছে নানান ধরনের পরিচর্চা। পার্লারে যাওয়া, বাড়িতে বসে যত্ন নেয়া কত কি করা হলো, কাজ হচ্ছে না কিছুতেই। সেই চিন্তায় চুল পড়া যেন আরও বেড়ে যাচ্ছে। তাহলে উপায়? অনেক কিছুই তো করলেন এবার একটু পেয়ারা পাতা ব্যবহার করে দেখুন কি হয়। কি ভাবছেন? মজা করছি? মোটেও না। সত্যি চুল পড়া ঠেকাতে পেয়ারার পাতা জাদুর মত কাজ করে বলে বিজ্ঞানীরা মত দিয়েছেন।


চুল পড়া রোধে পেয়ারা পাতার ব্যবহার সবচেয়ে কার্যকরি এবং প্রাকৃতিক উপায় বলে বর্ণনা করেছেন তারা।

গবেষকদের দাবি, পেয়ারা পাতা নিয়মিত ব্যবহারের ফলে মাথার চুল ঝরে পড়া রোধ হয় এবং চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। পেয়ারা পাতায় রয়েছে প্রচুর ভিটামিন বি, যা স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য খুবই উপকারী।

পেয়ারা পাতা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। এটি চুলের সংযুক্তিস্থল অর্থাৎ গ্রন্থিকোষ ও শিকড়কে অনেক শক্ত করে বলেও মত বিজ্ঞানীদের।

চুল পড়া রোধে পেয়ারা পাতার ব্যবহার সবচেয়ে কার্যকরি এবং প্রাকৃতিক উপায় বলে বর্ণনা করেছেন তারা।

গবেষকদের দাবি, পেয়ারা পাতা নিয়মিত ব্যবহারের ফলে মাথার চুল ঝরে পড়া রোধ হয় এবং চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। পেয়ারা পাতায় রয়েছে প্রচুর ভিটামিন বি, যা স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য খুবই উপকারী।

পেয়ারা পাতা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। এটি চুলের সংযুক্তিস্থল অর্থাৎ গ্রন্থিকোষ ও শিকড়কে অনেক শক্ত করে বলেও মত বিজ্ঞানীদের।

সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে বিয়ে রণবীর-দীপিকার 

রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোনের বিয়ের তারিখ প্রায় পাকা হয়ে গেল। দুই শিল্পীর বাবা মা একসঙ্গে বসে এ বছর সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে চারটে তারিখ আপাতত ঠিক করেছেন। শনিবার এ সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশ করেছে ভারতের এবিপি আনন্দ পত্রিকা।


দীপিকা তার মা উজ্জ্বলা ও বোন অনিশার সঙ্গে বিয়ের কেনাকাটা করছেন পুরোদমে। বিয়ে হবে অত্যন্ত গোপনে, হিন্দু ঐতিহ্য অনুযায়ী। ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের লোকজন ছাড়া আর কেউ থাকবেন না অনুষ্ঠানে। তারপর রিসেপশন হবে কিনা সে ব্যাপারে রণবীর, দীপিকা কেউ এখনও সিদ্ধান্ত নেননি।


বিয়ে ভারতে হবে নাকি বিদেশে, এখনও ঠিক হয়নি। যেমন ঠিক হয়নি, কার তৈরি পোশাক পরবেন দীপিকা।

জানুয়ারিতে পদ্মাবত মুক্তির সপ্তাহখানেক আগে রণবীর ও দীপিকার বাবা মা তাদের বিয়ের ব্যাপারে নিজেদের মধ্যে আলোচনা সারেন। তখন রণবীরের বাবা মা সব্যসাচীর একটি শাড়ি উপহার দেন দীপিকাকে।


রণবীর বা দীপিকা কেউই বছর শেষে কোনও ছবির কাজ হাতে রাখছেন না।

গলদা চিংড়ির মালাইকারি 

চিংড়ির মালাইকারি খুবই সাধারণ একটি খাবার। কিন্তু, এর স্বাদ অনেক রাজকীয় খাবারকেও হার মানিয়ে দেয়। অনেকের ধারণা, এই খাবারটি রান্না করা অনেক কঠিন। কিন্তু, মোটেও তা নয়। এটা রান্না করা খুবই সহজ। আর সময়ও লাগে অনেক কম। উপকরণ খুব বেশি নেই বললেই চলে। তাহলে আসুন আজ দেখে নেই কিভাবে তৈরি করবেন গলদা চিংড়ির মালাইকারি।


উপকরণ:


বড় গলদা চিংড়ি

পিঁয়াজ বাটা- আধা কাপ

মরিচ গুঁড়া- পরিমাণ মতো

আদা বাটা- দুই চা চামচ

নারিকেলের দুধ- এক কাপ

লবণ- স্বাদ মতো

পানি- পরিমাণ মতো।

প্রণালী:


চিংড়ি পরিষ্কার করে ধুয়ে চিংড়ির শিরদাড়ার শিরা বের করে নিন।

পেঁয়াজ বেটে আলাদা করে রাখুন।

এবার একটা পাত্রে তেল গরম করে চিংড়িগুলো ভেজে তুলে রাখুন।

এবার ওই তেলে চিনি দিন এবং গলে না যাওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন।

একটু মরিচ গুঁড়া পানিতে গুলে পাত্রে ঢেলে দিন। পেঁয়াজ বাটা দিয়ে দিন এবং লাল না হওয়া পর্যন্ত ভাজতে থাকুন। আদা বাটা দিয়ে দিন এবং মিনিট খানেক ভাজুন।

এরপর নারকেলের দুধ, পানি দিয়ে ফোটান।

এবার ভাজা চিংড়ি দিয়ে দিন এবং সামান্য লবণ দিন। মিনিট ১৫ ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রেখে নামিয়ে রাখুন।

এবার সুন্দর করে সালাদ এবং লেটুস পাতা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

মায়ের জন্মদিনে লিফটের চাপায় মেয়ের মৃত্যু 

মা উম্মে সালমার জন্মদিন ছিল ২৯ মার্চ, বৃহস্পতিবার। তাই সে রাতে বাবা শিপলুর রহমান তাদের ৯ বছরের ছোট মেয়ে অালভিরাকে নিয়ে বাইরে বেরোচ্ছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল ছোট করে জন্মদিনটি উদযাপন করা। এ জন্য তারা ১৫ তলার বাসা থেকে নিচে নামার জন্য লিফটে ওঠেন। কিন্তু লিফটের সেন্সর ঠিকমতো কাজ করে না বলে লিফটের ভেতরে প্রবেশ করার সময়ই লিফটের দরজা বন্ধ হয়ে যায়। অার সেই দরজার মাঝে চাপা পড়ে ছোট অালভিরা। মুুহুর্তেই তার মাথা ফেটে বেরিয়ে পড়ে রক্ত। এরপর দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নেওয়া হয় স্কয়ার হাসপাতালে। ততক্ষণে মৃত্যু তাকে গ্রাস করে। মায়ের জন্মদিনই হলো তার মৃত্যু দিবস।


২৯ মার্চ, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে রাজধানীর শান্তিনগর মোড়ে গ্রিনপিচ নামের একটি আঠারো তলা ভবনে হৃদয়বিদারক এই ঘটনাটি ঘটে।

শামীম রহমান নামের তাদের এক প্রতিবেশী জানান, এই ভবনের ১৫ তলায় শিপলুর রহমান ও উম্মে সালমা দম্পতি থাকেন। গত রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাদের ৯ বছর বয়সী মেয়ে উম্মে আলভিরা রহমানকে নিয়ে বাবা-মা বাইরে বের হচ্ছিলেন। তারা ১৫ তলা থেকে নিচে নামার সময় আলভিরা লিফটের দরজার দুই পাল্লার মাঝে চাপা পড়ে। এতে সে মাথায় গুরুতর আঘাত পায়। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শামীম অারও জানান, এই ভবনের লিফটিতে অনেক দিন ধরেই নানা রকম সমস্যা রয়েছে। সেটা একাধিকবার বলা হলেও কেউ কোনো পদক্ষেপ নেননি। পদক্ষেপ নিলে হয়তো এমন দুর্ঘটনা ঘটত না।

এ দুর্ঘটনা সম্পর্কে পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম জানান, গতকাল রাতে খবর পেয়ে শান্তিনগরের গ্রিনপিচ নামের ওই বাসায় পুলিশ যায়। সেখান থেকে অালভিরাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মাহমুদ সুজন নামে তাদের এক আত্মীয় জানান, অালভিরার শোকে পুরো পরিবার এখন স্তব্ধ। হঠাৎ এই মৃত্যু কেউই মেনে নিতে পারছেন না। বারবার জ্ঞান হারাচ্ছেন তার মা। অাজ বিকেলে উত্তরায় অালভিরার দাফন সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে ওই ভবন পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. আলমগীর মিয়া বলেন, ‘আগে থেকেই লিফটির সমস্যা ছিল। এটি একটি দুর্ঘটনা। তবে কেন এভাবে হঠাৎ সেন্সর বন্ধ হয়েছে, সে বিষয়ে লিফট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে কারণ জানাতে নোটিশ পাঠানো হবে।’

দেশে সাইবার অপরাধে ভুক্তভোগীদের ১১ শতাংশই শিশু 

বাংলাদেশে ব্যক্তি পর্যায়ে সাইবার অপরাধে ভুক্তভোগীদের ১১ শতাংশেরই বয়স ১৮ বছরের কম। এখন থেকেই দেশব্যাপী সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু না করলে শিশুদের বিরুদ্ধে এসব অপরাধ আরও ভয়াবহ রূপ নেবে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন এসব তথ্য জানিয়েছে।


শুক্রবার (৩০ মার্চ) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারে ‘শিশু কিশোরদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট মহোৎসব’ নামে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ইউনিসেফ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের আয়োজনে এই উৎসবে দেশের শতাধিক বিদ্যালয়ের ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক অংশ নেন। অনুষ্ঠানে নীতি-নির্ধারক, শিল্পখাতের নেতৃবৃন্দরাও উপস্থিত ছিলেন। নভোথিয়েটারের সম্মেলন কক্ষে একটি সেমিনারে বক্তব্য দেন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের সংগঠনের আহ্বায়ক কাজী মুস্তাফিজ।

সংগঠনটির সাম্প্রতিক এক গবেষণার বরাত দিয়ে সেমিনারে জানানো হয়, সাইবার ক্রাইমের ভুক্তভোগীদের ১১ শতাংশের বয়স ১৮ বছরের কম, ৭৪ শতাংশের বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছর, ১৩ শতাংশের বয়স ৩১ থেকে ৪৫ বছর। বাকি ভুক্তভোগীদের বয়স ৪৬ বছরের বেশি। এসব অপরাধের মধ্যে রয়েছে, অনলাইনে অপপ্রচার (সাইবার বুলিং), আইডি হ্যাকিং, অনলাইনে হুমকি, এটিএম কার্ড হ্যাকিং, মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকউন্ট হ্যাকিং, অনলাইনে পণ্য বিক্রির নামে প্রতারণা ইত্যাদি।

ইউনিসেফের তথ্য মতে, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বড় অংশই ১৮ বছরের নিচে। প্রতিদিন ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি শিশু প্রথমবারের মতো অনলাইন ব্যবহার করছে। ৯ লাখের বেশি শিশুর কাছে জরিপের ফরম পৌঁছানো হয়। কিন্তু এতে অংশ নেয় ১১ হাজার ৮২১ শিশু যাদের বয়স ১৩ থেকে ১৮ বছর।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, অনলাইনে শিশুদের ব্যাপক উপস্থিতি সত্ত্বেও ডিজিটাল দুনিয়ার বিপদ থেকে তাদের সুরক্ষিত রাখতে এবং নিরাপদ অনলাইন কনটেন্ট ব্যবহারের সুযোগ বাড়াতে খুব সামান্যই কাজ হয়েছে। তাই ইউনিসেফ ও ফেসবুক এক বছরব্যাপী একটি সচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু করেছে।

ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি এডওয়ার্ড বেগবেদার বলেন, সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী শিশুদের মধ্যে ইন্টারনেটের যথাযথ ব্যবহার সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞানের অভাব রয়েছে। এ কারণে তাদের ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার, ক্ষতিকর কনটেন্টের দিকে ঠেলে দেওয়া, অনলাইনে নিগ্রহের শিকার হওয়া ও ক্ষতির মুখে পড়ার মাত্রা বেড়ে গেছে। মোবাইল ডিভাইসের উপস্থিতি বড়দের তত্ত্বাবধান ছাড়াই শিশুর অনলাইনে ঢোকার সুযোগ বাড়িয়ে দিয়েছে। যা একই সঙ্গে অনেক বিপদও বাড়িয়েছে।

ফেসবুকের ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রোগ্রাম প্রধান রিতেশ মেহতা বলেন, অনলাইনে শিশুদের নিরাপত্তা বর্তমান সময়ে শিশু, অভিভাবক ও শিক্ষকদের জন্য খুবই জরুরি। এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি বিষয়ে শিশুদের সঙ্গে সংলাপ চালিয়ে যেতে চাই। যেভাবে তাদের জনাকীর্ণ স্থান, খেলার মাঠ ও স্কুলে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শেখাই, একইভাবে তাদের অনলাইনে নিরাপদে থাকা শেখানো হবে।

দিনব্যাপী আয়োজনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি। উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান এমপি।

 

আজকাল ফেসবুক ও যেকোনো মেসেঞ্জারে লিখা থেকে বেশি ব্যবহার হয়ে থাকে বিভিন্ন ইমেজ বা ইমোজি। অনেক কিছু লিখার থেকে একটা ইমোজি দিলেই যেন অনেক কিছু লিখে ফেলা হয়। তাই দিনে দিনে ইমোজির জনপ্রিয়তা অনেক বেড়েই চলছে। তাছাড়া আজকাল মগ, পোশাক, ডেকোরেশন পিস সব কিছুতেই ব্যবহার করা হচ্ছে বিভিন্ন ইমোজি। তাহলে আর বিকেলের আড্ডায় আপনার খাবার প্লেটটি কেনো বাদ যাবে? অতিথি আড্ডায় বা বিকেলের নাস্তায় প্লেট ভর্তি করে রাখতে পারেন নানা রকমের ইমোজি। আসুন দেখে নেই রেসিপিটি।


উপকরণ:


আলু- ৪/৫ টা,

পাউরিটি- ৫ পিস,

কর্ণফ্লাওয়ার- ২ টেবিল চামচ,

লবণ- পরিমাণ মতো,

পানি- পরিমাণ মতো (পাউরিটি ভিজানোর জন্য)

তেল- ভাজার জন্য,

জুসের পাইপ- চোখ বানানোর জন্য,

স্যুপের চামচ- স্মাইল বানানোর জন্য।

ইচ্ছে মতো অন্য মশলাও মিশানো যাবে।

ঝাল বা মিষ্টি যেটা খেতে চান সেই হিসেবে মসলা মিক্সড করে নিন।

প্রনালি:


প্রথমে ভালোভাবে আলু সেদ্ধ করে নিন। একটা বাটিতে সেদ্ধ আলু ভালোভাবে ভেঙে নিতে হবে যেন দানা না থাকে। তবে স্লাইজার দিয়ে স্লাইস করলে ভালো হয়। এতে টুকরা থাকে না। তারপর এতে কর্ণফ্লাওয়ার দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিতে হবে।

