টক-ঝাল-মিষ্টি স্বাদে ভারতীয় খাবার ‘কাবুলি ছোলার চাট’

আজকাল সবাই কমবেশি স্বাস্থ্যসচেতন। তবে হ্যাঁ, বিকেলবেলার নাশতায় মন যদি মুখরোচক কিছু দাবি করে বসে, তখন দেখা দেয় মুশকিল। কারণ মুখরোচক খাবার মানেই ভাজাপোড়া, অর্থাৎ অনেকটা কার্বোহাইড্রেট-ফ্যাট ও ক্যালোরি গ্রহণ করে ফেলা।


স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্সের বিষয়টি মাথায় রেখে আজ নিয়ে এলো সায়মা সুলতানার আরও একটি দারুণ রেসিপি ‘কাবুলি ছোলার চাট’। এতে তেল আছে মাত্র আধা চা চামচ, কার্বোহাইড্রেটও খুব সামান্য। প্রোটিন ও স্বাদে ভরপুর খাবারটির তৈরি করাটাও ভীষণ সহজ। ঠিক রেস্তোরাঁর মতো স্বাদ আনার কৌশল বিস্তারিত থাকছে রেসিপিতে।
 

উপকরণ

—কাবুলি ছোলা সেদ্ধ করে নেয়া ১ কাপ
—আলু সেদ্ধ করে টুকরা করে নেয়া ১/৪ কাপ (আলু খেতে না চাইলে পছন্দের অন্য সবজি দিতে পারেন)
—ধনিয়া পাতা মিহি কুচি ২ টেবিল চামচ
—পেঁয়াজ ছোট কিউব ৪ টেবিল চামচ
—কাঁচামরিচ পছন্দমতো
—আস্ত ধনিয়া দেড় চা চামচ
—আস্ত জিরা ১ চা চামচ
—আজওয়াইন আস্ত আধা চা চামচ (বাংলাতে এটাকে জৈন বলে, যদিও আজওয়াইন নামেই বাজারে পরিচিত। একরকম জিরার মতো দেখতে কিন্তু ছোট। যদি না পাওয়া যায় তাহলে বাদ দিয়েও করতে পারেন।)
—বিট লবণ আধা চা চামচ
—শুকনা মরিচ ফাঁকি আধা চা চামচ (কমবেশি করা যাবে )
—লবণ, বিট লবণ ও তেল স্বাদমতো
 

প্রণালি

—প্রথমে আস্ত ধনিয়া, আস্ত জিরা, আস্ত আজওয়াইন একটা প্যানে নিয়ে কম আঁচে হালকা লাল করে ভেজে নিন। খুব বেশিক্ষণ নয়, আধা মিনিটে হয়ে যাবে। বেশিক্ষণ ভাজলে তেতো হয়ে যাবে।

—আস্ত ভাজা মসলাগুলো এবার হামানদিস্তায় ছেঁচে নিন। একটু আধা ভাঙা করলেই হবে, মিহিদানার মতো গুঁড়া প্রয়োজন নেই।

—এখন একটা ননস্টিক প্যানে আধা চা চামচ তেল দিয়ে এতে কাবুলি ছোলা ও সেদ্ধ আলু টুকরা দিন। বাদামি করে ভাজুন। এবার এতে পেঁয়াজ কুচি, মরিচ কুচি, ধনিয়া পাতা কুচি, ছেঁচে রাখা শুকনো মসলা, বিট লবণ, স্বাদমতো লবণ, শুকনা মরিচ ফাঁকি দিয়ে দিন। ৩ থেকে ৫ মিনিট রান্না করে নামিয়ে নিন।
 

সসের জন্য

—টক দইয়ের সঙ্গে বিট লবণ, চিনি, জিরা গুঁড়া, মিহি কুচি ধনিয়া পাতা, মিহি কুচি পুদিনা আপনার স্বাদ অনুযায়ী দিন। একসঙ্গে ফেটিয়ে মিশ্রণ বানিয়ে নিন।

—বাটিতে চাট নিন এবং এর ওপর খানিকটা দইয়ের মিশ্রণ দিন। অল্প তেঁতুলের মাড় আর ভুজিয়া দিয়ে পরিবেশন করুন কাবুলি ছোলার চাট।

আজকাল সবাই কমবেশি স্বাস্থ্যসচেতন। তবে হ্যাঁ, বিকেলবেলার নাশতায় মন যদি মুখরোচক কিছু দাবি করে বসে, তখন দেখা দেয় মুশকিল। কারণ মুখরোচক খাবার মানেই ভাজাপোড়া, অর্থাৎ অনেকটা কার্বোহাইড্রেট-ফ্যাট ও ক্যালোরি গ্রহণ করে ফেলা।