স্বেচ্ছামৃত্যুর সুবিধার্থে ‘সুইসাইড মেশিন’ আবিষ্কার

 

 নেদারল্যান্ডের রাজধানী আমস্টারডামে সংঘটিত ‘ফিউনারেল ফেয়ার’ মেলায় স্বেচ্ছামৃত্যুর সুযোগ করে দেবে এমন একটি যন্ত্র প্রকাশ করা হয়েছে। এই যন্ত্রটি তৈরি করেছেন অস্ট্রেলীয় উদ্ভাবক এবং চিকিৎসক ফিলিপ নিৎশকে।


১৫ এপ্রিল, রবিবার বিজ্ঞানবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমস্টারডামের এই মেলায় ‘সার্কো’ নামের এই যন্ত্রের প্রদর্শনী করেন ফিলিপ নিৎশকে। থ্রি-ডি প্রিন্টারে তৈরি এই যন্ত্রটি স্বেচ্ছামৃত্যুর ধরন পাল্টে দেবে বলে তিনি আশা করেন। এই যন্ত্রের সাহায্য কোনো কষ্ট ছাড়াই একজন মানুষ মৃত্যুবরণ করতে পারবেন।

‘সার্কো’ নামটি এসেছে ‘সার্কোফ্যাগাস’ শব্দটি থেকে। পাথরের তৈরি অলঙ্কৃত কফিনকে সার্কোফ্যাগাস বলা হয়। কফিনের মতো এই যন্ত্রটি একটি স্ট্যান্ডের ওপর দাঁড় করানো আছে। এর সঙ্গে সংযুক্ত আছে নাইট্রোজেনের একটি ক্যান। ফিলিপ নিৎশকে বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, স্বেচ্ছামৃত্যু চাইলে এই কফিনের ভেতরে শুয়ে একটি বোতাম চাপতে হবে। এতে ওই কফিনের ভেতরটা নাইট্রোজেনে ভরে যাবে। প্রথমে একটু মাথা ঘোরার ভাব হবে। এরপর ওই ব্যক্তি অচেতন হয়ে যাবেন এবং কিছু সময় পর মারা যাবেন।

ফিলিপ নিৎশকে নিজেকে ‘স্বেচ্ছামৃত্যু এবং ‘যুক্তিযুক্ত আত্মহত্যার’ পক্ষে একজন কর্মী মনে করেন। ‘এক্সিট ইন্টারন্যাশনাল’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে তার, যেখানে বলা হয় অসুস্থ এবং মৃত্যুপথযাত্রী একজন মানুষের অধিকার রয়েছে নিজের মৃত্যু বেছে নেওয়ার। তিনি মনে করেন, স্বেচ্ছামৃত্যু এবং আত্মহত্যা দুটোই মানুষের অধিকার। এ কারণেই সার্কো তৈরি করেছেন তিনি।

নেদারল্যান্ডের রাজধানী আমস্টারডামে সংঘটিত ‘ফিউনারেল ফেয়ার’ মেলায় স্বেচ্ছামৃত্যুর সুযোগ করে দেবে এমন একটি যন্ত্র প্রকাশ করা হয়েছে। এই যন্ত্রটি তৈরি করেছেন অস্ট্রেলীয় উদ্ভাবক এবং চিকিৎসক ফিলিপ নিৎশকে।