জিমেইলের স্বল্প স্টোরেজ অল্প নয়

 

জিমেইলের  দেওয়া বিনামূল্যে ১৫ গিগা স্টোরেজ স্পেস ব্যবহার শেষ হলে অতিরিক্ত স্টোরেজ পেতে গুগলকে টাকা দিতে হয়। কিন্তু কিছু কৌশল অবলম্বন করলে সীমিত স্টোরেজকে আরও  কার্যকরীভাবে পরিচালনা করা যাবে। ফলে নতুন স্টোরেজ না কিনেও পুরনো স্টোরেজ ব্যবহার করে অর্থ সাশ্রয় করা যাবে। কয়েটি ধাপে কাজটি করতে হবে। নিচে ধাপগুলো আলোচনা করা হলো 


ধাপ ১: আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্টটি খুলুন।
ধাপ ২: নিচের দিকে স্ক্রল করুন। আপনি কতগুলো স্টোরেজ ব্যবহার করেছেন তা দেখতে পাবেন। নিচের দিকে থাকা ‘পরিচালনা করুন’ অপশনটি নির্বাচন করুন।

ধাপ ৩: এটি ক্লিক করার পরে, আপনাকে ড্রাইভ স্টোরেজ নামক একটি পেজে নিয়ে যাওয়া হবে। এখানে, আপনি কতগুলো স্টোরেজ ব্যবহার করেছেন এবং অতিরিক্ত স্টোরেজ কিনতে বিভিন্ন পরিকল্পনার একটি পাই চার্ট দেখতে পাবেন।

ধাপ ৪: পাই চার্টের নিচের  বিবরণ দেখুন অপশনটিতে ক্লিক করুন।

ধাপ ৫: এটি করার সময় আপনি গুগল ড্রাইভ, জিমেইল এবং গুগলফটোতে কী পরিমাণ স্টোরেজ ব্যবহার করেছেন তা আপনি দেখতে পাবেন।

ধাপ ৬: আরও জানুন অপশনটি নির্বাচন করুন।

ধাপ ৭: এটি আপনাকে গুগলড্রাইভ সহায়তা নামক একটি পেজে নিয়ে যাবে। এখানে আপনি আপনার স্টোরেজ পরিচালনা করতে পারেন কীভাবে তার একটি নির্দেশাবলী পাবেন।

ধাপ ৮: আপনার ট্র্যাশে অনেক আইটেম থাকলে, drive.google.com -এ যান এর পরে, বাম দিকে ট্র্যাশ ক্লিক করুন ট্র্যাশ খালি করুন-এ ক্লিক করুন যেন আপনি নিশ্চিত হতে পারেন আপনার ট্র্যাশ ফোল্ডারে কোনও ফাইল নেই যা আপনি উদ্ধার করতে চান।

ধাপ ৯: গুগল ড্রাইভ হেল্প -এর অধীনে বিকল্প-১ নামে একটি লিংক পাবেন সেখানে যার মাধ্যমেও আপনি জিমেইলের স্পেস খালি করতে পারবেন। ওই লিংকে ক্লিক করলে আপনি দেখতে পাবেন আপনার ফাইলগুলোর মধ্যে কোন ফাইলগুলো সর্বাধিক স্থান দখল করে আছে। এই তালিকাটি দেখে আপনি যে ফাইলগুলো আপনার ব্যবহারের জন্য না তা নির্ধারণ করতে পারবেন এবং ডিলিট করতে পারবেন।

যদি আপনার ছবিগুলো অনেক স্টোরেজ দখল করে থাকে, তাহলে গুগল ড্রাইভের সহায়তায় ফটো স্টোরেজ সম্পর্কে আরও জানুন- অপশনটিতে যান। আপনাকে একটি নতুন পেজে নিয়ে যাওয়া হবে।

ধাপ ১১: জিমেইলের ট্র্যাশ ও স্প্যাম ফোল্ডারগুলোও সাফ করুন এবং যেসব ইমেল গুরুত্বপূর্ণ নয় তা মুছে দিন।

জিমেইলের দেওয়া বিনামূল্যে ১৫ গিগা স্টোরেজ স্পেস ব্যবহার শেষ হলে অতিরিক্ত স্টোরেজ পেতে গুগলকে টাকা দিতে হয়। কিন্তু কিছু কৌশল অবলম্বন করলে সীমিত স্টোরেজকে আরও কার্যকরীভাবে পরিচালনা করা যাবে। ফলে নতুন স্টোরেজ না কিনেও পুরনো স্টোরেজ ব্যবহার করে অর্থ সাশ্রয় করা যাবে। কয়েটি ধাপে কাজটি করতে হবে। নিচে ধাপগুলো আলোচনা করা হলো