পাউরুটিগুলো একসাথে ভিজিয়ে নিতে হবে। তারপর দু হাত দিয়ে চেপে পানি ফেলে দিতে হবে যেন পাউরুটি থেকে সব পানি ঝড়ে যায়। তারপর পাউরুটিগুলো হাত দিয়ে ভেঙে ভেঙে মাখানো আলুর উপর দিতে হবে। তারপর লবণ দিয়ে মাখিয়ে নিতে হবে। চাইলে মরিচ, চিনি (পছন্দ অনুযায়ী) এসবও দেওয়া যাবে যদি ঝাল বা মিষ্টি খেতে চান। রেডি হয়ে গেলে মিশ্রণটি ১ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখতে হবে।

তারপর হাতে একটু তেল লাগিয়ে নিন। তারপর মিশ্রণ থেকে একটু রেডি করা মাখনো আলু নিয়ে বলের মতো গোল করে আস্তে একটু চাপ দিতে হবে। তারপর জুসের পাইপ দিয়ে দুটো চোখ বানাতে হবে। তারপর স্যুপ চামচ দিয়ে স্মাইল বানাতে হবে। পাইপ, চামচ, ছুরি দিয়ে এভাবে সেড, স্মাইলি, লাফিং, থামস, এংরি ফানি ইমোজি বানানো যাবে। যদি ক্রিসপি চান তাহলে ইমোজিগুলো আধা ঘণ্টা ফ্রিজে রাখতে হবে।

তেল গরম করে ইমোজিগুলো তেলে দিতে হবে। তেলে দেওয়ার পর চুলার আঁচ কমিয়ে দিতে হবে। ইমোজিগুলো ৩ মিনিট এমনি ভাজতে দিতে হবে। তারপর ৩ মিনিট পর এগুলো ফুলে আপনা আপনি উপরে চলে আসবে। যখন উপরে চলে আসবে তখন চুলার আঁচ বাড়িয়ে দিতে হবে। ইমোজিগুলো ৮ থেকে ১০ মিনিট ভাজতে হবে। শুরুতে তিন থেকে চার মিনিট কম আঁচে এবং বাকি চার থেকে পাঁচ মিনিট বেশি আঁচে ভাজতে হবে। গরম গরম ইমুজি পছন্দ মতো সস বা চাটনি দিয়ে পরিবেশন করুন।

কিছু টিপস:


. ফ্রিজে স্টোর করতে চাইলে ইমোজিগুলো হাফ ভেজে ঠাণ্ডা করে তারপর ফ্রিজে রাখুন।

. এভাবে ৬ থেকে ৭ দিন খাওয়া যাবে।

. বাড়িতে ছোট অতিথি আসলে এই খাবার দিয়ে খুব সহজেই তাকে খুশি করতে পারবেন।

. আপনার সোনামণির টিফিন বক্সেও ভরে তিতে পারবেন এই পটেটো ইমোজি

ফেসবুক আপনার সম্পর্কে যা জানে, যেভাবে জানে 

ফেসবুকে যা করছি তা আমি ছাড়া কেউ জানে না, এমনটি মনে করেন অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী। এই ভেবে নিজের একান্ত ব্যক্তিগত তথ্যও বিভিন্নভাবে ফেসবুকে শেয়ার করেন তারা। যা নিজের অজান্তেই এক সময় বিপদ ডেকে আনে।


সম্প্রতি পাঁচ কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য অপব্যবহার হওয়ায় সচেতন ব্যবহারকারীরা নড়েচড়ে বসেছেন। তারা প্রশ্ন তুলছেন, ব্যবহারকারীর শেয়ার করা তথ্য সংরক্ষণ করার এখতিয়ার কি ফেসবুকের আছে?

এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিবিসির প্রযুক্তি সাংবাদিক ররি সেলান জোনস বিভিন্ন বিষয় তুলে এনেছেন। তিনি তার লেখায় তুলে ধরেছেন, কীভাবে গ্রাহকদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষণ করে ফেসবুক।

আপনার সম্পর্কে ফেসবুক কী তথ্য সংরক্ষণ করে রেখেছে তার প্রাথমিক একটি ধারণা পেতে পারেন সেটিংসে গিয়ে। ফেসবুকে লগইন করে সেটিংসে যান। সেখানে ‘জেনারেল অ্যাকাউন্ট সেটিংস’ অপশনের নিচে ‘ডাউনলোড আ কপি অব ইওর ফেসবুক ডাটা’ অপশনটি সিলেক্ট করে ‘স্টার্ট মাই আর্কাইভ’ ক্লিক করুন।

এভাবে নিজের আর্কাইভ ডাউনলোড করার পর সিকিউরিটি চেক পার হতে হবে। তারপর আর্কাইভে প্রবেশ করে হয়তো অবাক হয়ে যাবেন। কারণ, ফেসবুক আপনার সম্পর্কে এমন সব তথ্য সংরক্ষণ করে রেখেছে যেগুলোর  কোনোটি হয়ত নিজেও ভুলে গেছেন।

শুরুর দিকে মনে হতে পারে, এটা কোনও ব্যাপার নয়। এগুলো সাধারণ তথ্য। অনেকে ভাবতে পারেন, যেসব পোস্ট, ছবি বা ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করা হয়েছে, সেগুলোই হয়তো সংরক্ষণ করেছে ফেসবুক।

কিন্তু একটু গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে বিষয়টি আপনার মধ্যে ভীতি জন্মাতে পারে। কারণ, তারা আপনার ফোন নম্বরের সাহায্যে আপনার কন্টাক্ট লিস্টে থাকা সবার ফোন নম্বর সংক্ষরণ করে। বেশিরভাগ ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রেই এমনটি হয়ে থাকে।

এ সম্পর্কে বিবিসির সাংবাদিক ররি সেলান জোনস লিখেছেন, ‘আমি সাধারণ কিছু ছবি ও ভিডিও প্রত্যাশা করছিলাম। কিন্তু তথ্য পর্যবেক্ষণ করে দেখি, গত এক দশকে আমার জীবনে যা যা ঘটেছে তার সবই সংরক্ষণ করেছে তারা।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০০৭ সালে ফেসবুক আইডি চালুর পর কী হয়েছিল আমার মনে নেই। কিন্তু ফেসবুক এসব তথ্য ঠিকই সংরক্ষণ করে রেখেছে। শুধু তা-ই নয়, গত কয়েক সপ্তাহে আমি যেসব ফোন নম্বর মোবাইলে সেভ করেছি, তার প্রতিটি ফেসবুকে সংরক্ষিত আছে। তার মানে, ফোনের ডাটাবেসে আমি যে তথ্যই দিচ্ছি তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকে সেভ হয়ে যাচ্ছে।’

ফেসবুক শুধু এভাবেই তথ্য সংরক্ষণ করে না। অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী বলছেন, অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে করা সব টেক্সট মেসেজও ফেসবুক সংরক্ষণ করে থাকে। এছাড়া, ফেসবুকে অনেক মজার অ্যাপসহ অন্যান্য অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্য আয়ত্তের বাইরে চলে যায়। যা ফেসবুক সংরক্ষণ করে এবং এগুলো অপব্যবহারের আশঙ্কা থেকে যায়।

ফোর্বসের তরুণ উদ্যোক্তা তালিকায় ২ বাংলাদেশি 

ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে অবদানের জন্য ফোর্বস ম্যাগাজিনের  ‘30 under 30’ তালিকার ২০১৮ সংস্করণে দুজন বাংলাদেশি অবস্থান করে নিয়েছে।


তালিকায় থাকা এই দুজন হলেন- ‘টেন মিনিট স্কুল’-এর প্রতিষ্ঠাতা আইমান সাদিক (২৬) ও ‘চেঞ্জ’-এর প্রতিষ্ঠাতা সজিব ইকবাল (২৭)।

ফোর্বসের বার্ষিক তালিকায় এশিয়া থেকে ৩০ জন তরুণকে তুলে ধরেছে যারা নানা সমস্যার সমাধান করার জন্য বিজনেস টুল দিয়ে থাকে। খবর ইউএনবি।

আইমান সাদিক টেন মিনিট স্কুল নামে একটি ভিডিও তৈরির মাধ্যমে শিশু শিক্ষা বিস্তারে কাজ করছেন। অনলাইনে ওই ভিডিওতে বিনামূল্যে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ দেওয়া হয়। তার মধ্যে ক্লাস, কুইজ, স্মার্ট বই, জটিল সমস্যা সমাধানসহ অনেক কিছু। আইমান ও তার ৫২ জন বন্ধু মিলে স্কুলটি পরিচালনা করছেন; যারা নিজেরাও শিক্ষার্থী।

এ ছাড়াও সমাজের মানুষের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী অবদান রাখায় আইমান সাদিক  ব্রিটিশ রানির ‘ইয়াং লিডারস’ পুরস্কার অর্জন করেছেন।

তালিকায় থাকা আরেকজন সজিব ইকবাল চেঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা। এটি একটি যুব-নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন সংস্থা, যেখানে সবুজায়ন, নবায়নযোগ্য শক্তি, নিরাপদ পানি এবং টেকসই ব্যবসা উন্নয়ন বিষয় নিয়ে কাজ করে থাকে।

 

 ডিম তো আমরা কমবেশি সকলেই খাই। কিন্তু এই ডিম খেতে গিয়ে কি একটা উল্লেখযোগ্য ব্যাপার আপনার চোখে পড়েছে কখনো? অনেকেই হয়তো লক্ষ্য করে থাকবেন যে আজকাল কুসুমের রঙ খুব হালকা হয়। গাঢ় কমলা ডিমের কুসুম বলতে গেলে দেখাই যায় না, বরং কুসুম হয় হলুদ বা হালকা হলুদ। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই হালকা হলদু ডিম কি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো? বা যে মুরগিগুলো এই ডিম পেড়েছে তাদের স্বাস্থ্য কেমন?


উত্তরগুলো জানলে অবাক হবেন নিঃসন্দেহে। এটা হয়তো অনেকেই জানেন না যে ডিমের কুসুমের রঙ দেখেই বলে দেওয়া যায় মুরগির স্বাস্থ্য কেমন আর কী ধরনের পরিবেশে সেই মুরগিকে পালন করা হয়েছে। স্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভালো খাবার খেয়ে বড় হওয়া মুরগি নিঃসন্দেহে পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ডিম পাড়ে। অন্যদিকে ফ্যাকাশে কুসুমের ডিম হয় ঠিক তার বিপরীত। আজ জানিয়ে দিচ্ছি ডিমের কোন রঙের কুসুম মুরগির ব্যাপারে কী তথ্য প্রকাশ করে।

কুসুমের রঙ গাঢ় কমলা

এটার অর্থ মুরগিগুলোকে স্বাধীন পরিবেশে প্রাকৃতিক খাদ্যের মাধ্যমে বড় করা হয়েছে। তারা প্রচুর সূর্যের আলো উপভোগ করেছে, ভালো খাবার খেয়েছে এবং পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ উন্নতমানের ডিম পেরেছে। আমাদের গ্রামাঞ্চলে ঘরে পালন করা মুরগির ডিমের কুসুম এমনটা রঙ হয়ে থাকে, কুসুম হয় একদম ঘন ও সুস্বাদু। ১০০ ভাগ অরগানিক ডিম এগুলো।

কুসুমের রঙ গাঢ় হলুদ

এটার অর্থ মুরগিটি নিঃসন্দেহে খামারে লালিত পালিত। অরগানিক মুরগির মতন স্বাধীন জীবন বা প্রচুর সূর্যের আলো তারা উপভোগ করতে না পারলেও অমানবিক পরিবেশে লালিত পালিত হয়নি। প্রাকৃতিক খাদ্য না হলেও খামারের ফিড খেয়ে বড় হয়েছে। গাঢ় হলুদ রঙের ডিমও একদম খারাপ নয়। অরগানিক ডিমের মতো না হলেও যথেষ্ট ভালো এই ফার্মের ডিম। কুসুমও বেশ ঘন ও সুস্বাদু।

কুসুমের রঙ হালকা হলুদ বা ফ্যাকাসে

এটার অর্থ এইসব মুরগিদের জীবন কেটেছে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর অবস্থায়, গাদাগাদি করে খাঁচার মাঝে বন্দী হয়ে। উন্মুক্ত সূর্যের আলো দূরে থাক, কখনো খাঁচার মাঝেও হেঁটে দেখার সুযোগ হয়নি। হ্যাঁ, অনেক ফার্মে এভাবেই মুরগি লালন-পালন করা হয়। একটি খাঁচার মাঝে সার বাঁধা মুরগি, যাদের হাঁটাচলা করার কোনো সুযোগ নেই। এদের বড় করা হয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে, অস্বাস্থ্যকর ট্যানারির বর্জ্য খাইয়ে। এমন অবস্থায় বড় করা মুরগির কুসুমের রঙ হয় হালকা হলুদ বা ফ্যাকাসে, কুসুমের ঘনত্ব হয় পাতল। এসব মুরগির ডিমে বা মাংসে পুষ্টির চাইতে ক্ষতিকর পদার্থই বেশি থাকে। এদেরকে প্রচুর অ্যান্টিবায়োটিকও দেওয়া হয়। নিজের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে এইসব ডিম থেকে দূরে থাকাই ভালো।

এখন আপনার বিবেচনা, খাওয়ার জন্য কোন ডিমটি বেছে নেবেন।

 

২০০৪ সালে মুক্তি পেয়েছিল বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের ছবি ‌‘ম্যায় হু না’। তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া এ ছবির কাহিনি গড়ে উঠেছিল দার্জিলিংয়ের সেন্ট জোসেফ নামের একটি স্কুলকে ঘিরে। যেটার ছাত্র ছিলেন শাহরুখ। ছবির বেশিরভাগ দৃশ্যধারণও হয়েছিল সেখানে।


এবার সেখানের শিক্ষার্থী হলেন বাংলাদেশের নায়িকা ববি। আর তা চলচ্চিত্রের কারণেই।
গতকাল ২৬ মার্চ এ নায়িকার নতুন ছবি ‘বিজলী’র একটি গান ইউটিউবে মুক্তি পেয়েছে। যার দৃশ্যধারণ করা হয়েছে খ্যাতনামা এ স্কুলটিতে। সেখানে ববি ও নায়ক রণবীর এসেছেন স্কুলটির শিক্ষার্থী হিসেবে।
ববি  বললেন, ‘‘বিজলী’ ছবির প্রতিটি গানই আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। এর আগে আইসল্যান্ডে একটি গানের শুট করেছিলাম। যেখানে শাহরুখ ও কাজলের গানেরও দৃশ্যধারণ হয়েছিল। এছাড়াও থাইল্যান্ডের ক্লাব ৬৬ ও পাতায়াতে হয়েছিল আরও দুটি গানের দৃশ্যধারণ। আর ‘ফ্রেন্ড বিউটিফুল’ শিরোনামের গানটি হয়েছে দার্জিলিংয়ে সেন্ট জোসেফ স্কুলে। যেখানে শাহরুখ খানও শুটিং করেছেন। বলিউডের অনেক ছবির দৃশ্যধারণ হয়েছে। বিষয়টি ভেবে ভালোই লাগছে।’

দার্জিলিংয়ে চিত্রায়িত ‘ফ্রেন্ড বিউটিফুল’ গানটি:


ছবিটি পরিচালনায় আছেন ইফতেখার চৌধুরী। তিনি বললেন, ‘ববি শাহরুখ খানের বিশাল ভক্ত। শাহরুখ যেখানে শুটিং করেছেন, তিনি ওই জায়গাগুলোতেই শুট করতে চাইতেন। সব মিলিয়ে বেশ ভালো অভিজ্ঞতা হয়েছিল আমাদের।’
‘বিজলী’ ববি প্রযোজিত প্রথম চলচ্চিত্র। এতে তিনি সুপারওম্যান হিসেবে অভিনয় করেছেন। বিপরীতে আছেন নবাগত ভারতীয় মডেল ও অভিনেতা রণবীর।
‘ফ্রেন্ড বিউটিফুল’ গানটিতেও অংশ নিয়েছেন তারা। গানটির সুর-সংগীত করেছেন স্যাভি। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন শাদাব হাশমি ও মধুবন্তি বাগচি।

