বাঙালির পাতে মাছের নানা পদ আবারও ফিরেছে নানা উপাদেয় স্বাদে। কারণ, রাজ্যে সাম্প্রতিক ভাগাড় কাণ্ডের জেরে চিকেন-মটনের প্রায় সব পদই এখন ব্রাত্য বাঙালির পাতে। তবে মাছের একঘেয়ে পদ থেকে মুক্তি পেতে বাড়িতেই বানিয়ে নিন রেস্তোরাঁর মতো সুস্বাদু অথচ সহজ রেসিপি গার্লিক ফিশ। আসুন শিখে নেওয়া যাক সুস্বাদু গার্লিক ফিশ বানানোর কৌশল।


উপকরণ ম্যারিনেশনের জন্য:


বোনলেস ভেটকি মাছ ৮ থেকে ১২ টুকরো (আপনি আপনার পছন্দের মাছ ব্যবহার করতে পারেন)

হাফ চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো

সয়া সস ১ টেবল চামচ

ভিনিগার ১ টেবল চামচ

লবণ স্বাদ মতো

ব্যাটারের জন্য উপকরণ:

ডিম ১টা

কর্ন ফ্লাওয়ার ২ টেবল চামচ

ময়দা ২ টেবল চামচ

লবণ ১ চিমটি

বেকিং পাউডার হাফ চা চামচ

ফ্রাই করার জন্য তেল

সসের জন্য:

কাঁচা মরিচ ৮টা (কুচনো)

রসুন ৮ কোয়া

সয়া সস ১ টেবল চামচ

চিলি সস ১ চা চামচ

কর্ন ফ্লাওয়ার ১ টেবল চামচ

পানি ১ কাপ

তেল ১ টেবল চামচ

গার্লিক ফিশ বানানোর পদ্ধতি:


মাছ লবণ, সয়া সস, গোল মরিচ গুঁড়ো, ভিনিগার দিয়ে হাফ ঘণ্টা ম্যারিনেড করে রাখুন।

একটা বড় বাটিতে ডিম, লবণ, কর্ন ফ্লাওয়ার, ময়দা, বেকিং পাউডার মিশিয়ে ব্যাটার তৈরি করে নিন। প্রয়োজন হলে একটু পানি দিন।

এই ব্যাটারে মাছ ডুবিয়ে সোনালি বাদামি করে ভেজে তুলুন।

এবার সস বানানোর জন্য: প্যানে তেল গরম করুন। কাঁচা লঙ্কা কুচি ও রসুন দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে পানি দিয়ে দিন।

ফুটতে শুরু করলে সয়া সস দিন। কর্ন ফ্লাওয়ার পানিতে গুলে এর সঙ্গে মিশিয়ে দিন। চিলি সস দিয়ে ঘন গ্রভি তৈরি নিন। মাছ পরিবেশন করার প্লেটে সাজিয়ে ওপর থেকে গরম এই সস ঢেলে দিন।

 

বর্তমানে তরুণীদের পোশাকে মিক্স অ্যান্ড ম্যাচের আধিপত্য। ফলে  পোশাকের ধরন বদলেছে। সিঙ্গল পিস আর সিঙ্গল কুর্তি বা টপস এখন তাই জনপ্রিয়তায় তুঙ্গে। ট্রেডিশনাল এবং পাশ্চাত্য পোশাকে নিজেদের গর্জাস লুকে উপস্থাপনার জন্য উজ্জ্বল রঙের এধরনের পোশাক থাকছে তাই আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজ-এ। সবই সমকালীন ফ্যাশন প্যাটার্ন ও কালার প্যালেট অনুসরণ করে তৈরি।


আইকনিকের উদ্যোক্তা তাসলিমা মলি জানান, টপস, কেপ বা কুর্তিতে কাট প্যাটার্নের সৌন্দর্যের পাশাপাশি হালকা এম্ব্রয়ডারি, প্রিন্টের ভ্যালু অ্যাডিশনও থাকছে আইকনিকের নতুন কালেকশনে। গ্রীষ্মকেন্দ্রিক এসব ট্রেন্ডি কালেকশনগুলোতে থাকছে বৈচিত্র্য। এসব পরা যায় অফিসে, ক্লাসে এমনকি ইনফরমাল পার্টিতেও। স্টোরের পাশাপাশি অনলাইনেও অর্ডার দেওয়া যাবে এসব পণ্য।


