অনলাইনের অপব্যবহারে বাড়ছে নারী-শিশু নির্যাতন

অনলাইনের অপব্যবহারে বাড়ছে নারী-শিশু নির্যাতন  

অনলাইনের অপব্যবহারে নারী ও শিশু নির্যাতন দিন দিন বেড়েই চলেছে। গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি বছরের মার্চের মধ্যে রাজশাহীতেই নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটেছে ৪শ ৮৭টি। এর মধ্যে নারী নির্যাতন ২৭১টি ও শিশু নির্যাতন ২১৬টি। নির্যাতনের ধরন ছিল- হত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু, অপহরণ, যৌন হয়রানি, আত্মহত্যা, আত্মহত্যা চেষ্টা, নির্যাতন, ধর্ষণ ও পারিবারিক সহিংসতা। নারী ও শিশুরা যে ভয়ানক পরিস্থিতির মধ্যে অবস্থান করছে এ পরিসংখ্যান তাই নির্দেশ করে।


সম্প্রতি রাজশাহীর বেসরকারি উন্নয়ন ও মানবাধিকার সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট (এসিডি) প্রকাশিত এক জরিপ প্রতিবেদনে ভয়ঙ্কর এই তথ্য উঠে এসেছে।

এতে বলা হয়েছে, গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিপ্লব ঘটে গেছে। আর এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সমাজে যুক্ত হয়েছে শিশু নির্যাতনের নতুন নতুন উপাদান। এরই মধ্যে পরিচিত হতে হচ্ছে ‘অনলাইন যৌন শোষণ’, ‘অনলাইন বাণিজ্যিক যৌন শোষণ’ ‘সাইবারবুলিং’ ‘সেক্সটিং’, ‘সেক্সটরশন’ ইত্যাদি বিষয়াবলীর সঙ্গে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে বড়দের মতো শিশুরাও এক বিশাল তথ্য ভাণ্ডারে ঢুকে নিজের জ্ঞান ও ধারণাকে সমৃদ্ধ করতে পারে। এ প্রবেশ সুবিধা সবার জন্য অবারিত।

যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদানের এটি একটি প্রধান মাধ্যম। তবে অস্বীকার করার সুযোগ নেই এটা শিশুদের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।

এদিকে কিশোর-কিশোরী ও অল্পবয়সী ছেলে-মেয়েরা প্রযুক্তি ব্যবহারের মধ্য দিয়ে জ্ঞান অর্জন করছে।

অন্যদিকে, তারা ইন্টারনেট ও প্রযুক্তির প্রতি দিন দিনে আসক্ত হয়ে পড়ছে। সবার অজান্তে প্রতিদিন রাত জেগে বহু মূল্যবান সময় তারা এর পেছনে ব্যয় করছে।

হাতের স্মার্টফোন থাকায় অনেক শিশু নজরদারিহীন অবস্থায় অনলাইনে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে। যা তাদের সম্ভাব্য বিপদের মাত্রাকে আরও বাড়িয়েছে। এর মধ্যে সাইবার বুলিং' হচ্ছে অনলাইনে কোনো শিশুকে হেয় প্রতিপন্ন করা, ভয় দেখানো এবং মানসিক নির্যাতন করা।

শুরুতে কিশোর-কিশোরীরাই কেবল এ ধরনের কাজে জড়িত থাকে ভেবে বুলিং সংজ্ঞায়িত করা হলেও পরে দেখা যায় অনেক ক্ষেত্রে স্বনামে বা ফেক আইডির আড়ালে প্রাপ্তবয়স্ক অনেকেও এ ধরনের হীন কাজে জড়িত রয়েছে।

এছাড়া শিশুদের আবেগ-অনুভূতিকে হেনস্থা করা, মানহানি ঘটানো বা অপবাদ দেওয়া, ভয় দেখানো বা ধমকানো

অনলাইনের অপব্যবহারে নারী ও শিশু নির্যাতন দিন দিন বেড়েই চলেছে। গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি বছরের মার্চের মধ্যে রাজশাহীতেই নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটেছে ৪শ ৮৭টি। এর মধ্যে নারী নির্যাতন ২৭১টি ও শিশু নির্যাতন ২১৬টি। নির্যাতনের ধরন ছিল- হত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু, অপহরণ, যৌন হয়রানি, আত্মহত্যা, আত্মহত্যা চেষ্টা, নির্যাতন, ধর্ষণ ও পারিবারিক সহিংসতা। নারী ও শিশুরা যে ভয়ানক পরিস্থিতির মধ্যে অবস্থান করছে এ পরিসংখ্যান তাই নির্দেশ করে।