দার্জিলিংয়ে চিত্রায়িত ‘ম্যায় হু না’ ছবির গান:

অটো ক্যাড প্রশিক্ষণ দেবে টিম ক্যাড 

স্বল্পমূল্যে বিশ্বমানের অটো ক্যাড প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে দেশে যাত্রা শুরু করলো টিম ক্যাড সেন্টার, বাংলাদেশ। সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরাম (বিআইজেএফ) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে অটো ক্যাড প্রশিক্ষণ, সম্ভাবনা ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন টিম ক্যাড সেন্টারের দেশি ও বিদেশি প্রতিনিধিরা।


টিম ক্যাড সেন্টারে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তৌফিকুল ইসলাম মিঠু বলেন, ‘প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি বিষয়ে ক্যাড সেন্টার বিশ্বব্যাপী একটি সুপরিচিত নাম। আমরা ক্যাড সেন্টার-এর ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে গত ৮ বছরে ৩ হাজারের বেশি তরুণকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত প্রায় সবারই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। এবার আমরা নতুন করে শুরু করছি। নতুন জায়গায় আরো বড় পরিসরে আমরা আমাদের কেন্দ্রটি চালু করেছি।’ তৌফিকুল ইসলাম মিঠু আরও বলেন, ‘বিশ্ব যে গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে আমরা হয়তো সেভাবে এগিয়ে যেতে পারছি না। তাই বলে আমরা বসে থাকতে পারি না। আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার লক্ষ্যে আমরা আমাদের কোর্সগুলো নতুন করে সাজিয়েছি। বাংলাদেশে বসেই একজন তার সাধ্যের মধ্যে স্বল্পমূল্যে ভারত, সিঙ্গাপুর, মধ্যপ্রাচ্য ও আমেরিকার মানের প্রশিক্ষণ পাবে।’

ক্যাড সেন্টারের ট্রেনিং সার্ভিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস কে সেলভান বলেন, ‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য বিশ্বমানের দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার বিকল্প নেই। বাংলাদেশসহ সারা দুনিয়ায় আমরা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার কাজ করছি। টিম ক্যাড সেন্টার বাংলদেশ আমাদের অফিসিয়াল পার্টনার। তরুণ প্রজন্মকে বলতে চাই, আপনারা আমাদের কেন্দ্র থেকে বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রস্তুত করুন নিজেকে। দেশের কাজ করার পাশাপাশি আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে বাইরের দেশের কাজও করতে পারবেন আপনারা।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, অটো ডেস্কের সোল ডিস্ট্রিবিউটর স্মার্ট টেকনোলজিস বাংলাদেশ লিমিটেডের হেড অব সফটওয়্যার ডিস্ট্রিবিউশন মিরশাদ হোসেন এবং ক্যাড সেন্টার ট্রেনিং সার্ভিসের হেড অব অপারেসন্স সুনীল টোনগারিয়া।

 প্রকাশ্যে ‘কাঠমাণ্ডু টু কাম্বোডিয়া’র প্রথম লুক

প্রকাশ্যে এল রাজ চক্রবর্তীর পরবর্তী সিনেমা ‘কাঠমাণ্ডু টু কাম্বোডিয়া’র প্রথম লুক। এ সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশ করেছে ভারতের এবেলা পত্রিকা।


কয়েকদিন আগেই বাগদান সেরেছেন রাজ চক্রবর্তী ও শুভশ্রী। বাগদানের পর নিজের স্ত্রী’কেই নিয়েই সিনেমা বানাতে চলেছেন পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। শোনা যায়, এই সিনেমায় শুভশ্রীর পাশাপাশি অভিনয় করতে দেখা যাবে রুদ্রনীল ঘোষ ও সোহমকেও। এখনও সিনেমার মুক্তির তারিখ জানা যায় নি।
প্রকাশ্যে ‘কাঠমাণ্ডু টু কাম্বোডিয়া’র প্রথম লুক

নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যে ‘কাঠমাণ্ডু টু কাম্বোডিয়া’র ফার্স্ট লুক পোস্ট করেছেন তিনি। পোস্টের সঙ্গে সঙ্গে সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল হয়ে গেছে ফার্স্ট লুকটি।
প্রকাশ্যে ‘কাঠমাণ্ডু টু কাম্বোডিয়া’র প্রথম লুক

অবশ্য এর আগে পরিচালক রাজ চক্রবর্তী কাঠ-মুণ্ডু বলে আরেকটি সিনেমা করেছিলেন। সেই ছবি শুটিং হয়েছিল কাঠমাণ্ডুতেই। ছবিটি দর্শকদের মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছিল। ফলে এবার কাম্বোডিয়ায় কী হয় সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন ভক্তকুল।

 র‍্যাপড সিক্রেট ক্যাবেজ

বাজারে এখনো বাধাকপি পাওয়া যায়। সবসময় একই ধরনের রেসিপিতে অনেকেই বিরক্ত হন। তাই সবজি-মাছ দিয়ে নতুন মেন্যু খাবার টেবিলেও আনে বৈচিত্র্যতা। নতুন মেন্যু হিসেবে রান্না করতে পারেন ন‍্যাপড সিক্রেট ক্যাবেজ। রেসিপিটি তাহলে জেনে নেওয়া যাক-


উপকরণ:


বাধাকপি ১টি

ক্যানড টুনা মাছ ফ্লেক্স ১ টিন

টমেটো আধা কাপ

শশা আধা কাপ

ক্যাপসিকাম ৩ রঙের তিনটি

সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ

চাট মসলা আধা চা চামচ

লবণ স্বাদমতো

ভেজিটেবল অয়েল ১ টেবিল চামচ

প্রণালি:


বাধাকপি থেকে গোটা পাতা আলাদা করে নিতে হবে। এরপর পাতাগুলো ভাপে আধা সেদ্ধ করে নিন।

প্যানে তেল গরম করে ক্যানড টুনা মাছ ফ্লেক্স দিতে হবে। চাইলে নিজের পছন্দ মতো মাছ দেওয়া যেতে পারে, সেক্ষেত্রে মাছ টুকরো করে ফুটন্ত গরম পানিতে লবণ এবং হলুদ দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। এরপর সেদ্ধ মাছের কাঁটা বেছে তেলে ভাজুন।

এবার মাছে ক্যাপসিকাম কুঁচি এবং বাধাকপি কুঁচি দিয়ে নেড়ে সাদা গোলমরিচ গুঁড়া এবং লবণ দিয়ে ভালোভাবে নেড়েচেড়ে চুলা বন্ধ করতে হবে। মিশ্রণে শশা এবং টমেটো কুঁচি দিয়ে চাট মসলা ছিটিয়ে ড্রেসিং করুন।

এবার আধা সেদ্ধ বাধাকপির পাতায় মাছ ও সবজির মিশ্রণটি দিয়ে র‍্যাপ করে টুথপিক দিয়ে গেঁথে দিতে হবে। ব্যস, হয়ে গেল মজাদার র‍্যাপড সিক্রেট ক্যাবেজ।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন সময়ে অনাকাঙ্ক্ষিত বা একেবারে অপরিচিত লোকজন বিরক্ত করে থাকে।  আপনাকে এমন লোকজন যাতে বিরক্ত করতে না পারে সেটা নিশ্চিত করার জন্যে তাদের পাঠানো মেসেজগুলি লুকিয়ে রাখে ফেসবুক।


এতে করে হয়রানি যেমনটা কমে তেমনি অনেক সময় দেখা যায় কেবলমাত্র বন্ধুতালিকায় নেই বলে কারো কাছ থেকে আসা গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটিও আপনার চোখ এড়িয়ে যায়।

ফেসবুক ফিল্টার করে সরিয়ে ফেলা এই মেসেজগুলি দেখতে মেসেজে গিয়ে ‘নিউ মেসেজ রিকোয়েস্টস’ লেখায় ক্লিক করুন। ফেসবুকে আপনার সাথে সংযুক্ত নেই এরকম সবার পাঠানো মেসেজগুলি এখানে দেখতে পারবেন।

তবে এসব মেসেজ দেখার আগে ‘সিন’ হওয়া নিয়ে চিন্তা করবেন না। এই ফোল্ডারে থাকা মেসেজগুলি পড়লে সেগুলি সিন হিসেবে চিহ্নিত হবে না। সিন করার এবং রিপ্লাই দেওয়ার জন্যে আলাদা একটি অপশনই আছে এখানে।

ব্রণের দাগ দূর করতে কোন ক্রিম বা প্রসাধনী ব্যবহার করবেন জেনে নিন 

যদি মুখে ব্রোনের কারণে দাগ হয তাহলে দুটো বাদাম পিষে তার মধ্যে দুধ ও এক চামচ শুকনো কমলা লেবুর গুড়ো মিশিয়ে আস্তে আস্তে মুখে ঐ পেস্টটা লাগান৷ বেশ কিছুক্ষন রাখার পর ঐ প্যাকটা যখন মুখে শুকিয়ে যাবে তখন জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ অল্প দিনের মধ্যেই আপনার মুখের সব দাগ দূর হযে যাবে৷


** মুসুর ডাল গুড়ো করে তার মধ্যে ডিমের হলুদ অংশটা মেশান৷ রোদের মধ্যে এই পেস্টটা শুকিয়ে শিশির মধ্যে ভরে রেখে দিন৷ প্রতিদিন রাতে শোওয়ার আগে 2 ফোটা লেবুর রসের সঙ্গে 1 চামচ দুধ মিশিয়ে মুখে লাগান৷ আধ ঘন্টা রাখার পরে মুখটা ধুয়ে ফেলুন৷ এতে আপনার মুখের রঙ ফর্সা হয়ে যাবে৷

*** ত্বক ভালো রাখার একমাত্র উপাদান হল পানি। প্রচুর পানি খেলে শরীর এর টক্সিন বের হয়ে যায়। রুক্ষতা থাকে না। ত্বক সতেজ থাকে। ত্বকের যত্নে প্রাকৃতিক নানা জিনিস ই ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। ফলের রস, শরবতের মতো তরল জাতীয় খাবার বেশি খাবেন। কোন ধরনের দুশ্চিন্তা করবেন না।মুখের কালো ছাপ দূর করতে হলে দুধের স্বরের মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগান৷ কিছুক্ষন রাখার পরে গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন৷

আপনি দারুচিনি সাথে ঘরোয়া কিছু উপাদান যোগ করে ফেসপ্যাক বানিয়ে তা ব্যবহার করে দেখতে পারেন, খুব দ্রুত কাজ দেয় ৷এছাড়াও, দারুচিনিতে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বক সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। যেভাবে দারুচিনির ফেসপ্যাক তৈরি ও ব্যবহার করবেন- দারুচিনির একটি ছোট টুকরা গুঁড়া করুন। আধা চা চামচ জয়ফল গুঁড়া, আধা চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া ও ১ চা চামচ মধু একসঙ্গে মেশান ভালো করে। ৩ থেকে ৫ ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে নেড়ে নিন আরেকবার। মিশ্রণটি অতিরিক্ত শুকনা হলে সামান্য পানি অথবা দুধ মেশাতে পারেন। মাইল্ড ফেসওয়াশ দিয়ে ত্বক ধুয়ে মুছে নিন। ভেজা ভাব থাকতে থাকতেই ফেসপ্যাকটি লাগান ত্বকে। আধা ঘণ্টা পর শুকিয়ে গেলে সামান্য পানি ছিটিয়ে স্ক্রাব করুন কয়েক মিনিট। কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিন ত্বকে। ত্বক মুছে নিন ভালো করে। গোলাপজলে তুলা ভিজিয়ে চেপে নিন ত্বকে। গোলাপজল মুখে শুকিয়ে গেলে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। যাদের ত্বক অতিরিক্ত সংবেদনশীল, তারা ফেসপ্যাকটি ব্যবহার করার আগে হাতের ত্বকে লাগিয়ে দেখবেন জ্বলুনি হয় কিনা। ত্বকে লাগানোর পরও যদি জ্বলুনি শুরু হয় তবে সঙ্গে সঙ্গে ধুয়ে বরফের টুকরা ঘষে নেবেন।

আপনার যেহেতু তৈলাক্ত ত্বক সেহেতু কোন ক্রীম ব্যবহার আপনার জন্য ঠিক হবেনা।
তেল ও মসলা জাতীয় খাবার কম খাবেন আর আপনার সমস্যা সমাধানে নিচের নিয়মগুলো পালন করে দেখতে পারেন:

১। কাঁচা হলুদ এবং চন্দনকাঠের গুঁড়ো ব্রণের জন্য খুবই কার্যকর দুটো উপাদান। সমপরিমাণ বাটা কাঁচা হলুদ এবংচন্দন কাঠের গুঁড়ো একত্রে নিয়ে এতে পরিমাণ মত পানি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করতে হবে।মিশ্রণটি এরপর ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় লাগিয়ে রেখে কিছুক্ষন পর শুকিয়ে গেলে মুখঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি শুধুমাত্র ব্রণদূর করার কাজ করে না বরং ব্রণের দাগ দূর করতেও সাহায্য করে।

২।আপেল এবং মুধ এর মিশ্রণহচ্ছে ব্রণের দাগ দূর করার সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘরোয়া পদ্ধতি।
প্রথমে আপেলের পেষ্ট তৈরিকরে তাতে ৪-৬ ফোঁটা মধু মিশাতে হবে। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করেএরপর মুখ ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এটি ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখেএবং কমপ্লেকশন হালকা করে।সপ্তাহে ৫-৬ বার এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। আপনি কয়েকদিনের মধ্যে পরিবর্তনটা অনুভব করতে পারবেন।

৩।ব্রণের জন্য তুলসি পাতাররস খুব উপকারী।

কারণ তুলসি পাতায় আছে আয়ূরবেদিক গুণ।শুধুমাত্র তুলসি পাতার রস ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে রেখে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। ৪।প্রথমে চন্দন কাঠের গুড়োঁরসাথে গোলাপ জল মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন। এরপর এতে ২-৩ ফোঁটা লেবুর রস মিশাণ। গোলাপজল অনেকের ত্বকের সাথে এডজাষ্ট হয় না।তারা সেইক্ষেত্রে গোলাপ জলের পরিবর্তে মুধব্যবহার করতে পারেন।এই পেষ্ট আপনার ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করবে।সপ্তাহে ৩-৪দিন ব্যবহার করতে পারলে ভাল ফল পাওয়া যাবে।

৫।এছাড়া রাতে শোয়ার আগেডিমের সাদা অংশ ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় মেসেজ করে সারারাত রাখতে পারেন।এটি আপনারত্বকের খসখসে ভাব দূর করে।সবচেয়ে ভাল হয় যদি এর সাথে লেবুর রস যোগ করা যায়। আপনিএটি সারারাতও রাখতে পারেন আবার আধ ঘন্টা পরও ধুয়ে ফেলতে পারেন।

৬।প্রতিদিন ৯-১০ গ্লাস পানি খান।

৭।প্রতিদিন রাতের খাবারের পরযেকোন ধরনের মৌসুমি ফল খান। এটি আপনার ত্বককে সতেজ রাখবে। যতটা সম্ভব তেলযুক্ত বাফাষ্ট ফুড জাতীয় খাবার পরিহার করুন।

৮। সবসময় বাহির থেকে আসা মাত্র মুখ ফেসওয়াস দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া হালকা গরম পানির স্টীম নিতে পারেন।
এতেকরে ত্বকে জমে থাকা ধুলোবালি পরিষ্কার হয়ে যাবে।