উল্লেখ্য, আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজ চালু করেছে ‘ফাস্ট ডেলিভারি’  সুবিধা। ব্র্যান্ডটির উত্তরা, যমুনা ফিউচার পার্ক, ধানমন্ডির স্টোরের  পাশাপাশি ফেসবুকে আইকনিক ফ্যান পেইজেও অর্ডার দেয়া যাবে এসব পণ্য। ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধাও থাকছে শর্ত সাপেক্ষে। তাই ফাস্ট ডেলিভারি সুবিধায় পণ্য পেতে অবশ্যই ভিজিট করুন ফেসবুক পেইজ।

 porn-dekle-jesob-odvut-poriborton-ghote 

ইন্টারনেট প্রযুক্তি হাতের মুঠোয় আসার পর সারা বিশ্বে পর্ন দর্শক বেড়েছে। এসব মানুষের মধ্যে অনেকে আবার পর্ন দেখাটাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যান, যা নেশায়-আসক্তিতে পরিণত হয়। কিন্তু পর্ন দেখার কারণে আপনার শরীরে কী পরিবর্তন ঘটে, তা কি জানেন?


যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসাইকাট্রিস্ট ভ্যালেরি ভুন পর্ন দেখায় দর্শকের মধ্যে পরিবর্তনগুলো পর্যবেক্ষণ করে একটি গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়-

    পর্ন দেখলে প্রথমেই তার প্রভাব পড়ে দর্শকের মস্তিষ্কে। অতিরিক্ত পর্ন দেখা আসক্তির পর্যায়ে চলে যায়, যা মাদকাসক্তির চেয়ে কোনো অংশে কম নয়।

    নিয়মিত ও অতিমাত্রায় পর্ন দেখলে ধীরে ধীরে আপনার একাধিক অভ্যাস পরিবর্তন করে দিতে পারে। একটা সময় হ্যালুসিনেশনের মাত্রা বেড়ে যায় এতে মস্তিষ্কের গ্রহণ ক্ষমতা কমে যেতে পারে।

    পর্নে অনেক কিছুই অতিরিক্ত দেখানো হয়, বাস্তবতার সঙ্গে যার মিল নেই। অতিরিক্ত পর্ন দেখলে আপনিও আপনার সঙ্গীকে অন্যভাবে কল্পনা করতে শুরু করবেন। সে ক্ষেত্রে আপনার সঙ্গীর সঙ্গে আপনার দূরত্ব তৈরি হবে।

    গবেষণা বলছে, পর্ন দেখার প্রবণতা আপনার স্মৃতিশক্তির ওপর খুবই নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ফলে অনেক কিছুই আপনি খুব সহজেই ভুলে যেতে শুরু করবেন।

    নিয়মিত পর্ন দেখার কারণে একটা নির্ভরশীলতা তৈরি করে। ফলে শারীরিক চাহিদা তৈরি হলেও কোনো একটা নির্দিষ্ট সময়ে আপনার শরীর উত্তেজিত হতে চাইবে। এটা আপনার মধ্যে এমন একটা অভ্যাস তৈরি করবে, যার ফলে শরীর ও মনকে সহজে বশে রাখতে পারবেন না।

 

‘স্প্ল্যাশ’ নামে অডিও-ভিজ্যুয়াল ডিজিটাল মিউজিক স্ট্রিমিং অ্যাপ নিয়ে এসেছে ডিজিটাল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রবি।


২৫ জুন, সোমবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে রবি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই অ্যাপটিতে রয়েছে ১৬ লাখের বেশি গান। অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস উভয় সিস্টেম ব্যবহারকারীরা অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন। এ ছাড়া ওয়াপ বা ওয়েব সংস্করণেও সেবাটি উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা।

এতে আরও বলা হয়, রবি গ্রাহকরা দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক যেকোনো ভিত্তিতে সেবাটি গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে এক মাস বিনামূল্যে ট্রায়ালের সুযোগ পাবেন। দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক-ভিত্তিতে অ্যাপটি চালানোর জন্য যথাক্রমে ২ দশমিক ৪৪ টাকা, ১২ দশমিক ১৮ টাকা ও ৩৬ দশমিক ৫৩ টাকা (কর, মূসক ও সম্পূরক শুল্কসহ) প্রদান করতে হবে এর ব্যবহারকারীকে। কন্টেন্ট ব্রাউজ করার জন্য ডেটা চার্জ প্রযোজ্য হবে।