কার্টেসী- ইন্টারনেট।

হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারখানায় সজিব কেমিক্যাল কোং এর “মেছতা গার্ড” নামের একটি ক্রিম আছে।ক্রিমটি ব্যবহার করলে তাড়াতাড়ি সুফল পাবেন।

আপনি মুখে ব্রন ও ব্রনের দাগ দুর করতে বেটনোভেট ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। এটির মূল্য ১২০/-

আপেল এবং মধুর মিশ্রণ হচ্ছে ব্রণের দাগ দূর করার সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘরোয়া পদ্ধতি। প্রথমে আপেলের পেষ্ট তৈরি করে তাতে ৪-৬ ফোঁটা মধু মিশাতে হবে। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করেএরপর মুখ ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে ৫-৬ বার এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

অ্যাপসের মাধ্যমে রাজনৈতিকে নেতার সাথে যোগাযোগ 

অ্যাপস মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগনের সাথে সরাসরি সার্বক্ষনিক যোগাযোগের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের প্রথম রাজনীতিবিদ হিসেবে অ্যাপস তৈরী করেছেন স্বেচ্ছাসেবকলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু। যাতে যে কেউ, যে কোন সময় চাইলেই গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু’র সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে।


ইতিপূর্বে বাংলাদেশের কোন রাজনীতিবিদ সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের জন্য অ্যাপস তৈরী করেনি। গুগল প্লে ষ্টোরে shachchu লিখে সার্চ দিয়ে যে কেউ তার এ্যানড্রয়েড মোবাইলে অ্যাপসটি ইন্সটল করে নিতে পারবে।

অ্যাপসটিতে রয়েছে গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু’র ব্যক্তিগত এবং রাজনৈতিক পরিচয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচীর ছবি, ভিডিও এবং সংবাদ। রয়েছে অভিযোগ ও পরামর্শ বিভাগ। যেখানে ঢাকা ১৫ আসনের যে কেউ তাদের কোন অভিযোগ এবং পরামর্শ প্রদান করতে পারবেন। যোগাযোগ বিভাগে অ্যাপসের মাধ্যমে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবেন। এছাড়াও অনলাইন থেকে www.shachchu.com থেকেও যে কেউ চাইলে যোগাযোগ করতে পারবেন।

অনেকেই হয়তো সময়ের অভাবে অথবা গোপনীয়তার কারণে সরাসরি কাছে আসার সুযোগ হয়না। সেই দিকে নজর দিয়ে জনগনের সাথে সরাসরি সার্বক্ষনিক যোগাযোগের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের প্রথম রাজনীতিবিদ হিসেবে অ্যাপস তৈরী করেছেন।

কানের লালগালিচায় সেলফি নিষিদ্ধ! 

কান চলচ্চিত্র উৎসবের লালগালিচায় সেলফি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ছবির প্রিমিয়ারের আগে অনাকাঙ্ক্ষিত বিশৃঙ্খলা এড়াতেই এমন সিদ্ধান্ত। শুক্রবার (২৩ মার্চ) ফিল্ম ফ্রাঁসোয়া ম্যাগাজিনকে উৎসব পরিচালক থিয়েরি ফ্রেমো বলেছেন, ‘লালগালিচায় দর্শকদের জন্য সেলফি নিষিদ্ধ থাকবে।’


এর আগে ২০১৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন এই উৎসবের লালগালিচায় সেলফি নিষিদ্ধ করতে চেয়েছিলেন থিয়েরি ফ্রেমো। কিন্তু পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে তিনি সরে আসেন। কিন্তু এবারের নিষেধাজ্ঞা পরিবর্তনের কোনও সুযোগ নেই। কারণ, তার চোখে ‘সেলফি তোলা হাস্যকর ও উদ্ভট ব্যাপার!’

তবে যেসব ছবির প্রদর্শনী হবে সেগুলোর কলাকুশলীদের মধ্যে যারা লালগালিচায় পা মাড়াবেন, তাদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা থাকবে কিনা তা স্পষ্ট নয়। লালগালিচায় ড্রেসকোড হলো টাক্সেডো ও ইভেনিং গাউন।

থিয়েরি ফ্রেমো ফরাসি ম্যাগাজিনকে আরও বলেছেন, ‘সেলফি তোলার মতো মামুলি বিষয়ের কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এটা যে কোনও পদক্ষেপে ব্যাঘাত ঘটায়, যার প্রভাব পড়ে গোটা উৎসবে।'

শুধু অ্যাক্রিডিটেশন পাওয়া সাংবাদিক, মার্শে দ্যু ফিল্মে আসা চলচ্চিত্র নির্মাতা কিংবা টিকিট পাওয়া সাধারণ দর্শকরাই নন, হলিউড তারকারাও কানের লালগালিচায় সেলফি তোলেন। এবার তারাও বিরত থাকেন কিনা দেখা যাক। আগামী ৮ মে শুরু হবে কান উৎসবের ৭১তম আসর। এ আসর চলবে ১৯ মে পর্যন্ত।

বৈশাখের পোশাকে আধুনিকতার ছোঁয়া 

বাংলাদেশের ফ্যাশন উৎসব কেন্দ্রিক। উৎসবের আড়ালে চারদিকে মানুষ ট্রেন্ডি ফ্যাশনে ঝুঁকে আছে। এরই ধারাবাহিকতায় এপ্রিলে আসছে বাঙালির প্রাণের উৎসব বৈশাখ। সেইলর তাই বৈশাখে এনেছে এথনিক এবং পাশ্চাত্য কাটের ফিউশন।


নতুনত্ব সাথে তারুণ্য, যুগপৎ প্রতিনিধিত্ব করবে এবারের বৈশাখী আয়োজনগুলো। তাই সেইলর খিলগাঁওতে নতুন স্টোর উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজন করে ফ্যাশন শোর। বর্ণাঢ্য এই বৈশাখী ফ্যাশন শোর কিউতে অংশ নেন ২৫ জন ফ্যাশন মডেল।

সেইলর এর চিফ অপারেটিং অফিসার রেজাউল কবীর জানান, সমকালীন ফ্যাশন ট্রেন্ড অনুসরণ করেই সেইলর প্যাটার্ন ও ডিজাইনে পরিবর্তন এনেছে এসব বৈশাখী নতুন কালেকশনে। পাঞ্জাবি, টিউনিক, সালোয়ার-কামিজ বা টপস বৈশাখের উৎসবকে করবে আরো ফ্যাশনেবল। খিলগাঁও শহীদ বাকী সড়কে সেইলর এর নতুন এই স্টোরটির উদ্বোধন করেন ইপিলিয়ন গ্রুপ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব রিয়াজ উদ্দিন আল মামুন।

মারিয়া নূরের উপস্থাপনায় ফ্যাশন কিউ, ফটোশ্যুট এবং সেইলর পণ্য নিয়ে বিস্তারিত জানান আন্তর্জাতিক মডেল পিয়া।

আয়োজিত বৈশাখী কালেকশন ফ্যাশন শোয়ের পুরো আয়োজন দেখা যাবে সেইলর এর ফেসবুক ফ্যান পেইজেও। তবে, সব আউটলেটের পাশাপাশি নিত্যনতুন সেইলর- প্রোডাক্টের খোঁজখবর পাবেন ফেসবুক পেইজে।


মানুষের জীবনে প্রতিষ্ঠা পেতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ইচ্ছা, একাগ্রতা আর উদ্যম। এই তিনটি থাকলে যেকোনো মানুষই সমাজে পিছিয়ে থাকে না, এর যথার্থ উদাহরণ হলেন কুড়িগ্রামের ফাতেমা বেগম। ১৬ বছর বয়সের উচ্ছ্বল এ কিশোরীর বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের নাখারগঞ্জ গ্রামে।


সংসারে অভাবের কারণে অপরের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতেন ফাতেমা। সেই গৃহকর্মী আজ বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের শুভেচ্ছা দূত। তারই অংশগ্রহণে মাইক্রোসফট বানিয়েছে এক প্রামাণ্যচিত্র। আর মাইক্রোসফট এশিয়া এই প্রামাণ্যচিত্রটি প্রচার করছে ইউটিউবে। ফাতেমা এখন অনেক মেয়ের কাছেই অনুপ্রেরণা। অথচ এই ফাতেমাকে করতে হয়েছে গৃহকর্মীর কাজ, ঠেকাতে হয়েছে নিজের বাল্যবিবাহ। খবর বাসসের।

মাত্র পাঁচ শতাংশ জমিতে ফাতেমাদের বাড়ি। সম্পদ বলতে এই ভিটেটুকুই। দারিদ্র্যতা যেন ফুটে উঠছে পুরো ভিটেজুড়েই। এক সময় অভাব ছিল ফাতেমার নিত্যসঙ্গী।

ফাতেমা বলেন, ‘আমি তখন দক্ষিণ রামখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়তাম। এমন অনেক দিন গেছে কোনো কিছুই না খেয়ে বড় বোনের সাথে চার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে স্কুলে যাওয়া-আসা করতাম। মা অন্যের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে বড় বোন আমেনার বিয়ে হয়ে যায়। তার বিয়ের খরচ জোগাতে সুদের ওপর টাকা ধার করতে হয় বাবাকে। আরও সংকটে পড়েন তারা।’

মাইক্রোসফটের এই শুভেচ্ছা দূত বলেন, ‘অভাবের কারণে ওই সময় আমার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়। মাত্র ৯ বছর বয়সে আমি অন্যের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ নেই। কাজ করে যা পেতাম, তার সবটুকুই সংসারে দিতাম। ওই পরিবারের (যে পরিবারে গৃহকর্মীর কাজ করতেন) ছেলে-মেয়েরা যখন স্কুলে যেত, খুব কষ্ট পেতাম। ওরা পড়তে বসলে আশপাশে ঘুরঘুর করতাম। রাতে ওদের বই নিয়ে পড়তাম।’

দুই বছর এভাবে অন্যের বাড়িতে কাজ করতে থাকেন ফাতেমা। একদিন বাবা তাকে ডেকে পাঠান বাড়ি। ফাতেমা বলেন, ‘আমার মনে হয়েছিল, আবার স্কুলে ভর্তি করে দেবে। খুব খুশি হয়েছিলাম।’

সেই ডাকে বাড়িতে এসে ফাতেমা দেখলেন ২৫ বছর বয়সী এক যুবকের সঙ্গে তার বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন। ফাতেমার বয়স তখন ১১ বছর। কী করবেন? ভেবে পাচ্ছিলেন না। এ সময় স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা ‘আশার আলো পাঠশালা’র পরিচালক বিশ্বজিৎ বর্মণসহ সংগঠনের কয়েকজন যুবক এসে এই বিয়েতে বাধা দেন। ফাতেমার বাবাকে বোঝান যে, বাল্যবিবাহ দেওয়া ঠিক না। পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে যাবে। ফাতেমাকে বিনাপয়সায় লেখাপড়া করানোর দায়িত্ব নেয় আশার আলো পাঠশালা। ফাতেমা বলেন, ‘তাদের সহযোগিতায় ও আমার মায়ের ইচ্ছায় আশার আলো পাঠশালায় ভর্তি হই। পাঠশালায় এসে নতুন জীবন ফিরে পাই।’

এখন নাগেশ্বরী রায়গঞ্জ ডিগ্রি কলেজের উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ফাতেমা। পাশাপাশি মাইক্রোসফট অফিস ও কম্পিউটার গ্রাফিকস ডিজাইনে দক্ষ তিনি। আশার আলো পাঠশালার কম্পিউটার প্রশিক্ষক হিসেবে কাজও করছেন ফাতেমা। তিনি মেয়েদের কম্পিউটার শেখান। ফাতেমার ছোট দুই বোন মিষ্টি ও আলমিনা। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে।


মাইক্রোসফট বাংলাদেশ, ভুটান, নেপাল ও লাওসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোনিয়া বশির কবির বলেন, ‘আশার আলো পাঠশালার অংশীদার ইয়াং বাংলা। তাদের আগ্রহে আমরা এই পাঠশালায় যাই। তখন ফাতেমা আমার সঙ্গে ইংরেজিতে এত সাবলীলভাবে কথা বলে যে, মুগ্ধ হয়ে যাই। আশার আলো পাঠশালায় কম্পিউটার ল্যাব করে দেয় মাইক্রোসফট। ফাতেমাসহ অনেক মেয়েই শেখে তথ্যপ্রযুক্তির নানা বিষয়।’

গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মাইক্রোসফটের তত্ত্বাবধানে ফাতেমাকে নিয়ে তৈরি হয় একটি প্রামাণ্যচিত্র। এর পরই তাকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর (শুভেচ্ছা দূত) মনোনীত করা হয়। আশার আলো পাঠশালার পরিচালক বিশ্বজিৎ বর্মণ জানান, ফাতেমা শুভেচ্ছাদূত হওয়ায় তারা খুব খুশি। বলেলন, ‘এটা ইয়াং বাংলার জন্য সম্ভব হয়েছে। ফাতেমাকে দেখে গ্রামের মেয়েরা লেখাপড়া ও কম্পিউটার শেখার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছে।’

লেখাপড়া শেষ করে বাল্যবিবাহ রোধে সবাইকে নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে পোষণ করে ফাতেমা বলেন, ‘সুবিধাবঞ্চিত মেয়েদের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করতে চাই।’

 

গরমে সালাদ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। আর সেই সালাদ যদি হয় বিভিন্ন ফল দিয়ে তৈরি তাহলে তো কোনো কথাই নেই। চলুন জেনে নেই কীভাবে তৈরি করবেন ক্রিমি ফ্রুট সালাদ।


উপকরণ:


আপেল ১টা

আঙ্গুর ১ কাপ

কলা ১টা

অ্যাভোকাডো ১টা

পিয়ার্স ১টা

টক দই ১/২ কাপ থেকে সামান্য কম

মেয়োনিজ ১/২কাপ

ফ্রেশ ক্রিম ২/৩ টেবিল চামচ

চিনি ১ টেবিল চামচ

কয়েকফোটা মধু (অপশনাল )

লবণ স্বাদমতো

ব্ল্যাক পিপার ১ টেবিল চামচ

প্রণালি:


প্রথমেই ফলগুলো খোসা ছাড়িয়ে কিউব করে কেটে নিতে হবে। আপনারা চাইলে পছন্দমতো যে কোনো ফল কমিয়ে বাড়িয়ে নিতে পারেন।

একটা বড় বলে সব উপকরণ মিশিয়ে নিয়ে ফলের কিউবগুলো সুন্দর করে মিক্সড করে নিন। ব্যাস হয়ে গেল মজাদার হেলথি ক্রিমি ফ্রুট সালাদ।

 

দেশে নকিয়া মোবাইল ফোন বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান এইচএমডি গ্লোবাল একটি ফিচার ফোনসহ স্মার্টফোনের পোর্টফলিওতে নতুন তিনটি ফোন বাজারে নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছে।


ফোনগুলো হলো নকিয়া-১, নকিয়া-৭ প্লাস ও নিউ নকিয়া-৬। সেই সঙ্গে নকিয়ার বিখ্যাত ৮১১০ মডেলের ফিচার ফোন বাজারে আসছে ফোর-জি সুবিধাসহ। নকিয়া-১ ফোনটি আগামী সপ্তাহ থেকেই দেশব্যাপী পাওয়া যাবে এবং অন্য তিনটি ফোন আগামী মাসে বাজারে আসবে।

ফোনগুলো বিশ্ব বাজারে আসার আগেই সর্বপ্রথম বাংলাদেশে বাজারজাত করা হবে বলে নকিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ওয়ার্ম রেড ও ডার্ক ব্লু রংয়ে ফোনগুলো পাওয়া যাবে।

নকিয়া আবার বাজারে নিয়ে আসছে ৮১১০ মডেলের ফিচার ফোন। তবে এই ফোনটি আবারও বাজারে ফিরে আসছে নতুন কিছু সুযোগ-সুবিধাসহ। উচ্চ-মানসম্পন্ন নকিয়া হ্যান্ডসেটের ভক্তরা এই ফোনে ফোর-জি সুবিধাসহ গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট, গুগল ম্যাপ, গুগল সার্চ, ফেসবুক ও টুইটারের মতো অ্যাপগুলো ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।

মুক্তি পেল শিপন-হিমির ১৩ মিনিটের ছবি 

আ মরি বাংলা ভাষা/ আ মরি সোনার দেশ/ নাইকি কোনও আশা/ সব কি তবে শেষ’— এমন জিজ্ঞাসা নিয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রকাশ হয়েছে শিপন-হিমি অভিনীত প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি ‘বিবেকের কাছে প্রশ্ন’।


বাংলাঢোলের প্রযোজনায় সোমেশ্বর অলির চিত্রনাট্যে এটি যৌথভাবে তৈরি করেছেন আল আমিন ও রাসেল আজম। শিপন-হিমি ছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন পাভেল জামান, সোহান ফেরদৌস প্রমুখ।
‌‌‌২২ মার্চ প্রকাশিত এই ছবিটিতে ভিনদেশি সংস্কৃতির আগ্রাসনের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে নির্মিত ১৩ মিনিট ব্যাপ্তির ছবিটি দর্শকদের ভাবাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাঢোলের ইউটিউব চ্যানেলের পাশাপাশি ‘বিবেকের কাছে প্রশ্ন’ উপভোগ করা যাচ্ছে বাংলাফ্লিক্স, রবিস্ক্রিন, এয়ারটেল স্ক্রিন ও টেলিস্ক্রিনে।

‘বিবেকের কাছে প্রশ্ন’ প্রসঙ্গে লেখক ও নির্মাতারা বলেন, ‘ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে তরুণদের অবদান ছিলো সবচেয়ে বেশি। আমাদের প্রিয় বাংলা ভাষা ও দেশের ভবিষ্যৎ তরুণদের হাতেই। তারা সঙ্কট উত্তরণে যদি এগিয়ে না আসে, দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশে উদাসীন হয়- তাহলে সেটি হবে দুশ্চিন্তার বিষয়। আমরা সেই চিত্র তুলে ধরেছি ছবিটিতে।’
দেখুন ‘বিবেকের কাছে প্রশ্ন’:

‘বেসিসকে ফ্রেন্ডলি প্রতিষ্ঠান করতে চাই’ 

এম আসিফ রহমান। কম্পিউটার প্রোগ্রামার। কাজ করেন ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্ম নিয়ে। ওয়ার্ডপ্রেসের কন্ট্রিবিউটর ২০০৪ সাল থেকে। ব্যতিক্রমী সব সল্যুশন বিক্রি করেন আন্তর্জাতিক মার্কেটে। বাংলাদেশের তথ্য-প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি পরিচিত বিনিয়োগকারী হিসেবে। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) নির্বাহী কমিটির ২০১৮–২০২০ নির্বাচনে দোহাটেক নিউ মিডিয়ার চেয়ারম্যান লুনা শামসুদ্দোহার ‘উইন্ড অব চেইঞ্জ’ প্যানেলে অংশ নিয়েছেন তিনি। তার ইচ্ছা, বেসিসকে কর্মীবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে তৈরি করার।


বেসিসকে নিয়ে স্বপ্নের কথা জানতে চাইলে আসিফ রহমান বলেন, ফেসবুকে শুরুর দিককার (আইপিও করার আগে) বিনিয়োগকারী ছিলেন তিনি। গত ১০ বছর ধরে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি কোম্পানিতে বিনিয়োগ করছেন। এ অভিজ্ঞতাটা তিনি বেসিস সদস্যদের জন্য কাজে লাগাতে চান।

আসিফ বলেন, ‘আমার বেসিসে কাজের টার্গেট হলো তিনটা বিষয় নিয়ে।

এক. বাংলাদেশের কোম্পানি কীভাবে আন্তর্জাতিকভাবে বড় করা যায়, সে জায়গাটি দেখা। আর বাংলাদেশের প্রোডাক্ট আন্তর্জাতিকভাবে বাজারজাত করার ব্যাপারে বেসিসের সদস্যদের সচেতন করা। কাজ করা বাংলাদেশের প্রোডাক্ট আন্তর্জাতিক বাজারে কীভাবে ব্র্যান্ডিং করা যায়।

দুই. বেসিসের ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা যেন প্রাতিষ্ঠানিক ইনভেস্টমেন্ট ও ভিসি ফান্ড পেতে পারেন। এটা একটা বা দুটা কানেকশনে না হয়ে, হবে বেসিসের পুরো নেটওয়ার্ক নিয়ে। এটা শুধুই দুই বছরের জন্য না। সবসময় যেন এই ধারা চলতে পারে, এর জন্য একটা ইকোসিস্টেম তৈরি করব।

তিন. বেসিসের স্ট্রাকচারটা এমনভাবে পরিবর্তন করতে চাই, যেন সবার কাছে মনে হয় এটা একটা ফ্রেন্ডলি সংগঠন। বেসিস স্ট্রাকচারটা এমন হওয়া উচিত যাতে সেখানে সকল সদস্য সহজভাবে যেতে পারেন। সবাই এসে যেন নিজের পরিবারের মতো করে একসাথে কাজ করতে পারেন। বেসিস যেন হয়ে উঠে ১১০০ মেম্বারের পরিবার।বেসিসের ওয়েবসাইটের আধুনিকায়ন করতে চাই, যেন সদস্যরা সকল সুবিধা অনলাইনে পেতে পারেন।’

 

অনেক কারণেই আমাদের চুল ড্যামেজ হয়ে থাকে। আমাদের ভুল যত্নের কারণেই চুল ড্যামেজ হচ্ছে। কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে আমরা প্রতিনিয়ত এই ভুলগুলো করেই যাচ্ছি। কিন্তু, আমরা জানি না যে, এই কারণেই আমাদের চুল ড্যামেজ হচ্ছে। আসুন তাহলে আজ আমরা জেনে নেই কি কি করলে আমাদের চুল ড্যামেজ হয়। আর কি করলে ড্যামেজ থেকে চুলকে রক্ষা করতে পারব।


১. আপনি কি শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার ব্যবহার করছেন না? তাহলে মারাত্মক ভুল করছেন। চুল নরম রাখার জন্য শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার ব্যবহার করা খুব জরুরি। তবে, যদি আপনার মনে হয়, কন্ডিশনার আপনার চুলকে প্রচণ্ড তেলতেলে করে দিচ্ছে, তাহলে শ্যাম্পু করার আগে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

২. আপনি কি সঠিক শ্যাম্পু ব্যবহার করছেন? চুলের ধরন জেনে তবেই শ্যাম্পু করা দরকার। ভুল শ্যাম্পু ব্যবহার করলে আপনার চুল আরও বেশি রুক্ষ শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

৩. চুল ধোয়ার সময়ে কখনোই গরম পানি ব্যবহার করবেন না। শ্যাম্পু ব্যবহার করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে চুল ধুয়ে ফেলুন। ঠান্ডা পানি যে শুধুমাত্র ত্বকের জন্যই উপকারী তাই নয়, চুলের জন্যও একই রকম উপকারী।

৪. গোসল করে ভেজা চুল কখনোই চিরুণী দিয়ে আঁচড়াবেন না। কারণ, গোসল করার পর চুলের গোড়া নরম হয়ে থাকে। তাই তখন একটু টানেই চুল ছিঁড়ে যেতে পারে।

কিছু টিপস:
চুলের জন্য কখনোই বাজারের কিনতে পাওয়া পরিশোধিত মধু ব্যবহার করবেন না। এতে চুলের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বেশি বেশি ব্যবহার করলেই যে আপনার চুল দ্রুত ড্যামেজ কাটিয়ে উঠবে এমন ধারণা ভুল।

 

অনেক সময় নাস্তায় আনা পাউরুটি বেঁচে যায়। অনেকে সেটা আবার গরম করে খান। আবার অনেকে চিন্তা করেন এগুলো দিয়ে কি করবেন? কয়েক দিন ফ্রিজে জমিয়ে রেখে ফেলে দিতে হয়। এখন থেকে আর বেঁচে যাওয়া পাউরুটি নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। সকালের বেঁচে যাওয়া পাউরুটি দিয়েই বিকেলে তৈরি করতে পারবেন মজাদার কাটলেট। আসুন তাহলে জেনে নেই রেসিপিটি।


উপকরণ:


পাউরুটি ৬-৭ টুকরা

আলু সেদ্ধ ২টা মাঝারি আকারের

পেঁয়াজ কুচি অল্প পরিমাণে

ক্যাপসিকাম কুচি (অর্ধেক)

বেবি কর্ন ২ টেবিল চামচ

কাঁচা মরিচ কুচি ২টা

আদা বাটা ১ চা চামচ

হলুদ+মরিচ গুঁড়া পরিমাণ মতো

লবণ পরিমাণ মতো

গরম মশলা আধা-চামচ

কর্ন ফ্লাওয়ার ১ টেবিল চামচ

গোল মরিচ অল্প পরিমাণে

ধনিয়া পাতা কুচি পরিমাণ মতো

লেবুর রস ১ টেবিল চামচ

প্রণালী:


প্রথমে পাউরুটির চারপাশ কেটে ফেলে দিয়ে নরম অংশ নিন। এরপর পাউরুটি ছোট ছোট টুকরা করে কেটে নিন। এবার পাউরুটির সঙ্গে পছন্দসই সবজি, কর্ন ফ্লাওয়ার, লেবুর রস এবং ধনেপাতা কুচি মিশিয়ে নিন। এরপর হাতের তালুতে করে প্রথমে গোল গোল পরে চেপ্টা বা পছন্দ মতো সেপ করে নিন।

এরপর বাকি মশলা মিশিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করে নিন। এবার চেপ্টা করা রুটিগুলো মশলাতে ডুবিয়ে কড়াইয়ে গরম তেলে লালচে করে ভাজুন। চাইলে বিভিন্ন আকারে কাটলেট তৈরি করতে পারেন। এগুলো বাচ্চারা বেশি পছন্দ করবে। বিকেলের নাস্তায় আপনি চাইলেই খুব সহজে তৈরি করে পরিবেশন করতে পারেন এই খাবারটি।

আপনি কাটলেটটি ক্রিস্পি করতে চাইলে ব্রেডক্রামে ডুবিয়ে ভাজতে পারেন। এক্ষেত্রে আবশ্যই গরম গরম খেতে হবে। ঠান্ডা হলে ক্রিস্পিনেস নষ্ট হয়ে যাবে।

আপনি আপনার পছন্দ মতো যে কোনো সস বা বাড়িতে তৈরি চাটনি দিয়ে খেতে পারেন ব্রেড কাটলেন।

ফোরজি দরপত্র আহবান করতে পারেনি টেলিটক! 

দেশে ফোরজি চালুর এক মাস পূর্ণ হয়েছে সোমবার। অন্য তিন মোবাইল অপারেটর নতুন প্রজন্মের এ সেবা নিয়ে যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন লাইসেন্স পাওয়ার এত দিন পরও দরপত্র আহবান করতে পারেনি রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর টেলিটক।


এ নিয়ে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নিচের পর্যায়ের কর্মকর্তারা বিচলিত হলেও শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে তেমন তৎপরতা নেই বললেই চলে। এটি নিয়ে কথা বলতে চান না খোদ ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী গোলাম কুদ্দুস।

তবে রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটরটির প্রকল্প বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, তাদের আশা ছিল লাইসেন্স পাওয়ার পর এ বিষয়ে তারা পদক্ষেপ নেবেন; কিন্তু যেন কিছুই হয়নি এমন দুলকি চালে চলছে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। ওই কর্মকর্তা বলেন, অনেক দিন থেকে তারা এ বিষয়ে প্রস্তুতির কথা বলেও বারবার তাদেরকে লাইসেন্স পাওয়ার পর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে জানানো হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি নেই বললেই চলে।



এ ধাক্কায় টেলিটক অনেকটা পিছিয়ে যাবে বলেও আশংকা অনেক কর্মকর্তা। এর আগে রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির সুবিধায় অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে বরং ১৩ মাস আগেই ২০১২ সালের আগস্টে থ্রিজি সেবা চালু করেছিল টেলিটক। তখন এর সুবিধাও পায় তারা। এবার যেন পরিস্থিতি ঠিক উল্টো। আগ্রহেও অনেক ঘাটতি বলে মনে করেন কর্মকর্তাদের অনেকেই।

কিছুদিন আগে নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য সরকারের কাছে ৭০০ কোটি টাকা চেয়েছিল দেশীয় কোম্পানিটি। টাকা বরাদ্দ হলেও ছাড় করেনি অর্থ মন্ত্রনালয়।পরে নিজেদের অর্থে অন্তত হাজারখানেক সাইট তৈরি করতে চাইলেও তা হয়নি। পরিচালনা পর্ষদ আন্তর্জাতিক দরপত্র আহবান করতে নির্দেশ দেয়। এর অর্থ অপারেটরটকে আরও বেশ কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হবে।

এবার ‘‌সুলতান’‌কে পিছনে ফেলল ‘‌পদ্মাবত’ 

সিনেমাটির মুক্তি নিয়ে‌ কম পানি ঘোলা হয়নি। দীর্ঘ কয়েক মাসের লড়াই, সেন্সর বোর্ডে কাটছাঁট, নাম পরিবর্তন করে অবশেষে মুক্তি পেয়েছিল সঞ্জয় লীলা বানশালীর ‘‌পদ্মাবত’। এ সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশ করেছে ভারতের আজকাল পত্রিকা।


কিন্তু, ২৬ জানুয়ারি মুক্তির পর থেকেই একের পর এক রেকর্ড গড়ে চলেছে দীপিকা পাডুকোন–শহিদ কাপুর–রনবীর সিং অভিনীত সিনেমাটি। পিছিয়ে পড়ছে তাবড় তাবড় সিনেমাও।

এবার সেই তালিকায় নাম লেখাল সালমান খান অভিনীত ‘‌সুলতান’ও। মুক্তির ৫২ দিনের মধ্যে ৩০১ কোটি টাকা রোজগার করে ফেলেছে সিনেমাটি। যা কিনা ‘‌সুলতান’‌ এর তুলনায় বেশি। সালমানের সিনেমা মোট আয় করেছিল ৩০০.‌৪৫ কোটি টাকা।

এর ফলে ‘‌বাহুবলী ২’, ‘‌দঙ্গল’, ‘সিক্রেট সুপারস্টার‌’, ‘পিকে‌’ এবং ‘বজরঙ্গি ভাইজান‌’–এর পর ভারতের সবচেয়ে বেশি অর্থ উপার্জনকারী সিনেমা হল ‘পদ্মাবত‌’।

 

যার নেই গুণ, তাকেই বলা হয়ে থাকে বেগুন। কথাটা পুরোপুরি ঠিক নয়। বরং বেগুন যাদের রক্তে কোলেস্টেরল বেশি, তারা কোনো রকম দুশ্চিন্তা ছাড়াই খেতে পারেন।


পাকস্থলী, কোলন, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্তের (এগুলো পেটের ভেতরের অঙ্গ) ক্যানসারকে প্রতিরোধ করে বেগুন। যে কোনো ক্ষতস্থান শুকাতে সাহায্য করে এটি। বেগুনে আয়রনও রয়েছে, যা রক্ত বাড়াতে সাহায্য করে।