রবির ভাষ্য, এই অ্যাপটির মাধ্যমে গান ডাউনলোড করে অফলাইনেও শোনা যাবে, বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষা ব্যবহার করায় গ্রাহকরা সহজেই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন এবং দ্রুত স্ট্রিমিং সুবিধা থাকায় তুলনামূলক দুর্বল নেটওয়ার্কেও এটি কাজ করবে।

এদিকে এই অ্যাপটিতে যেসব গান থাকবে এর জন্য সংশ্লিষ্ট গায়কের সঙ্গে রবির কোনো চুক্তি হয়েছে কিনা  তা তাৎক্ষণিক যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

যত খুশি তত খাও অফার দিয়ে দেউলিয়া রেস্তোরাঁ

সীমিত মূল্যে যত খেতে পারেন তত খাবারের আনলিমিটেড অফার বাংলাদেশেও বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় পাওয়া যায় বিভিন্ন সময়ে। চীনের এক রেস্তোরাঁ তাদের প্রচার বাড়াতে আনলিমিটেড অফার দিয়েছিল। এতে তাদের প্রচার বাড়ে বটে, কিন্তু রেস্তোরাঁর ক্রেতারা এত বেশি খাওয়া-দাওয়া করেছে যে ঋণের ভারে ডুবে বন্ধ হয়ে গেছে রেস্তোরাঁটি।


আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানায়, এই ঘটনা ঘটে চীনের চেংডু শহরের জিয়ামেনার হটপট রেস্তোরাঁয়। ওই শহরটি প্রচণ্ড ঝাল হটপট ধরনের খাবারের জন্য পরিচিত। হটপটের নিয়ম হলো, কিছু কাটা সবজি, মাংস বাটিতে বাটিতে দেওয়া হয় এবং টেবিলের মাঝখানে একটি বড় পাত্রে ফুটন্ত স্যুপ থাকে। এই স্যুপে সেসব সবজি ও মাংস ডুবিয়ে ডুবিয়ে খাওয়া হয়।

জিয়ামেনার হটপট রেস্তোরাঁটি ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে খোলে। এরপর ২০১৮ সালের ১ জুন থেকে তারা আনলিমিটেড অল-ইউ-ক্যান-ইট অফার দেয়। এই অফারের আওতায়, মাসে কেবল ১২০ ইউয়ান দিয়ে রেস্তোরাঁর সদস্যপদ নিলেই সে ব্যক্তি যত খুশি খেতে পারবেন।

রেস্তোরাঁর এক মালিক, সু জি জানান, রেস্তোরাঁর ওই অফারে বিপুল সাড়া পাওয়া যায়। প্রতিদিন পাঁচশোরও বেশি নতুন ক্রেতা পায় তারা। সকাল ৮টা থেকে ক্রেতার ভিড় জমে রেস্তোরাঁর সামনে। কিন্তু এসব ক্রেতা এত বেশি খাওয়া শুরু করে যে ১১ জুন নাগাদ রেস্তোরাঁর ঋণ জমে ওঠে ৭৬ হাজার ডলার পর্যন্ত। ফলে মালিকরা রেস্তোরাঁটি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।

এত বড় সমস্যা হবার কারণ, ক্রেতারা নিজেদের সদস্য কার্ডটি নিজে ব্যবহার করার পাশাপাশি আত্মীয় ও বন্ধুদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন। ফলে একই কার্ডের অধীনে একাধিক মানুষ খাওয়া শুরু করেন। ফলে রেস্তোরাঁটি মানুষের খাওয়ার চাহিদা পূরণে ঋণে পড়ে যায়।

রেস্তোরাঁর একজন বেয়ারা জানান, অনেক ক্রেতা ইচ্ছেমত খাওয়ার পর আবার বড় ব্যাগে ভরে খাবার বাড়িতেও নিয়ে যায়।

ওই রেস্তোরাঁ কবে খুলবে, আদৌ খুলবে কিনা তা জানা যায়নি। তবে রেস্তোরাঁ খুললে সদস্যরা  কিছুটা ছাড়ে খাবার কিনতে পারবেন। তবে আগের মতো আনলিমিটেড অফারটি আর থাকছে না।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.