এতে চিনির পরিমাণ খুবই সামান্য। তাই ডায়াবেটিসের রোগী, হৃদরোগী ও অধিক ওজন সম্পন্ন ব্যক্তিরা নিঃসংকোচে খেতে পারেন বেগুন।

বেগুনে রয়েছে রিব্লোফ্ল্যাভিন নামক উপাদান। এই উপাদান জ্বর হওয়ার পরে মুখ ও ঠোঁটের কোণের ঘা, জিহ্বার ঘা প্রতিরোধ করে। দূর করে জ্বর জ্বর ভাব।

এছাড়া সারা বছর বেগুন পাওয়া যায়। আর এই বেগুন দিয়ে রান্না করা যায় নানা রকমের মজার খাবার। বেগুন ভাজি, বেগুন ভর্তা, বেগুন দোলমা কতো রকমের রান্নাই না করলেন বেগুন দিয়ে।

তবে আচারি বেগুন কি কখনো রান্না করেছেন? ঘরে থাকা মশলা দিয়ে তৈরি করা যায় বেগুনের এই ভিন্ন স্বাদের খাবারটি।

মশলার জন্য উপকরণ:

জিরা ১ চা চামচ
কালোজিরা ১/২ চা চামচ
মৌরি ১/২ চা চামচ
সরিষা ১/২ চা চামচ

গ্রেভির জন্য উপকরণ:

ছোট বেগুন ৮-১০টি
টমেটো সিদ্ধ ২টি
লাল মরিচ ২-৩টি
মৌরি ১/২ চা চামচ
সরিষা ১/২ চা চামচ
আদা রসুন পেস্ট ১ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়ো ১/২ চা চামচ
মরিচ গুঁড়ো ১ চা চামচ লাল
ধনিয়া গুঁড়ো ২ চা চামচ
তেল ৫ টেবিল চামচ
লবণ স্বাদ মতো
পানি পরিমাণ মতো

প্রণালী:

> প্রথমে টমেটো সিদ্ধ করে নিন।
> এবার আরেকটি প্যান মাঝারি আঁচে চুলায় দিন। প্যান গরম হয়ে আসলে মৌরি, কালোজিরা, জিরা, সরিষা দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন। সুন্দর গন্ধ বের হলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। ভাজা মশলাগুলো গুঁড়ো করে নিন।
> এবার একটি প্যানে অল্প তেল দিয়ে বেগুনগুলো দিয়ে দিন। বেগুনগুলো আস্ত রেখে মাঝখান দিয়ে চার ভাগ করে নিন। খেয়াল রাখবেন বেগুন যেন ডাটার সাথে যুক্ত থাকে আর মাঝের অংশ ভেঙে না যায়। বেগুনের ওপর অল্প তেল ছিটিয়ে দিন, যাতে করে বেগুনগুলোর দু’পাশ ভাজা হয়।
> এখন আরেকটি প্যানে তেল দিয়ে লাল শুকনা মরিচ ভাজুন। মরিচ ভাজা হয়ে গেলে এতে মৌরি, কালোজিরা, সরিয়া, আদা রসুনের পেস্ট দিয়ে নাড়ুন।
> তারপর এতে ভাজা গুঁড়ো মশলা, হলুদ গুঁড়ো, সিদ্ধ টমেটো কুচি, লবণ দিয়ে রান্না করুন।
> মশলা থেকে তেল উপরে উঠে আসলে এতে হলুদ গুঁড়ো, ধনিয়া গুঁড়ো দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন। তারপর এতে টমেটো দিয়ে আরও কিছুক্ষণ নাড়ুন। ঢাকনা দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন।
> ৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে আরও ১০ মিনিট রান্না করুন। ১০ মিনিট নামিয়ে ফেলুন মজাদার আচারি বেগুন।

টিপস:

টমেটো সিদ্ধের সময় এটির পানিতে বরফ কুচি দিয়ে দিবেন। এতে টমেটোর খোসা খুব সহজে ছাড়ানো যাবে।

আর আপনি যদি মশলা তৈরি করার ঝামেলায় যেতে না চান, তাহলে ঘরে থাকা যেকোনো আম বা জলপাইয়ের (টক) আচার মসলা কষানো হলে টমেটো দেয়ার আগে দিয়ে দিন। তারপর যখন পানি দিবেন তখন বাকি কাজ একই নিয়মে করতে পারেন। নামানোর আগে শুধু মৌরি গুঁড়া ছিটিয়ে দিবেন সুন্দর ঘ্রাণ ছড়াবে।

 

বর্তমানে রুপচর্চা বা ত্বকের যত্নে নাইট ক্রিম ব্যবহারে খুব জোর দেওয়া হচ্ছে। আর এটা ত্বকের যত্নে উপকারীও বটে। তবে সমস্যা হচ্ছে অনেকেই কোন নাইট ক্রিম ব্যবহার করবেন তা বুঝে উঠতে পারেন না। ভুলভাল নাইট ক্রিম ব্যবহার করে ত্বকের আরো ক্ষতি করে থাকেন। তার থেকে ভালো হয় আপনি যদি হোম মেইড নাইট ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। এটা ত্বকের কোনো ক্ষতি করে না। বাজারের কেনা ক্রিম থেকে অনেক বেশি উপকারী।


আসুন দেখে নেওয়া যাক বাসায় থাকা খুব সাধারণ কিছু উপকরণ দিয়ে স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য কিভাবে চমৎকার একটা নাইট ক্রিম বানিয়ে ফেলা যায়! ত্বক ভালো থাকার পাশাপাশি এই ক্রিম আপনার খরচও কমিয়ে দেবে, আর আপেল ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অ্যান্টি-এইজিং ক্রিমেরও কাজ করবে।

উপাদান:


আপেল একটা তাজা।

অলিভ ওয়েল আধা কাপ।

গোলাপ জল আধা কাপ।

গোলাপজল ঘরে বানানো হলে বেশি ভালো হয়।

প্রণালি:


প্রথমে আপেলটাকে ধুয়ে কুঁচি করে কাটুন। খোসা রাখুন কিন্তু বীজ এবং মাঝের অংশ ফেলে দিন। এরপর গোলাপ জল ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে ব্লেন্ডারে দিয়ে মিহি করে নিন যাতে ঘন একটা পেস্টের মতো হয়। খুবই মসৃণ ঘন পেস্ট।

একটা পাত্রে পানি গরম করুন। পানি ফুটে উঠলে পানির ওপরে আরেকটি পাত্রে এই মিশ্রণটি রেখে গরম করুন। অনেকটা চকলেট যেভাবে গলান, সেভাবে। মিশ্রণটি ভালো মতন গরম হবে, তবে খেয়াল রাখবেন একেবারে উত্তপ্ত যেন হয়ে না ওঠে। মিশ্রণটা বেশ ঘন হয়ে আসবে।

মিশ্রণটিকে ভালোভাবে নেড়ে ঠান্ডা করুন। তারপর কাঁচের কৌটায় ভরে ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করুন।

 

ছোট্ট শিশু তামারা প্রিয়ন্ময়ী। বাবা প্রিয়ক ও মা আলিমুন্নাহার অ্যানির সঙ্গে বেড়াতে যাচ্ছিল নেপালে। বাবার সঙ্গে আকাশে উড়ে আর ফেরেনি শিশুটি। উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে বাবার সঙ্গে শিশুটিও মারা যায়। নেপালের ত্রিভুবন এয়ারপোর্টে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের যে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়, তাতে অবশ্য অলৌকিভাবে প্রাণে বেঁচে যায় শিশুটির মা অ্যানি।


নেপালের ওই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় হতাহতদের সহযোগিতায় এগিয়ে যান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ছয় চিকিৎসক। সেখানে গিয়ে তারা আহতদের চিকিৎসা ও নিহতদের মরদেহ শনাক্তে ব্যস্ত সময় পার করেন।

দুর্ঘটনায় নিহত ২৩ বাংলাদেশির লাশ শনাক্ত করার পর যখন কফিনে করে দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয় তখন সামনেই ছিলেন বাংলাদেশ থেকে যাওয়া চিকিৎসকরা।

ছোট্ট তামারার দেহাবশেষ চোখের সামনে দেখার পর তাদের কেউই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। অঝোরে কেঁদেছেন কেউ কেউ।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক হাসান ইমাম  বলেন, নেপালে যাওয়ার পর এত মরদেহ দেখেছি আমরা। অথচ ছোট্ট ওই শিশুটির লাশ যখন সামনে আনা হয় আমরা কেউই নিজেদের আবেগ সংবরণ করতে পারিনি। সবার চোখের কোণ ভিজে উঠেছিল কান্নায়। কেউ অঝোরে, কেউ কেঁদেছেন নীরবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন  বলেন, ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনায় অ্যানির স্বামী ও মেয়ে মারা যাওয়ার পর অ্যানিকে তা জানানো হয় নি। চিকিৎসার জন্য অ্যানি, তার দেবর মেহেদী ও মেহেদীর স্ত্রী স্বর্ণাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।

আজ প্রিয়ক ও অ্যানির পরিবার আমাদের ফোন করে জানায়, প্রিয়ক-তামারার লাশ আনা হচ্ছে। তাই তারা অ্যানিকে গাজীপুরের শ্রীপুরে তাদের বাড়িতে নিয়ে যেতে চায়। সেখানে তারা অ্যানিকে সব জানাবে। তখন আমরা পরিবারের স্বাক্ষর রেখে অ্যানিকে ছাড়পত্র দিয়ে গাজীপুরে পাঠাই।

অন্যদিকে মেহেদীকে তার ভাইয়ের জানাজা পড়ার জন্য আর্মি স্টেডিয়ামে যেতে দেয়া হয়েছে।

ডা. সামন্ত আরো জানান, অ্যানির ফেরার কথা রয়েছে। তবে সে ফের চিকিৎসার জন্য ফিরবে কিনা সেটা তার ও তার পরিবারের উপরই নির্ভর করছে। তবে অ্যানির শারিরীক অবস্থা ও চিকিৎসা সম্পর্কে যাবতীয় নির্দেশনা সেখানকার চিকিৎসকদের অবহিত করা হয়েছে। আর মেহেদীর রাতেই হাসপাতালে ফেরার কথা রয়েছে।

উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় আহত তিন বাংলাদেশি মেহেদী হাসান, সৈয়দা কামরুন্নাহার স্বর্ণা ও আলিমুন্নাহার অ্যানিকে গত ১৬ই মার্চ শুক্রবার বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি০৭২ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়।

পরে সেখান থেকে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে।

বিকেলেই তাদেরকে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটের ক্যাবিন ব্লকে নেওয়া হয়। আহতরা সবাই একই পরিবারের।

উল্লেখ্য, ঢাকা থেকে ৭১ আরোহী নিয়ে গত ১২ মার্চ দুপুরে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে নামার সময় ইউএস-বাংলার ফ্লাইট বিএস-২১১ রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে এবং আগুন ধরে যায়।

এতে বিমানের ৫১ আরোহী নিহত হন। উড়োজাহাজে চার ক্রুসহ ৩৬ বাংলাদেশি ছিলেন। এদের ২৬ জনই নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১০ জন।

ট্রাম্পের প্রচার শিবিরের বিরুদ্ধে ফেসবুক গ্রাহকদের তথ্য অপব্যবহারের অভিযোগ 

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও সামরিক তথ্য বিশ্লেষণী সংস্থা ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার বিরুদ্ধে ৫০ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য অবৈধভাবে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ সংস্থাটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারকাজে যুক্ত ছিল। ট্রাম্পের জয়ের পেছনে এর বড় ভূমিকা ছিল বলে অনেক বিশ্লেষকই মনে করেন। শুধু তাই নয়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার পেছনে যে গণভোট (ব্রেক্সিট) হয়েছিল, তার পেছনেও সংস্থাটির ভূমিকা ছিল।


প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসে শনিবার এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর থেকে বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল ইতোমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন। অন্যদিকে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ এনে ফেসবুক তাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা ও স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন অ্যালায়েন্স (এসসিএল) নামের দুটি প্রতিষ্ঠানকে নিষিদ্ধ করেছে।

এ ঘটনায় নিজেদের দায় অস্বীকার করেছে ফেসবুক ও ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা। শেষের প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন ট্রাম্পের সাবেক মুখ্য নীতিনির্ধারক ও ঘনিষ্ঠ সহযোগী স্টিভ ব্যানন।

যেভাবে গ্রাহকের তথ্য চুরি

প্রতিষ্ঠানটির নাম ‘ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা’ হলেও বিশ্বখ্যাত ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। বিশাল আকারের এই তথ্যচুরির মূলে রয়েছেন ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আলেকসান্দার কোগান। তিনি ২০১৫ সালে ‘দিস ইজ ইউর ডিজিটাল লাইফ’ নামের একটি অ্যাপ তৈরি করেন, যেটিতে ক্লিক করে ব্যবহারকারী তার ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে জানতে পারেন।

ফেসবুক দিয়ে অ্যাপটিতে লগইন করতে হতো। ব্যবহারকারীর অবস্থান, সে কোন ধরনের পোস্টে লাইক দিচ্ছে, সেসব তথ্যের অ্যাকসেস দিয়েই অ্যাপটিতে লগইন করতে হতো।

কোগানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, মনোবিজ্ঞানের গবেষণার কাজে এসব তথ্য ব্যবহার করার কথা বললেও তিনি মার্কিন ভোটারদের মানসিকতা বোঝার কাজে অ্যাপটিকে কাজে লাগিয়েছেন। পরে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করতেন তিনি। ফেসবুকের সঙ্গে চুক্তি অনুসারে এ ধরণের অ্যাপের মাধ্যমে গ্রাহকের যেসব ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হয়, সেগুলো সঙ্গে সঙ্গেই ডিলিট করে দিতে হয়। কিন্তু অধ্যাপক কোগান সেসব ডিলিট না করে মার্কিন নির্বাচনের আগে তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করে দেন। তার কাছ থেকে গ্রাহকদের এসব ব্যক্তিগত তথ্য কিনে নেয় ক্যমব্রিজ অ্যানালিটিকা, স্ট্র্যাটিজিক কমিউনিটকেশন অাল্যায়েন্স ও ইউনিয়া টেকনোলজিসের একজন কর্মী।

ফেসবুকের উপ-আইনি পরামর্শক পল গ্রিওয়াল ১৭ মার্চ শনিবার এক ব্লগপোস্টে বলেন, ‘যদিও সে সময় এ ধরনের অ্যাপ নির্মাতাদের জন্য ফেসবুকের যেসব নিয়ম-নীতি ছিল, অধ্যাপক কোগান সেসব নিয়ম-নীতি মেনেই গ্রাহকদের ওই সব তথ্যের প্রবেশাধিকার পেয়েছিল। কিন্তু তারপরও তিনি যথাযথভাবে সব নিয়ম মানেননি।’

গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য সাথে সাথে মুছে ফেলতে এই ধরনের অ্যাপ নির্মাতাদের প্রতি ফেসবুকের নির্দেশনা ছিল। কিন্তু গ্রিওয়াল বলেন, ‘কিছুদিন আগেই আমরা জানতে পারি কেউ কেউ আমাদের এ নির্দেশনা মানেননি এবং গ্রাহকের ব্যক্তিগত সব তথ্য পুরোপুরি ডিলিট করে দেননি।

‘আমরা (ফেসবুক) খুব জোরালোভাবে এ ধরনের অভিযোগগুলো যাছাই-বাছাই করে দেখছি। অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হলে সেটি হবে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং আমাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা।’

তবে ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা তাদের ওপর আসা অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, ফেসবুকের নিয়ম লঙ্ঘন করে গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এমন তথ্য জানার পর তারা গ্রাহকের সব ব্যক্তিগত তথ্য সম্পূর্ণ মুছে দিয়েছে। ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অধ্যাপক কোগানের কাছ থেকে পাওয়া কোনো তথ্য ব্যবহার করা হয়নি।

যুক্তরাজ্যে অবস্থিত ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অধ্যাপক কোগান গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো সুযোগ ব্যবহার করেছেন, এমন প্রমাণ নেই।

বিশ্ববিদ্যালয়টির একজন মুখপাত্র গণমাধ্যমকে বলেন, অধ্যাপকরা তাদের পেশাগত কাজের বাইরে নিজস্ব ব্যবসা করতে পারেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বাধা নেই।

বিষয়টি নিয়ে বিবিসি, নিউ ইয়র্ক টাইমসসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম অধ্যাপক কোগানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সফল হয়নি।

 

উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশের কর্মব্যস্ত মানুষেরাও ঘরে বসে পণ্য পাওয়ার সুবিধাকে স্বাগত জানিয়েছে। অনলাইনে শপিংয়ের সুবিধা আর্বিভূত হয়েছে এক ধরনের আশির্বাদ হিসেবে। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের জনপ্রিয় পোশাকের ব্র্যান্ড গ্রামীণ ইউনিক্লো চালু করতে যাচ্ছে তাদের অনলাইন সেবা। ৯ মার্চ থেকে গ্রামীণ ইউনিক্লোর পোশাক তাদের ওয়েবসাইট কিংবা ফেসবুক পেইজ থেকেই কেনা যাবে। 


বাংলাদেশের যে কোনও স্থানে ৭৫ টাকায় ডেলিভারি দেওয়া হবে। তবে উদ্বোধন উপলক্ষে প্রথম সাত দিন ফ্রি ডেলিভারি  দেওয়া হবে। দিনে রাতে  ২৪ ঘন্টায় যে কোন সময় ক্রেতারা অর্ডার করা যাবে। ফেসবুক থেকেও অর্ডার দেওয়া যাবে।

অনলাইন শপের উদ্বোধন উপলক্ষে সপ্তাহ জুড়ে  বিভিন্ন পোশাকে দেওয়া হচ্ছে ছাড়। গ্রামীণ ইউনিক্লোয়ের অনলাইন শপের এর উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও গায়ক তাহসান খান । এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণ ইউনিক্লোয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব নাজমুল হকসহ প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তারা।

অনলাইন শপের উদ্বোধন করে তাহসান খান বলেন, গ্রামীণ ইউনিক্লো বাংলাদেশে  দ্রুতগতিতে সামাজিক  ব্যবসায় সম্প্রসারণ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে পোশাক সরবারহের লক্ষ্যে এই অনলাইন শপের যাত্রা শুরু হচ্ছে। যা গ্রামীণ ইউনিক্লোর পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে দেশের প্রতিটি মানুষের কাছ পৌছে যাবে যা জীবন মানের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

গ্রামীণ ইউনিক্লোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব নাজমুল হক বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানের ক্রেতাদের কাছে থেকে আমরা প্রতিদিনই পণ্যের চাহিদা পেয়ে থাকি। আমরা আনন্দিত যে আমরা এখন থেকে বাংলাদেশের যে কোনও স্থানে পোশাক সরবারহ করতে পারবে।

সোনার দাম ভরিতে ১২৮৩ টাকা কমছে সোমবার 

আন্তর্জাতিক বাজারে দর কমায় দেশের বাজারে কাল সোমবার থেকে সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ২৮৩ টাকা পর‌্যন্ত কমছে।


আজ রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কাল সোমবার থেকে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনা ৫০ হাজার ৯৭২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৮ হাজার ৬৯৭ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হবে ৪৩ হাজার ৬২৩ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৪১৯ টাকা।

প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনায় ১ হাজার ২৮৩ টাকা, ২১ ক্যারেটে ১ হাজার ২২৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ১ হাজার ৫০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরিতে ৯৯১ টাকা দাম কমবে।

তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত থাকবে। দেশের বাজারে প্রতি ভরি রুপা ১ হাজার ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দাম পুনর্নির্ধারণের আগে আজ আজ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনা ৫২ হাজার ২৫৫ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৯ হাজার ৯২২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪৪ হাজার ৬৭৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ২৭ হাজার ৪১০ টাকায় বিক্রি হয়।


    প্রিয়জনদের জন্য সকালে বা বিকেলের নাস্তা কিংবা অতিথি আপ্যায়নে বাড়িতে মুরগির বিভিন্ন আইটেম রান্না করে থাকেন। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পদ এখন ঘরেই রান্না করতে পারেন। ট্রাই করেই দেখুন আফগানি স্মোকি চিকেন বানানো। রেসিপিটি দেখে নেওয়া যাক-


উপকরণ:
 

মুরগির রান নলাসহ- ৫ টুকরো(১ কেজি)

টক দই- আধা কাপ

আদা বাটা- ১ টেবিল চামচ

রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ

গরম মসলা গুঁড়া- আধা চা চামচ

চাট মসলা- ১ টেবিল চামচ

শুকনা মেথি পাতা- ১ টেবিল চামচ (হালকা টেলে নিলে ভালো হয়)

লবণ স্বাদমতো

লেবুর রস- ২ টেবিল চামচ

লাল মরিচের গুড়া- ১ চা চামচ

পানি- আধা কাপ

কয়লা- ১ টুকরা

তেল- ৩ টেবিল চামচ

যেভাবে রান্না করবেন:


প্রথমে একটি বাটির মধ্যে টক দই, আদা বাটা, রসুন বাটা, গরম মসলা গুড়া, চাট মসলা, শুকনা মেথি পাতা, লবণ, লেবুর রস, লাল মরিচের গুড়া নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এর মধ্যে কেচে নেওয়া মুরগির রান দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখবেন।

এরপর এক টুকরা কয়লা ভালো করে জ্বালিয়ে মেরিনেড করা মাংসের উপর একটি বাটি দিয়ে এর মধ্যে কয়লার টুকরাটি রেখে এর উপর ১ টেবিল চামচ তেল দিয়ে মাংসের বাটিটি এক ঘণ্টার জন্যে ঢেকে রাখবেন।

১ ঘণ্টা পর কয়লার টুকরাটি ফেলে দিয়ে আবার ভালো করে মাখিয়ে নিন।

এরপর একটি বড় ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে এর মধ্যে মুরগির পিসগুলো দিয়ে মিডিয়াম আঁচে ৫ মিনিট ফ্রাই করে উলটে দেবেন।

এরপর বাটিতে যা মসলা থাকবে মাংসের উপর ঢেলে দিয়ে আরো ৫ মিনিট ফ্রাই করবেন মিডিয়াম আঁচে।

এরপর পানি দিয়ে ১০ মিনিটের জন্য ছোট আঁচে ঢেকে রাখবেন।

১০ মিনিট পর মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে আঁচ বড় করে দিয়ে পানি হাল্কা শুকিয়ে নামিয়ে ফেলুন।

কলকাতায় শাকিবের সেটে অপু

    সম্প্রতি ভেঙে গেছে ঢালিউড জুটি শাকিব খান-অপু বিশ্বাসের সংসার। বছরখানেক আগে শেষবার প্রকাশ্যে একসঙ্গে দেখা যায় তাদের। সম্প্রতি আবারো মুখোমুখি হলেন। দুইজনেই কলকাতায় অবস্থান করছেন। সেখানে শাকিব খানের শুটিং স্পটে যান অপু বিশ্বাস। সাথে ছিল ছেলে আব্রাম খান জয়। অবশ্য তাদের মাঝে কথা হয়েছে কি-না জানা যায়নি।


রোববার ভারতীয় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসকে মুভিজের ফেসবুক পেজে একটি ছবি প্রকাশ হয়। তাতে দেখা যায় ‘ভাইজান এলো রে’ সিনেমার নায়িকা শ্রাবন্তী চ্যাটার্জির কোলে জয়। তার পাশেই দাঁড়িয়ে শাকিব খান। আর সেই ছবি ভাইরাল হতে সময় লাগেনি।

প্রশ্ন ওঠে ওই সময় অপু কোথায় ছিলেন? পরে নিজের ফেসবুক পেজে শ্রাবন্তী ও জয়ের সঙ্গে তোলা ছবি শেয়ার করে উপস্থিতি জানান দেন তিনি।

এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে শাকিব জানান, রোববার সকালে ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ করে ‘ভাইজান এলো রে’র সেটে হাজির হন অপু। ছেলেকে দেখে তিনি দারুণ চমকে যান।

জয়কে দেখে ‘ভাইজান এলো রে’ ইউনিটে হৈচৈ পড়ে যায়। শুধু শ্রাবন্তী নয়, সিনেমার পরিচালক জয়দীপ মুখার্জিসহ অনেকে তার সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেন।

ঢাকা ত্যাগের আগে অপু জানান, অবসর কাটাতেই কলকাতা যাচ্ছেন। ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি রুটিন চেকআপের জন্য চিকিৎসকের কাছেও যাবেন।

এদিকে, ‘ভাইজান এলো রে’র শুটিং শেষে ২০ মার্চ দেশে ফিরবেন শাকিব।

এবার যৌন হয়রানির অভিজ্ঞতা জানালেন লোপেজ 

হলিউডের অনেক অভিনেত্রীর মতো ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে জেনিফার লোপেজও যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিলেন। কিন্তু ওই অযৌক্তিক চাহিদা মেনে নেননি তিনি।


তার দাবি, একজন পরিচালক তাকে অপ্রয়োজনে শরীর দেখাতে বলেছিলেন। এ কারণে অস্বস্তিকর লাগছিল তার। সম্প্রতি হারপার’স বাজার ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন তথ্য জানান তিনি। তবে পরিচালকের নাম উল্লেখ করেননি ৪৮ বছর বয়সী এই তারকা।

সাক্ষাৎকারে মার্কিন অভিনেত্রী-গায়িকা লোপেজ বলেন, ‘হলিউডের অন্য নারীদের মতো একইরকম নির্যাতনের শিকার হইনি। কিন্তু একজন পরিচালক আমাকে শার্ট খুলে দেখাতে বলেছিলেন। আমি কি তার কথা মেনে নিয়েছিলাম? না, আমি মেনে নিইনি। যখন না বলে দিলাম, নিজেকে আতঙ্কিত লাগছিল। মনে পড়ছে, আমার বুক কাঁপছিল খুব। ভাবছিলাম, এ কী করেছি আমি? এই মানুষটাই তো আমাকে কাজের সুযোগ দিয়েছেন!’

ওই ছবি ছিল লোপেজের শুরুর দিককার। হারপার’স বাজার ম্যাগাজিনে তার এই সাক্ষাৎকারের পুরো অংশ প্রকাশ হবে আগামী ২৭ মার্চ।

প্রযোজক হার্ভি ওয়াইনস্টিনসহ হলিউডের বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ‘মি টু হ্যাশট্যাগ’ আন্দোলন। এর অংশ হিসেবে অনেকে হয়রানি ও নির্যাতনের অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন। এবার যৌন হয়রানি নিয়ে মুখ খুলেছেন লোপেজ।

সত্তর দশকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ব্রনক্স শহরে বেড়ে ওঠাই তাকে অন্যায়কে প্রত্যাখ্যান করতে শিখিয়েছে বলে মনে করেন জেনিফার লোপেজ। নৃত্যশিল্পী ও গায়িকা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন তিনি। পরে নাম লেখান চলচ্চিত্রে।

জেনিফার লোপেজ এখন এনবিসি নেটওয়ার্কের ক্রাইম ড্রামা সিরিজ ‘শেডস অব ব্লু’র কাজ করছেন। এতে তাকে দেখা যাচ্ছে পুলিশ কর্মকর্তার ভূমিকায়। তার হাতে এখন আরও আছে ‘সেকেন্ড অ্যাক্ট’ নামের একটি ছবি।

 

আন্ডারআর্ম বা বগলের নিচে কালো দাগ দূর করার সমস্যা নারী-পুরুষ সকলেরই কমবেশি হয়। কারণ, গ্রীষ্মপ্রধান দেশগুলোতে শরীরে ঘাম হয় প্রচুর। এই ঘর্মাক্ত দেহে এক পোশাকে অনেককেই থাকতে হয় দীর্ঘসময়। ফলে ঘাম ও কাপড়ের ঘর্ষণ মিলে তৈরি করে আন্ডারআর্মে বাজে কালো দাগ। এছাড়াও বেশি ওজনের কারণেও ত্বকের সাথে ত্বকের ঘর্ষণে বগলে হতে পারে কালো দাগ। অনেক ডিওডোরেন্ট ব্যবহারেও একই ক্ষতি হয়।


ত্বকের ওপরে সৃষ্ট যে কোন কালো দাগই জেদী এবং সহজে পরিষ্কার করা যায় না। আন্ডারআর্ম খুব স্পর্শকাতর স্থান, এখানে ফেয়ারনেস ক্রিম বা অন্য কোন প্রসাধনীও ব্যবহার করা যায় না। আজ থাকছে আন্ডারআর্মের এই জেদী কালো দাগ দূর করার দারুণ সহজ একটি টিপস। ব্লিচ করতে হবে না, কোন প্রসাধনীও ব্যবহার করতে হবে না। খুব সহজ একটি কাজ রোজ করলে মাত্র ৭ দিনেই চলে যাবে বগলের কালো দাগ।

যা লাগবে

আলুর রস ১ টেবিল চামচ
শসার রস ১ চা চামচ
খাঁটি গোলাপ জল ১ চা টেবিল চামচ
ভিটামিন ১ ক্যাপসুল ১ টি
লেবুর রস ১ চা চামচ

সবগুলো জুসই ব্যবহারের ঠিক আগে তৈরি করে নেবেন। আলুর রস ও লেবু প্রাকৃতিক ব্লিচিং এজেন্ট। শসা ও গোলাপ জল উপকারী ত্বককে আরাম দিতে ও কালো ছোপ কম করতে। ভিটামিন ই যে কোন কালো দাগেই চমৎকার কাজ করে।

যেভাবে ব্যবহার করবেন

-সব উপাদান একসাথে মিশিয়ে নিন।
-বগলের ঘাম ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে মুছে নিন।
-তুলোর সাথে এই মিশ্রণ বগলে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে আবারও লাগান। এভাবে অন্তত ৩/৪ বার লাগান।
-এভাবে রাখুন ১৫/ ২০ মিনিট। তারপর গোসল সেরে নিন। গোসলের সময়ে বডি স্ক্রাবার দিয়ে বগলে মরা কোষ জমে থাকলে পরিষ্কার করে নিতে পারেন।
-এই মিশ্রণ হাঁটু এবং কনুইয়ের কালো দাগ দূর করতেও দারুণ কার্যকর।

এছাড়াও মনে রাখুন

-আন্ডারআর্ম নিয়মিত পরিষ্কার রাখবেন।
-সপ্তাহে একদিন গোলাপ পাতা বেটে পেস্ট তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন আন্ডারআর্মে।
-ক্ষতিকর ডিওডোরেন্ট ব্যবহার বন্ধ রাখুন, প্রাকৃতিক উপায় বেছে নিন।
-গরমের দিকে ঘামে ভেজা পোশাক দীর্ঘসময় পরে থাকবেন না।

 তারা প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও একই সুতোয় গাঁথা!

 নির্বাচনের আসরে তারা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। কেউ নিজেদের দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, আবার কেউ স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন। নির্বাচনের মাঠে একে অপরের খুত ধরার চেষ্টা চালালেও দিন শেষে তারা বন্ধু এবং একই সুতোয় গাঁথা।


কথা হচ্ছিল বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের নিয়ে। সম্প্রতি বেসিস নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের অধিকাংশকেই দেখা গেছে এক ছাদের নিচে। তারা মেতেছিলেন নিজেদের মধ্যে গল্প-আড্ডায়। নির্বাচনের আগে ব্যস্ত সময়ে তারা এক হয়েছিলেন তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের (বিআইজেএফ) চড়ুইভাতিতে।

সেখানে আসা বেসিস নির্বাচনে দাঁড়ানো প্রার্থীরা জানান, তারা নির্বাচনে দাঁড়ালেও কেউ কারো শত্রু নন। মিলিতভাবে কাজ করতে চান তারা। অনেকেই জানিয়েছেন, প্যানেল করতে হয় বলেই তারা করেছেন। এর বেশি কিছু না। তবে সবাই জানান, যে-ই হারুক বা জিতুক, তারা সবাই এক হয়ে বেসিসকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান।

চড়ুইভাতিতে দেখা গেছে  ‘উইন্ড অব চেঞ্জ’ প্যানেলের সদস্য স্টার কম্পিউটার সিস্টেম লিমিটেডের ডিরেক্টর ও সিওও রেজওয়ানা খান, ‘টিম দুর্জয়’ প্যানেলের নেতৃত্বদানকারী ফ্লোরা টেলিকম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা রফিকুল ইসলাম, ‘টিম হরাইজনে’র লিডার ও ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান মেট্রোনেটের সিইও আলমাস কবির, অনলাইন মার্কেটপ্লেস আজকের ডিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফাহিম মাসরুরসহ অন্যদের।

এ বিষয়ে আলমাস কবির বলেন, ‘বিআইজেএফের পিকনিকে আমরা যে সময়টি কাটিয়েছি তা আসলেই অনেক সুন্দর একটি সময়। কার নির্বাচনী প্রচারণার কী অবস্থা। এ ছাড়া আমি সবার কাছেই অনুরোধ করেছি যেন আমাদের মধ্যে ভালো একটি প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি হলেও আমাদের মধ্যে যে ভালো সম্পর্ক রয়েছে তা সব সময়ই থেকে যায়।’

ফাহিম মাসরুর বলেন, ‘এটি এত বড় একটি ইন্ডাস্ট্রি, যেখানে দলীয় কোনো ব্যাপার থাকাই উচিত নয়। নির্বাচনের কারণে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হতেই পারে। কিন্তু এখনো আমরা বন্ধু, নির্বাচন শেষেও আমরা বন্ধু।’

 

দেশে ফোরজি ইন্টারনেট চালু হয়েছে। কিন্তু সবার কাছে এখনও তা না পৌঁছলেও আইএসপিগুলোর ব্রডব্যান্ড (উচ্চগতি) ইন্টারনেট সেবার সুফল পেতে শুরু করেছেন এর ব্যবহারকারীরা। ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো (আইএসপি) এরই মধ্যে গ্রাহকদের ব্যান্ডউইথ প্রায় চারগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে গ্রাহকের খরচ বাড়েনি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আইএসপিগুলো ইন্টারনেট প্যাকেজ রিডিফাইন্ড করেছে। প্যাকেজের স্লট বাড়ানোসহ গ্রাহকবান্ধব আরও অনেক উদ্যোগ নিয়েছে।




সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফোরজির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে টিকে থাকতেই আইএসপিগুলো এই উদ্যোগ নিয়েছে। আর এর ফল ভোগ করতে শুরু করেছেন গ্রাহকরা।  তবে সমালোচকরা এ-ও বলছেন, আইএসপিগুলো চাইলে আরও আগেই গ্রাহকদের এই সুবিধা দিতে পারতো। কাজটি না করে বরং তারা পিছিয়ে পড়েছে। যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির নেতাদের ভাষ্য— প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার স্বার্থেই এটা করা হয়েছে। আগে করলে বরং গ্রাহকই বুঝতে পারতো না ফোরজির সঙ্গে এর পার্থক্য।
জানা গেছে, এরই মধ্যে আম্বার আইটি, কুমিল্লা অনলাইন, লিংক থ্রি, ট্রায়াঙ্গেল, অপটিম্যাক্স সলিউশন্স ইত্যাদি আইএসপিগুলো প্যাকেজ রিডিফাইন্ড করেছে। দাম ঠিক রেখে গতি (ব্যান্ডউইথ) বাড়িয়েছে। হোম ইউজার তৈরি করতে কম দামে প্যাকেজ অফার করছে। এমনকি ১০০ এমবিপিএস গতিরও প্যাকেজ তৈরি করা হয়েছে, যা আগে ছিল না।

প্রসঙ্গত, দেশে থ্রিজি’র গড় গতি ৩ দশমিক ৭৫ এমবিপিএস (মেগাবাইট পার সেকেন্ড)। আর ফোরজি-তে এই গতি হতে পারে ৭-১০ এমবিপিএস। এদিকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গতি ৫, ১০ থেকে শুরু করে ১০০ এমবিপিএস পর্যন্ত (দেশে ৫ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেটকেই ব্রডব্যান্ড বলা হয়ে থাকে)। ফলে ফোরজি তথা মোবাইল ব্রডব্যান্ডের চেয়ে আইএসপির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে গতি গ্রাহকরা বেশি পাবেন। এদিকে ফোরজি চালু হয়েছে বলেই আইএসপিগুলো চারগুণ গতি বাড়িয়ে দিয়েছে। এই গতিকেই ‘ট্রুলি ব্রডব্যান্ড’ হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।
জানা গেছে, মোবাইলফোন অপারেটরগুলো ব্যান্ডইউথ কিনে ‘ডাটা ক্যাপ’ করে বিক্রি করে। আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ কখনও মোবাইলফোন অপারেটরগুলো দিতে পারে না। অন্যদিকে আইএসপিগুলো ব্যান্ডউইথ কিনে ব্যান্ডউইথই বিক্রি করে থাকে। এই কারণে আইএসপি ব্রডব্যান্ডের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি’র হিসাব অনুসারে দেশে বর্তমানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ছিল ৫৩ লাখ ৪৫ হাজার। যদিও সম্প্রতি এই সংখ্যা অনেক বেড়েছে বলে জানা গেছে।

গ্রাহকদের বেশি অফার দেওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আম্বার আইটির প্রধান নির্বাহী আমিনুল হাকিম বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে প্যাকেজ রিডিফাইন্ড করেছি। আমাদের এবারের টার্গেট হোম ইউজার তথা বাসা-বাড়ির ব্যবহারকারী। বাসাবাড়ির জন্য আম্বার আইটি ১০ এমবিপিএস থেকে শুরু করে ১০০ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট প্যাকেজ তৈরি করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আগের দামেই যিনি আড়াই নিতেন তাকে ১০ এমবিপিএস করে দিয়েছি, যিনি ৩ নিতেন তাকে ১২ এমবিপিএস করে দিয়েছি।’

তিনি জানান, বাসাবাড়ির সংযোগে আমরা রিয়েল আইপিও দিচ্ছি। এক প্রশ্নের জবাবে আমিনুল হাকিম বলেন,‘ ব্যবসায় টিকে থাকতে হলে গ্রাহকদের কম দামে ভালো সেবা ও বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট দিতে হবে। এখন আমরা সেসব দিয়ে বাজার ধরার চেষ্টা করবো।’
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, অফিসে ইন্টারনেট দিয়ে দাফতরিক কাজ চললেও বাসাবাড়ির ইন্টারনেট দিয়ে ‘বাফারলেস’ ইউটিউবে বিনোদন অনুষ্ঠান দেখা, খেলাধুলা উপভোগ করা যাচ্ছে। এছাড়া ফ্রিল্যান্সার ও গ্রাফিকস ডিজাইনাররা তাদের কাজ দ্রুত পাঠাতে পারছেন। টেলিমেডিসিন সেবার সঙ্গে জড়িতরা আরও উন্নতমানের সেবা দিতে পারছেন। এগুলোর জন্য বেশি ব্যান্ডউইথ প্রয়োজন হওয়ায় আইএসপি ব্রডব্যান্ডই সেখানে নির্ভরতার জায়গা তৈরি করতে পেরেছে।

জানতে চাইলে আইএসপি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক বলেন, ‘ফোরজি আসার পরে বরং ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের জন্য ভালো হয়েছে। সবাই পার্থক্যটা বুঝতে সক্ষম হয়েছে।’ তিনি মনে করেন, ফোরজি হুমকি নয় বরং আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। তিনি বলেন, ‘‘আমাদেরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমরা ব্যান্ডউইথ বেশি দিতে চাই কিন্তু পারি না। ঢাকার বাইরে সমস্যা হচ্ছে বেশি। আমরা তাই প্রতিযোগিতায় না গিয়ে বরং ‘সার্ভিস বেটার’ দেওয়ার চেষ্টা করছি। ফলে গ্রাহকদের জন্য ‘কোয়ালিটি অব সার্ভিস’ ভালো হচ্ছে।’’
আইএসপি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বললেন, ‘এরই মধ্যে আইএসপিগুলোর ব্রডব্যান্ডের ব্যবহার ২০-২৫ ভাগ বেড়েছে, গ্রাহকও বাড়ছে। আমরা এই গতি নিয়ে দেশের প্রান্তিক জনগণের কাছে পৌঁছতে চাই।’

 

বিয়েবাড়ির বোরহানি কার না পছন্দ? এমন মজাদার বোরহানি বানিয়ে ফেলতে পারেন ঘরেই। খুব সহজে তৈরি করা যায় বোরহানি। জেনে নিন রেসিপি।  


উপকরণ


টক দই- ২ কাপ
পুদিনা পাতা- আধা কাপ
কাঁচামরিচ- ৪টি
ধনেপাতা কুচি- আধা কাপ
চিনি- ৩ চা চামচ
জিরার গুঁড়া- ১ চা চামচ
ধনে গুঁড়া- ১ চা চামচ
বিট লবণ- ১ চা চামচ
গোলমরিচের গুঁড়া- ১ চা চামচ
লবণ- আধা চা চামচ

প্রস্তুত প্রণালি

ব্লেন্ডারে পুদিনা পাতা, কাঁচামরিচ, ধনেপাতা কুচি দিয়ে১ মগ পানি দিয়ে দিন। উপকরণগুলো একসঙ্গে ব্লেন্ড করুন। গোলমরিচ গুঁড়া, ধনে গুঁড়া, জিরার গুঁড়া, লবণ, চিনি, টক দই দিয়ে আবার ব্লেন্ড করুন। ব্যস! তৈরি হয়ে গেল বোরহানি। পরিবেশন করুন গ্লাসে ঢেলে। ঝাল বেশি খেলে কাঁচামরিচের পরিমাণ বাড়িয়ে নিতে পারেন।

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে শিল্পীদের শ্রদ্ধাঞ্জলি 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানালেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্যরা।


শনিবার (১৭ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে অবস্থিত প্রতিকৃতিতে তারা ফুলের শুভেচ্ছা জানান। সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের নেতৃত্বে এসময় আরও ছিলেন অঞ্জনা, আলীরাজ, জ্যাকী আলমগীর, রিয়াজ, পপি, নিপুণসহ অনেকে।

এর আগে শিল্পীরা ব্যানারসহ একটি র‌্যালিতেও অংশ নেন।  
জায়েদ খান  বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্ম মানেই এই দেশটার জন্ম। তিনিই আমাদের বাংলাদেশ। জন্মদিনে এই মহান নেতাকে জানাই অনেক শুভেচ্ছা। স্মরণ করছি শ্রদ্ধাভরে।’

 নর্থ সাউথে বসছে তথ্যপ্রযুক্তি উৎসব ‘সাইবারনটস’

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাবের আয়োজনে ১৮ মার্চ থেকে তৃতীয় বারের মতো শুরু হতে যাচ্ছে তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক দেশের সবচেয়ে বড় এবং আকর্ষণীয় ইভেন্ট ‘সাইবারনটস’।


১৮ থেকে ২৫শে মার্চ পর্যন্ত ৮ দিন ব্যাপী এ অনুষ্ঠানে থাকছে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, লাইন ফলোয়ার রোবট কন্টেস্ট,ইঞ্জিনিয়ারিং প্রজেক্ট প্রদর্শনী এবং সাইবার এথলেটিক্স (গেমিং প্রতিযোগিতা)।

এবার প্রথমবারের মতো সাইবারনটস এর অন্যতম সেগমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোজেক্ট প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে স্কুল এবং কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীরাও।

স্কুল,কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের প্রায় এক হাজার প্রযুক্তি প্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হতে যাচ্ছে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গন।

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত ১২০টি দল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে। এছাড়াও লাইন ফলোয়ার রোবট কন্টেস্টে ৫৭টি দল,সাইবার এথলেটিক্সে ৩১২টি দল,বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রজেক্ট শো-কেজে ৩৫টি দল এবং স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের ৪৩টি দল অংশ গ্রহণ করছে।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের জন্য পুরস্কার হিসেবে থাকছে সর্বমোট প্রায় ৫ লক্ষ টাকার প্রাইজ মানিসহ আকর্ষণীয় সব পুরস্কার। এই আয়োজন প্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ গড়তে এবং প্রযুক্তির যুগোপযোগী ব্যবহারে তরুণদের আকৃষ্ট করে তাদের মেধা বিকাশ ঘটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমনটাই প্রত্যাশা ইভেন্টটির আয়োজক নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি কম্পিউটার অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাবের সদস্যদের।

ইভেন্ট সম্পর্কিত তথ্যের জন্যে ভিজিট করতে পারেন এই ইভেন্ট পেজে অথবা ফেসবুক গ্রুপে।

সাইবার নিরাপত্তায় রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতার সিদ্ধান্ত 

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, বিগত ৯ বছরে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছে ১০০ গুণের চেয়ে বেশি। বেড়েছে সরকারি সেবা দেওয়ার হারও। এসবের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সারা বিশ্বের মত বাংলাদেশও বাড়ছে সাইবার ঝুঁকি। তাই সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে রাশিয়ার সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।


বুধবার (১৪ মার্চ) দিবাগত রাতে রাশিয়ার মস্কোয় রুশ ফেডারেশনের যোগাযোগ ও গণমাধ্যম মন্ত্রী নিকোলাই নিকিফরেভ-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

সাইবার নিরাপত্তায় রাশিয়ান মন্ত্রী নিকিফরভের সহযোগিতা চেয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে আমরা গতিশীলতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছি। আগামী দিনেও এই কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাবে। তবে এ ক্ষেত্রে সাইবার নিরাপত্তায় রাশিয়ার সহযোগিতা প্রয়োজন।

এসময় প্রতিমন্ত্রীর আহবানে ইতিবাচক সাড়া দিয়ে নিকিফরেভ সাইবার ঝুঁকি মোকাবেলায় সম্ভাব্য সাইবার আক্রমণের আন্তরাষ্ট্রীয় আগাম তথ্য বিনিময়ে একমত পোষণ করেন ও এর প্রতিরোধে ক্ষেত্র বৃদ্ধিতে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দেন।

পরে বৈঠকে ই-গভর্নেন্স কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ করতে উভয়পক্ষ একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মস্কোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ড. এসএম সাইফুল হক, সিলেট ইলেকট্রনিকস সিটির প্রকল্প পরিচালক ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া প্রমুখ।

২০১৭ সালের ৪-৮ ডিসেম্বর যশোরের শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কালিয়াকৈরের বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি পরিদর্শন করে স্কোলকোভো ফাউন্ডেশনের হেড অব ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলারেশন প্রোগ্রাম দারিয়া লিপাতোভার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল। পরে দলটি ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭-তে অংশ নেয় এবং ৭ ডিসেম্বর প্রতিমন্ত্রী পলকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। এসময় তারা প্রতিমন্ত্রীকে রাশিয়া সফরের আহবান জানালে পলক ১২ মার্চ রাশিয়া সফরে যান।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.